খেলা

  • অথচ ফুটবলটাই ছাড়তে চেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক

    অথচ ফুটবলটাই ছাড়তে চেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক

    গুরুতর চোটের কারণে একসময় ফুটবলকেই বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস। তবে জীবনের এক বিশেষ মুহূর্ত বদলে দেয় তাঁর সব ভাবনা। কন্যাসন্তান জন্মের পর নতুন করে লড়াইয়ের শক্তি খুঁজে পান আর্জেন্টিনার এই ডিফেন্ডার।

    কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেরা ৩২-এর ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আর্জেন্টিনাকে রাউন্ড অব সিক্সটিনে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মার্তিনেস। অথচ মাত্র এক বছর আগেও হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যাওয়ায় তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অকপটে নিজের মানসিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন মার্তিনেস। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব খারাপ অবস্থায় ছিলাম। এমনকি অবসর নেওয়ার কথাও ভেবেছিলাম।’

    কন্যাসন্তানের জন্ম যেন মার্তিনেসের অন্ধকার সময়ে আলোর দিশা হয়ে আসে। এই প্রসঙ্গে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা বলেন, ‘তারপর আমার মেয়ের জন্ম হলো, আর সবকিছুই ভারসাম্যে ফিরে এল।’

    স্ত্রীর সন্তান জন্ম দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা মার্তিনেসের মানসিকতাই বদলে দেয়, ‘আমি আমার স্ত্রীকে সন্তান জন্ম দিতে দেখেছি এবং এর জন্য তিনি কতটা পরিশ্রম করেছেন, তা দেখেছি। তখনই আমি নিজেকে বলেছিলাম, ‘আমি কীভাবে লড়াই চালিয়ে না যেতে পারি?’

    চোট কাটিয়ে যে দারুণভাবেই ফিরেছেন, চলমান বিশ্বকাপের সেটার প্রমাণ দিচ্ছেন মার্তিনেস। রক্ষণভাগে নিজের স্বাভাবিক দৃঢ়তা ও নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আর্জেন্টিনা দলের অবিচ্ছেদ্য সদস্য হয়ে উঠেছেন তিনি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেরা ৩২-এর ম্যাচে যোগ করা সময়ে তাঁর গোলেই দ্বিতীয়বারের মতো এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। এরপর অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হয়।

  • ‘কেপ ভার্দে ম্যাচই শেষ’ ধরে খেলার আহ্বান ডি পলের 

    ‘কেপ ভার্দে ম্যাচই শেষ’ ধরে খেলার আহ্বান ডি পলের 

    ‘মনোযোগ থাকবে শুধুই কেপ ভার্দে ম্যাচে। আর কোন কিছুতে নয়।’ আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল সতীর্থদের এভাবেই সতর্ক করেছেন। দলের তরুণ সতীর্থদের তিনি বলেছেন- এই জার্সি পরাই শেষ পরা হতে পারে। এভাবেই তিনি এতো বছর খেলে এসেছেন বলেও মন্তব্য করেন।

    শনিবার মায়ামিতে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টার কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে ডি পল বলেন, ‘আগামী ম্যাচের বাইরে কিছু ভাবলে তা বড় ভুল হবে। আগামী ম্যাচই শেষ ম্যাচ হতে পারে। এভাবেই আমি দেখে আসছি। কিন্তু এটাই যেন শেষ ম্যাচ না হয়, সেজন্য যা যা করণীয় আমি করবো। এটাই আমার মানসিকতা।’

    এবারের বিশ্বকাপে এরই মধ্যে একাধিক অঘটন ঘটে গেছে। টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করেছে প্যারাগুয়ে। টুর্নামেন্টের ফেবারিট নেদারল্যান্ডস টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরেছে। ইংল্যান্ডকে ডিআর কঙ্গো, বেলজিয়ামকে প্রায় রুখে দিয়েছিল সেনেগাল। এসব থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়া ডি পল। আকাশি-সাদা জার্সির জন্য সর্বস্ব বাজি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা তরুণদের বলছি, এই যে জাতীয় দলের জার্সি পরে নামছো, এটাই শেষ ম্যাচ হতে পারে। যেন শেষ ম্যাচ না হয়, সেটা নিশ্চিত করেই খেলো। এভাবেই আমি গত আট-নয় বছর খেলে আসছি। এই জার্সি পরলে আমি কখনো পিছনে ফিরে তাকাই না। দেশের হয়ে খেলা, জাতীয় দলের জার্সি পরা সর্বোচ্চ সম্মান। এটার জন্য সর্বোচ্চ দিয়ে খেলতে হবে।’

  • বিশ্বকাপে এমবাপ্পের নতুন রেকর্ড

    বিশ্বকাপে এমবাপ্পের নতুন রেকর্ড

    ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের জয় প্রত্যাশিত ছিল। কিলিয়ান এমবাপ্পের রেকর্ড গড়া ম্যাচে ৩–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায় ফ্র্যান্স। জোড়া গোল করে ফরাসি অধিনায়ক দলকে শেষ ষোলোতে তুলেছেন।

    বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ডে গড়েন ২৭ বছর বয়সী এই অধিনায়ক।

    সুইডেনের বিপক্ষে দুই গোল করায় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯। এর আগে ৮টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে এই রেকর্ডের শীর্ষে ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও এবং ব্রাজিলের আরেক কিংবদন্তি লিওনিদাস। তাদের ছাড়িয়ে এখন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বাধিক গোলের একক মালিক এমবাপ্পে।

    শুধু এই রেকর্ডই নয়, চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যাও বাড়িয়ে ৬-এ নিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। ফলে এবারের আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিনি এখন লিওনেল মেসির সমান। দুজনেরই গোলসংখ্যা ৬।

    সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে এমবাপ্পের মোট গোল এখন ১৮। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় লিওনেল মেসির ১৯ গোলের রেকর্ড থেকে তিনি এখন মাত্র এক গোল পিছিয়ে। বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে শেষ ষোলোতেই সেই ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলতে পারেন ফরাসি মহাতারকা।

  • ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে ওয়েব সিরিজ

    ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে ওয়েব সিরিজ

    বিশ্বকাপ এলেই দেশের অলিগলি থেকে শুরু করে সবখানেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের তুমুল উন্মাদনা দেখা যায়। চলে প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে তুমুল তর্ক-বির্তক, পতাকা টানানো। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপ পরিণত ভিন্ন এক উৎসবে। সেই চেনা বাস্তবতাকেই পর্দায় তুলে আনছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’। খেলা হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মাঠে, কিন্তু সমর্থকদের উন্মাদনায় যেন আরেকটি বিশ্বকাপ বসে বাংলাদেশের পাড়া-মহল্লায়। সেই গল্পই হাস্যরসের মোড়কে তুলে ধরা হবে ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’-এ।

    সিরিজটি পরিচালনা করেছেন তারিক মুহাম্মাদ হাসান। এতে অভিনয় করেছেন ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া, তাসনুভা তিশা, লামিমা লাম, শরাফ আহমেদ জীবন, সহীদ উন নবী ও ইশতিয়াক আহমেদ রোমেল।

    নির্মাতা তারিক মুহাম্মাদ হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের মহল্লাগুলোতে বিশ্বকাপ এলেই যে মজার মজার ঘটনা ঘটে, সেগুলোই সিরিজে তুলে ধরা হয়েছে।’

    ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’র মাধ্যমে প্রথমবার অভিনয়ে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। অভিনয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জানান, এর আগে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও নাটক বা সিরিজে অভিনয় এবারই প্রথম।

    জামাল বলেন, ‘এর আগে কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও নাটকে বা সিরিজে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম।’

    অভিনয়ের অভিজ্ঞতাকে ‘ম্যাজিক্যাল’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘পুরো বিষয়টি বেশ ম্যাজিক্যাল লাগছে। ক্যামেরার সামনের অভিনয়ের ব্যাপারটা সহজ নয়।’

    নিজের অভিনয় নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া নিয়েও বেশ খোলামেলা জামাল। তিনি বলেন, ‘আমার অভিনয় দেখে দর্শকরা মজা করুক, মিমস বানাক, ট্রল করুক- তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই।’

    জানা গেছে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে আগামী ৭ জুলাই থেকে সিরিজটি স্ট্রিমিং শুরু হবে। আট পর্বের এই সিরিজের প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ মিনিট।

  • মেসির জন্মদিনে চিঠি লিখে স্বপ্ন পূরণ ৮ বছরের খুদে মানুর

    মেসির জন্মদিনে চিঠি লিখে স্বপ্ন পূরণ ৮ বছরের খুদে মানুর

    লিওনেল মেসির ৩৯তম জন্মদিনে ৮ বছর বয়সি খুদে ভক্ত মানু লিটভির লেখা একটি চিঠি আবেগাপ্লুত করেছিল পুরো আর্জেন্টিনাকে। আবেগঘন এক চিঠির সুবাদে আর্জেন্টিনার ম্যাচ মাঠে বসে দেখার আমন্ত্রণ পেয়েছেন ৮ বছর বয়সী মানু লিতভি।

    বিখ্যাত স্ট্রিমিং অনুষ্ঠান ‘সেরিয়া ইনক্রিবল’-এ পড়ে শোনানো সেই চিঠিটি মেসির প্রতি মানুর নিখাদ ভালোবাসা ও মুগ্ধতার কারণে রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

    আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় তারকা জুটি পাউলা চাভেস এবং পেদ্রো আলফনসো খুদে মানুকে এমন এক সারপ্রাইজ উপহার দিলেন যা সে কখনো কল্পনাও করেনি। মানু এবং তার পুরো পরিবার আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গ্যালারিতে বসে সরাসরি আর্জেন্টিনা দলকে সমর্থন জোগানোর টিকিট ও আমন্ত্রণ পেয়েছে!

    স্ট্রিমিং স্টুডিওতে এই অবিশ্বাস্য খবরটি পাওয়ার পর নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেনি খুদে মানু। চোখের পানি মুছতে মুছতে সে জড়িয়ে ধরে তার বাবা-মাকে, আর পুরো স্টুডিও তখন ফেটে পড়ে করতালিতে।

    মানু তার চিঠিতে লিখেছিল, ‘তোমার খেলার শৈলী তো বটেই, তবে একজন মানুষ হিসেবে তুমি যেমন—সেটাই আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।’

    চিঠির সবচেয়ে আবেগঘন অংশটি ছিল কাতার ২০২২ বিশ্বকাপ জয়কে ঘিরে। মানু লিখেছিল, ‘তুমি যখন বিশ্বকাপ জিতলে, তখন আমাদের মতোই কেঁদেছিলে। তোমার সেই কান্না আমাকে শিখিয়েছে যে বড় বড় মানুষেরাও আবেগী হন এবং কঠোর পরিশ্রম করলে তার ফল একদিন পাওয়াই যায়।’

  • স্পেনের পুরোনো হিসাব চুকানোর ম্যাচ

    স্পেনের পুরোনো হিসাব চুকানোর ম্যাচ

    ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণভাগ যখন চেনা ছন্দে ডানা মেলে, তখন প্রতিপক্ষের ডাগআউটে স্বস্তি থাকার কথা নয়। লামিনে ইয়ামালের পায়ের জাদু আর রদ্রি-পেদ্রিদের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে থাকা স্পেনের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে যেকোনো দলেরই একটু কেঁপে ওঠার কথা। উরুগুয়ে ও সৌদি আরবকে যেভাবে ‘লা রোহা’রা শাসন করেছে, তাতে আজ রাত ১টায় শুরু হতে যাওয়া লস অ্যাঞ্জেলেসের ম্যাচে অনেকেই হয়তো অস্ট্রিয়ার কোনো সুযোগই দেখছেন না।

    খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো দলগুলোই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কাগজে-কলমে হয়তো স্পেনই যোজন যোজন এগিয়ে, কিন্তু নকআউটের এই মঞ্চে ফেবারিটের তকমা যে কত দ্রুত অর্থহীন হয়ে যেতে পারে, তা দেখা গেছে অনেকবার। স্পেন সেটা ভালোভাবেই বোঝে।

    কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা স্প্যানিশরা অবশ্য চেনা রূপে ফিরতে বেশি সময় নেয়নি। ইয়ামালের জাদুকরি পায়ের ছোঁয়ায় সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পরই মূলত তাদের আক্রমণভাগ আসল ধার ফিরে পায়। এরপর উরুগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়টি তাদের এনে দেয় গ্রুপ ‘এইচের’ শীর্ষ স্থান।

    মাঠের সেই তুমুল লড়াই প্রসঙ্গে পাউ কুবারসি বলেন, ‘আমরা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী। উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি একটি যুদ্ধ ছিল, তবে এটি আমাদের এই আত্মবিশ্বাসও দিয়েছে যে আমরা লড়াই করতে জানি। আমাদের ভেতরে সেই লড়াকু মানসিকতা আছে, আর আমার মনে হয়, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

    অস্ট্রিয়ার এই পর্যন্ত আসার গল্পটা যেন কোনো রোমাঞ্চকর উপন্যাসের পাতা থেকে উঠে আসা। জর্ডানকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার পর লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার কাছে ২-০ গোলের হারে এক ধাক্কায় মাটিতে আছড়ে পড়েছিল তারা। তবে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল এক অবিশ্বাস্য নাটকে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সাশা কালাইদজিচের সেই সমতাসূচক গোল অস্ট্রিয়াকে এনে দিয়েছে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ।

    তবে নকআউটের কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের শক্তি খুব একটা ভাবছেন না অস্ট্রিয়ান অধিনায়ক ডেভিড আলাবা। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ধরনের ম্যাচের জন্যই তো স্বপ্ন বুনেছেন তিনি। নিজের রোমাঞ্চ লুকিয়ে না রেখে আলাবা বলেন, ‘টুর্নামেন্টের ব্র্যাকেট তো আর আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। তা ছাড়া বিশ্বকাপে আপনি আসেনই এই ধরনের ম্যাচ খেলার জন্য। এই প্রতিযোগিতায় আপনাকে কেবল সেরা দলগুলোরই মুখোমুখি হতে হবে এবং আপনি যত সামনে এগোবেন, প্রতিপক্ষ তত কঠিন হবে। আমরা এই ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছি; আমরা শতভাগ অনুপ্রাণিত এবং জয়ের উদ্দেশ্য নিয়েই মাঠে নামব। আমরা জানি আমাদের সেরা ফর্মে থাকতে হবে এবং এটি একটি অত্যন্ত কঠিন লড়াই, তবে ফুটবলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’

    দুই দলের দ্বৈরথে স্পেনের আধিপত্যই চোখে পড়বে। এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৬ বারের মুখোমুখি দেখায় স্প্যানিশরা জিতেছে ৯ ম্যাচে। বিপরীতে অস্ট্রিয়ার জয় চারটিতে, আর বাকি ৩ ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রয়ে। তবে ১৯৭৮ বিশ্বকাপে একমাত্র দেখায় অস্ট্রিয়া ২-১ ব্যবধানে জিতে স্তব্ধ করে দিয়েছিল স্পেনকে।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের এই ম্যাচ তাই স্পেনের জন্য যেমন পুরোনো হিসাব চুকানোর মঞ্চ, অস্ট্রিয়ার জন্য তেমনি চার দশক আগের সেই গৌরবের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর হাতছানি।

  • সুখবর পেল আর্জেন্টিনা

    সুখবর পেল আর্জেন্টিনা

    বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরুর আগে স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন দলের নির্ভরযোগ্য সেন্টারব্যাক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সবকিছু ঠিক থাকলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচেই তাঁকে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে।

    আগামী ৪ জুলাই ভোরে মায়ামি স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের বিপক্ষে খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, তার আগে দলীয় অনুশীলনে অংশ নেন রোমেরো। সব ধরনের শারীরিক পরীক্ষায় পাস করেছেন তিনি। তবে এই ডিফেন্ডারকে নিয়ে শেষ অনুশীলনের আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি লিওনেল স্কালোনি। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, কেপ ভার্দের বিপক্ষে নিকোলাস ওতামেন্দির পরিবর্তে রোমেরোকে শুরুর একাদশে ফেরাতে চান স্কালোনি।

    অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে ডান হাঁটুতে চোট পান রোমেরো। সতর্কতার অংশ হিসেবে জর্ডানের বিপক্ষে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টটেনহাম হটস্পারের হয়ে খেলার সময় একই হাঁটুর ল্যাটারাল লিগামেন্টে মচকানোর চোটেও ভুগেছিলেন তিনি।

    রোমেরোর ফেরা নিশ্চিত হলেও আক্রমণভাগ নিয়ে এখনো ভাবতে হচ্ছে স্কালোনিকে। লিওনেল মেসির সঙ্গী হিসেবে কে খেলবেন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আর্জেন্টিনার কোচের জন্য। লাউতারো মার্তিনেস কিছুটা এগিয়ে থাকলেও হুলিয়ান আলভারেসও সমানভাবে কোচের বিবেচনায় আছেন। কোচিং স্টাফ এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    বাম প্রান্তের রক্ষণেও থাকতে পারে চমক। নিকোলাস তালিয়াফিকো কাফের চোট কাটিয়ে জর্ডানের বিপক্ষে খেলেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ের ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের কারণে শুরুর একাদশে জায়গা পেতে পারেন ফাকুন্দো মেদিনা, দাবি টিওয়াইসি স্পোর্টসের।

    অন্যদিকে মাঝমাঠ নিয়ে স্কালোনির ভাবনা অনেকটাই পরিষ্কার। রদ্রিগো দে পল, আলেক্সিস মাক আলিস্তার, এনসো ফার্নান্দেস ও থিয়াগো আলমাদাকে নিয়েই মাঝমাঠ সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে এই কোচের।

  • বিশ্ব ফুটবলমঞ্চে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ের গল্প

    বিশ্ব ফুটবলমঞ্চে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ের গল্প

    বিশ্ব ফুটবল মঞ্চে একটি খেলাকে ঘিরে এতো আলোচনা আর কখনও হয়েছে—এমনটা জানা নেই। এটা এমনই এক লড়াই যা ডেভিড বনাম গোলিয়াথ বা রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। একদিকে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, ফুটবলের অবিসংবাদিত পরাশক্তি আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট দীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। যারা এই প্রথমবার বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে পা রেখে ইতিহাস গড়েছে। ফুটবল পণ্ডিতরা বলছেন, এটি শুধু ফুটবল ম্যাচ নয়। এটি হলো অভিজ্ঞতা আর এক নতুন স্বপ্নের রোমাঞ্চকর লড়াই। অভিজ্ঞতার দিক থেকে এটি আকাশ-পাতাল তফাৎ। দুই দলের অভিজ্ঞতা যোগ করলে মনে হবে—একপাশে রয়েছে হিমালয় পর্বত, আর অন্যপাশে ছোট মাটির ঢিবি। আর্জেন্টিনার এটা ১৮তম বিশ্বকাপ। মোট তিনবার তারা বিশ্বসেরার মুকুট মাথায় পরেছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে একশটিরও বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা তাদের। অনেকেই কেপ ভার্দেকে পুঁচকে বলে বর্ণনা করছেন। তারাই এখন বলছেন, এই লড়াই হতে যাচ্ছে মহাশক্তি বনাম এক রূপকথার। মায়ামি স্টেডিয়ামে কী হবে তা নিয়েই যত হিসেব-নিকেশ। পাঁচ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার এই দ্বীপ রাষ্ট্র কেপ ভার্দের জন্য এটিই প্রথম বিশ্বকাপ। এর আগে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে তারা কয়েকবার চমক দেখিয়েছে বটে। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা তাদের একেবারেই নেই। পরিসংখ্যানের এই বিশাল ব্যবধান আর্জেন্টিনাকে অনেক এগিয়ে রেখেছে। তাই মাঠের লড়াইয়ে নামার আগেই মানসিক দিক থেকে তারা বেশ চাঙ্গা। আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দের এই লড়াইয়ের পেছনে রয়েছে এক অদ্ভুত ভৌগোলিক ও ফুটবলীয় ইতিহাস।

    আর্জেন্টিনা ফুটবলকে ধর্ম মনে করে। ম্যারাডোনা ও মেসির মতো কিংবদন্তির জন্ম দিয়েছে। কেপ ভার্দের ফুটবল মূলত পর্তুগালের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। একসময় কেপ ভার্দের সেরা ফুটবলাররা পর্তুগালের হয়ে খেলতেন। পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার নানির (Nani) জন্ম এই কেপ ভার্দেতেই। তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন সেরা ফরওয়ার্ড ছিলেন। গত এক দশকে নিজেদের ফুটবলকে নতুন করে সাজিয়েছে দ্বীপ রাষ্ট্রটি। প্রবাসে থাকা প্রতিভাদের একত্র করেছে। কেটেছে বিশ্বকাপের টিকিট। আর্জেন্টিনার আভিজাত্যের বিপরীতে কেপ ভার্দের এই উঠে আসার গল্প ফুটবল ভক্তদের চোখে পানি এনে দেয়। কেপ ভার্দে- আর্জেন্টিনার সঙ্গে কোনো হিসেবেই মিল নেই। আর্জেন্টাইন শিবিরের মোট বাজার মূল্য বিলিয়ন ডলারের ওপরে। অন্যদিকে কেপ ভার্দের পুরো দলের মূল্য যে কোনো একজন বেঞ্চের খেলোয়াড়ের মূল্যের চেয়েও কম। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে রয়েছেন বিশ্বসেরা তারকারা। যারা ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। সেখানে কেপ ভার্দের ভরসা তাদের অধিনায়ক রেকর্ড গোলদাতা রায়ান মেন্দেসের মতো সৈনিক। এছাড়া ইউরোপের মাঝারি সারির ক্লাবে খেলা কিছু লড়াকু ফুটবলার।

    গোলরক্ষক ভোজিনিয়া বাড়তি শক্তি কেপ ভার্দের। ভোজিনিয়াকে চীনের গ্রেটওয়ালের সঙ্গে তুলনা করা হয়। চল্লিশ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক মেসিদের গোলার মতো শটগুলো কীভাবে রুখে দেন, তাই দেখার বিষয়। তাদের অবশ্য হারাবার কিছু নেই। জয়ের আকাঙ্ক্ষা আছে। রয়েছে লড়াইয়ের প্রস্তুতি। আমরা সবাই জানি, ফুটবলের নিষ্ঠুর সত্য হচ্ছে—আবেগ দিয়ে জয় পাওয়া যায় না। আর্জেন্টিনার মতো দলের রক্ষণভাগ তছনছ করা প্রায় অসম্ভব। আর সেখানে যদি মেসির পায়ে বল থাকে—তাহলে তো কথাই নেই। আর্জেন্টিনা এই ম্যাচে পরিষ্কার হট ফেভারিট। কেপ ভার্দেকে নিয়ে আবার অনেকেই আত্মবিশ্বাসী। মঙ্গলবার ডালাস এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে ভিয়েতনামী সাংবাদিক ত্রুং-এর সঙ্গে কথা হয়। যিনি ছয়টি বিশ্বকাপ কাভার করেছেন। তার মতে, কেপ ভার্দে যদি প্রথম ২০ মিনিট গোল না খেয়ে টিকে থাকতে পারে, তাতেই একটি মহাকাব্যিক লড়াইয়ের সাক্ষী হবে বিশ্ব ফুটবল। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

  • নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা

    নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা

    সহজ ছিল না পথটা, তবে বেশ লড়াই করেই ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন শহরের এনআরজি স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সেলেসাওরা।

    দলের জয়ে গোল করে ত্রাণকর্তা হন ক্যাসেমিরো ও মার্তিনেল্লি। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এবার তাদের মুখোমুখি হতে হবে ‘ডার্ক হর্স’ নরওয়ের।অন্যদিকে, শেষ ষোলোর লড়াইয়ে টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।

    বুধবার (১ জুলাই) আটলান্টা স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংলিশরা। দলের জয়ে জোড়া গোল করে ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

    এই জয়ের মাধ্যমে শুধু পরের রাউন্ডেই পা রাখেনি ইংল্যান্ড, বরং ঘুচেছে দীর্ঘদিনের এক অস্বস্তিকর রেকর্ডও। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। ১৯৯০ সালের সেই আসরে ক্যামেরুনকে অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচে হারিয়েছিল তারা।

    আর মঙ্গলবার (৩০ জুন) মেক্সিকো ২-০ ব্যবধানে ইকুয়েডরকে বিদায় করে নিজেদের রাউন্ড অব ১৬ নিশ্চিত করেছে।

    আগামী রোববার (৫ জুলাই) রাউন্ড অব ১৬-র খেলায় নরওয়ের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এই ম্যাচে নরওয়েকে হারাতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড বনাম মেক্সিকো ম্যাচের জয়ী দলের।

  • আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ধর্ষণের অভিযোগ কেপভার্দে অধিনায়কের বিরুদ্ধে

    আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ধর্ষণের অভিযোগ কেপভার্দে অধিনায়কের বিরুদ্ধে

    বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের আগে বড় সমস্যায় কেপ ভার্দে। দলটির অধিনায়কের বিরুদ্ধেই উঠেছে ধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তি হতে পারে।

    ব্রাজিলের সংবামাধ্যম ‘গ্লোবো’ এই খবর জানিয়েছে। চলতি বছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে ফিফা সিরিজ চলাকালীন কেপ ভার্দে দলের সঙ্গে যুক্ত এক তরুণী রায়ানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগ করেছেন। তিনি কেপ ভার্দে দলে দোভাষীর কাজ করছিলেন।

    ওই তরুণীর অভিযোগ- হোটেলে তার ঘরে জোর করে ঢুকে তাকে ধর্ষণ ও মারধর করেছেন রায়ান। এই ঘটনার পর তিনি কেপ ভার্দে দলের তিন কর্তাকে বিষয়টি জানান। কিন্তু কেউ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তারপর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তার যৌনাঙ্গ, গলা ও মুখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে রায়ানের বিরুদ্ধে কী কী ধারায় অভিযোগ হয়েছে তা জানা যায়নি।

    ‘ইউএসএ টুডে’ জানিয়েছে, এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিউজিল্যান্ডের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ফিফা। তবে এর বাইরে এখনই কিছু বলতে চায়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণক সংস্থা।

    এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে স্পেন, উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়েছে তারা। তিনটি ম্যাচ ড্র করে রাউন্ড অফ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে কেপ ভার্দে। নকআউটে কেপ ভার্দের সামনে বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কঠিন লড়াইয়ের আগে বিপাকে কেপ ভার্দে।