উচ্চ শিক্ষা

  • পরীক্ষায় নকল করার তালিকায় এবারো শীর্ষে ভিক্টোরিয়া কলেজ

    পরীক্ষায় নকল করার তালিকায় এবারো শীর্ষে ভিক্টোরিয়া কলেজ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় নকল করার তালিকায় এবারো কুমিল্লার দুই কলেজ শীর্ষ স্থানে রয়েছে। কলেজ দুইটি হলো: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ। কলেজ দুইটিতে ১০ জন করে শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে মোট ২৮৭ জন পরীক্ষার্থীকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভার কার্যবিবরণীতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    চিঠি অনুযায়ী, কুমিল্লার পরের অবস্থানে রয়েছে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ। এ কলেজের তালিকায় ৯ পরীক্ষার্থী রয়েছেন। তাদেরও বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হয়েছে

    তে বলা হয়েছে, ১১ আগস্ট দুপুর ১২টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহের সভাপতিত্বে তার সভাকক্ষে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার বিভিন্ন কলেজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পর্যবেক্ষক, প্রধান পরীক্ষক বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার লক্ষ্যে পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভাপতি সভায় উপস্থিত সদস্যদেরকে স্বাগত জানিয়ে সভার আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করেন। বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষায় বিভিন্ন কলেজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পর্যবেক্ষক, প্রধান পরীক্ষক কর্তৃক বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত অনুপস্থিতি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসহ উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব, নকলের আলামত ইত্যাদি উপস্থাপন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব, তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে প্রাপ্ত আলামত ইত্যাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিস্তারিত আলোচনা-পর্যালোচনা করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ক্রেডেনসিয়াল অনুযায়ী অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধারায় শাস্তি আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

  • দলীয় বিবেচনায় ভিসি নিয়োগে তেলেসমাতি

    দলীয় বিবেচনায় ভিসি নিয়োগে তেলেসমাতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আইনের ব্যত্যয়বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ উপাচার্য (ভিসি)। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভিসির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই পদে নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। নিয়োগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন বাতিল, মাসের মধ্যে ভিসিকে সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

    বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীকে ভিসি পদে বসানো হয়েছে। এ ছাড়াও বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগে ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, গবেষণা ও একাডেমিক ডিগ্রিকে খুব বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। নিয়োগ পাওয়া এসব ভিসির অনেককে ঘিরে রয়েছে নানা বিতর্ক।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৩০টি পদে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত পছন্দ, দলীয় ঘনিষ্ঠতা, সুপারিশ ও তদবিরের অভিযোগ রয়েছে। কোনো কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে, যা টাকার অঙ্কে ৫ কোটি পর্যন্ত। দেশের একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সিন্ডিকেট এসব নিয়োগে সক্রিয় ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল, দলীয় পরিচয় বা কোটায় নয়-মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ভিসি নিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে। কিন্তু ঘটেছে উলটো। দলীয় আনুগত্য ও বিষয়ভিত্তিক-একাডেমিক দক্ষতার ঘাটতি থাকা ব্যক্তিদেরও এ পদে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার পরিবর্তন হলেই দলীয় শিক্ষকরা ভিসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। এজন্য যা যা করা দরকার তারা সব ধরনের চেষ্টাই করেন। এভাবে কেন তারা নিয়োগ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেন-এমন প্রশ্নেরও জবাব রয়েছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ, টেন্ডার, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ এসব কাজে বিপুল অঙ্কের অর্থের লেনদেনের ঘটনা ঘটে। ফলে ভিসি পদটি হয়ে উঠেছে লোভনীয়। আর এসব উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এভাবেই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটানোর কাজটি ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং থেকে ছিটকে পড়েছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

    আইন লঙ্ঘন করে নিয়োগ : গাজীপুর ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশের (ইউএফটিবি) ভিসি হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে রয়েছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে খ্যাতিসম্পন্ন ও প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে ভিসি হিসাবে নিয়োগ দিতে হবে। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসাবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. মো. জাকির হুসাইন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি পদে নিয়োগ প্রদান করতে হবে-আইনে এমনটিই বলা আছে। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ এমন একজনকে ভিসি নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মানা হয়নি। একই ভাবে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ এমন একজন ব্যক্তিকে উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করার আইনটি এখানেও উপেক্ষিত।

    অপরদিকে, কয়েকটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগে বিশেষ যোগ্যতার উল্লেখ না থাকার সুযোগ নিয়েছে নিয়োগ কমিটি। সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়া হয় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলামকে। পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়েছেন ড. মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় আইনে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। এ সুযোগ থাকায় একাডেমিক অভিজ্ঞতাকে পাশ কাটিয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে ব্যবসা প্রশাসন বা মানবিক বিভাগের শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা।

    নিয়োগ দিয়ে ফের বাতিল : নিয়োগের অসঙ্গতির বড় দৃষ্টান্ত বেগম রোকেয়া ও জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ ও বাতিলের ঘটনা। ১৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমানকে চার বছরের জন্য বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই নিয়োগ বাতিল করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. শওকত আলীকে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। একই দিনে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ পান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া। দায়িত্ব গ্রহণের ২৩ দিনের মাথায় ৬ জুন তাকে ভিসি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক মো. আমির হোসেনকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাইও করা হয়নি বলে জানা যায়।

    রাজনৈতিক পরিচয় যখন হাতিয়ার : সাম্প্রতিক ভিসি নিয়োগ নিয়ে সবচেয়ে বড় অভিযোগ রাজনৈতিক পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্টদের দাবি, উপাচার্য নিয়োগে যোগ্যতার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্য ও ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এমন অভিযোগের মাঝেই আলোচনায় আসে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাতের ঘটনা। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন চারজন সদস্য পদ পাওয়ায় ভিসির অফিশিয়াল প্যাডে ১৭ আগস্ট পৃথক অভিনন্দন বার্তা জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদটি নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক হলেও কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানোয় তার নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক নিয়োগকৃত ভিসিদের মধ্যে অন্তত ৯০ শতাংশই রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়েছে এবং ৩০ শতাংশ নিয়োগ হয়েছে যোগ্যতা-দক্ষতা ও একাডেমিক মেধার ভিত্তিতে।

    দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য ২ এপ্রিল ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ভিসি নিয়োগে অনিয়ম বা বিতর্কের বিষয়ে জানতে কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. মোর্শেদ হাসানকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। কমিটির অপর সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমি এসব বিষয়ে খুব বেশি কিছু জানি না।

    ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ বলেন, ভিসি নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যারা এ পদের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন বা তদবির করেন, সবার আগে তাদের বাদ দেওয়া উচিত। এ পদে আবেদন করে আসা উচিত নয় বলেও মনে করেন তিনি। তার মতে, আওয়ামী লীগ আমলের মতো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবার অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা ফিরে আসবে কিনা, সেটিও এখন বড় উদ্বেগের বিষয়।

    আওয়ামী আমলে শুরু দলীয় অনুগতদের নিয়োগ প্রক্রিয়া : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ফোনালাপের অডিও প্রকাশ্যে আসে। ওই ফোনালাপে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে ফোনালাপটির সত্যতা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নথিতে উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগ আমলে দলীয় বিবেচনায় বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা ঘটে। তাদের বিরুদ্ধে টেন্ডার, উন্নয়ন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিধিবহির্ভূত সিদ্ধান্তের অভিযোগ ওঠে। বিশেষজ্ঞরা সেই অভিজ্ঞতা সামনে রেখে বলছেন, ৫ আগস্টের পরও সেই পুরোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দলীয় বিবেচনায় ভিসি নিয়োগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে পক্ষপাতমূলক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আইনের ব্যত্যয় করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করা ঠিক নয়। যদি নিয়োগে কোনো অনিয়ম বা অর্থ লেনদেনের মতো ঘটনা ঘটে থাকে তা খতিয়ে দেখা জরুরি। দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী আদনান বলেন, নোবিপ্রবি যেহেতু বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় তাই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে অভিজ্ঞ কাউকে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম। ভিসির ব্যাকগ্রাউন্ড সমাজ বিজ্ঞানের হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও গবেষণায় অবদান রাখা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

  • কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

    কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণেরও বিকল্প নেই।রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘অ্যা ন্যাশনাল ডায়ালগ অন টিভিইটি ফর অ্যা স্কিল্ড অ্যান্ড প্রোডাক্টিভ বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদেরকে শুধুমাত্র গতানুগতিক শিক্ষা গ্রহণের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এজন্য কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি।

    এসময় তিনি আরো বলেন, সারা বিশ্বে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ ব্যক্তিদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। প্রবাসী কর্মীরা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস। তাদেরকে যদি আমরা দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে পারি তাহলে আমাদের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এজন্য কারিগরি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা আরো ৪ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করতে যাচ্ছি। এছাড়াও, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে আমরা একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য আলাদা একটা প্রকল্পের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

  • ঢাবিতে অন্যায় করে কেউ পার পাবে না: উপাচার্য

    ঢাবিতে অন্যায় করে কেউ পার পাবে না: উপাচার্য

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অন্যায় করে কেউ পার পাবে না এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কেউ টিকে থাকতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল।

    আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় টিএসসি মিলনায়তনে ‘কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘২০০৭ সালের আগস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি বিভীষিকাময় অধ্যায়। ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ওপর যে নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছিল, তা বিশ্ববিদ্যালয় কখনো ভুলবে না।

  • আবাসন সংকটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    আবাসন সংকটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর অন্যতম সমস্যা আবাসন সংকট। চাহিদার তুলনায় আবাসিক হল কম থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ সমস্যা। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ৪০ শতাংশেরও কম শিক্ষার্থীর থাকার সুবিধা রয়েছে। বাকি প্রায় ৬০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী তীব্র আবাসন সংকটে রয়েছেন। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিক সুবিধা থাকলেও ১০টিতে আবার মোটেও নেই। বাকিগুলোতে কমবেশি সুবিধা থাকলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকেই নিজস্ব উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় মেস, ভাড়া বাসা বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে থাকতে হয়।

    এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি যাতায়াতে অনেক সময় নষ্ট হয়। তাছাড়া পড়ালেখা বিঘ্নসহ নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। আবাসন সংকটের কারণে হল ও সিট দখল ঘিরে ক্যাম্পাস রাজনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এমনকি কোনো কোনো সময় সংঘাত সৃষ্টি হয়। এসব সংকট কাটাতে পর্যাপ্ত নতুন হল নির্মাণের উদ্যোগের পাশাপাশি বিদ্যমান হলগুলোতে সিট বাড়ানোর ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে নীতিমালা অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ এবং তাতে থাকার নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও দাবি তাদের।

    বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬২টি ছাত্র ও ১০০টি ছাত্রী হল আছে। এতে আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন ৩৯.৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে শতভাগ আবাসিক সুবিধা আছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    এছাড়া মোটেও আবাসিক সুবিধা নেই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    অন্যদিকে নামমাত্র আবাসিক সুবিধা আছে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (৪.৪৪ শতাংশ), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৪.৯৪ শতাংশ), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একমাত্র ছাত্রী হলে (৭.৩৪ শতাংশ)। বাকিগুলোতে বিভিন্ন সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সুবিধা রয়েছে।

    সূত্রমতে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চাহিদার তুলনায় আবাসিক সুবিধা কম থাকায় শিক্ষার্থীদের অন্যতম স্বপ্ন থাকে হলের সিট পাওয়া। মেধার ভিত্তিতে এসব সিট বরাদ্দের নিয়ম থাকলেও বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তার কোনো বাস্তবায়ন ছিল না। এমনকি নিয়মানুযায়ী সিট বরাদ্দ পেলেও ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের দখলদারিত্বের কারণে তাতে থাকার সুযোগ পাননি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে দখলদারদের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলে বরাদ্দ ছাড়াও আবাসিক সুবিধা, এমনকি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও অনেকেই হলে থেকেছেন। আর অবৈধ আবাসিক সুবিধাপ্রাপ্তরা হলে ও ক্যাম্পাসে নানা সংঘাত-সংঘর্ষ ও অরাজক পরিবেশ সৃষ্টিতে জড়িত থাকতেন। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনেকটাই নির্বিকার দেখা গেছে।

    চব্বিশের বিপ্লবপরবর্তী সব ক্যাম্পাস থেকে ফ্যাসিবাদী ছাত্রসংগঠনÑছাত্রলীগ বিতাড়িত ও পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে থাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হলে বৈধ সিটধারীদের থাকার সুযোগ নিশ্চিত হয়। বিশেষ করে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে এসব ছাত্র সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকা এবং ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনÑছাত্রদলের প্রভাব বিস্তারের শঙ্কায় বর্তমান পরিবেশ বজায় রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তায় অনেকে। যদিও বর্তমান ছাত্র সংসদগুলোর নেতৃত্বে থাকা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হল নীতিমালা অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

    শিক্ষার্থীদের আসান সংকট ও সিট বণ্টন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যে সিট আছে, তা খুব অপ্রতুল। সারা দেশ থেকে এসে শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার পর প্রথম বছরেই তাদের কষ্ট হয়। বিশেষ করে এখানে নারীশিক্ষার্থী বাড়ছে, অথচ তাদের হলসংখ্যা কম (১৯টি ছাত্র ও পাঁচটি ছাত্রী হল আছে)। এ অবস্থায় আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন কয়েকটি হল নির্মাণের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। এছাড়া পুরোনো হলেও সিট বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার যদি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে আবাসিক হল নির্মাণের জন্য থোক বরাদ্দ দেয়, তাহলে এ সংকট দ্রুত কাটানো সম্ভব।

    এদিকে ক্যাম্পাসে পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে আবাসিক হলগুলোতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন এ শিক্ষাবিদ। তিনি বলেন, হল ঘিরে যেকোনো ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভিন্নমতের কাউকে বের করে দেওয়া যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হলে নীতিমালা অনুযায়ী সিট বণ্টন নিশ্চিতসহ সার্বিকভাবে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।

    সূত্রমতে, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি ছাত্র ও সাতটি ছাত্রী হলে মোট ৪৩.৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। যে কারণে এখানে হলের সিটপ্রাপ্তির শিক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

    জানা গেছে, হল সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রীদের পাঁচটি ও ছাত্রদের ১০টি হল-ডরমেটরিতে মাত্র ২১.৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। এতে বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে দীর্ঘ সময় ও বাড়তি খরচসহ নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

    এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, আবাসিক সংকট কাটাতে আমরা নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ১০ শতাংশ আবাসন বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছি। সে অনুযায়ী শিক্ষক কোয়ার্টারে ৯০ জন, সোহরাওয়ার্দী হলে ৩০ জন ও শামসুন্নাহার হল সংস্কারসহ নানাভাবে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া ১০তলা একটি হল নির্মাণের জন্য ৬৯০ কোটি টাকার বাজেট মন্ত্রণালয় থেকে আসার প্রক্রিয়া চলছে। আরেকটি বড় প্রকল্পে ১০টি হল (পাঁচটি ছাত্রীদের ও পাঁচটি ছাত্রদের) নির্মাণের প্রকল্প পাস হওয়ার কথা রয়েছে। এটি হলে আবাসন সংকট দীর্ঘমেয়াদে কেটে যাবে।

    এছাড়া পতিত ছাত্রলীগের দখলনীতির পরিবর্তে বর্তমানে হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এ ধরনের পরিবেশ যেন বজায় থাকে। কেউ ছাত্রলীগের মতো দখলদারিত্বের চিন্তা করলে, তা প্রতিরোধ করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

    শতভাগ আবাসনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এখন ২৬.১৪ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পান। তাই, হলে সিট পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও অনেকেরই সেই সৌভাগ্য হয় না। এজন্য আবাসিক হল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    হল পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম জানান, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে ছিল আবাসিক হলগুলো। তখন মেধাবীরা সিট বরাদ্দ পেলেও তাদের সম্মতি ছাড়া তাতে থাকার সুযোগ মিলত না। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ পরিবেশ যেন অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশা সবার।

    দেশের অন্যতম পুরোনো ও বড় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে ছাত্রদের ১২টি ও ছাত্রীদের ছয়টি আবাসিক হলে ৪৬.৭১ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী হলগুলোতে স্বাভাবিক নিয়মে সিট বরাদ্দ হলেও সম্প্রতি নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ২৯ জুন ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হলে অবৈধভাবে সিট দখলের অভিযোগে মানববন্ধন করে ছাত্রশিবির। এ সময় শতভাগ আবাসন নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবি উপস্থাপন করেন তারা। যদিও সিট দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ছাত্রদল। সম্প্রতি ছাত্রসংগঠন দুটি হল ও ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া ঢাকার সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শুধু ছাত্রীদের জন্য একটি হল নির্মাণ করা হয়।

    জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আবদুল আলিম বলেন, জবিতে আবাসন সমস্যা চিরস্থায়ী একটি অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন আর বাজেট আসে যায়, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না। তিনি বলেন, এখানে ছাত্রীদের একটি আবাসিক হলে ধারণ ক্ষমতার বেশি অবস্থান করছেন। তবে ছাত্রদের মোটেও হল না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

    এ ছাত্র সংসদ নেতা আরো বলেন, বর্তমানে পানি ভবন ও ডা. হাবিবুর রহমান নামে দুটি ছাত্র হলের কাজ চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। এটি ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। যেখানে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত একর জমিতে টিনশেড অস্থায়ী হল নির্মাণের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। যেটা চার মাসেই নির্মাণ করা সম্ভব। আমরা সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এ কাজ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। এতে ১৭০০ শিক্ষার্থী থাকতে পারবেন।

    কিন্তু ছাত্রদল চাচ্ছে সেখানে ১০তলা ভবন নির্মাণের জন্য, যাতে ৬০০-৭০০ শিক্ষার্থীর আবাসন হবে। এটা শেষ হতেও দীর্ঘ সময় লাগবে। আবদুল আলিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে অশ্চিয়তা রয়েছে।

    একইভাবে দেশের বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বুয়েটে ৫৩.০৩ শতাংশ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩.৫৭ শতাংশ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩.৪০ শতাংশ, হাবিপ্রবিতে ৪৭.৫০ শতাংশ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৪.৭০ শতাংশ, কুয়েটে ৩৩.৯২ শতাংশ, ডুয়েটে ৪৭.২১ শতাংশ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭.০১ শতাংশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০.৮৪ শতাংশ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৯.৪০ শতাংশ আবাসিক সুবিধা রয়েছে।

    তবে বেশি আবাসিক সুবিধার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছেÑজাহাঙ্গীরনগরে ৯৮.৯১ শতাংশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৮.১৫ শতাংশ, চুয়েটে ৭০.৭৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৬.২২ শতাংশ। এছাড়া বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ১৩ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশের মতো আবাসিক সুবিধা রয়েছে বলে ইউজিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে।

  • যৌন হয়রানির অভিযোগে চাকরিচ্যুত রাবি অধ্যাপক

    যৌন হয়রানির অভিযোগে চাকরিচ্যুত রাবি অধ্যাপক

    শিক্ষা ডেস্ক:

    যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাস কুমারকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় তার চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তার (প্রবাস কুমার) বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

    তদন্ত প্রক্রিয়া ও শাস্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছিল। কমিটি দুটি তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে।পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে তার একজন প্রতিনিধি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দেননি। তার বক্তব্যগুলো বিভিন্ন সময়ে লিখিত আকারে পাঠিয়েছেন। উচ্চতর কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট তার শাস্তির অনুমোদন দিয়েছে।

    এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট অধ্যাপক প্রভাস কুমার নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে তার চেম্বারে ডেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ক্লাস উপস্থিতির নম্বর ও পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষার্থী অভিযুক্ত শিক্ষকের চেম্বারে যান। পরবর্তীতে সে শিক্ষকের কক্ষে গেলে শিক্ষক তাকে সাজেশনের কথা বলে পরীক্ষার প্রশ্ন দেন এবং ছবি তুলতে নিষেধ করে খাতায় উত্তর লিখতে বলেন। সে সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর শরীরের একাধিক স্থানে অশোভন স্পর্শ করেন এবং কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন।

    পরে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ওই বছরের ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা।এ ঘটনা তদন্তে বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা গঠিত একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠিত হয়। তাদের তদন্ত রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকতর তদন্ত করে। পরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তাকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

  • নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

    নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে সরকার অনার্স পর্যন্ত তাদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সব খরচ সরকার বহন করবে। একই সঙ্গে ভালো ফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

    রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত, স্থানীয় জেলেদের মধ্যে মাছের পোনা বিতরণ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের শিক্ষা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে। সব খরচ বহন করবে সরকার।

    তিনি বলেন, এখানে অনেক বোন ও সন্তানতুল্য মেয়েরা আছে। তোমাদের ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে, যাতে বড় হয়ে তোমরা এই দেশের হাল ধরতে পারো। শুধু তাই নয়, যেসব মেয়েরা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য সরকার থেকে উপবৃত্তিরও ব্যবস্থা করা হবে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গরিব পরিবারের শিশুদের আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বছরে একবার স্কুল ড্রেস দিতে চাই। শুধু স্কুল ড্রেস নয়, প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগও পৌঁছে দিতে চাই। প্রতিবছর নতুন বই দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নতুন স্কুল ব্যাগ ও স্কুল ড্রেসও আমরা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।

    নারীদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজকে যেমন শিক্ষায় সামনে এগিয়ে নিতে চাই, একইভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম, বাংলাদেশের চার কোটি পরিবারের মধ্যে যে নারী পরিবারের প্রধান ও সংসার পরিচালনা করেন, পর্যায়ক্রমে তার হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। আল্লাহর রহমতে ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ঘরে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

  • খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

    খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থী বিবেচনায় দেশের সর্ববৃহৎ এ প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ পুলে অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা হবে। শনিবার গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন অনুমোদনসহ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনকে আরও সহজ, কার্যকর ও সময়োপযোগী করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৩৪ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হলো।

    সভায় স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বিশেষ বিবেচনায় আরও একবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন কলেজে শিক্ষকসংকট কমাতে বিষয়ভিত্তিক খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের নীতিমালাও অনুমোদন করা হয়েছে।

    সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কিল-বেইজড পিজিডি প্রোগ্রামে ফ্রিল্যান্সিং—গ্রাফিকস ডিজাইন, ভিডিয়ো এডিটিং ও ওয়েব ডিজাইন; কালিনারি সায়েন্স (শেফ) এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিষয় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) প্রোগ্রামের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪ ক্রেডিটের অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্স এবং প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ফাংশনাল ইংরেজি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কোর্সের সিলেবাস ও রেগুলেশন অনুমোদন করা হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় মনে করছে, এসব উদ্যোগের ফলে শিক্ষক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা সহজ হবে। একইসঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    এছাড়াও সভায় বিসিএসসহ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৩ বছর মেয়াদি ডিগ্রি (পাস) কোর্স এবং ১ বছর মেয়াদি মাস্টার্স (প্রিলিমিনারি) কোর্স সম্পন্নকারীদের সনদের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে ৪ বছর মেয়াদি ডিগ্রি সনদ এবং মাস্টার্স প্রিলিমিনারি সনদকে ৪ বছর সমতুল্য ডিগ্রি হিসেবে দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

    এ ছাড়া সিজিপিএ ২.২৫-এর কম পাওয়া শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে না পড়েন, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। তাঁদের বিশেষ বিবেচনায় মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ৪ বছর মেয়াদি এলএলবি (সম্মান) কোর্সের অধিভুক্তি রেগুলেশন অনুমোদন করা হয়েছে।

    সার্বিক বিষয়ে সভায় ভাইস-চ্যান্সেলর ড. আমানুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি একাডেমিক সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ। একজন শিক্ষার্থী যেন নিজের পড়াশোনা শেষ করে দক্ষতা নিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারেন—আমরা সেই জায়গাটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি। অবসর নেওয়া অভিজ্ঞ শিক্ষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষার্থীদের শেখানোর সুযোগ তৈরি করতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক পুল গঠন করা হচ্ছে।’

    স্কিল-বেইজড পিজিডিতে নতুন বিষয় যুক্ত করার বিষয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, ‘শুধু প্রচলিত ডিগ্রি যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহারযোগ্য দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে দক্ষতা ও বাস্তবমুখী শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত করার লক্ষ্য রয়েছে।’

  • নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী

    নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী

    উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যখন একজন মেধাবী তরুণ আর্থিক অনিশ্চয়তার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন তার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মো. নাজমুল হাসান। তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয় অনুদান। এই সহায়তা শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়- এটি একজন তরুণের স্বপ্ন ও মেধার প্রতি আস্থার প্রতিফলন।

    নাজমুল হাসান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক।

    সম্প্রতি তিনি সুইডেনের স্কোভডে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পূর্ণ বৃত্তি অর্জন করেন। কিন্তু বিদেশযাত্রা, প্রাথমিক আবাসনসহ প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা তার পরিবারের জন্য ছিল কঠিন। সেই সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সহযোগিতা তার স্বপ্নযাত্রায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

    বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান থেকে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া নাজমুলের এই পথচলা হোক হাজারো স্বপ্নবান তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা।

  • তিন ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    তিন ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে ডিআইটি মার্কেট-সংলগ্ন এলাকায় ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি অস্থায়ী মেলাকে ঘিরে জনভোগান্তি, অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। মেলার স্টল থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় এবং অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে।

    ঈদের আগে শুরু হওয়া মেলাটি প্রায় আড়াই মাস ধরে চললেও কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট ঘোষণা নেই বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, মেলার কারণে ডিআইটি মার্কেট ও লক্ষ্মীবাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের পথের একটি বড় অংশ দখল হয়ে গেছে। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

    বুধবার (১২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, ডিআইটি মার্কেট-সংলগ্ন এলাকায় মেলার স্টল বসানো হয়েছে।

    মেলার এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেখানে মোট চারটি স্টল রয়েছে। প্রতিটি স্টল থেকে প্রতিদিন ৩ হাজার ৩৫০ টাকা করে নেওয়া হয়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, ‘প্রতিদিন স্টল ভাড়া বাবদ ৩ হাজার ৩৫০ টাকা দিতে হয়। মেলা শুরুর পর থেকেই নিয়মিত এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছাত্রদলের জসিম, রুবেল ও নাজমুল আমাদের মালিকদের কাছ থেকে টাকা নেন। আমরা তাদের টাকা দিয়ে থাকি।’

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মেলা পরিচালনার সঙ্গে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের দাবি, তিন নেতার নেতৃত্বে প্রতিটি স্টল থেকে প্রতিদিন ৩ হাজার ৩৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। তবে এই অর্থ আদায়ের বৈধ অনুমোদন বা লিখিত নথি দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ীরা।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেলায় ব্যবহৃত দোকানগুলোতে অনুমোদনহীনভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যথাযথ অনুমোদন ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

    মেলার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। লক্ষ্মীবাজার ও জনসন রোড সংযোগকারী এই পথ দিয়ে মহানগর মহিলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত যাতায়াত করেন।

    সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এখানে কোচিং সেন্টার ছিল। মেলা ও মার্কেটের জায়গা দখলের কারণে কোচিং সেন্টারের কক্ষগুলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পুরো মার্কেটই দখল করে নেওয়া হয়েছে।’

    সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘এ ধরনের মেলা করতে হলে নির্ধারিত জায়গা ও নির্দিষ্ট সময় থাকা উচিত। প্রায় আড়াই মাস ধরে চলা মেলাটি দেখে মনে হচ্ছে, অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যেই এটি চালানো হচ্ছে।’

    ডিআইটি মার্কেটের পাশের এক ফুটপাত ব্যবসায়ী বলেন, ‘মেলার কারণে আমাদের ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় আমাদের দোকানের সামনেও ভিড় জমে যায়।’

    অভিযোগের বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমার নামে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত। আমরা এই এলাকায় রাজনীতি করি বলে একটি মহল আমাদের নামে এসব অভিযোগ দিচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই আমি জানি না।’

    সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমরা বিষয়টি জানার পর তাদের আলটিমেটাম দিয়েছি। দোকান না সরালে আমরা গিয়ে ভেঙে দেব—এ কথা বলেছি। তাঁরা সম্ভবত দোকান উঠিয়ে চলে যাবে। তা না হলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

    সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে ফোন করা হলে তিনি একটি প্রোগ্রামে আছেন জানিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

    স্থানীয় বাসিন্দারা মেলার বৈধতা, অর্থ আদায়, অবৈধ দখল ও বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সমকামিতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ২ ছাত্র বহিষ্কার

    সমকামিতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ২ ছাত্র বহিষ্কার

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- আফিফ হাসান নীরব ও আরিফুল হক শুভ। আফিফ হাসান নীরব ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ। আরিফুল হক শুভ মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নেত্রকোনা।

    এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আহমেদ আল সাবাহ।

    তিনি জানান, শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২০২৫-২৬ সেশনের দুজন আবাসিক ছাত্রের বিরুদ্ধে গুরুতর সামাজিক শৃঙ্খলাভঙ্গের (সমকামিতা) প্রমাণিত অপরাধের ভিত্তিতে কঠোরতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাদের হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয় অভিভাবকের উপস্থিতিতে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়টিও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিতের প্রক্রিয়া চলমান।

    জানা গেছে, এ বিষয়ে প্রথম অভিযোগ এলে অভিযোগকারী ছাত্রের পক্ষে আদিষ্ট হয়ে প্রশাসন বরাবর শাস্তির আবেদন করেন হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ। পরে তদন্ত কমিটি গঠন হয় এবং ঘটনার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাওয়ার ফলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্য সেন হলে সমকামিতায় জড়ানোর অভিযোগে আটক হওয়া এক শিক্ষার্থীকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাকে তার বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টার জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

  • চৌগাছায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দেয়া ঋতু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। শংকায় উচ্চ শিক্ষা।

    চৌগাছায় বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দেয়া ঋতু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। শংকায় উচ্চ শিক্ষা।

    আজিজুর রহমান, চৌগাছা (যশোর)

    এসএসসি পরীক্ষার মানবিক বিভাগে যখন ফেলের সংখ্যা বেশি, তখন ক্যান্সারের রোগী বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় বসা চৌগাছার ঋতু খাতুন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।

    সে যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনাক্ষম বাবাকে হারিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শংকায় পড়েছে অদম্য মেধাবী মেয়েটি।

    ঋতু খাতুন উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত কবির হোসেন ও রেহেনা খাতুন দম্পতির ২ মেয়ের মধ্যে ছোট।

    ঋতুর পরিবার ও স্কুল সূত্রে জানা যায়, ঋতুরা দুই বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ক্যান্সার আক্রান্ত বাবাকে বাড়িতে রেখে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু করে ঋতু। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ঋতুর বাবা কবির হোসেন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ মে ঋতুর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পরীক্ষা ছিলো। সেদিন ভোর রাতে ঋতুর বাবা হাসপাতালে মারা যান। লাশ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয় সকালেই। অন্যদিকে উপজেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দুরের গ্রাম হাকিমপুর থেকে চৌগাছা শহরের ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঋতুর পরীক্ষা। ঋতুকে পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে দেয়া হয়নি যে তার বাবা মারা গেছেন। পরে ঋতু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছানোর পর লাশ নেয়া হয় বাড়িতে। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে গিয়ে ঋতু জানতে পারে বাবা আর ইহজগতে নেই। শেষ বারের মত বাবার মুখ দেখে বিদায় দিয়ে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বসতে হয় তার। বাবা হারানোর শোক নিয়েই পরবর্তী পরীক্ষাগুলো শেষ করে ঋতু। ১০ আগস্ট রেজাল্টের পর দেখা যায় ঋতু জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    রেজাল্টের পর প্রতিক্রিয়ায় ঋতু জানায়, বাবা বেচে থাকলে রেজাল্ট দেখে খুবই খুশি হতেন। সবার কাছে বাবার জন্য দোয়াও প্রার্থনার পাশাপাশি বাবার অবর্তমানে নিজের উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শংকার কথাও জানিয়েছে সে।

    স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক শাহানা খাতুন জানান, ঋতু খুবই মেধাবী। ঋতু ভালো করবে এটা শিক্ষকরা প্রত্যাশা করতেন। অসুস্থ বাবা ও পরিবারের দারিদ্রতার বাঁধা ঋতুর ফলাফলে কোন বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারেনি। স্কুলের শিক্ষকদের প্রত্যাশা ঋতু ভবিষ্যতেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবে। দিন মজুর বাবা হারা ঋতুর জন্য সমাজের বিত্তবানদের ঋতুর পাশে দাড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, কোন শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা করতে পারলে ঋতুর উচ্চ শিক্ষা সহজ হবে।

    চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, এটি খুবই খুশির সংবাদ। উপজেলা প্রশাসন এই অদম্য মেধাবীর পাশে থাকবে। ঋতৃর উচ্চ শিক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

    সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই স্থান ও একই সময়ে তিনটি ভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

    বুধবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একই জায়গায় আর একই সময়ে তিনটি সংগঠনের সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।

    এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশব্যাপী ইসলামী ছাত্রশিবিরের অব্যাহত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা এবং মবতন্ত্রের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

    একই সময় ও একই জায়গায় ‘ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথ’–এর ব্যানারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    এ ছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ভাষাশহীদ রফিক ভবনে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

  • পরীক্ষা নয়, এবারও ফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি

    পরীক্ষা নয়, এবারও ফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগের মতোই কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে এ বিষয়ে প্রস্তাব হিসেবে পাঠানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে এসব তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

    তিনি বলেন, এবারও একাদশে ভর্তি প্রক্রিয়ায় তেমন পরিবর্তন আসছে না। গতবারের মতো ফল বা নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তির নিয়ম রেখে আমরা নীতিমালার খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি।

    আগামী ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। প্রথমে ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবেন।

    উচ্চমাধ্যমিক কলেজ-মাদ্রাসাগুলোতে ফলের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম চললেও নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজের মতো চার্চ পরিচালিত কলেজগুলোতে বেশ কয়েক বছর আগে দেওয়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোয় একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি। ফলে বরাবরের মতো এবারও একাদশ শ্রেণির বিপুলসংখ্যক আসন ফাঁকা থাকবে।

  • ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (আন্ডারগ্র্যাজুয়েট) প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন আগামী ১১ নভেম্বর শুরু হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পাঁচটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর, আর শেষ হবে ২৬ ডিসেম্বর।

    রোববার (২ আগস্ট) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

    সভায় জানানো হয়, এবারও ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’, ‘বিজ্ঞান’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা’, ‘চারুকলা’ ও ‘আইবিএ’-এই পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ভর্তি পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী, আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর, বিজ্ঞান ইউনিটের ১২ ডিসেম্বর, কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ২২ ডিসেম্বর এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

    আইবিএ ইউনিট ছাড়া সব ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে।

    চারুকলা ও আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্য তিনটি ইউনিটের পরীক্ষা ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের ক্লাস ২০২৭ সালের ২৮ মার্চ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সভায় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, হল প্রাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষকের নাম ভুল করায় ‘৩০০ বার লিখিয়ে শাস্তি’

    শিক্ষকের নাম ভুল করায় ‘৩০০ বার লিখিয়ে শাস্তি’

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী অ্যাসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তাকে ৩০০ বার লিখে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ওই শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করলে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

    জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাইদ অ্যাসাইনমেন্টে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নামের বানান ভুল করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ৩০০ বার ঐ শিক্ষকের নাম লিখে জমা দিতে বলা হয়।

    এ বিষয়ে সাইদুল ইসলাম সাইদ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেন, “গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অক্ষর Morioum’-এর পরিবর্তে ‘ Morium’ লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।”পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ শাস্তির ধরনকে অযৌক্তিক বলে সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ শিক্ষার্থীর অসাবধানতার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। এছাড়াও বিভাগটির বিরুদ্ধে এমন নানান আজগুবি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়ার অভিযোগও তুলছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা ।

    ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “কত কত অযাচিত অ্যাসাইনমেন্ট করেছি তার হিসাব নেই। ক্রিয়েটিভিটির নামে দেখে দেখে অ্যাসাইনমেন্ট করানোই যেন নিয়ম। শিক্ষক কর্তৃক বিভিন্ন ধরনের র্যাগিংয়ের মুখোমুখি হওয়া এই বিভাগে খুবই সাধারণ বিষয়।”অন্যদিকে, ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেন, “তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, আবার তা নিয়ে পোস্টও করেন। ন্যূনতম বিবেচনাবোধ থাকা উচিত।”

    এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • রোববার থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু

    রোববার থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা চলমান আন্দোলন ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবির বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়ায় রোববার (২ আগস্ট) থেকে সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

    শুক্রবার (৩১ জুলাই) শিক্ষার্থীদের দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রশাসনের অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় আপাতত আন্দোলন স্থগিত করা হচ্ছে। তবে দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অসহযোগিতা দেখা গেলে নতুন করে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তারা।

    এর আগে গত ২৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও সন্তোষজনক সমাধান না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তালা খুলে দেওয়া হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত ছিল।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক মো. সালাউদ্দিন বলেন, “শুরু থেকেই প্রশাসন শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বস্তি প্রকাশ করছে।

    গত ২২ জুলাই রাতে বিজয়-২৪ হলের ছাত্রীদের শৌচাগার ও গোসলখানার ভেন্টিলেটর দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানকে আটক করে শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই ঘটনায় তার স্ত্রীও গ্রেপ্তার হন।

    এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্পন্দন-২৪ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

    টানা আন্দোলন, প্রশাসনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক, তদন্ত কার্যক্রম এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের পর তিন দফা দাবির বিষয়ে অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার থেকে ক্লাস-পরীক্ষায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে আবারও আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

  • ঢাবিতে জুলাইয়ের গ্রাফিতি সংরক্ষণে পুনর্লিখন শুরু

    ঢাবিতে জুলাইয়ের গ্রাফিতি সংরক্ষণে পুনর্লিখন শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা জুলাইয়ের গ্রাফিতি পুনরায় রং ও প্রয়োজনীয় অংশ পুনর্লিখনের কাজ শুরু হয়েছে। গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও বার্তা অক্ষুণ্ন রেখে তিন দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে।

    শনিবার (১ আগস্ট) সকালে উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান ফটকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং, আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ১ থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা জুলাইয়ের গ্রাফিতিগুলো পুনরায় রং করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু গ্রাফিতি পুনর্লিখনও করা হবে। এ কাজে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা অংশ নিচ্ছেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গ্রাফিতিগুলো তৎকালীন সরকারের দুঃশাসন, নির্যাতন ও নিপীড়নের স্মৃতি বহন করছে। এগুলো সংরক্ষণের মাধ্যমে ওই সময়ের ঘটনাগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

    তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজসহ সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকার হামলা ও দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। একপর্যায়ে সেই আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন।

    উপাচার্যের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় শিক্ষার্থীরা দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতির মাধ্যমে নিপীড়ন, প্রতিরোধ ও গণআন্দোলনের নানা চিত্র তুলে ধরেছিলেন। সময়ের সঙ্গে এসব গ্রাফিতি দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে উঠেছে।

    তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এসব গ্রাফিতির মাধ্যমে জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলি সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেশে যেন কর্তৃত্ববাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অমর একুশে হল অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    এ ছাড়া দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে গত ২৯ জুলাই আনওয়ারুল আজীম চৌধুরী লেকচার গ্যালারিতে ‘জুলাই বিপ্লব ও ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে নিজেদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

  • শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাবি শিক্ষিকার মৃত্যু

    শ্বাসনালিতে খাবার আটকে ঢাবি শিক্ষিকার মৃত্যু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজধানীর একটি হাসপাতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহা পরলোকগমন করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

    শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে নাস্তার সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহার পরলোকগমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, অধ্যাপক ড. দীপ্তি সাহা একজন প্রথিতযশা শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপাচার্য প্রয়াত অধ্যাপকের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রয়াত অধ্যাপকের মরদেহ শুক্রবার বিকেলে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগে আনা হয়। উপাচার্যের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রয়াত অধ্যাপকের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে পোস্তগোলার শ্মশানে প্রয়াত অধ্যাপকের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

  • বরখাস্ত হচ্ছেন ঢাবির অধ্যাপক সাদেকা হালিম

    বরখাস্ত হচ্ছেন ঢাবির অধ্যাপক সাদেকা হালিম

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক সাদেকা হালিমকে স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছয় অধ্যাপককে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই)। এর আগে গত ২৮ জুলাই রাতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সভা সূত্রে জানা যায়, সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের বিরুদ্ধে আগের তদন্ত কমিটির স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাইব্যুনাল।

    অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ২০২২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    সিন্ডিকেট সভায় ছয়জন অধ্যাপককে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে নীল দলকে নিষিদ্ধের বিষয়েও তদন্ত কমিটি গঠনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অব্যাহতিপ্রাপ্ত ছয়জন হলেন, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মুহিত, ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন। পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিক শাহরিয়ার, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আফরোজা শেলী এবং অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

    তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব ও ক্লাস নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

    বরখাস্তের মুখে পড়া সাদেকা হালিম ও অব্যাহতি পাওয়া ছয় শিক্ষক আওয়ামীপন্থি নীল দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    বিষয়টি নিয়ে সাদেকা হালিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলবেন না। আর অব্যাহতি পাওয়া ছয় শিক্ষকও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. তাজমেরি এস এ ইসলাম বলেন, জুলাই নিয়ে কটূক্তি ও জুলাইবিরোধী অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগে আরও অনেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা মিললে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিটিগুলো দ্রুত কাজ শেষ করবে।

  • জাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন

    জাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন। বর্তমান প্রক্টরের পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছে।

    বুধবার (২৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর আবেদন করেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম। তার আবেদন অনুমোদন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।

    এর পর প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অধ্যাপক মো. জাকির হোসেনকে সাময়িকভাবে প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।

    অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী তিনি প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করবেন এবং এ পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।এ ছাড়া বিদায়ী ও নবনিযুক্ত প্রক্টরকে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর ও গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দায়িত্ব হস্তান্তর শেষে সংশ্লিষ্ট সনদ রেজিস্ট্রার দপ্তরে জমা দেয়ার কথাও অফিস আদেশে উল্লেখ রয়েছে।

  • ছাত্রলীগ নিয়ে ‘মায়াকান্না’: সাংবাদিকদের সতর্ক করলেন রাকসু ভিপি

    ছাত্রলীগ নিয়ে ‘মায়াকান্না’: সাংবাদিকদের সতর্ক করলেন রাকসু ভিপি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ হয়ে অনেকে নিউজ করছেন। তাদের প্রতি অনেক মায়াকান্না দেখিয়েছেন। এই সাংবাদিক এখানে অনেকে আছেন। আমরা তাদের জড়ো করে, এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাকসু ভিপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার বিকালে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

    সাংবাদিকদের শব্দ প্রয়োগে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, সাংবাদিকরা যে শব্দগুলো ব্যবহার করেন, সেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। আপনারা কালকে ছাত্রলীগকে ডিফেন্স করে অনেকে নিউজ করেছেন। আপনারা বলছেন- আমরা হামলা করেছি। এটা কোন ধরনের কথা? তারা হামলা করেছে, আমরা প্রতিরোধ করেছি। আপনারা ‘হামলা’ শব্দটি বলতে এত কাপাকাপি করেন কেন?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে হামলায় শিক্ষার্থীদের থেকে সাংবাদিকদের মাথাব্যাথা বেশি উল্লেখ করে রাকসু ভিপি বলেন, আপনারা বলছেন, লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের আমরা বের করে এনেছি, এতে ২০ থেকে ২৫ মিনিট তাদের পড়াশোনা নষ্ট হয়েছে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী তো আমাদের বলেনি যে, ‘ভাই, আপনারা আমার ২০ থেকে ২৫ মিনিট নষ্ট করে দিয়েছেন। সাংবাদিকরাই বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করেছেন। মনে হচ্ছে, তারা ২৪ ঘণ্টাই পড়াশোনা করে, আর ওই ২০ থেকে ২৫ মিনিট নষ্ট হওয়াই সবচেয়ে বড় বিষয়।

    এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি জানিয়ে রাকসু বলেছেন, নারী শিক্ষার্থীকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি রাকসু ভবনে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার ও বিচার, প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত, ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার বন্ধ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অতীতে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ও ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিএম নাজমুস সাকিব প্রমুখ।

  • ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

    ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আওয়ামীপন্থী নীলদলের শিক্ষকদের বিচার চেয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি দেন তারা।

    এসময় তারা ২৩১ জন নীলদলের শিক্ষকদের তালিকা জমা দেন। তারা হলেন-

    ১. অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল — দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগ ২. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৩. অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার — ফার্মেসি ৪. অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৫. অধ্যাপক ড. জীনাত হুদা — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৬. অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৭. অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৮. অধ্যাপক ড. এম. ওয়াহিদুজ্জামান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৯. অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১০. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান — ফলিত রসায়ন বিভাগ ১২. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মহিত — ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ ১৩. অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাহবুব হাসান — বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ ১৪. অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ১৫. অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৬. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ আলী — ইতিহাস বিভাগ ১৭. অধ্যাপক আবু হোসাইন মুহাম্মদ আহসান — লোক প্রশাসন বিভাগ ১৮. অধ্যাপক ড. খালেদ মাহমুদ — আইবিএ ১৯. অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. গোলাম রব্বানী — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ২০. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ২১. অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল কবির — আইবিএ ২২. সহযোগী অধ্যাপক ড. নীলিমা আখতার — ইংরেজি বিভাগ ২৩. অধ্যাপক ড. আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া — টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ ২৪. অধ্যাপক ড. শবনম জাহান — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৫. অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৬. অধ্যাপক ড. এম. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৭. অধ্যাপক ড. তাওহিদা রশিদ — আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগ ২৮. অধ্যাপক ড. আবু শারা শামসুর রউফ — ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগ ২৯. অধ্যাপক ড. এম. মাকসুদুর রহমান — ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ৩০. অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান — আইবিএ ৩১.

    অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ৩২. অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ — মার্কেটিং বিভাগ ৩৩. অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ৩৪. অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান — ফলিত রসায়ন বিভাগ ৩৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৩৬. অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৩৭. অধ্যাপক ড. সবিতা রেজওয়ানা রহমান — মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৩৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান — মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৩৯. অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দিন — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ ৪০. অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ

    ৪১. অধ্যাপক ড. বিমান কুমার বড়ুয়া — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ৪২. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসিফ হোসেন খান — কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ৪৩. অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার — গণিত বিভাগ ৪৪. অধ্যাপক ড. অসীম সরকার — সংস্কৃত বিভাগ ৪৫. অধ্যাপক ড. সঞ্চিতা গুহ — সংস্কৃত বিভাগ ৪৬. অধ্যাপক ড. লিটন কুমার সাহা — ফলিত গণিত বিভাগ ৪৭. অধ্যাপক ড. আব্দুল বশির — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৪৮. অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৪৯. সহযোগী অধ্যাপক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৫০. অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান — মার্কেটিং বিভাগ

    ৫১. সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সোহেল রানা — মনোবিজ্ঞান বিভাগ ৫২. অধ্যাপক ড. মো. আফতাব আলী শেখ — রসায়ন বিভাগ ৫৩. অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ৫৪. অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক শাহরিয়ার) — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ৫৫. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ — ফলিত গণিত বিভাগ ৫৬. অধ্যাপক ড. মো. জাভিদ ইকবাল বাঙালী — ফলিত গণিত বিভাগ ৫৭. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ — আরবি বিভাগ ৫৮. অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ৫৯. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ৬০. অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম — সিরামিক বিভাগ

    ৬১. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহ মিরান — রসায়ন বিভাগ ৬২. অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুজন — রসায়ন বিভাগ ৬৩. সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান — রসায়ন বিভাগ ৬৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইকা আহমেদ — রসায়ন বিভাগ ৬৫. অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রহমান — ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ ৬৬. অধ্যাপক ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু — কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ৬৭. সহযোগী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন — ক্রাফট বিভাগ ৬৮. সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া ইকবাল — ক্রিমিনোলজি বিভাগ ৬৯. সহকারী অধ্যাপক সোনাম সাহা — ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ ৭০. অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান — দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগ

    ৭১. অধ্যাপক নিসার হোসেন — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭২. অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র গাইন — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭৩. ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুন নবী — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭৪. অধ্যাপক ড. জেড. এম. পারভেজ সাজ্জাদ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ৭৫. অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন — ফিন্যান্স বিভাগ ৭৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. সিমা ইসলাম — গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ ৭৭. ড. সিদ্ধার্থ দে — গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ ৭৮. অধ্যাপক ড. আকসাদুল আলম — ইতিহাস বিভাগ ৭৯. সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৮০. সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. কে. মামুন মোস্তফা — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ

    ৮১. সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. মনিরুজ্জামান খান — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ৮২. অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ৮৩. অধ্যাপক মো. ফজলুর রহমান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৮৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. এম. নাসিফ শামস — জ্বালানি ইনস্টিটিউট ৮৫. সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ৮৬. সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল আজিম — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৭. সহকারী অধ্যাপক ফারিহা কাদির — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৮. সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইহসান-উল-কবির — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. শওল নাফি শিমুল — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৯০. প্রভাষক মো. আরাফাত হোসেন — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট

    ৯১. অধ্যাপক ড. সাঈদুর রহমান — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৯২. সহকারী অধ্যাপক ড. শাহজাদী ইমা — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৯৩. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খান — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৯৪. অধ্যাপক ড. সুবর্ণা বড়ুয়া — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ৯৫. অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ৯৬. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৭. সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম সানা — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৮. অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. লোপা মুদ্রা মালেক — জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ১০০. অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ — আইন বিভাগ

    ১০১. অধ্যাপক ড. শিমা জামান — আইন বিভাগ ১০২. প্রভাষক মো. আজহার উদ্দিন ভূঁইয়া — আইন বিভাগ ১০৩. অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান — আইন বিভাগ ১০৪. অধ্যাপক ড. জামিলা এ. চৌধুরী — আইন বিভাগ ১০৫. অধ্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১০৬. অধ্যাপক ড. সুমন দাস — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১০৭. অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১০৮. অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১০৯. অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলী — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১১০. ইমেরিটাস অধ্যাপক

    মো. আবুল হাশেম — ওরিয়েন্টাল আর্ট বিভাগ

    ১১১. প্রভাষক মো. রাকিবুল হাসান — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ১১২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৩. অধ্যাপক ড. কে. এম. সাইফুল ইসলাম খান — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৪. ড. মো. মুমিত আল রশিদ — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৫. অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী — জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১১৬. অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ — ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগ ১১৭. অধ্যাপক এমএসটি. রেবেকা সুলতানা — দর্শন বিভাগ ১১৮. অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন — মনোবিজ্ঞান বিভাগ ১১৯. অধ্যাপক ড. ইশতিয়াক এম. সৈয়দ — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ১২০. অধ্যাপক ড. রতন চন্দ্র ঘোষ — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

    ১২১. অধ্যাপক ড. নীলোফার পারভীন — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ১২২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন — পপুলেশন সায়েন্স বিভাগ ১২৩. সহযোগী অধ্যাপক মো. নাজির হোসেন খান — প্রিন্টমেকিং বিভাগ ১২৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. ক্লাইডাস ভক্ত — সংস্কৃত বিভাগ ১২৫. সহযোগী অধ্যাপক নাসিমুল খবির — ভাস্কর্য বিভাগ ১২৬. অধ্যাপক ড. খায়রুল চৌধুরী — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ১২৭. ড. দেবাশীষ কুমার কুণ্ডু — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ১২৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান — পরিসংখ্যান বিভাগ ১২৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমা দে — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ ১৩০. সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলাল হোসেন ঢালী — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ

    ১৩১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফিরোজ জামান — প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ ১৩২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৩. অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৪. অধ্যাপক ড. মো. মুশফিকুর রহমান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৬. অধ্যাপক ড. মো. জামিল শরীফ — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৭. অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল আলম — নৃবিজ্ঞান বিভাগ ১৩৮. অধ্যাপক ড. মো. রফিউল ইসলাম — নৃবিজ্ঞান বিভাগ ১৩৯. অধ্যাপক ড. মো. সৈয়দ শামসুদ্দিন — ফলিত রসায়ন বিভাগ ১৪০. অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল করিম — ফলিত রসায়ন বিভাগ

    ১৪১. অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম — ফলিত গণিত বিভাগ ১৪২. অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মারুফ — আরবি বিভাগ ১৪৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ বেলাল হোসেন — আরবি বিভাগ ১৪৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন — আরবি বিভাগ ১৪৫. অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর দে — বাংলা বিভাগ ১৪৬. অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী — বাংলা বিভাগ ১৪৭. সহকারী অধ্যাপক মো. খালেদ বিন আমির — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৪৮. অধ্যাপক ড. রাদ মুজিব লালন — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৪৯. অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ১৫০. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ

    ১৫১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ১৫২. অধ্যাপক ড. জিএম গুলজার হোসেন — রসায়ন বিভাগ ১৫৩. অধ্যাপক ড. মো. মোমিনুল ইসলাম — রসায়ন বিভাগ ১৫৪. অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন — রসায়ন বিভাগ ১৫৫. এ. বি. এম. নজমুস সাকিব — ক্রিমিনোলজি বিভাগ ১৫৬. সহকারী অধ্যাপক মো. ইমরান হোসেন ভূঁইয়া — ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ ১৫৭. শিশির ভট্টাচার্য (খণ্ডকালীন শিক্ষক) — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ১৫৮. অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী — অর্থনীতি বিভাগ ১৫৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. এল. পলাশ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ১৬০. অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ

    ১৬১. সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ তানজিলা দীপ্তী — ফিন্যান্স বিভাগ ১৬২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান — মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ ১৬৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেন — ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ১৬৪. অধ্যাপক ড. শারমিন আখতার — ইতিহাস বিভাগ ১৬৫. অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৬৬. অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন — আইবিএ বিভাগ ১৬৭. অধ্যাপক ড. মেলিটা মেহজাবীন — আইবিএ বিভাগ ১৬৮. অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক — আইবিএ বিভাগ ১৬৯. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭০. অধ্যাপক ড. তামান্না সুলতানা — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭১. ড. তপশ কুমার বিশ্বাস — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭২. অধ্যাপক ড. আবু তোরাব মো. আব্দুর রহিম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৩. অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলিম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. আলী আব্বাস এম. কুরশেদ — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৫. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুজানা করিম — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ১৭৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমন আহমেদ — তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ১৭৭. অধ্যাপক ড. সবুর আহমেদ — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৭৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৭৯. সহযোগী অধ্যাপক উত্তম কুমার রায় — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৮০. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮১. অধ্যাপক ড. সুবোধ দেবনাথ — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ১৮২. সহকারী অধ্যাপক মৌরি মেহতাজ — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ১৮৩. অধ্যাপক ড. লায়লুফার ইয়াসমিন — আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ১৮৪. সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ১৮৫. সহকারী অধ্যাপক এম. ইমামুল হক সরকার (তিতু) — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৭. সহকারী অধ্যাপক ড. কোয়াজি ফারজানা আফরিন — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৮. ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম — জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ১৮৯. অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম — আইন বিভাগ ১৯০. সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মাসুদ রেজা — আইন বিভাগ

    ১৯১. প্রভাষক শাহরিমা তানজিন আরনি — আইন বিভাগ ১৯২. অধ্যাপক ড. সিকদার মনোয়ারে মুর্শেদ — ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ ১৯৩. অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১৯৪. অধ্যাপক মোহাম্মদ মোকবুল হোসেন ভূঁইয়া — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ ১৯৫. অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান — মার্কেটিং বিভাগ ১৯৬. অধ্যাপক ড. মুবিনা খন্দকার — মার্কেটিং বিভাগ ১৯৭. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক খান — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১৯৮. সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন ইসলাম — আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগ ১৯৯. অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২০০. সহযোগী অধ্যাপক ইঞ্জি. এম. মনজুর হোসেন খান — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

    ২০১. অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল মঈন — অর্গানাইজেশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগ ২০২. সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান — অর্গানাইজেশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগ ২০৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. নীরু বড়ুয়া — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ২০৪. অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ২০৫. সহযোগী অধ্যাপক মারিয়া হোসেন — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ২০৬. সহযোগী অধ্যাপক মন্দিরা চৌধুরী — দর্শন বিভাগ ২০৭. অধ্যাপক ড. কাজী হানিয়াম মারিয়া — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২০৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. কায়সার আহমেদ রকি — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২০৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২১০.

    অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

    ২১১. সহযোগী অধ্যাপক এম. রাশেদ আলম ভূঁইয়া — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২১২. অধ্যাপক ড. সাদিক হাসান — লোক প্রশাসন বিভাগ ২১৩. অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল — রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২১৪. অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ২১৫. অধ্যাপক ড. মাহমুদা খাতুন — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ২১৬. অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ খান — মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ ২১৭. সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. জেড. এম. শফিউল্লাহ — পরিসংখ্যান বিভাগ ২১৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তী — থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ২১৯. অধ্যাপক ড. আহমেদুল কবির — থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ২২০. সহযোগী অধ্যাপক ড. সৌদ আহমেদ — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

    ২২১. সহযোগী অধ্যাপক ড. সামশাদ নাওরীন — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২২২. অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল ইসলাম — উর্দু বিভাগ ২২৩. অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম — উর্দু বিভাগ ২২৪. সহকারী অধ্যাপক অমিও সৃজন সাম্য — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ ২২৫. অধ্যাপক ড. ফাজরিন হুদা — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৬. প্রভাষক ইনজামাম মাহবুব মজুমদার — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৭. সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া আফরিন — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৮. প্রভাষক দেবাশীষ দাস — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৯. প্রভাষক নিলয় রায় —বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২৩০. প্রভাষক রহিমা আখতার — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২৩১. অধ্যাপক ড. শারমিন মুসা — প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ

  • যবিপ্রবির তাপসী রাবেয়া হলে

    যবিপ্রবির তাপসী রাবেয়া হলে

    ছাত্রীদের ক্ষোভ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মেয়েদের তাপসী রাবেয়া হলের ডাইনিং ব্যবস্থার নানা অনিয়ম ও খাবারের নিম্নমান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক ছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, খাবারের মান ও স্বাদ সন্তোষজনক নয়, এছাড়া খাবার পরিবেশনকারীদের আচরণও অমার্জিত। ফলে খাবার নিম্নমানের হলেও মিল রেট (৫০ টাকা) বেশি হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত টোকেন কাটতে আগ্রহী নন। এদিকে জুলাই মাস থেকে নূন্যতম ২৫টি টোকেন বাধ্যতামূলক করেছে হল প্রশাসন।

    এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হলের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ডাইনিংয়ের খাবারের মান উন্নয়ন ও সেবার মান নিশ্চিত না করে কেবল খাবারের দাম বাড়িয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায্য নয়।

    এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, পড়াশোনা ও পরীক্ষার চাপ সামলাতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের হলের খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। অনেক সময় আলু আধাসেদ্ধ থাকে, মুরগির টুকরা খুবই ছোট ও সামান্য দেয়া হয় এবং খাবার মুখে তোলাও কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া যারা খাবার পরিবেশন করে, তাদের ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ। আগামী মাস থেকে মিলের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু খাবারের মান উন্নয়নের কোনো নিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে না। আমি মনে করি, খাবারের মান ও স্বাদ ভালো হলে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই টোকেন কাটত।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, সময়মত খাবার পরিবেশন না করা এবং দায়িত্বে থাকা কর্মীদের রূঢ় আচরণ নিয়ে আমি অসন্তুষ্ট। পরীক্ষার সময় নির্ধারিত সময় গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় খাবার প্রস্তুত থাকলেও দেয়া হয় না, আবার কর্মীরাও দেরি করে আসেন। খাবারের স্বাদ ও মানও ভালো নয়। ভাত শক্ত থাকে, আলু ঠিকমত সেদ্ধ হয় না এবং অনেক সময় মেঝেতে খাবার রেখে প্রস্তুত করা হয়। এসব খাবার খেয়ে আমি অসুস্থও হয়েছিলাম। আগামী মাস থেকে খাবারের দাম বাড়ানো এবং বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হচ্ছে। খাবারের মান ভালো হলে বাড়তি দাম দিয়ে খেতে আপত্তি নেই। তবে প্রতিদিন একঘেয়ে, স্বাদহীন ও নিম্নমানের খাবার বাধ্যতামূলকভাবে নেয়া সম্ভব নয়।

    এ বিষয়ে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট ড. নাজনীন নাহার বলেন, হলে বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা থাকেন। সবার খাবারের স্বাদ বা পছন্দ এক হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও আমি সবসময় চেষ্টা করি, রাঁধুনি ও ডাইনিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের তদারকিতে রাখতে, যাতে খাবারের মান ভালো থাকে এবং শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট হন।

    তিনি আরও বলেন, আরেকটি বড় সমস্যা হলো অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত টোকেন কাটেন না। এতে ডাইনিং পরিচালনায় আর্থিক চাপ তৈরি হয়। অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী টোকেন কাটার কারণে মিল রেটও তুলনামূলক বেশি রাখতে হয়। বিষয়টি সমাধানে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে বিষয়টি আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রাবির সংঘর্ষের ঘটনা তদন্ত কমিটি

    রাবির সংঘর্ষের ঘটনা তদন্ত কমিটি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সংঘটিত সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

    সোমবার (২৭ জুলাই) সংঘটিত ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম-২কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান।

    কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. গোলাম ছাদিক, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুল হক, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম এবং ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ. নাঈম ফারুকী।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, “গতকালের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন লাইব্রেরি ও অন্যান্য স্থাপনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।”

    তিনি আরও জানান, তদন্ত কমিটি পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মূলত তিনটি স্থান পরিদর্শন করবে। এগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, রাকসু ভবন, যেখানে হামলার অভিযোগ উঠেছে এবং প্রক্টর দপ্তর, যেখানে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    উপ-উপাচার্য বলেন, “তদন্ত কমিটির মূল লক্ষ্য হলো ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উৎস অনুসন্ধান করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনাগুলোতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা।”

    তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক বৈঠক করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো ভিডিও ফুটেজ বা আলোকচিত্র পর্যালোচনা করেননি। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

  • নতুন উপাচার্য পেল ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

    নতুন উপাচার্য পেল ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

    শিক্ষা ডেস্ক:

    নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য দিয়েছে সরকার। সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. মো. খালেদ উজ্জামানকে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ‘নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৩)’-এর বিধান অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হককে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

  • ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ ৬ হাজার ১৬৫ জন।

    পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল পিএসসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও টেলিটক মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    পিএসসির পূর্বঘোষিত পরীক্ষা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারিত ছিল ৩০ জুলাই। তবে নির্ধারিত সময়ের সাত দিন আগেই এই ফলাফল প্রকাশ করল দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। কমিশনের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০ আগস্ট থেকে। এখন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হবে মৌখিক পরীক্ষা।

    তবে পিএসসি তাদের পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশের গতি বাড়ালেও এর প্রকৃত সুফল পাচ্ছেন না চাকরিপ্রার্থীরা। চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর পিএসসি সুপারিশ পাঠালেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ধীরগতির কারণে চূড়ান্ত নিয়োগ আটকে থাকছে। তথ্য অনুযায়ী, ৪৫, ৪৬ ও ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত সুপারিশের পর প্রায় আট মাস পার হয়ে গেলেও ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় প্রার্থীরা চাকরিতে যোগ দিতে পারছেন না। এর মধ্যেই ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এবং ৫০তম বিসিএসের ফলাফলও দ্রুত প্রকাশ করা হলো। ফলে একদিকে পিএসসির ফলাফলের গতি বাড়লেও অন্যদিকে ভেরিফিকেশনের জটে আটকে থাকছে চূড়ান্ত নিয়োগ।

    উল্লেখ্য, ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে সর্বমোট ২ হাজার ১৫০ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদের সংখ্যা ১ হাজার ৭৫৫টি। ক্যাডার পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে, যেখানে ৬৫০ জন চিকিৎসক নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন কর্মকর্তা নিয়োগ পাবেন।

  • খুবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    খুবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বিজয় ২৪ হলের নারী ওয়াশরুমে গোপনে মোবাইল ফোন রেখে ভিডিয়ো ধারণের অভিযোগে হলের ক্যান্টিন কর্মী ইমাম হাসানকে (২৪) আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্যাম্পাসে সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, হলের নারী ওয়াশরুমে একটি সন্দেহজনক মোবাইল ফোন দেখতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হলের ক্যান্টিনে প্রায় দুই বছর ধরে কর্মরত ওই ক্যান্টিনের মালিকের ছেলে ইমাম হাসানকে আটক করা হয়।

    শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিক গোপন ভিডিয়ো পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হলের ওয়াশরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে গোপনে ভিডিয়ো ধারণ করতেন এবং তা বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে শেয়ার করতেন। ঘটনার বিষয়ে জানতেন তার স্ত্রীও। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেন।

    যৌন হয়রানিমূলক অপরাধের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ এনে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে আজ ২৩ জুলাই (বুধবার) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

    এ সময়ে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এছাড়া অতীতে শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির ঘটনাগুলোতেও কোনো সুষ্ঠু বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ করেন তারা।

    এছাড়া তারা আজ যৌন হয়রানির ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, বিভিন্ন পকেট গেট এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন।

    বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিজয় ’২৪ হলের প্রভোস্ট বলেন, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানানো হবে।

  • দুর্গন্ধে মিলল ববি শিক্ষার্থীর মরদেহ

    দুর্গন্ধে মিলল ববি শিক্ষার্থীর মরদেহ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন খালপাড় এলাকার একটি মেস কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত উচ্ছ্বাস কর্মকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি খুলনা জেলার খালিশপুরে।

    পুলিশ জানায়, কয়েকদিন ধরে উচ্ছ্বাসের কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার রাতে কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে মেসের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত দুই দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

  • ৮ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ

    ৮ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফুরকান উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থীকে ট্রেনে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রেন টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) সুমনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার উচ্চতর তদন্তে দু’টি কমিটি গঠনসহ পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি মেনে নেয়ায় মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রায় আট ঘণ্টা অবরোধের পর রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।মঙ্গলবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত টিটিইকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একটি তদন্ত কমিটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অধীনে ঘটনার অভ্যন্তরীণ বিষয় তদন্ত করবে এবং অপর কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করবেন।
    সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে তিনি চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও চিকিৎসা নিতে পারবেন। পাশাপাশি গভীর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে আসা আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর স্টপেজ চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনায় আগামী ৬ আগস্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আরেকটি আনুষ্ঠানিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।
    রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলোর বিষয়ে প্রশাসন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা আশা করছি, গঠিত তদন্ত কমিটিগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের ঘটনার শিকার না হন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আশ্বাস পাওয়া গেছে। এসব সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।’এর আগে, শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্ত টিটিইর শাস্তি ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেন। এতে প্রায় আট ঘণ্টা রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে। বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন আটকা পড়ে এবং শত শত যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন।
    পরে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এরপর ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয় এবং রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

  • জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচ কর্তৃক ৫৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে আট শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    সাময়িক বহিষ্কৃত ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা হলেন- মো. ফজলে হাসান ফাহাদ, মো. আল-আমিন হোসাইন, মো. তানভীর হাসান, মো. ফয়সাল আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান খান আবির, মো. মাহমুদ আমিন সিয়াম, মো. মোশফিকুর রহমান এবং সৈয়দ সাকিব আহমেদ রাফু।

    অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২০ জুলাই দিবাগত রাত ১০টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০২৪-২৫) কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২৬) নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের পাশে অবস্থিত একটি কক্ষে নিয়ে বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে।

    এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৫(৬) ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ বা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে টিজিং, র‍্যাগিং বা নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত আট শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চবি ছাত্রীর সঙ্গে চীনা অধ্যাপকের বিয়ে

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চবি ছাত্রীর সঙ্গে চীনা অধ্যাপকের বিয়ে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চীনের শানডং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান (ওশানোগ্রাফি) বিভাগের অতিথি শিক্ষক জিহুয়া জাং। বিয়ের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আল আমিন।

    শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার নিজের ফেসবুক পোস্টে বিয়ের বিষয়টি জানান। পরে জিহুয়া জাংও তার ফেসবুক আইডিতে দুজনের একটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    সুমাইয়া আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব ফয়জুন্নেছা হল সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস)। নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া নাস্তা ও পিঠা বিক্রির মাধ্যমে তিনি ক্যাম্পাসে পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

    বিয়ের বিষয়ে সুমাইয়া জানান, জিহুয়া জাং অতিথি শিক্ষক হিসেবে দুই দফায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। গত ১৪ জুলাই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নতুন নাম রাখা হয় আল আমিন।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষার একটি কোর্স করার সময় তাদের পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় থেকে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন জানান, জিহুয়া জাং বিভাগের একটি প্রকল্পের অধীনে অতিথি (অ্যাডজাঙ্কট) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ডেটা মডেলিং ও এনভায়রনমেন্টাল অ্যানালাইসিস বিষয়ে পাঠদান করতেন। গত দুই বছরে সামার ভ্যাকেশনের সময় তিনি দুইবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সর্বশেষ গত জুন মাসে তিনি ক্যাম্পাসে অবস্থান করেছিলেন বলে জানান এই শিক্ষক।

  • জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

    অভিযোগপত্রের আসামিরা হলেন, জোবায়েদের ছাত্রী ও প্রেমিকা বার্জিস শাবনাম বর্ষা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। পুলিশের ভাষ্য, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগী।

    বংশাল থানার এসআই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন সম্প্রতি ঢাকার আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে ৫০ জন সাক্ষীর বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফরেনসিক, ডিএনএ এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১৫ নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলা বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে গিয়ে খুন হন তিনি। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছাত্রী বর্ষার বাসার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    এ ঘটনায় একদিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রায় নয় মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন।

    তদন্তে উঠে আসে, এটি তাৎক্ষণিক কোনো হামলা ছিল না; বরং এক মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সুযোগের অপেক্ষার পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। এছাড়া তদন্তে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদ ও মাহিরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ও উঠে এসেছে। জোবায়েদের সঙ্গে বর্ষার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

    মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু বলেন, অভিযোগপত্রটি প্রসিকিউশন বিভাগের জিআরও শাখায় জমা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযোগপত্রটি পর্যালোচনা করছেন বলে জানা গেছে। আগামীকাল (বুধবার) এটি জিআরওতে আসবে। এরপর বিচারকের কাছে উপস্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অভিযোগপত্রে ডিএনএ রিপোর্ট মাহিরের সঙ্গে মিলেছে। সেখানে তাঁর ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। মাহিরের বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক নম্বর আসামিসহ কেউই ছাড় পাবে না।

  • ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

    ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনক্ষমতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ ও নারীর উদ্ভাবনী শক্তিকে অর্থনৈতিক প্রগতির মূলধারায় যুক্ত করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত রূপান্তরের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬-এ স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে, সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে, যা উদ্ভাবনী উদ্যোগের অর্থায়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • বিদায়ের পর সাদিক কায়েমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    বিদায়ের পর সাদিক কায়েমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের পর আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন সদ্যবিদায়ী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ছাত্রশিবিরের ষাণ্মাসিক এক সেটআপে সাদিক কায়েমসহ ৯ জন কেন্দ্রীয় সম্পাদকের আনুষ্ঠানিক বিদায়ের কথা জানিয়েছেন প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ।

    এরপর ব্যক্তিগত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম। ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, আমার আবেগ আর ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন! দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সাথে।

    তিনি আরো লিখেন, এই প্রিয় কাফেলা আমাকে দেশ ও জাতিকে নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছে, জড়তা ভেঙে কথা বলতে শিখিয়েছে, নেতৃত্বের গুণাবলিকে পরম মমতায় বিকশিত করেছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরই আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে পরিপূর্ণ পথনির্দেশনা দিয়েছে।

    ‘পেছনে ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে অসংখ্য প্রিয় মুখ আর সংগ্রামী চিত্র। পুরোটা সময় জুড়ে নিবেদিতপ্রাণ দায়িত্বশীল ও জনশক্তিদের যে সোহবত ও সান্নিধ্য পেয়েছি, তা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। জীবনের প্রতিটি বাঁকে আপনাদের কাছ থেকে শিখেছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি।’

    সাদিক কায়েম আরও লিখেন, দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা ইসলামী ছাত্রশিবিরের এই সংগ্রাম ও আন্দোলনের কর্মীদের পবিত্র সম্পর্কগুলোকে কবুল করুন। সামনের দিনগুলোতে এই অঞ্চলের মজলুম মানুষের মুক্তি সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পথ চলার তাওফিক দিন এবং এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার মতো যোগ্য নেতৃত্ব দান করুন, আমীন।ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়া ৯ সম্পাদকদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান মুহিব, কেন্দ্রীয় প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান ও কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।

  • উচ্চশিক্ষায় ভেরিফিকেশন ফি কমাল ঢাবি

    উচ্চশিক্ষায় ভেরিফিকেশন ফি কমাল ঢাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি ১০ ইউএস ডলার কমানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এ সেবার জন্য শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ৪০ ইউএস ডলার পরিশোধ করতে হবে।

    বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি জনপ্রতি ৫০ ইউএস ডলার ছিল। গত মার্চে পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের স্নাতক শেষ করা ছাত্রী জিনিয়া তাসনিমের একাডেমিক কাগজপত্র যাচাইয়ের (ভেরিফিকেশন) জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। পরবর্তীতে যা সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষ দিতে অস্বীকার করে। ফলে সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আবেদনটি অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনার মুখে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তখনই শিক্ষার্থীরা ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করার দাবি করেছিলেন। তবে সম্পূর্ণ ফ্রি না করে ১০ ডলার কমানোর সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

  • যশোর বোর্ডে ইংরেজি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২,৫২৩

    যশোর বোর্ডে ইংরেজি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২,৫২৩

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বিশেষ প্রতিনিধি॥ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি ইংরেজি প্রথম পত্র (১০৭) আবশ্যিক পরীক্ষায় অসুদোপায় অবলম্বনের দায়ে দুই জন বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া

    যায়নি।

    এ দিন পরীক্ষায় দুই হাজার ৫২৩ জন অনুপস্থিত ছিল। যশোর শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১০ জেলায় ২৪০টি কেন্দ্রে ৫৭৫টি কলেজের এক লাখ ১১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষা দেয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষা হলে উপস্থিত ছিল এক লাখ ৮ হাজার ৭৩১ জন। ফলে অনুপস্থিত ২৫২৩ জন। অনুপস্থিতির হার ছিল ২.২৭ শতাংশ। গতবছর এদিন অনুপস্থিত ছিল ১৯০৬ জন, গতবারের চেয়ে অনুপস্থিতির হার বেশি। গতবার অনুপস্থিতির ছিল ১.৬২ শতাংশ।

    এদিকে পরীক্ষায় অসুদোপায় অবলম্বনের দায়ে দুই জনকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। এদের একজন চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায়, তার রোল দর্শনা-২৮১-২০৯৩৪৩ এবং অন্যজন মাগুরার। তার রোল মাগুরা -৩৪৩-২৫৬৩৬৮।

    যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. আব্দুুল মতিনের দপ্তর সূত্রে এ বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • হোয়াটসঅ্যাপের  তথ্য চুরি, নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

    হোয়াটসঅ্যাপের তথ্য চুরি, নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

    ডিজিটাল যুগে যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর কারণে প্রতারকদেরও অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে এই অ্যাপ। ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, পরিচয় জালিয়াতি, ফিশিং লিংক, লটারির প্রলোভন কিংবা বিনিয়োগের নামে প্রতারণার মতো ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। অনেক সময় এক ক্লিকেই আপনার তথ্য আর ব্যাংকের টাকা গায়েব হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্দেহজনক বার্তা চেনার কয়েকটি সহজ উপায় জানা থাকলে অধিকাংশ প্রতারণাই এড়ানো সম্ভব।

    অচেনা কোনো নম্বর থেকে হঠাৎ বার্তা এলে সেটিকে শুরু থেকেই সন্দেহের চোখে দেখুন। বিশেষ করে যদি বার্তায় প্রশংসা, আকর্ষণীয় চাকরির অফার, মোটা অঙ্কের আয়ের প্রতিশ্রুতি বা জরুরি সাহায্যের কথা বলা হয়। প্রতারকেরা অনেক সময় ভুল নম্বরে বার্তা পাঠানোর ভান করে কথোপকথন শুরু করে। আবার কখনও নিজেদের নিয়োগকারী বা পরিচিত কারও বন্ধু বলে পরিচয় দেয়। উদ্দেশ্য একটাই বিশ্বাস অর্জন করে পরে প্রতারণা করা। এ ধরনের বার্তার জবাব না দিয়ে নম্বরটি ব্লক ও রিপোর্ট করাই নিরাপদ।

    প্রতারকেরা এমন অনেক ওয়েবসাইট তৈরি করে, যা দেখতে ব্যাংক, সরকারি দপ্তর, কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান বা জনপ্রিয় অ্যাপের আসল ওয়েবসাইটের মতোই লাগে। অপরিচিত কারও পাঠানো কোনো লিংকে ক্লিক করবেন না। পরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিংক হলেও আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

    মনে রাখতে হবে, কোনো ব্যাংক বা সরকারি প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে লিংক পাঠিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য দিতে বলে না। প্রায় সময় ব্যাংক থেকে বলা হয় তারা কখনো এখন টেক্স করে না।

    কোনো ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা বৈধ সেবাদাতা সংস্থা কখনোই হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি চায় না। ওটিপি অন্য কাউকে জানিয়ে দিলে আপনার ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়। একইভাবে কেউ যদি কলের সময় স্ক্রিন শেয়ার করতে বলে, তাতেও রাজি হবেন না। স্ক্রিন শেয়ার করলে আপনার ফোনে থাকা ব্যাংকিং অ্যাপ, পাসওয়ার্ড, ওটিপিসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য ব্যক্তি দেখতে পারে।

    পরিচিতের বেশ ধরে টাকা চাইলে সাবধান

    সম্প্রতি একটি প্রতারণার কৌশল বেশ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতারকেরা নতুন নম্বর থেকে পরিবারের সদস্য যেমন ছেলে, মেয়ে বা ভাই-বোন পরিচয়ে বার্তা পাঠায়। এরপর জরুরি সমস্যার কথা বলে দ্রুত টাকা পাঠাতে অনুরোধ করে। এ ধরনের বার্তা পেলে টাকা পাঠানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির পরিচিত নম্বরে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

    সন্দেহজনক নম্বর হলে রিপোর্ট করুন

    হোয়াটসঅ্যাপে সন্দেহজনক নম্বর রিপোর্ট করা খুবই সহজ। এর জন্য সংশ্লিষ্ট চ্যাট খুলে উপরের নামের ওপর চাপ দিন। এরপর নিচে স্ক্রল করে ‘রিপোর্ট’ অপশন নির্বাচন করুন। চাইলে একই সঙ্গে নম্বরটি ব্লকও করতে পারবেন। রিপোর্ট করলে প্রেরক কোনো নোটিফিকেশন পায় না। তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি বার্তা হোয়াটসঅ্যাপের কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়, যা প্রতারণামূলক কার্যক্রম শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

    নিরাপদ থাকতে সেটিংসে পরিবর্তন

    বিশেষজ্ঞরা নিরাপদ থাকতে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসে কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে প্রাইভেসিটড গিয়ে প্রোফাইল ছবি, স্ট্যাটাস এবং সর্বশেষ অনলাইনের তথ্য শুধু পরিচিত ব্যক্তিদের জন্য দৃশ্যমান রাখুন। এছাড়া কলস অপশনে গিয়ে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ সুবিধা চালু করলে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কল বিরক্ত করবে না। সবশেষে ‘অ্যাকাউন্ট’ থেকে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করে ছয় সংখ্যার একটি পিন সেট করুন। এতে কেউ আপনার নম্বর অন্য ডিভাইসে নিবন্ধনের চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর কাজ করবে।

    হোয়াটসঅ্যাপে হ্যাক কিংবা এ থেকে প্রতারণা নতুন কিছু নয়। প্রতিনিয়ত হ্যাকাররা নতুন কৌশলে এসব করে যাচ্ছে। তাই সচেতন থাকার থেকে বড় সুরক্ষা আর কিছুই না।
    হোয়াটসঅ্যাপের এক ক্লিকেই তথ্যসহ টাকা চুরি, নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

    ডিজিটাল যুগে যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর কারণে প্রতারকদেরও অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে এই অ্যাপ। ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, পরিচয় জালিয়াতি, ফিশিং লিংক, লটারির প্রলোভন কিংবা বিনিয়োগের নামে প্রতারণার মতো ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। অনেক সময় এক ক্লিকেই আপনার তথ্য আর ব্যাংকের টাকা গায়েব হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্দেহজনক বার্তা চেনার কয়েকটি সহজ উপায় জানা থাকলে অধিকাংশ প্রতারণাই এড়ানো সম্ভব।

    অচেনা কোনো নম্বর থেকে হঠাৎ বার্তা এলে সেটিকে শুরু থেকেই সন্দেহের চোখে দেখুন। বিশেষ করে যদি বার্তায় প্রশংসা, আকর্ষণীয় চাকরির অফার, মোটা অঙ্কের আয়ের প্রতিশ্রুতি বা জরুরি সাহায্যের কথা বলা হয়। প্রতারকেরা অনেক সময় ভুল নম্বরে বার্তা পাঠানোর ভান করে কথোপকথন শুরু করে। আবার কখনও নিজেদের নিয়োগকারী বা পরিচিত কারও বন্ধু বলে পরিচয় দেয়। উদ্দেশ্য একটাই বিশ্বাস অর্জন করে পরে প্রতারণা করা। এ ধরনের বার্তার জবাব না দিয়ে নম্বরটি ব্লক ও রিপোর্ট করাই নিরাপদ।

    প্রতারকেরা এমন অনেক ওয়েবসাইট তৈরি করে, যা দেখতে ব্যাংক, সরকারি দপ্তর, কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান বা জনপ্রিয় অ্যাপের আসল ওয়েবসাইটের মতোই লাগে। অপরিচিত কারও পাঠানো কোনো লিংকে ক্লিক করবেন না। পরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিংক হলেও আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

    মনে রাখতে হবে, কোনো ব্যাংক বা সরকারি প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে লিংক পাঠিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য দিতে বলে না। প্রায় সময় ব্যাংক থেকে বলা হয় তারা কখনো এখন টেক্স করে না।

    কোনো ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা বৈধ সেবাদাতা সংস্থা কখনোই হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি চায় না। ওটিপি অন্য কাউকে জানিয়ে দিলে আপনার ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়। একইভাবে কেউ যদি কলের সময় স্ক্রিন শেয়ার করতে বলে, তাতেও রাজি হবেন না। স্ক্রিন শেয়ার করলে আপনার ফোনে থাকা ব্যাংকিং অ্যাপ, পাসওয়ার্ড, ওটিপিসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য ব্যক্তি দেখতে পারে।

    পরিচিতের বেশ ধরে টাকা চাইলে সাবধান

    সম্প্রতি একটি প্রতারণার কৌশল বেশ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতারকেরা নতুন নম্বর থেকে পরিবারের সদস্য যেমন ছেলে, মেয়ে বা ভাই-বোন পরিচয়ে বার্তা পাঠায়। এরপর জরুরি সমস্যার কথা বলে দ্রুত টাকা পাঠাতে অনুরোধ করে। এ ধরনের বার্তা পেলে টাকা পাঠানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির পরিচিত নম্বরে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

    সন্দেহজনক নম্বর হলে রিপোর্ট করুন

    হোয়াটসঅ্যাপে সন্দেহজনক নম্বর রিপোর্ট করা খুবই সহজ। এর জন্য সংশ্লিষ্ট চ্যাট খুলে উপরের নামের ওপর চাপ দিন। এরপর নিচে স্ক্রল করে ‘রিপোর্ট’ অপশন নির্বাচন করুন। চাইলে একই সঙ্গে নম্বরটি ব্লকও করতে পারবেন। রিপোর্ট করলে প্রেরক কোনো নোটিফিকেশন পায় না। তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি বার্তা হোয়াটসঅ্যাপের কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়, যা প্রতারণামূলক কার্যক্রম শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

    নিরাপদ থাকতে সেটিংসে পরিবর্তন

    বিশেষজ্ঞরা নিরাপদ থাকতে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসে কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলেছেন। হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে প্রাইভেসিটড গিয়ে প্রোফাইল ছবি, স্ট্যাটাস এবং সর্বশেষ অনলাইনের তথ্য শুধু পরিচিত ব্যক্তিদের জন্য দৃশ্যমান রাখুন। এছাড়া কলস অপশনে গিয়ে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ সুবিধা চালু করলে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা কল বিরক্ত করবে না। সবশেষে ‘অ্যাকাউন্ট’ থেকে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করে ছয় সংখ্যার একটি পিন সেট করুন। এতে কেউ আপনার নম্বর অন্য ডিভাইসে নিবন্ধনের চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর কাজ করবে।

    হোয়াটসঅ্যাপে হ্যাক কিংবা এ থেকে প্রতারণা নতুন কিছু নয়। প্রতিনিয়ত হ্যাকাররা নতুন কৌশলে এসব করে যাচ্ছে। তাই সচেতন থাকার থেকে বড় সুরক্ষা আর কিছুই না।
    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • র‍্যাগিংয়ের দায়ে জাবির ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

    র‍্যাগিংয়ের দায়ে জাবির ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৫৪তম ব্যাচের ১২ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাত ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী ৫৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র‍্যাগিং করেন। এই ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৫(ঙ) ধারায় বর্ণিত ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যে কোনো জায়গায় টিজ, র‍্যাগিং, নির্যাতনমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা যাবে না’ নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ফলশ্রুতিতে, উক্ত অধ্যাদেশের ৪ (১) (খ) ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

    সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—সুভাশীষ রায় প্রান্ত, নাছিম উদ্দিন মজুমদার, মো. আবু আবতাহী অনিক, নাঈমুল হাসান, আব্দুল্লাহ মাহদী, ইসফাক হাদী, মো. রায়হান খান, কাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিল, সাইফুল্লাহ মানসুর আনান, মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত, কার্তিক চন্দ্র রায় এবং নাঈম আহমেদ সজিব।

    উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই দিবাগত রাতে ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের ১৩ জন নবীন শিক্ষার্থীকে ‘ম্যানার’ শেখানোর অজুহাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনা জানার পর প্রক্টরিয়াল টিম তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৫৪তম ব্যাচের ওই ১২ জন শিক্ষার্থীকে আটক করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন এবং অভিযুক্তরাও লিখিতভাবে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।

  • ঢাবি সাদা দলের নাম ভাঙিয়ে তদবিরের অপচেষ্টা

    ঢাবি সাদা দলের নাম ভাঙিয়ে তদবিরের অপচেষ্টা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তদবির, সুপারিশ ও বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

    সংগঠনটি একই সঙ্গে সাদা দল স্পষ্ট করেছে, এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং মেধা, যোগ্যতা, সততা ও প্রচলিত বিধিবিধানের ভিত্তিতেই সব প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত বলে তারা বিশ্বাস করে।

    আজ শুক্রবার ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানান।

    এতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু ব্যক্তি সাদা দল এবং সাদা দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের নাম ব্যবহার করে ঢাবি প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যক্তিগত তদবির, সুপারিশ এবং বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাবি সাদা দলের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো যাচ্ছে যে, এসবের সাথে সাদা দলের কোনো সম্পর্ক নেই। সাদা দল কখনোই কোনো অনৈতিক আবদার বা সুপারিশ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। এ ব্যাপারে সাদা দল দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তারা বলেন, ঢাবি সাদা দল প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই নিয়োগ, পদায়ন, পদোন্নতি, গবেষণা-সুযোগ, বৃত্তি ও অন্যান্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে একমাত্র মেধা, যোগ্যতা, সততা, স্বচ্ছতা ও প্রচলিত বিধিবিধানকে মানদ- হিসেবে বিবেচনা করার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। কোনো ব্যক্তি যদি যোগ্যতা ও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো সুযোগ পাওয়ার অধিকারী হন, তবে তিনি অবশ্যই তা পাবেন। দলীয় পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কারও জন্য বিশেষ সুবিধা আদায়ের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সাদা দলের অবস্থান সুস্পষ্ট।

    তারা আরো বলেন, সাদা দলের পক্ষ থেকে ঢাবি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের প্রতি ভবিষ্যতে সাদা দল বা সাদা দলের কোনো নেতার নাম ব্যবহার করে কোনো সুপারিশ, তদবির বা ব্যক্তিগত দাবি উপস্থাপিত হলে তা গ্রহণ না করে সরাসরি সাদা দলের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। সাদা দলের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের যেকোনো প্রচেষ্টা রোধে সবার সতর্ক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা আশা করছে সাদা দল।

  • গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বুধবার (০১ জুলাই)। ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যে এবার দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।

    ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করে মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষক, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যালামনাই দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান-বিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। সেসব প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই।’ বুধবার সকাল পৌনে ১০টায় উপাচার্য ভবন-সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বর থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুর ইসলামের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) চত্বরে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, জাতীয় সংগীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং, রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী আয়োজন হবে। বিদেশি শিক্ষার্থীরাও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবেন।

    সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে উপাচার্যের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। পরে বিকেল ৩টায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে প্যানেল আলোচনা হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেবেন অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।

    ১৯২১ সালে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি সময়ের পরিক্রমায় দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিল্পী, প্রশাসক ও রাষ্ট্রনায়কদের গড়ে তুলেছে। একই সঙ্গে ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও ভূমিকা রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

  • ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন ভিপি

    ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন ভিপি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করা দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আজ ১০৬তম বছরে পদার্পণ করেছে। দিনকে ঢাবি কর্তৃপক্ষ দিবস হিসেবে পালন করছে।

    দিবসটি উপলক্ষে এরই মধ্যে ঢাবি কর্তৃপক্ষের তৈরি করা একটি ভিডিও নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর ভিপি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে করা পোস্টে তিনি ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ফিমেল জিমনেশিয়াম চালুর বিষয়টি তুলে ধরেন।

    প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ফিমেল জিমনেশিয়াম।

    ডাকসুর উদ্যোগে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক এই জিমনেশিয়াম প্রস্তুত করা হয়েশারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় এখন থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা।

  • কমছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর

    কমছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ডেন্টাল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর করপোরেট করহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের করহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, শিক্ষার মান উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যেই এই কর ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    নতুন করহার: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করহার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    শর্ত সহজ হচ্ছে: নতুন অর্থবছরে কর কমানোর ক্ষেত্রে আগের তুলনায় শর্ত শিথিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠান: ইউজিসি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে।

    খাতের দাবি: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে কর কমানো বা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল।

  • মা-বোনসহ ঢাবির ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত

    মা-বোনসহ ঢাবির ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত

    শিক্ষা ডেস্ক:

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা এবং দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত যুবক মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা ডাকাতিয়া নদীরপাড়ে একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ এবং একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

    এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হকার যুবককে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় তিনি মারা যান।

    হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন সদস্য হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরেক মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা কুমিল্লা জেলার হোমনা পৌরসভার লইট্রা গ্রামের মৃত হকার কামাল হোসেনের স্ত্রী ও মেয়ে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায় হলেও কয়েক বছর ধরে তারা লক্ষ্মীপুরে ভাড়া থাকেন।

    নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।

    সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, গণপিটুনিতে আহত এক যুবকে হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় মারা গেছেন।

    এর আগে সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) রাশেদুল জানিয়েছিলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। আহত একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হন।

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সমন্বয় করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সমন্বয় করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে সময়ের অপচয় রোধে শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা হবে। এ লক্ষ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি আগেভাগেই প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াও সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের কোর্স চার বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবন দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ রাখা যাবে না। এজন্য শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    ড. মিলন বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। আগামী প্রজন্মকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে তাদের মধ্যে আত্মপ্রেরণা ও পেশাগত মর্যাদা অর্জনের মানসিকতা থাকতে হবে।

    পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন নকলের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। অনেকেই ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করে। তাই কেন্দ্র সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক থেকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো পার্বত্য এলাকাতেও শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

    চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

  • গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি

    গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে ভাইরাল হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাকে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

    জানা যায়, বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটি কর্তৃক সুপারিশ অনুযায়ী বাংলা বিভাগের শিক্ষক তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করাসহ অভিযোগ আনা হয়েছিল।

    সম্প্রতি অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তিনি শাহ আব্দুল করিম, জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুর গান গেয়ে ফেসবুকে উল্লেখযোগ্য সাড়া পান। তার গাওয়া কয়েকটি গান দ্রুত ভাইরাল হলে শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

  • রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী ছেলের আঘাতে স্কুলশিক্ষক বাবা নিহত

    রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী ছেলের আঘাতে স্কুলশিক্ষক বাবা নিহত

    রাজশাহীতে পারিবারিক কলহের জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পড়ুয়া ছেলের লাঠির আঘাতে রেজাউল করিম (৬৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক নিহত হয়েছেন।

    সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেরচণ্ডী বেড়ার মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্ত ছেলে রাকিবুল করিম (২৭) রাবির সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রেজাউল ও তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগমের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। সোমবার সকালেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে রাকিবুল তার মায়ের পক্ষ নেন। এ নিয়ে বাবার সাথে তার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে রাকিবুল একটি বাঁশের লাঠি দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন। এতে রেজাউল গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন। ঘটনার পর রাকিবুল মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

    পরিবারের সদস্যরা রেজাউলকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে না। পারিবারিক কলহের জেরে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে ছেলের আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রাকিবুল পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

  • মেয়াদ শেষের আগেই ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অব্যাহতি: টিআইবি

    মেয়াদ শেষের আগেই ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে অব্যাহতি: টিআইবি

    (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।

    বিএনপি সরকার গঠনের পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সার্চ কমিটি থাকলেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

    রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।

    শিক্ষাখাত নিয়ে টিআইবি পর্যবেক্ষণে জানায়, ক্ষমতাসীন দলের গুরত্বপূর্ণ পদে থাকা একজনকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন ও প্রভোস্ট পদে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিবর্তন, সরকার গঠনের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, সংঘর্ষ ও সহিংসতা। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ইত্যাদি ইস্যুতে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র দুইটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘঠনা ঘটেছে।

    টিআইবি জানায়, শিক্ষাখাতে সরকারের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটির পুনর্গঠন, প্রতি বছর বিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, লটারির পরিবর্তে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি, শিক্ষকদের প্রতিবন্ধি শিশুবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলী নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

  • নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    ‘সিটবাণিজ্য ও কোনো নেতার আনুগত্য পাওয়ার আশায় রাজনীতি করবেন না’-জিএস সালাউদ্দিন আম্মার

    নড়াইল প্রতিনিধি
    নড়াইলে ঊষার আলো সূর্য সংঘের আয়োজনে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    শনিবার (৩০ মে) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, সিটবাণিজ্য ও কোনো নেতার আনুগত্য পাওয়ার আশায় রাজনীতি করবেন না। নিজে ব্যক্তিগত ভাবে এগিয়ে যান। এতে নিজের অবস্থান ভালো হবে। নেতার জন্য গলা ফাটিয়ে মিছিল করার দরকার নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করে শুধু বিসিএস ক্যাডার বা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার আশা করা ঠিক নয়। আগে দরকার একজন ভালো ও মানবিক মানুষ হওয়ার। কারণ, অনেকে হয়ত বলতে পারেন, ম্যাজিস্ট্রেট হলে সরকারি বেতনের পাশাপাশি সম্মান পাওয়া যায়। আমি এটা সমর্থন করি না। কারণ, একজন ম্যাজিস্ট্রেটকেও অনেক ক্ষেত্রে এইট (অষ্টম) পাস পাতি নেতাকে এক মিনিটে ৪১ বার স্যার, স্যার… সম্বোধন করে উঠে দাঁড়াতে হয়।

    তাই শুধু বিসিএস ক্যাডার বা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট হলেই সবকিছু পেয়ে যাবেন, এমনটি ভাবা ঠিক নয়। অনেক বেসরকারি চাকরি বা উদ্যোক্তা ম্যাজিস্ট্রেটের চেয়েও বেশি বেতন পান। তাই সবার আগে সবাইকে ভালো ও মানবিক মানুষ হতে হবে। যে যেটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, ভালো ভাবে সেইদিকে এগিয়ে যেতে হবে।

    জিএস সালাউদ্দিন আম্মার নবীন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি বিজ্ঞান ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চাসহ সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এসব ভালো দিক গ্রহণের পাশাপাশি খারাপ দিকও রয়েছে।
    এখানে (বিশ্ববিদ্যালয়) এসে অনেকে মাদকাসক্তও হয়ে পড়েন। বিপথে চলে যান। তাই সর্তক থেকে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া নবীন বয়সে প্রেমে পড়ে নিজের জীবন নষ্ট করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা ঠিকভাবে ব্যবহার করলে নিজেকে যোগ্য ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

    ঊষার আলো সূর্য সংঘের সভাপতি তরুণ কবি ও কলাম লেখক মিনহাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাফায়াত উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার ধর্মতত্ত অনুষদের সাবেক ডিন ড. আকবর মাহমুদ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন-নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ছায়েম আলী খান, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আলমগীর হুসাইন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু, প্রকৌশলী গোলাম রাব্বি, সাবিব অটো গ্যালারির স্বত্তাধিকারী আনিসুল আজম, নড়াইলের প্যারাডাইস একাডেমির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু মুসা, বুয়েট শিক্ষার্থী শেখ ইমতিয়াজ, শিক্ষার্থী রাফাত জামিল, ঊষার আলো সূর্য সংঘের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খান মাসুম বিল্লাহ, আমিরুল ইসলাম রানা, আল আমিন মন্ডল, এস এম তন্ময় রেজা, আবির, তাফহিম, মুজাহিদ, বায়েজিদ খন্দকারসহ অনেকে।

    বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৩০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এদের বাড়ি নড়াইলের বিভিন্ন এলাকায়।

    প্রসঙ্গত সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ঊষার আলো সূর্য সংঘ প্রতিবছর নড়াইলের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়ে আসছে।

  • ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

    ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

    দেশের ১০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে নতুন ভিসি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ১০টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    নতুন ভিসি পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হলেন।

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম।

    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন ড. মো. মামুন অর রশিদ।

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এন্ড রিসার্চের (আইএসডব্লিউআর) অধ্যাপক হিসিবে কর্মরত ছিলেন।

    ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল। তিনি বর্তমানে সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এর আগে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ছিলেন।

    পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।

    এছাড়া জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন ভিসি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া।

    নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, নবনিযুক্ত উপাচার্যরা যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তারা তাদের বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

  • চার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

    চার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চারটি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম রাজিউল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো— ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও আনোয়ার খান মডার্ন ইউনিভার্সিটি।

    সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নতুন কমিটির মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, খুব শিগ্‌গির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রতিটি ক্যাম্পাসে সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

  • ঢাবিতে রাজনৈতিক রদবদল; পদত্যাগের হিড়িক

    ঢাবিতে রাজনৈতিক রদবদল; পদত্যাগের হিড়িক

    নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক রদবদল। অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যাপক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের পদত্যাগ দিয়ে শুরু হয়ে তা বিস্তৃত হয়েছে উপউপাচার্য, প্রক্টর এবং সহকারী প্রক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তরে। ধারাবাহিক এই পরিবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে একধরনের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনের এই পুনর্বিন্যাস কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি নতুন ক্ষমতার কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়ার অংশ। আর এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে একচেটিয়া রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

    নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচদিনের মাথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগ করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

    তিনি জানান, দায়িত্বের একটি পর্যায় শেষ হয়েছে এবং নতুন নেতৃত্বের জন্য জায়গা করে দেওয়াই সমীচীন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২৭ আগস্ট উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। তার পদত্যাগের পর নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

    প্রশাসনিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

    ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর সায়মা হক বিদিশা এই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাকে সরিয়ে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

    তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পর বিশ্ববিদ্যালয় এখন তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং এই সময়ে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যৌক্তিক।

    তার পদত্যাগের পর চারুকলা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং (ইসরাফিল রতন)-কে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরপেক্ষভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    এদিকে প্রক্টরের পদত্যাগের পরদিনই সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন মোনামীও পদত্যাগ করেছেন। সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়ার আলোচনা চলছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

    শুধু শীর্ষ পর্যায়েই নয়, রেজিস্ট্রার ভবনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ইতোমধ্যে ব্যাপক রদবদল হয়েছে। একাধিক কর্মকর্তা বদলি, পদায়ন এবং নতুন নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

    একচেটিয়া রাজনৈতিক মেরূকরণে উদ্বেগ

    এদিকে প্রশাসনের এই ধারাবাহিক পরিবর্তনে একচেটিয়া রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একচেটিয়া স্থলাভিষিক্তের মাধ্যমে রাজনৈতিক মেরূকরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একটি অংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, যদি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার ব্যক্তিরা ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে আসীন হন, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এতে সিন্ডিকেটকেন্দ্রিক একটি একমুখী ক্ষমতা কাঠামো গড়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হবে।

    তাদের মতে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে বহুমাত্রিক মত, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব থাকা জরুরি। অন্যথায় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন নতুন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

    তিনি বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন তারা স্বেচ্ছায় করেছেন এবং কাউকে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে অভিজ্ঞতা, জ্যেষ্ঠতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক প্রশাসনেরই নিজস্ব কাজের ধরন থাকে। যাদের সঙ্গে কাজ করলে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব, তাদেরই বেছে নেওয়া হয়।’

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ছে চুরি, ১৭ দিনে আটক ৩ চোর

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ছে চুরি, ১৭ দিনে আটক ৩ চোর

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা। মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে পৃথক তিনটি ঘটনায় তিন চোর আটক হওয়ায় শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপ সংলগ্ন একটি মেয়েদের মেসে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করতে গিয়ে এক যুবক শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হন। পরে তাকে প্রক্টরিয়াল বডির হেফাজতে নেওয়া হয়।

    এর আগে, ১৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের ওয়াশরুম থেকে পানির কল চুরির সময় সালমান রাফি নামে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো. জিল্লাল হোসাইন। পরে তাকে ত্রিশাল থানায় সোপর্দ করা হয়।

    ওই ঘটনার তিন দিন পর, ২২ এপ্রিল একই এলাকায় আবারও চুরি এসে ধরা পড়ে আরেক যুবক। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকা ও একাডেমিক ভবনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলছেন তারা।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাতে পর্যাপ্ত টহলের অভাব এবং বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের সুযোগ থাকায় চুরির ঘটনা বাড়ছে। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান জনির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    A M

  • ঢাবির সহকারী প্রক্ট র শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

    ঢাবির সহকারী প্রক্ট র শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়লেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

    সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লেখেন, ‘I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.’

    তিনি জানান, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা ভাবেননি কখনো।

    তবে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর দায়িত্বটি নিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বলে জানান তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!!

    তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার উপর আমার ডিপার্ট্মেন্টের বড় ভাই -স্যার, আমি মানা করবো!???

    সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, গত ২ টি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছি, কিভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কিভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।

    তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।

    নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া বলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করবো না। আমি জানিও না ট বি ট্রু।

    তিনি লেখেন, আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সাথে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।

    নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভকামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, It was an absolute honour to serve with my team and under the leadership of our Proctor Saifuddin Ahmed sir.

    এছাড়া তিনি আরও লেখেন, Congratulations to our new Proctor and his team. Wishing this team all the best in carrying out this significant responsibility

  • পদত্যাগ করেছেন ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ

    পদত্যাগ করেছেন ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ। আজ রোববার দুপুর ২টার দিকে উপাচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

    আজ বিকেল পৌনে ৪টার দিকে সমকালকে এ তথ্য জানান তিনি নিজেই। সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে কাজ করেছি। প্রশাসনে ঝুঁকি ছিল সেই ঝুঁকির সময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয় অনেকটাই শান্ত। এখন সবকিছু একটা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রক্টর হিসেবে অনেক দায়িত্ব; সেই দায়িত্ব থেকে আমি একটু মুক্ত থাকতে চাই। তাই, পদত্যাগ করেছি।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো চাপে নয়; ব্যক্তিগত কারণেই আমি পদত্যাগ করছি।

    এর আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।

  • শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    পদোন্নতির জটিলতা সিন্ডিকেট সভায় নিরসন না হওয়ায় ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ফের পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ও প্রশাসনিক শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষকরা।

    রোববার (১০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের পক্ষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলছিল। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। পরে সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেয় প্রশাসন।

    বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি হয়। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়ার আশাবাদ তৈরি হয়েছিলো।

    তবে শিক্ষক সমাজের দাবি, ৩০ এপ্রিলের বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সংকট সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    বরং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে হাঁটছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য গত ৮ মে রাত ১০টার দিকে নোটিশ দিয়ে ৯ মে সকাল ১১টায় একটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ওই সভায় অধিকাংশ সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে বলে তারা মনে করছেন।

    এ পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভা থেকে আগামী ১১ মে থেকে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

    শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং চলমান সংকট সমাধানে তারা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছেন।

    কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

    তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

    এদিকে শিক্ষকদের নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সেশনজট আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

    সার্বিক বিষয় জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

  • মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন ঢাবির সিকিউরিটি গার্ড

    মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন ঢাবির সিকিউরিটি গার্ড

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কার্জন হলের এক সিকিউরিটি গার্ডকে ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করার ঘটনায় সংগঠনটির অভ্যন্তরে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত জুলহাস মিয়া নিজেও বিষয়টি নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নন বলে দাবি করেছেন।

    গত ৪ এপ্রিল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। পরে ২ মে সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত তালিকায় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে জুলহাস মিয়ার নাম দেখা যায়।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জুলহাস মিয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের মেইন গেটে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    জুলহাস মিয়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি ‘সম্মানসূচক’ একটি পদ চেয়েছিলেন। এ লক্ষ্যে প্রায় ছয় মাস আগে মহানগর পূর্ব শাখার সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেনের কাছে সিভি জমা দেন।

    তবে কমিটিতে থাকা ব্যক্তি তিনি নিজেই কি না- এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন বলেও দাবি করেন তিনি। এ কারণে তিনি কোনো ফেসবুক পোস্টও দেননি।

    ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও পদ পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এক-দেড় বছর আগে আক্তার ভাইয়ের কাছে সিভি দিয়েছিলাম। পরে কীভাবে কমিটিতে নাম এসেছে, সেটি আমি নিশ্চিত না। হতে পারে, আবার নাও হতে পারে।”

    তবে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সভাপতি মো. সোহাগ ভূঁইয়া জুলহাসের পরিচয় নিশ্চিত করে বলেন, “তিনিই জুলহাস। তিনি আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। সহ-সভাপতি আক্তার জানিয়েছিলেন, তিনি একজন রানিং স্টুডেন্ট।”

    এদিকে সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেন বলেন, জুলহাসের পেশাগত পরিচয় সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না। আমি শুধু সিভি গ্রহণ করেছি। তিনি যে সিকিউরিটি গার্ড, তা জানতাম না।

    একই কথা জানিয়েছেন মহানগর পূর্ব শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হান্নান মজুমদার।

    তিনি বলেন, “আমরা তার সিকিউরিটি গার্ড পরিচয় জানতাম না। বর্তমানে ছাত্রত্ব বাধ্যতামূলক না হলেও একাডেমিক সনদ প্রয়োজন হয়। তিনি আমাদের কাছে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কাগজপত্র জমা দিয়েছেন।”

    এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, “কমিটিতে এমনটি হওয়ার কথা না। আপনারা তালিকাটি পাঠিয়ে দিন, বিষয়টি দেখে পরে মন্তব্য করব।”

  • যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    ইসরাইলের ভেতরেই এখন ভয়াবহ অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাত শতাধিক শিক্ষার্থীর ওপর চালানো এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে এদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থীই এখন আত্মহত্যার কথা ভাবছে। মূলত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের এই অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। ইসরাইলি সংবাদপত্র ‘ইসরাইল হাইয়োম’ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

    এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর রিজার্ভ ডিউটি বা সংরক্ষিত সেনাদের দীর্ঘকালীন দায়িত্ব পালনকে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে রেখে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছে দেশটির সরকার। যুদ্ধের ময়দানে ভয়াবহ সব দৃশ্য দেখা, নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা এবং সরকার তাদের ‘ভুলে গেছে’- এমন বোধ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র মানসিক যন্ত্রণা তৈরি হয়েছে। ফলে তারা বিষণ্ণতা ও একাকীত্বে ভুগছেন। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবন পুরোপুরি তছনছ হয়ে গেছে।

    ইসরাইলে আত্মহত্যার ওপর আয়োজিত বার্ষিক এক বিজ্ঞান সম্মেলনে এই গবেষণার তথ্যগুলো উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী তীব্র বিষণ্ণতায় ভুগছেন। এই হার সারা বিশ্বের গড় হারের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত বিশ্বের অন্যান্য দেশে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিষণ্ণতা এবং ১৮ থেকে ২৪ শতাংশের মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু ইসরাইলি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাগুলো আশঙ্কাজনকভাবে বেশি।

    গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতা শিক্ষার্থীদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ সমর্থন ও উসকানি, যা যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে এবং পরোক্ষভাবে এই তরুণ প্রজন্মের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ৭ অক্টোবরের আগে ও পরের পরিস্থিতি তুলনা করে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কয়েক গুণ বেড়েছে। সামরিক ও রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের বলি হয়ে ইসরাইলের শিক্ষিত সমাজ এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পাচ্ছেন ২৮৯৭ শিক্ষার্থী

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পাচ্ছেন ২৮৯৭ শিক্ষার্থী

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৮৩৭ কলেজের ২ হাজার ৮৯৭ শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য মনোনীত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৪ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ফেসবুক পোস্টে আরো জানানো হয়, গত ২৭ জানুয়ারি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজার ৬৩৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী, ১৪৩ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, ৩ জন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত পরিবারের শিক্ষার্থী ও ১৫ জন অন্যান্য আবেদনকৃত শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

  • মাকে বাঁচাতে আকুতি ঢাবি শিক্ষার্থী সজলের

    মাকে বাঁচাতে আকুতি ঢাবি শিক্ষার্থী সজলের

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী সজল কুমার রায়। বেড়ে ওঠা প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র পরিবারে। যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় মেধাবী স্বজল এখন দেশের সেরা বিদ্যাপিঠের শিক্ষার্থী। বাড়িতে ভালো পোশাক কিংবা বেশিরভাগ সময় জোটেনি তিনবেলা খাবার। ঢাবিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই টিউশনি করে পড়াশুনার খরচ চালাচ্ছেন সংগ্রামী সজল। তবে, এই সংগ্রামী জীবনে সজলকে নতুন করে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তার ৪৬ বছর বয়সী মা স্বপ্না রানীর শরীরে বাঁধা অদৃশ্য এক শত্রুর সঙ্গে।

    জটিল ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত সজলের মা স্বপ্না রানী। বাবা কাঠ মিস্ত্রি ও সজলের টিউশনির আয়ের সমন্বয়ে চলা সংসারের পাশাপাশি চলতো মায়ের চিকিৎসা। রোগটি ধরা পড়ার পর গেল দুই বছরে শেষ সম্বল হিসেবে থাকা নিজেদের ১০ শতক জমি, তিনটি গরুসহ সহায়-সম্বল সবই বিক্রি করতে হয়েছে চিকিৎসার খরচে।

    তবে দীর্ঘ সময়েও দেশের চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল মেলেনি। ফলে এখন যতদ্রুত সম্ভব দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    সজল কুমার রায়ের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। বাবা মোহননাল চন্দ্র রায় পেশায় কাঠ মিস্ত্রি, মা গৃহিণী। চার ভাইয়ের মধ্যে সজল দ্বিতীয়। পরিবারে বাবা-মা, ভাই-ভাবি ও তাদের এক কন্যা সন্তানসহ সজলের ছোট আরও দুই ভাই রয়েছে। তারা স্থানীয় স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে দশম শ্রেণিতে পড়ে। বড় ভাই টেক্সটাইলের ডে লেবার হিসেবে কাজ করেন।

    সজলের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে প্রথমে রংপুরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষায় মা স্বপ্না রানীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রোগটির নাম ‘সিএআরটি ব্রেস্ট, আইডিসিসি, জি-২’। বেশকিছু দিন সেখানকার চিকিৎসায় আশানুরুপ ফল না পেয়ে পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা করানো হয়। সেখানেও চিকিৎসার উন্নতি না হয়ে সর্বশেষ গত ২৩ এপ্রিল ঢাকার আহসানউল্লাহ মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করেন স্বপ্না রানীর। সেখানে মেডিকেল ইকোলজি ও সিনিয়র কনসালটেন্ট ড. পারভিন শাহিদা আখতারের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

    পরিবার জানায়, ২০২৪ সালে সজলের মায়ের ক্যান্সার ধরা পরলেও সমেস্যা দেখা দিয়েছিল আরও দুই বছর আগে। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ভালো চিকিৎসা কিংবা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা যায়নি। প্রথম দুই বছর হোমিও চিকিৎসা করা হয় স্বপ্না রানীর। পরে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে তাকে রংপুরে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    সজল বলেন, আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা জরুরি। মাকে বাঁচাতে হলে অতি দ্রুত ১৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। যা আমাদের সংগ্রহ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। যা ছিল সম্বল আগেই বিক্রি করে দিয়েছি।

    তিনি বলেন, শেষ চারমাস ধরে প্রতিমাসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ বাবদ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার করে টাকা যাচ্ছে। এতে আমরা হাঁপিয়ে উঠছি। সামনে হয়তো আর সম্ভব হবে না।

    সজল জানান, সর্বশেষ গত (২৩ মার্চ) আহসানিয়া মিশন এন্ড ক্যান্সার জেনারেল হাসপাতালে মাকে দেখানো হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক প্রথম দিন কোনো ডিসিশন (সিদ্ধান্ত) দিতে পারেননি, তারা সময় নিয়েছেন। আগামী মঙ্গলবার তারা ডেকেছেন। সেদিন হয়তো চিকিৎসা বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন। জানি না তারা কি জানান! গত এক বছর যাবত টানা চিকিৎসা চলছে কিন্তু বাংলাদেশের চিকিৎসায় কোনো রেজাল্ট হচ্ছে না।

    দেশের বাইরে জটিল এই রোগের জন্য চিকিৎসায় ব্যয় হবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। যা সজলের পরিবারের জন্য জোগার করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে মাকে বাঁচাতে দেশের সরকার ও বিত্তবানসহ সরকারি-বেসরকারি দানশীল প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।

    স্বজল কুমার রায়ের নম্বর ০১৬১২০২৩৮৮৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট)। এ ছাড়া, ব্র্যাক ব্যাংক, নাম: Shojol Kumar, অ্যাকাউন্ট নম্বর: 1066367030001, শাখা: এলিফ্যান্ট রোড, রাউটিং নম্বর: 060261339। ইসলামী ব্যাংক, নাম: Shojol Kumar, অ্যাকাউন্ট নম্বর: 20502156700186003, শাখা: এলিফ্যান্ট রোড, রাউটিং নম্বর: 125261337।

    শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে প্রথম শুনলাম। সমাজসেবাসহ বিভিন্ন সেক্টরে চিকিৎসা-সংক্রান্ত সহযোগিতা করা হয়। তারা যোগাযোগ করলে বা খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।