প্রতিরক্ষা

  • ‘পুলিশ কিছু করতে পারবে না’ অডিও ভাইরাল, ওসি প্রত্যাহার

    ‘পুলিশ কিছু করতে পারবে না’ অডিও ভাইরাল, ওসি প্রত্যাহার

    শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না—এমন বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    পুলিশের একাধিক সূত্র অডিওর কণ্ঠটি তাঁর বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার জারি করা ডিএমপির আদেশে প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।

    ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা ওই আদেশে রাকিবুল হাসানকে ডিএমপির সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশটি আজ থেকেই কার্যকর হবে। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

    গতকাল বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওসি পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সমালোচনা করতে শোনা যায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ওসি পদায়নে টাকা লেনদেনের অভিযোগও করেন তিনি।

    অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘জানি যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসতেছে। কিচ্ছু হবে না আসলে, কিচ্ছু হবে না। আপনারা তো চিন্তা করতে পারছেন, রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল। ভয়ানক দুর্বল। আসা উচিত। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে। এই মাসে আসা উচিত ছিল। চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না।’

    অডিওতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সিনিয়র অফিসার সব বিএনপি করতেছে। আমরা তো বিএনপি করতেছি না। সব সিনিয়ররা বিএনপি করতেছে, আমরা বিএনপি করতেছি না। এই করার জন্য তো আমরা ডিপার্টমেন্টে আসি নাই। তোমরা খাবা-দাবা, … নিয়ে থাকবা, আর আমরা এখানে বসে বসে কাজ করব, তা তো হবে না।’

    মনির নামে পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার গাড়িচালক থানার ওসি পদায়ন করছেন বলেও বলা হয় ওই অডিওতে। অডিও তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো সহ্য করা যায়? আর কী বলব? যারা পেস্টিং পাইতেছে তার (মনির) কাছে টাকা দিচ্ছে, সকাল বেলা পেস্টিং হইতেছে।’

    ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে অডিওর বক্তা বলেন, তাঁর লজ্জা থাকা উচিত। তাঁর চাকরি ছিল না। এখন যে পদে আছেন, সেখানে এক বছর থাকতে পারলে ১০০ কোটি টাকা এমনিতেই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    ওসি পদায়ন নিয়ে অডিওতে ওই ব্যক্তিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কমিশনার যারা ছিল, তারা ওসি পেস্টিংয়ে টাকা নেয় নাই। যত ওসি বেনজীরের আমলে ছিল, টাকায় কোনো সময় বদলি হয় নাই।’ এখানে তিনি সাবেক আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। অডিওতে এই পুলিশ কর্মকর্তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘ডিএমপি, ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, ক্যাপিটাল সিটি। এখানকার ওসিরা টাকা দিতে যাবে কেন? এখানে ওসিরা এমনিই যাবে। তোমাদের কাজ করে নিয়ে তোমরা টাকা উঠিয়ে নিবা।’ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কীভাবে কাজ করে দিয়েছেন, সেই অভিজ্ঞতার বিষয়ে ওসি রাকিবুলকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ভাটারায় একটা কাজ করে দিছি এক স্যারকে। স্যার এক কোটি টাকা নিছে। আমি তো জানতাম না।… (অস্পষ্ট কথা) আমার সাথে শুধু সম্পর্কটা আছে। এই হলো অবস্থা! এইভাবে চাকরি করা যাবে নাকি? অযোগ্য লোকগুলোরে কোন জায়গা ঢুকায় (পদায়ন দেয়) আর যোগ্য লোকগুলোকে চিপা-চাপায় রাখছে।’

  • আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

    আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (এআইআইআর)-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। সোমবার রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকায় প্রতিষ্ঠিত আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের শুভ উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    একই অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও টেলিকনফারেন্স (ভিটিসি)-এর মাধ্যমে বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোরে প্রতিষ্ঠিতব্য আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটগুলোর ভিত্তিপ্রস্তরও উন্মোচন করেন।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমান সময়ের চাহিদা বিবেচনায় আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে জ্ঞান, নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটিতে ক্যামব্রিজ কারিকুলামভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়।

    বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট শিক্ষা, আদর্শ এবং ধর্মীয়-নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এখানকার শিক্ষার্থীরা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আদর্শ নাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তুলতেও প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাসদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ, বিভিন্ন ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি), ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ব্যাজ পেলেন নৌবাহিনীর নতুন প্রধান

    ব্যাজ পেলেন নৌবাহিনীর নতুন প্রধান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান বৃহস্পতিবার নতুন নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

    তিনি বলেন, র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরানোর পর নতুন নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাইস অ্যাডমিরাল মিজবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিজবাহ উল আজীমকে গত ১৬ জুলাই ভাইস অ্যাডমিরাল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব দেয় সরকার।

    তিনি সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। নৌবাহিনীর শীর্ষ পদে অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

    রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সপ্তদশ ব্যাচের ছাত্র মিজবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন পান।

    চাকরি জীবনে তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলসহ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ডেন্টের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।

  • নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিসবাহ উল আজীম

    নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিসবাহ উল আজীম

    রিয়ার এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম, এনবিপি, এনপিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, পিএইচডি-কে ১৮তম নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

    আজ বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ অপরাহ্ন থেকে ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি পূর্বক বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং আগামী ২২ জুলাই ২০২৯ পর্যন্ত তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    উল্লেখ্য, তিনি বর্তমান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, ওএসপি, এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    প্রসঙ্গত, নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ০১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি রয়েল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনী হতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে নৌ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর ০১ জুলাই ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি তাঁর ব্যাচের (৮৭-এ) জ্যেষ্ঠতা ও মেধায় প্রথম স্থান অধিকারী।

    তিনি রিয়ার এডমিরাল আজীম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে মেরিটাইম গভর্ন্যান্স সম্পর্কিত বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি এমফিল ডিগ্রির পাশাপাশি স্ট্র্যাটেজিক, ডিফেন্স এবং অপারেশনাল স্ট্যাডিজ বিষয়ে দেশ ও বিদেশ হতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রথম শ্রেণিসহ তিনটি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) আওতাভুক্ত আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স (এএফডব্লিউসি) এর একজন কৃতি গ্র্যাজুয়েট। ছাত্র জীবনে তিনি মাধ্যমিক (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) উভয় পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান লাভ করায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট হতে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।

    প্রায় চার দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে রিয়ার এডমিরাল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও নেতৃত্বমূলক দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন। গৌরবময় সামরিক জীবনে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল (কমচিট), কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল (কমঢাকা), কমান্ডার সাবমেরিন (কমসাব) এবং কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি (বিএনএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    এছাড়া তিনি নৌবাহিনী সদর দপ্তরে পরিচালক, নৌ অপারেশন্স এবং পরিচালক, নৌ পরিকল্পনা হিসেবেও নিয়োজিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট বানৌজা ওমর ফারুক-সহ বানৌজা এস আর আমিন, বানৌজা নির্ভয়, বানৌজা সৈকত এবং নৌ ঘাঁটি বানৌজা তিতুমীর-এ অধিনায়কত্ব করেছেন। তিনি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি)-এ প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রিয়ার এডমিরাল আজীম লেবানন এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সর্বশেষ তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ-ওমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

    রিয়ার এডমিরাল আজীম নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদক ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি), ‘নৌ-পারদর্শিতা পদক’ (এনপিপি), ‘জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার’ এবং ‘জাতীয় স্কাউট পুরস্কার’ (রৌপ্য ইলিশ পদক) অর্জন করেন। এছাড়া, তিনি তিনবার নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসাসূচক ইনসিগনিয়া লাভ করেন। তিনি ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন’ পুরস্কার, ‘সেরা ব্যক্তিগত গবেষণাপত্র পুরস্কার’ এবং এন্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণে সেরা শিক্ষার্থী পুরস্কার অর্জন করেন। পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি রিয়ার এডমিরাল আজীম একজন মননশীল পাঠক, লেখক ও গবেষক। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং সামরিক ও নৌ-কৌশলগত বিষয়ে সমাদৃত জার্নাল ও সাময়িকীতে তাঁর বেশ কিছু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। খেলাধুলায় তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহের মধ্যে রয়েছে গলফ, বাস্কেটবল, দাবা ও টেবিল টেনিস। তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল এবং মালে ও ফরাসি ভাষায় তার ব্যবহারিক দক্ষতা রয়েছে।

    দীর্ঘ চার দশকের কর্মজীবনে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে অসাধারণ পেশাদারিত্ব ও সামরিক সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সর্বদা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

    ব্যক্তিগত জীবনে রিয়ার এডমিরাল আজীম বেগম নুরতাজ আজীমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তারা দুই কন্যা সন্তানের জনক-জননী।

  • চার খলিফার নামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন, গা জ্বলছে ভারতের

    চার খলিফার নামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন, গা জ্বলছে ভারতের

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন করেছে। এই নতুন ব্যাটালিয়নের অধীনে মোট চারটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে; যেগুলোর নামকরণ করা হয়েছে ইসলামের চার খলিফা হজরত আবু বকর (রা), হজরত উমর (রা), হজরত উসমান (রা) এবং হজরত আলী (রা)-এর নামে।

    এই ব্যাটালিয়নে আরো দুটি কোম্পানির প্রস্তাব করা হয়েছে; যেগুলো হবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পূর্ণাঙ্গ নারী কোম্পানি। আর সেগুলোর নাম করা হবে— হজরত মুহাম্মদ (স)-এর কন্যা হজরত ফাতিমা (রা) এবং স্ত্রী হজরত আয়েশা (রা)-এর নামে। তবে এ প্রস্তাব এখনো অনুমোদিত হয়নি। এদিকে বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তের কারনে গা জ্বলা শুরু হয়েছে ভারতের।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘আজতক বাংলা’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত ‘সংবেদনশীল’ এবং ‘নেতিবাচক’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। তারা এই পরিবর্তনকে কেবল সাধারণ একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে না দেখে বরং একটি বড় ধরনের আদর্শিক পরিবর্তন হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করছে।

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে তুলনা: ভারতীয় মিডিয়া এই বিষয়টিকে এভাবে দেখছে যে, যেখানে আগে সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলোর নাম ছিল ‘বীরশ্রেষ্ঠদের’ (যারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন) নামে, সেখানে এখন ইসলামের ‘চার খলিফার’ নামে নামকরণ করা হচ্ছে। তাদের আলোচনায় এটি ইঙ্গিত করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশ হয়তো তার মূল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরে আসছে।

    নবভারত টাইমস নামে একটি সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম করা হয়েছে, ‘Bangladesh Army: Is General Zaman forming an Islamic army for Bangladesh? A company named after the Prophet’s first four caliphs.’

    অন্যদিকে নর্থইস্ট নিউজ নামে একটি ওয়েবসাইটে শিরোনাম করা হয়েছে, ‘Bangladesh Army’s new battalion has Umar, Abu Bakr, Ali and Usman companies.’। প্রতিবেদনের ভেতরে মন্তব্য হিসেবে আরও লেখা হয়েছে, “Naming the four companies after close companions and fathers- and sons-in-law is a sign of growing Islamisation within the rank and file of the Bangladesh Army.”

    এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কয়েকটি কোর, বিগ্রেড, ব্যাটালিয়ন রয়েছে, যেগুলোর নাম সরাসরি হিন্দু দেবতার সঙ্গে যুক্ত প্রতীক থেকে নেওয়া হয়েছে।

    একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি এলিট ব্যাটালিয়নের নামকরণ করা হয়েছে ‘ভৈরব ব্যাটালিয়ন’ নামে। ভৈরব হচ্ছে হিন্দু দেবতা শীবের অগ্নিমূর্তি। এছাড়া কয়েকটি ইউনিটের নাম রয়েছে যেগুলো হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন প্রতীকের নামে।

    যেমন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৭ কোরকে বলা হয় ব্রহ্মাস্ত্র কোর, ২১ কোরকে বলা হয় সুদর্শন চক্র কোর, ৩৩ কোরকে বলা হয় ত্রিশক্তি কোর, ১১ কোরকে বলা হয় বজ্র কোর, ১০ কোরকে বলা হয় চেতক কোর।

    ব্রহ্মাস্ত্র হিন্দু পুরাণের অন্যতম শক্তিশালী দিব্যাস্ত্র। মহাভারত ও রামায়নে বহুবার এর উল্লেখ রয়েছে। নামটির সঙ্গে সরাসরি ব্রহ্মা-প্রদত্ত অস্ত্রের সম্পর্ক রয়েছে এবং এটি সামরিক শক্তির সর্বোচ্চ প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

    সুদর্শন চক্র হলো বিষ্ণু এবং তার অবতার কৃষ্ণের ঐশ্বরিক অস্ত্র। হিন্দুধর্মে এটি ধর্মরক্ষা, ন্যায় ও অশুভ বিনাশের প্রতীক। বজ্র মূলত বৈদিক দেবতা ইন্দ্রের অস্ত্র। ঋগ্বেদে ইন্দ্র বজ্র দিয়ে বৃত্রকে বধ করেন।

  • প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা

    প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে ৪০ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হলেও সংশোধিত বাজেট ছিল ৪০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা। ফলে বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় এবার ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব করা হয়। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে এবার।

    প্রতিরক্ষা খাতে প্রতিরক্ষা সার্ভিসের পরিচালন ব্যয় বাবদ ৩৮ হাজার ৭২১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য ১ হাজার ৬১১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সার্ভিসের জন্য পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা।

    জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট পেশ। প্রথম বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। এটি দেশের ৫৫ তম বাজেট।

  • নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন (১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট)।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নানিয়ারচর জোন কার্যালয়ে এই ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহমান।

    নানিয়ারচর জোন কমান্ডার এ সময় উপজেলার বুড়িঘাট ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি মো: রফিকুল ইসলামের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, থাই প্যাড, হেলমেট, ক্রিকেট বল, ব্যাটিং গ্লাভস ও কিট ব্যাগসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন।

    এ বিষয়ে নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মশিউর রহমান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতেই এসব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় নানিয়ারচর জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সেনাবাহিনী প্রধান দেশে ফিরেছেন

    সেনাবাহিনী প্রধান দেশে ফিরেছেন

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) তিনি দেশে ফেরেন বলে বাংলাদেশ আর্মির ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে জানানো হয়েছে।

    সফরকালে তিনি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে তাকে একটি বিশেষ রেজ্যুলেশন প্রদান করা হয়।

    এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সমূহে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জেনারেল মিনহাজ

    সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (ইউএনএফআইসিওয়াইপি) নতুন ফোর্স কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম। তিনি এ পদে মঙ্গোলিয়ার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরদেনেবাত বাতসুরির স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বুধবার (৮ এপ্রিল) এ নিয়োগের ঘোষণা দেন।

    মিনহাজুল আলম তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সর্বশেষ তিনি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি ১০ম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কক্সবাজারে বিভিন্ন অপারেশন তদারকি করেছেন।

    তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে সন্ত্রাস দমন, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।

    জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও এই প্রথম নয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজের। এর আগে তিনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্ব তিমুরেও কাজ করেছেন সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে।

    সামরিক দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও অসামান্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর করেছেন। পাশাপাশি ডিফেন্স স্টাডিজে মাস্টার্স এবং এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি।

  • বাবার কবরের পাশে করপোরাল মাসুদ রানার দাফন

    বাবার কবরের পাশে করপোরাল মাসুদ রানার দাফন

    সুদানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত করপোরাল মাসুদ রানার দাফন রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে শায়িত হলেন তিনি।

    আজ বেলা আড়াইটার দিকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে করে তাঁর মরদেহ বহনকারী সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার লালপুর উপজেলার বোয়ালিয়াপাড়ায় তাঁর গ্রামের বাড়িসংলগ্ন করিমপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখানে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। সেখান থেকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মরদেহটি তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। দেশের এই বীর সন্তানকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন মানুষ।

    শহীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মাসুদ রানার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর হেলিকপ্টারে মরদেহ নাটোরে আনা হয়। গ্রামের বাড়িতে কিছু সময় রাখার পর বিকেলে বোয়ালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

    সেনাবাহিনী জানায়, মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য অস্থায়ী হেলিপ্যাড নির্মাণসহ দাফনের আনুষঙ্গিক সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সেনাবাহিনীর ১১ পদাতিক ডিভিশনের একটি দল।

    শহীদ মাসুদ রানা ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। গত ৭ নভেম্বর স্ত্রী ও আট বছরের একমাত্র মেয়েকে রেখে শান্তি রক্ষা মিশনে যোগ দিতে সুদান যান তিনি। মিশন শুরুর মাত্র এক মাস সাত দিনের মাথায় সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন। শান্তিরক্ষী হিসেবে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছাড়লেও কফিনে করে ফিরেছেন এই বীর।

    ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ হন। তাঁদেরই একজন করপোরাল মাসুদ রানা।

  • ‘সেনাবাহিনীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ’

    ‘সেনাবাহিনীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ’

    রাঙামাটির পার্বত্য জুরাছড়ির দুর্গম লেবারপাড়া গ্রামের এক কোণে দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছেন বিধবা লুংঘাছড়ি চাকমা (৬৫)। স্বামীর মৃত্যু তাঁর জীবন থেকে যেন সব আলোই কেড়ে নিয়েছিল। টিন আর বাঁশে জোড়াতালি দিয়ে তৈরি নড়বড়ে কুঁড়েঘরে ঝড়-বৃষ্টির রাতগুলো তাঁর জন্য হয়ে উঠত নিদারুণ কষ্টের। নিজের অসহায় জীবনের বোঝা বহন করতে করতে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নতুন একটি বসতঘর পেয়ে লুংঘাছড়ির জীবনে ফিরেছে আশার আলো।

    মুহূর্তটি লুংঘাছড়ির জীবনে যেন নতুন জন্মের মতো। ঘরের চাবি হাতে নিয়ে তিনি আর স্থির থাকতে পারেননি, আনন্দে চোখ বেয়ে নেমে আসে অশ্রুধারা।

    লুংঘাছড়ি চাকমা বলেন, ‘আমার আর কিছু চাওয়ার ছিল না। শুধু মাথার ওপর একটা নিরাপদ ছাদ চেয়েছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। সেনাবাহিনীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ।

    ঘর হস্তান্তরের সময় পাশে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ, জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইমন চাকমা, বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা, দুমদুম্যা ইউপি চেয়ারম্যান শান্তি রাজ চাকমা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সবার চোখেমুখে তখন ছিল সন্তুষ্টির হাসি।

  • বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে

    বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে

    যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় আমাদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    বক্তব্যের শুরুতে ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ এবং ২৪-এর অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণ করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থান ও চলমান রাষ্ট্র সংস্কারে সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে যাচ্ছে। শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক ও বৈশ্বিক সহবস্থানে বিশ্বাসী। তবে যেকোনো বহিঃশত্রুর আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় আমাদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

    নির্বাচন আনন্দ ও উৎসবমুখর করতে সবাইকে মিলিতভাবে চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে আগামী নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, এই নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা করবো।

    এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়ন ও দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়ন দরকার। ফ্যাসিস্ট আমলে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের পদক্ষেপ দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

    জাতিসংঘে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বর্তমানে ১০টি মিশনে সেনা সদস্যরা কাজ করছেন। বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশও আমরা, কাতার আমাদের থেকে জনবল নেবে, এসব আমাদের গৌরবের স্বীকৃতি।

    ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা এবং বাঙালি জনগণ সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন।

    তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক সমন্বিত অভিযান আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের অতুলনীয় ত্যাগের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

    ড. ইউনূস শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদেরও স্মরণ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধে অর্জিত বিজয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে বাঙালি সেনারা সেনানিবাস ত্যাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একই সঙ্গে আমাদের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা-সাধারণ মানুষ যার যা ছিল তাই নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। এভাবে যুদ্ধটি একটি সর্বাত্মক জনযুদ্ধে রূপ নেয়।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাংগঠনিক রূপ দেয়ার জন্য একপর্যায়ে যুদ্ধরত সব বাহিনীকে ‘বাংলাদেশ ফোর্সেস’ নামে একীভূত করা হয় এবং সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে অসামান্য সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালিত হয়।

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, তৎকালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশি সাবমেরিনার ও নাবিকদের সমন্বয়ে গঠিত নৌকমান্ডো দল ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে দুঃসাহসী অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন নদীবন্দরে খাদ্য ও রসদবাহী জাহাজ ডুবিয়ে দেয়। বিমানবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘কিলোফ্লাইট’ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সফল হামলা চালায়। এসব দুঃসাহসী অভিযান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

    নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তরুণ সমাজকে সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মেধাভিত্তিক সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশগঠনে অবদান রাখতে সক্ষম করতে হবে। জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ, আহত ও জীবিত ছাত্র-জনতার প্রতি আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকব যেন তাদের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানদের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানদের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার‑উজ‑জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

    সাক্ষাতের আগে অধ্যাপক ইউনূস ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

    তিনি শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না

    সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না

    অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না।

    রোববার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ তথ্য জানান।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না; এ সংক্রান্ত যা ছড়িয়েছে সেটা গুজব, এরকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরো বলেন, আওয়ামী লীগের লকডাউন বা শাটডাউনের যে কর্মসূচি রেখেছে সেই বিষয়ে সরকার শঙ্কিত নয়।
    সুত্র: আমার দেশ

  • সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত বিবিধ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এ সকল নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মনে করে, বিদ্যমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।’