তারকা সংবাদ

  • ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি’—কার অপেক্ষায় দিন গুনছেন প্রভা?

    ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি’—কার অপেক্ষায় দিন গুনছেন প্রভা?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিজীবন কিংবা মনের কথা খুব একটা প্রকাশ করেন না অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে মাঝেমধ্যে তার দেওয়া রহস্যময় কিংবা আবেগঘন পোস্ট ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে। এবারও তেমনই এক বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। ছবিগুলোতে হালকা রঙের পোশাক, সাদামাটা সাজ ও নান্দনিক উপস্থিতিতে দেখা গেছে তাকে। খোলা চুলে গোলাপি ও সাদা রঙের সালোয়ার-কামিজে অভিনেত্রীর সাজও নজর কেড়েছে।

    ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনেই অবশ্য তৈরি হয়েছে রহস্য। প্রভা লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি। আবার দেখা হবে—সেই দিনটির অপেক্ষায় প্রতিটি দিন গুনছি।’

    তবে এই বার্তা কার উদ্দেশে, তা স্পষ্ট করেননি এই অভিনেত্রী। ফলে পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এমন আবেগঘন কথা লিখেছেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে প্রভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

    প্রকাশিত ছবিগুলোতেও ছিল ভিন্ন আবহ। কোনো ছবিতে পার্কের পাশে বেঞ্চিতে বসে থাকতে দেখা গেছে তাকে। আবার কোথাও ফুল ছোঁয়ার চেষ্টা করছেন অভিনেত্রী। অন্য একটি ছবিতে রাস্তার পাশে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে ছবিগুলোতে প্রভার স্বাভাবিক ও নান্দনিক উপস্থিতিই ফুটে উঠেছে।

    এদিকে অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা। ফয়েজ আহমেদ রেজার পরিচালনায় ‘লুক আ লাইক’ নামের একটি ফিকশনে অভিনয় করেছেন তিনি। ফিকশনটি বঙ্গতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

  • বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনলেন বিরাট-আনুশকা, কী আছে এতে

    বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনলেন বিরাট-আনুশকা, কী আছে এতে

    ভারতের তারকা দম্পতি বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা আবারও রিয়েল এস্টেটে বড় বিনিয়োগ করেছেন। মুম্বাইয়ের ভারসোভা এলাকায় একটি বিলাসবহুল আবাসনে প্রায় ১৮ কোটি ২৯ লাখ রুপি মূল্যের নতুন ফ্ল্যাট কিনেছেন তারা।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ফ্ল্যাটটির আয়তন ২ হাজার ৬৪৪ বর্গফুট। বহুতল ভবনের ওপরের দিকের একটি তলায় অবস্থিত এই ফ্ল্যাটের সঙ্গে রয়েছে অতিরিক্ত ৩১৬ বর্গফুট ব্যবহারযোগ্য জায়গা। এছাড়া তিনটি গাড়ি রাখার জন্য নির্দিষ্ট পার্কিং সুবিধাও রয়েছে।

    এর আগে ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের ওরলি এলাকার সমুদ্রঘেঁষা একটি আবাসনের ৩৫তম তলায় ৭ হাজার ১৭১ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট প্রায় ৩৪ কোটি রুপিতে বুক করেছিলেন বিরাট। চার শয়নকক্ষের সেই ফ্ল্যাটের বুকিং পরে বাতিল করা হয়। ফলে চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়নি।

    নতুন এই ফ্ল্যাটের মাধ্যমে বিরাট-আনুশকার সম্পত্তির তালিকায় আরও একটি সংযোজন হলো। এরই মধ্যে মুম্বাই, গুরুগাঁও ও আলিবাগে তাদের একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি ও জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে আসছেন এই তারকা দম্পতি।

    পশ্চিম দিল্লিতে বেড়ে ওঠা বিরাটের গুরুগ্রামের ডিএলএফ ফেজ-১ এলাকায় প্রায় ১০ হাজার বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে। শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকায় অবস্থিত বাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ কোটি রুপি। সেখানে ব্যক্তিগত সুইমিং পুল, আধুনিক জিমসহ নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

    ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আলিবাগের আওয়াস সমুদ্রসৈকতের কাছে জিরাড গ্রামে পাঁচ একরের বেশি জমি কেনেন বিরাট ও আনুশকা। জমিটির মূল্য ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৮৬ লাখ রুপি।

    এর আগে ২০২২ সালে আলিবাগেই প্রায় আট একর জমি ১৯ কোটি রুপিতে কিনেছিলেন তারা। পরে সেখানে একটি বিলাসবহুল ভিলা নির্মাণ করেন। সেই ভিলায় রয়েছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত সুইমিং পুল, বিশেষ নকশার রান্নাঘর, চারটি বাথরুম, জাকুজি, বড় ল্যান্ডস্কেপ বাগান, ছাউনি দেওয়া পার্কিং এবং কর্মীদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থা।

  • ভুল করছি আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ছি: আইশা খান

    ভুল করছি আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ছি: আইশা খান

    অভিনয়ের জগতে জনপ্রিয়তা অনেকটা জোয়ারের মতো। কেউ সেই জোয়ারে ভেসে যান, কেউ আবার দাঁড়িয়ে থাকেন নিজের তীরে। আইশা খান যেন দ্বিতীয় দলের মানুষ। আলোচনায় থাকার চেয়ে তিনি বেশি বিশ্বাস করেন নিজেকে প্রস্তুত করে তোলায়। চরিত্রের ভেতর ডুবে যাওয়াকে তিনি মনে করেন অভিনয়ের সবচেয়ে বড় অনুশীলন। তাই কাজের সংখ্যা নয়, প্রতিটি কাজের গভীরতাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    উপস্থাপনা দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও খুব অল্প সময়েই অভিনয়ে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন আইশা। ছোট পর্দার নাটক, ওয়েব কনটেন্ট কিংবা বিশেষ প্রযোজনা—প্রতিটি মাধ্যমেই তিনি রেখেছেন সংযত অথচ স্বতন্ত্র উপস্থিতির ছাপ। তাই এখন নাটকের অন্যতম ভরসার নাম আইশা।

    অভিনয়ে কখনও অতিনাটকীয়তা নেই, নেই অকারণ চমক; বরং স্বাভাবিকতা আর পাশের বাড়ির মেয়ের সহজসরল আবহই তাঁকে দর্শকের কাছে আলাদা করে তুলেছে। এবার তাঁর অভিষেক হচ্ছে বড় পর্দায়। যুক্ত হচ্ছে চিত্রনায়িকার পরিচয়। সিনেমার নাম ‘শেকড়’।

    শেকড়ে ফেরার গল্প

    আইশার এই যাত্রায় নতুন সংযোজন প্রসূন রহমান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘শেকড়’। সিনেমাটিতে তিনি অভিনয় করেছেন ‘ফাল্গুনী’ চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন এফ এস নাঈম। আরও অভিনয় করেছেন একঝাঁক অভিনয়শিল্পী। তবে মধ্যমণি যে আইশা খানই, তাতে সন্দেহ নেই। কারণ এটি তাঁর প্রথম সিনেমা, প্রথম বড় পর্দা, প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার অভিজ্ঞতা। অভিবাসী মানুষের আত্মপরিচয়ের সংকট, শেকড়ের সন্ধান এবং প্রিয় মানুষদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘শেকড়’। নির্মাতা প্রসূন রহমানের ভাষায়, এটি মানুষ, মাটি ও স্মৃতির অদৃশ্য বন্ধনের এক আবেগঘন ভাষ্য।

    আজ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘শেকড়’। এরপর ২ আগস্ট কানাডায় মুক্তি পাবে ছবিটি। আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশের দর্শকদের জন্য তৈরি হচ্ছে স্প্যানিশ সংস্করণও। তাই প্রথম সিনেমা দিয়েই যেন বিশ্বভ্রমণে বের হচ্ছে আইশার অভিনয়।

    অভিনেত্রী বলেন, শেকড় আমার ক্যারিয়ারের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। অবশেষে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। শেষ হচ্ছে দীর্ঘ অপেক্ষার। দর্শক ছবিটি হলে গিয়ে দেখবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি বিশ্বাস করি, গল্প আর চরিত্র— দুটিই তাদের ভালো লাগবে।

    তিনি আরও বলেন, প্রতিটি চলচ্চিত্রেরই একটি নিজস্ব যাত্রা থাকে। নির্মাতার হাত ধরে সেই যাত্রা শুরু হলেও দর্শকের কাছে পৌঁছানোর মধ্য দিয়েই তা পূর্ণতা পায়। একজন শিল্পী হিসেবে আমি আন্তরিকতার সঙ্গে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি। সেই গল্প দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছাতে পারছে কিনা, সেটি এবার দর্শকদের কাছ থেকেই জানতে চাই।”

    যেন পরিণত হওয়ার পথ

    অনেক সময় একটি সফল কাজ শিল্পীকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। আইশা যেন উল্টো পথে হাঁটছেন। তাঁর কাছে সাফল্য কোনো গন্তব্য নয়; বরং আরও ভালো হওয়ার দায়। তিনি বলেন, শেকড়-এর পর আপাতত নতুন কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা নেই। আমি এখনও শিখছি, ভুল করছি, আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ে তুলছি। যখন আবার পর্দায় ফিরব, চাই আরও পরিণত একজন অভিনেত্রী হিসেবে ফিরব।”

    এই কথার মধ্যেই যেন ধরা পড়ে তাঁর শিল্পদর্শন। দ্রুত আলোয় আসার চেয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতিতেই তিনি বেশি বিশ্বাসী। শেকড়-কে আপাতত শেখার যাত্রারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করছেন তিনি। তাই আপাতত নতুন সিনেমা নয়, নিজের প্রস্তুতির দিকেই মনোযোগ দিতে চান।

    আইশা বলেন, আমি থিয়েট্রিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসিনি। তাই প্রতিদিনই শিখছি। প্রতিটি চরিত্র আমাকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। এই শেখার পথটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

  • আইসিইউতে চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা

    আইসিইউতে চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা

    রাজধানীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা। তার জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো হচ্ছে যে, মেঘলা মুক্তা ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছেন তিনি এবং তার অস্ত্রোপচারের জন্য প্রস্তুতি চলছে। আর এই কঠিন সময়ে তাকে আপনারা সবাই প্রার্থনায় রাখুন। আমরা তার সফল অস্ত্রোপচার এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

    এছাড়াও বিবৃতিতে তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে কোনো ধরনের অপপ্রচার না চালানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, অনুগ্রহ করে কোনো যাচাইহীন তথ্য বা গুজব ছড়াবেন না কেউ। নতুন কোনো আপডেট পাওয়া মাত্রই আপনাদের তা অফিশিয়াল পেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

    এর আগে, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে ভাঙা ফোনের কয়েকটি ছবি দিয়ে মেঘলা মুক্তা লিখেছিলেন, আমার ফোনটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য কিছুদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকব। আপনারা ফেসবুক বা হোয়াসঅ্যাপে আমাকে পাবেন না। তবে জরুরি বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে সরাসরি নম্বরে ফোন করবেন।

    উল্লেখ্য, তেলেগু সিনেমা ‘সাকালা কালা ভাল্লাভুডু’ সিনেমায় অভিনয় করে বেশি আলোচনায় আসেন মেঘলা মুক্তা। তবে শুরুর দিকে র‍্যাম্পে কাজ করেছেন তিনি। আর মডেল হিসেবে বিলবোর্ড এবং মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে আছে- ‘পায়ের ছাপ’, ‘কাঠগোলাপ’ ও আগুনের পাখি’।

  • ধারাবাহিক নাটকে তটিনী

    ধারাবাহিক নাটকে তটিনী

    অল্প সময়েই ছোট পর্দার নির্মাতাদের ভরসা হয়ে উঠেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী। বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী তিনি। নিয়মিত টিভি ও ইউটিউবে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত নাটক। মাঝে মাঝে ওটিটিতেও দেখা যায় তাঁকে। ২০২১ সালে ‘হাউজ নং ৯৬’ নামের একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন তটিনি। পাঁচ বছর পর আবারও যুক্ত হলেন ধারাবাহিক নাটকে। ‘ফিরে আসার গল্প’ নামের ধারাবাহিকটি নির্মাণ করছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।

    গতকাল ফিরে আসার গল্প ধারাবাহিকে তটিনীর লুক প্রকাশ করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট। এতে তাঁর অভিনীত চরিত্রের নাম নূরজাহান। ধারাবাহিকটিতে আরও অভিনয় করবেন খায়রুল বাসার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমাইয়া শিমু, ফাইজুল ইয়ামিন, মনিরা মিঠু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, দীপা খন্দকার, এজাজুল ইসলাম, মুকিত জাকারিয়া প্রমুখ। এই নাটক দিয়ে দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু।

    মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের বানানো সবশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। পাকিস্তানি সিরিয়ালের অনুপ্রেরণায় পারিবারিক গল্পে নির্মিত হয়েছিল এটি। প্রচারের শুরু থেকেই সাড়া ফেলেছিল দর্শকদের মাঝে। নির্মাতা জানিয়েছেন, নতুন ধারাবাহিকেও দেখা যাবে পরিবারের গল্প। এখন শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী মাসে শুরু হবে শুটিং। তখনই নাটকটি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

    এর আগে মোস্তফা কামাল রাজের একাধিক নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আছে তটিনীর। নির্মাতার ‘তোমাদের গল্প’, ‘তোমাদের গল্প ২’, ‘সম্পর্কের গল্প’ নাটকগুলোতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তটিনী। এ ছাড়া সম্প্রতি শেষ করেছেন রাজের ‘পথহারা’ নাটকের শুটিং। এতে আরও অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, খায়রুল বাসার, দীপা খন্দকার প্রমুখ।

    তটিনীকে সবশেষ দেখা গেছে জাকারিয়া সৌখিনের ‘কাজল চোখের মেয়ে’ নাটকে। এতে তাঁর সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকে প্রশংসিত হচ্ছে নাটকটি। মাত্র ৮ দিনে ১৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ হয়েছে। এদিকে আজ সিএমভি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাচ্ছে তটিনীর আরেক নাটক ‘অমর প্রেম’। পরিচালনা করেছেন জাহিদুল ইসলাম সুজন। এতে তটিনীর বিপরীতে আছেন পার্থ শেখ।

    নাটকের পাশাপাশি তটিনীকে নিয়ে সিনেমা বানানোর কথাও ভাবছেন নির্মাতারা। মাঝে মাঝেই খবর প্রকাশ পায় সিনেমায় নাম লেখাচ্ছেন তিনি। তবে তটিনী জানালেন, একাধিক প্রস্তাব পেলেও সিনেমা নিয়ে এখনই ভাবতে চান না তিনি। নাটকেই এখন পুরো মনোযোগ তাঁর। নিজেকে আরও প্রস্তুত করে বড় পর্দায় নাম লেখাতে চান তটিনী।

  • স্বামী-সন্তান নিয়ে হঠাৎ কেন ভারতে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা

    স্বামী-সন্তান নিয়ে হঠাৎ কেন ভারতে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা

    বলিউড থেকে অনেক আগেই হলিউডে পাড়ি জমিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এখন বেশিরভাগ সময় সেখানেই থাকেন তিনি। প্রায় আট বছর পর বলিউড সিনেমায় দেখা যাবে তাকে। তার এই প্রত্যাবর্তন যে বড় মাপের কিছু হতে পারে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সিনেমার বেশিরভাগ শুটিং হওয়ার পর হঠাৎ নিজ দেশে পা রাখলেন দেশি গার্ল। স্বামী নিক জোনাস ও মেয়ে মালতি মেরিকে নিয়ে ভারতে পৌঁছান তিনি।

    আজ রোববার বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও হায়দরাবাদ সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি প্রিয়াঙ্কা।

    ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বারাণসী’-এর শুটিংয়ে অংশ নিতে তিনি ভারতে এসেছে।

    বিমানবন্দরে প্রিয়াঙ্কাকে দেখা যায় গাঢ় বাদামি রঙের কো-অর্ড সেট, অফ-শোল্ডার টপ, বেইজ ক্যাপ, কালো সানগ্লাস ও বাদামি ফ্ল্যাট জুতা পরে। অন্যদিকে নিক জোনাস ছিলেন পুরো কালো পোশাকে। তিনি কালো শার্ট ও ট্রাউজারের সঙ্গে চেক ডিজাইনের স্নিকার্স এবং সানগ্লাস পরেছিলেন। তাদের মেয়ে মালতি মেরিকে কোলে নিয়েই বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেখা যায় নিককে।

    ‘বারাণসী’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ভারতীয় ভাষার চলচ্চিত্রে ফিরছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সর্বশেষ ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’-এ অভিনয় করেছিলেন তিনি।

    চলতি মাসে প্রিয়াঙ্কার জন্মদিন উপলক্ষে সিনেমাটিতে তার চরিত্র ‘মন্দাকিনী’-র প্রথম লুক প্রকাশ করা হয়। পোস্টারে কালো পোশাকে হাতে বন্দুক নিয়ে তীব্র অভিব্যক্তিতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে।

    সিনেমাটির নাম প্রথম ঘোষণা করা হয় ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর হায়দরাবাদে আয়োজিত ‘গ্লোবট্রটার’ অনুষ্ঠানে। সেখানে উপস্থিত অতিথিদের জন্য বিশেষ ফুটেজও প্রদর্শন করা হয়েছিল। পরে ১৮ জুলাই প্রিয়াঙ্কার জন্মদিনে সেই ঝলক বিশ্বজুড়ে প্রকাশ করা হয়।

    রাজামৌলি পরিচালিত এই সিনেমায় প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করছেন মহেশ বাবু। ছবিটি ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

    সম্প্রতি ‘হে জোনাস’ পডকাস্টে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছিলেন, বলিউডের গসিপ সম্পর্কে অনেক সময় নিক জোনাস তার চেয়েও বেশি জানেন। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘নিক এমন অনেক খবর জানে, যেগুলো আমি নিজেও জানি না। একবার কাউকে আমার শুভেচ্ছা জানাতে বলেছিলাম, তখন সে বলল, না, ওদের তো ব্রেকআপ হয়ে গেছে।’

    নিকও স্বীকার করেন, তিনি নিয়মিত কয়েকটি বলিউড গসিপ অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করেন, যদিও সেগুলোর নাম প্রকাশ করেননি।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম পরিচয় হয় প্রিয়াঙ্কা ও নিকের। ২০১৭ সালের মেট গালায় প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় তাঁদের। ২০১৮ সালে বিয়ের পর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে কন্যা মালতি মেরির বাবা-মা হন এই তারকা দম্পতি। সূত্র: এনডিটিভি

  • যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গাইবেন কনা

    যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গাইবেন কনা

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কনসার্টের উদ্দেশে আমেরিকা ট্যুরে গেছেন। তবে কবে, কোথায় গাইবেন, সেসব না জানিয়ে পাড়ি জমান সাতসমুদ্দর তেরো নদীর ওপারে। রেখেছিলেন গোপন। শনিবার সেটি প্রকাশ করলেন। কনা জানান, তার এই ট্যুর আয়োজন করছে দেশি মিউজিক এন্টারটেইনমেন্ট।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গান গাইবেন গায়িকা কনা। যেসব শহরে গাইবেন, তার মধ্যে রয়েছে— ইন্ডিয়ানা, মিশিগান, আটলান্টিক সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেসে, ওকলোহামা সিটি, ডালাস, হিউস্টন, শিকাগো, বস্টন, অরল্যান্ডো, ওয়াশিংটন ডিসি, মিয়ামি, আটলান্টা, আবেয়া, অ্যারিজোনা ও নিউইয়র্ক। তার এ কনসার্ট ট্যুর শুরু হচ্ছে ২৫ জুলাই থেকে। আর শেষ হবে আগামী ৩ অক্টোবর। প্রায় তিন মাস ধরে তিনি দেশটির বিভিন্ন শহরে গান শোনাবেন। দেশের শিল্পীদের মধ্যে এটা অন্যতম দীর্ঘ সংগীত সফর বটে।

    আমেরিকা যাওয়ার সামাজিক মাধ্যমে এ সংগীতশিল্পী ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে কনা লিখেছেন— ‘প্রিয় আমেরিকাবাসী, আমি আসছি তোমাদের শহরে। চলো, একসঙ্গে স্মরণীয় কিছু মুহূর্ত উপভোগ করি।’

    এর আগে কনার সর্বশেষ গান প্রকাশ হয়েছে ১১ জুলাই সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে— ‘তোমার হতে চাই’ গানটি। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন সজীব দাস। গানে কনার সঙ্গে দ্বৈত গেয়েছেনও সজীব। এটি ব্যবহৃত হয়েছে রাফাত মজুমদার রিংকুর নাটক ‘ভালোবাসার গল্প’তে।

  • নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী অভিনয়ের পাশাপাশি প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে নান্দনিক সাজে মেলে ধরেন। এবারও সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজেকে মেলে ধরেন অনন্য রূপে।

    সম্প্রতি ফেসবুক পেজে নান্দনিক সোনালি কাজের লাল একটি শাড়ি পরে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে পরনে লাল ব্লাউজ, হাতে লাল চুড়ি, গলায় অলংকার আর চুলে খোঁপা। লাল টকটকে শাড়িতে ঝলমলে হাসি আর কপালে লাল টিপ; একগুচ্ছ চেনা-অচেনা মিষ্টি ভঙ্গির ছবিতে সামাজিক মাধ্যমে ধরা দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন তটিনী।

    পোস্ট করা ছবিগুলো ইনডোর লোকেশনে তোলা। কখনো মৃদু হাসিতে, আবার কখনো চোখ নামিয়ে পোজ দিয়েছেন। আবার কানের কাছে হাত রেখে মিষ্টি ভঙ্গিতেও ক্যামেরা বন্দি হয়েছেন অভিনেত্রী। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে জুড়ে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের অমর সৃষ্টি ‘ভালোবেসে সখী’ গানটি। আর সেই গানেরই একটি কথা টেনে তটিনী লিখেছেন— ‘আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে।’

    নিজের সাবলীল অভিনয় ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি দিয়ে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে। সুন্দরী এ তারকার এমন মিষ্টি আকুতি আর চোখজুড়ানো রূপের ঝলক দেখে চোখ ফেরাতে পারছেন না ভক্ত-অনুরাগীরা।

    পোস্টটি করা মাত্রই লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ঝড় উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রীর রূপ ও ক্যাপশনের সঙ্গে মিলিয়ে অনুরাগীরা মন্তব্য বক্সে কাব্যিক সব অনুভূতির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অনেকেই রবীন্দ্রনাথের গানের কলি কমেন্ট বক্সে লিখেছেন— আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো।’

  • দৃষ্টিনন্দন মেহেদির নকশায় পরীমনি

    দৃষ্টিনন্দন মেহেদির নকশায় পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনিকে এখন আর রুপালি পর্দায় খুব একটা দেখা যায় না। অভিনেত্রী কাজের চেয়ে নিজের এবং সন্তানের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন। তবে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বরাবরই সরব তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে তার ‘সানকিসড’ ফটো নিয়েই আলোচনায় এলেন পরীমনি।

    পরীমনিকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যাই হোক না কেন, তার রূপের জাদু ভক্ত-অনুরাগীদের মুগ্ধ করে। বেশি কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, এক শান্ত, মনোরম পরিবেশে যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। পরিমনির মুখের শান্ত অভিব্যক্তি এবং আধবোজা চোখ দেখে মনে হচ্ছে— মিঠে রোদ নয়, বরং কোনো অদৃশ্য ভালোবাসার উষ্ণতা অনুভব করছেন তিনি। তার হাতে দেখা যাচ্ছে নজরকাড়া মেহেদির নকশা। সঙ্গে কমলা-খয়েরি প্রিন্টের পোশাক।

    পরীমনির হাতে নান্দনিক মেহেদির নকশা, শান্ত মুখে রোদের পরশ। যেন এক অপার্থিব সৌন্দর্য হয়েই ধরা দিলেন। সাতসকালেই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের স্ক্রিনে তিনটি ক্লোজআপ ছবি ভেসে উঠল। আর তাতেই চোখ আটকে গেল ভক্ত-অনুরাগীদের। ছবির সঙ্গে অভিনেত্রীর ছোট্ট ক্যাপশন— ‘সানশাইন’।

    সেই ছবি পোস্ট করার মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। পোস্ট করা ছবির কমেন্টবক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা তার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। ভক্তদের অনেকেই আবার মেহেদির নকশা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন— কে এই মেহেদি পরিয়ে দিল?

  • আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। সে কারণে আগে থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশটিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।

    একটি ছাত্র সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদসভায় তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শাবানা আজমি। তবে হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যই তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাবানা আজমি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি হতাশ। শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা কামনা করেছেন অভিনেত্রী।

    শাবানার অসুস্থতার খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

    সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের মতপ্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সরব হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর আগে গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন শাবানা আজমি।

  • ডলি সায়ন্তনীকে বিয়ে করাটা বড় ভুল ছিল: রবি চৌধুরী

    ডলি সায়ন্তনীকে বিয়ে করাটা বড় ভুল ছিল: রবি চৌধুরী

    চলতি বছর একটি পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানিয়ে তুমুল আলোচনায় আসেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী। তিনি দাবি করেন- তার অজান্তে ডলি এক কোরিয়া প্রবাসী গাড়িচালকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরেই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবি চৌধুরী এবার জানান, তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল তার প্রথম বিয়ে। তবে অতীত নিয়ে আর আলোচনা করতে চান না বলেও জানান এই শিল্পী।

    রবি চৌধুরীর কথায়, ‘আমার প্রথম বিয়েটাই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সুযোগ থাকলে সেই অতীত পুরোপুরি মুছে ফেলতে চাইতাম। কিন্তু সেটা তো আর সম্ভব নয়। তাই সেই অতীত নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাই না।’

    নব্বই দশকের শেষভাগে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে রবির। ২০০০ সালের দিকে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় দ্বৈত গানে কণ্ঠ দেন তারা। কাজের সূত্রেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ২০০১ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ ও কলহের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের সংসার জীবনের ইতি ঘটে।

    সাক্ষাৎকারে রবি চৌধুরীর জনপ্রিয় গান ‘কাল নাগিনী’ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ‘ঘুরাও দু নয়ন’ অ্যালবামের এই গান কি তার সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে রহস্য বজায় রাখেন তিনি।

    হাস্যরসের সুরে রবি চৌধুরী বলেন, ‘সবসময় তো আর বন্দুক দিয়ে মারতে হয় না, মাঝে মাঝে কলম দিয়েও মারা যায়। গানটি আমার নিজের লেখা। তবে কাকে নিয়ে লিখেছিলাম, সেটা এখন আর বলতে চাই না।’

  • অনেক কেঁদেছিলাম: ভাবনা

    অনেক কেঁদেছিলাম: ভাবনা

    সম্প্রতি ওমরাহ পালন করে দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। যা তিনি নিজেই জানিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমে। প্রকাশ করেছেন একাধিক ওমরাহ সফরের ছবিও। এবার ফেসবুকে জানালেন ওমরাহর পেছনের গল্প।

    গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক পোস্টে ভাবনা লিখেছেন, ‘আমাদের ওমরাহ করতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা হুট করে হয়। যদিও হুট করে বললে ঠিক হবে কি না। কারণ বাবা-মা সবসময় যেতে চাইতেন। আমিও যেতে চেয়েছি গত তিন বছরে, তবে সত্যি কথা হলো আমি সিদ্ধান্তে অটুট ছিলাম না। কারণ যাব ভেবেছি তারপর আর হয়নি। এবার ঈদের পর ব্যাংককে যাই। তারপর যেদিন ব্যাংককে আমার শেষ রাত পরদিন বাংলাদেশে চলে আসব। জুনের ৬ তারিখ। আমি রাতে অনেক কাঁদছিলাম আর দিয়াকে (আমার বান্ধবী) বলছিলাম আমি আল্লাহর ঘরে যেতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব। আমার যেন কিছুতেই মন মানছিল না। মনে হচ্ছিল আমি অনেক কাঁদব আল্লাহর ঘরে গিয়ে। জুনের ২৫ তারিখ আমরা সবাই ওমরাহ করতে রওনা হই।’

    এরপর লিখেছেন, ‘আমি ফেসবুকে ততটুকুই বলি, যতটুকু বলতে চাই। এই কথাটা এজন্যই বললাম যে, আল্লাহ আমাকে তার ঘরে আসার সুযোগ দিয়েছেন। ৬ তারিখ রাত থেকে ২৫ তারিখ, কয়েকদিনের মধ্যেই আমি আল্লাহর মেহমান হতে পেরেছি।’

    নেটিজেনরা অভিনেত্রীর ওমরাহ’র ছবিগুলো দেখে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। যারা সমালোচনা করেছেন তাদের উদ্দেশে ভাবনা লিখেছেন, ‘আমার ওমরাহ নিয়ে আপনারা অনেক উত্তেজিত (সবাই না কিছু মানুষ)। আমার ওমরাহ হবে কি হবে না? আজেবাজে মন্তব্য করা, এটা নতুন কিছু নয়। আপনারা যারা বাজে মন্তব্য করেন তারা সংখ্যায় খুবই কম। তবে এতটুকু আপনারা নিশ্চিত জানেন, আল্লাহ যদি না চায় আপনি কি তার ঘরে যেতে পারবেন?’

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে অনেক ভালোবাসেন, আল্লাহ তার সব বান্দাদের ভালোবাসেন। জানি না আমার ওমরাহ কবুল হয়েছে কি না। আমি কিছু জানি না। তবে এতটুকু জানি আল্লাহ আছেন। আল্লাহ সব দেখেন। আমার মনে কি আছে, আমার নিয়ত কি আল্লাহ সব বোঝেন। আমি অন্য কাউকে প্রমাণ দেব না আমি কে? আমার আল্লাহ ছাড়া আমি আর কাউকেই কিছু প্রমাণ করতে চাই না।’

    সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘অনেকে বলতে পারেন, ফেসবুকে কেন ওমরাহর ছবি দিলাম। আমি মক্কা-মদিনায় প্রতিটি মুহূর্ত কী কী অনুভব করেছি তা আমি আপনাদের বলতে পারিনি। তবে যারা আমাকে ফলো করে, যারা পজিটিভ মানসিকতার মানুষ তারা আমার এই সময়টা আমাকে দোয়া দিয়েছেন। সে কারণে ছবি দিয়েছি, যাতে আমাকে দেখে আরও কেউ যদি অনুপ্রাণিত হয় সেখানেই আমার সার্থকতা হবে।’

  • শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কেন সরব হলেন আলিয়া ভাট?

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কেন সরব হলেন আলিয়া ভাট?

    শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে অবশেষে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বলিউডের একাধিক তারকা। নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘদিন তারকাদের নীরবতা নিয়ে সমালোচনা চললেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর কয়েকজন অভিনেতা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার রাতে শিক্ষার্থীদের সংকট নিয়ে কথা বলেন সালমান খান। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানান অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তার বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ২৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন গত ২০ জুলাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আলিয়া ভাট বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। তবে একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের দৃঢ় অবস্থান তাকে আশাবাদীও করেছে।

    অভিনেত্রীর ভাষায়, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শুধু একটি পরীক্ষার দাবি বা ব্যক্তিগত সমস্যাকে কেন্দ্র করে নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ, পরিবারের স্বপ্ন এবং দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম। তার মতে, আন্দোলনকারীরা নিজেদের অধিকারের পাশাপাশি একটি পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

    শিক্ষার্থীদের সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করে আলিয়া আরও বলেন, তাদের অটল অবস্থান সমাজের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন তুলে ধরেছে। যাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠার কথা, তাদের কথা কি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।

    শেষে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ভবিষ্যত তাদেরই। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের প্রতি আলিয়া ভাটের প্রকাশ্য সমর্থনকে অনেকেই তাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখছেন।

  • উপস্থাপনায় ফিরলেন রুমানা মালিক মুনমুন

    উপস্থাপনায় ফিরলেন রুমানা মালিক মুনমুন

    ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৬’ প্রতিযোগিতা দিয়ে শোবিজে পথচলা শুরু রুমানা মালিক মুনমুনের। অভিনয়ে আসেন তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমা দিয়ে। এরপর নাটকেও অভিনয় করেছেন। তবে অভিনেত্রীর পরিচয় ছাপিয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন উপস্থাপনায়।

    কয়েক বছর আগেই কানাডায় স্থায়ী হওয়ায় দীর্ঘদিন শোবিজ থেকে দূরে ছিলেন মুনমুন। সম্প্রতি দেশে এসেছেন তিনি। একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে জানিয়েছিলেন, রিসার্চবেজ কোনো শোর প্রস্তাব পেলে আবারও তিনি বসতে চান সঞ্চালকের আসনে। তবে, শুধু স্ক্রিনে থাকার জন্য নয়, মানসম্পন্ন কাজ করতে চান, যা মানুষের মন ছুঁয়ে যাবে।

    মুনমুনের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। সম্প্রতি তিনি যুক্ত হয়েছেন ‘লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি’ নামের একটি শোতে। এতে মুনমুনের অতিথি হিসেবে দেখা যাবে অভিনয়, সংগীত, শিল্প ও সাহিত্য অঙ্গনের মানুষদের। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠানটির প্রচার। প্রথম পর্বে মুনমুনের অতিথি হয়ে এসেছেন নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নিপা। সামনের পর্বগুলোতে মুনমুন কথা বলবেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, তারিক আনাম খান, সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান, অদিতি মহসিন, নকীব খান, জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, স্থপতি রফিক আজম প্রমুখের সঙ্গে।

    লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি পরিচালনা করছেন সাজ্জাদ হুসাইন। তিনি এক যুগের বেশি সময় পরিচালনা করেছেন ‘আমার আমি’ নামের টক শোটি। আমার আমি দিয়েই উপস্থাপক হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছেন মুনমুন।

    নতুন এই অনুষ্ঠান নিয়ে সাজ্জাদ হুসাইন বলেন, ‘বিভিন্ন অঙ্গনের গুণী মানুষদের নিয়ে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। বাংলাদেশের ইতিহাস বিবেচনায় বিভিন্ন অঙ্গনে যাঁদের ভূমিকা রয়েছে তাঁদেরকে অতিথি হিসেবে রাখার চেষ্টা করেছি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কাহিনি স্টুডিওস এমন একটা অনুষ্ঠান করতে চাইছিল যেটা আর্কাইভ হিসেবে থাকবে। যেখানে গুণীদের জীবনের গল্পগুলো দর্শকের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। সেভাবেই আমরা অনুষ্ঠানটি ডিজাইন করেছি।’

    মুনমুনকে দিয়ে উপস্থাপনা করানোর বিষয়ে সাজ্জাদ বলেন, ‘অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ঠিক করার পর আমরা কয়েকজন উপস্থাপকের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারও সঙ্গে মিলছিল না। এরপর আমার মনে হলো এখানে মুনমুন হলে খুব ভালো হয়। প্রযোজকের সঙ্গে আলোচনা করে মুনমুনের সঙ্গে কথা বলি। যেহেতু মুনমুনের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক। বছরের পর বছর আমরা একসঙ্গে শো করেছি। তাই সে আমার পরিকল্পনাটা সহজেই বুঝতে পারে। মুনমুন দেশে এলে আমরা পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ থেকে ৮ জুলাই শুটিং করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে আমার আমি অনুষ্ঠানের নতুন কিছু পর্ব শুট করলাম। কারণ, ওই অনুষ্ঠানের রিফ্লেকশন পাওয়া যাবে এতে।’

    কাহিনি স্টুডিওস ইউটিউব চ্যানেল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে প্রচারিত হচ্ছে লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি। প্রতি সপ্তাহে মুক্তি পাবে ১৩ পর্বের এই অনুষ্ঠানের নতুন পর্ব।

  • ককরোচ পার্টির সমালোচনা করে তোপের মুখে কঙ্গনা

    ককরোচ পার্টির সমালোচনা করে তোপের মুখে কঙ্গনা

    মোদি সরকারের কোনো প্রকার সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত। যখনই কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ ওঠে, তা নিয়ে অভিনেত্রীর মুখের আগল খুলে যায়। আরও একবার তার প্রমাণ মিলল শিক্ষামন্ত্রী ধমেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে।

    গত সোমবার লোকসভা অভিযানের কর্মসূচি ছিল তাদের। এমনিতেই মাসখানেক ধরে ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে একই দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থানে বসেছে। সেখানে অনশন ধর্মঘটে ছিলেন সোনম ওয়াং চুক। সব মিলিয়ে দিল্লি উত্তপ্ত। এর মধ্যেই মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রনৌত। ককরোচ জনতা পার্টি তথা তরুণদের এই প্রতিবাদের সমালোচনা করেছেন একেবারে তাঁর নিজস্ব চেনা কায়দায়।

    এ তথ্যের পাশাপাশি আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে কঙ্গনার বক্তব্য, কে পদে থাকবেন আর কে থাকবেন না, বিক্ষোভ দেখিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তা ঠিক করা যায় না।

    সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, জনস্বার্থের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সঠিক জায়গা হলো সংসদ। নিট প্রশ্ন-ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলা এই আন্দোলন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে কঙ্গনা বলেন, ‘সংসদের অধিবেশন এমন একটি জায়গা, যেখানে আমরা সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারি এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলতে পারি।’

    বিক্ষোভের জেরে সংসদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও দাবি কঙ্গনার। তাঁর বক্তব্য, ‘জনগণ ভোট দিয়ে যে সরকারকে নির্বাচিত করেছেন, সেই সরকার কীভাবে কাজ করবে, তা ঠিক করার অধিকার তাদেরই রয়েছে। বিক্ষোভ দেখিয়ে সরকারকে চাপে ফেলা ঠিক নয়। সরকার কীভাবে দেশ চালাবে, তা ঠিক করার অধিকার তাদের রয়েছে। যদি এতই আপত্তি থাকে, তা হলে নিজেরাই নির্বাচনে দাঁড়ান। জানি সেই সাহস কারও নেই। তাই ধীরে ধীরে সবাই বিজেপি এবং সনাতন সংস্কৃতির দিকেই ফিরে আসবেন। কারণ, এটাই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি।

    বাকি সবই বাইরে থেকে ধার করা।’ এমন বক্তব্যের জেরে আন্দোলনকারীদের রোষানলে পড়েছেন কঙ্গনা। অভিনেত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষ নয় বলেই দাবি করছেন তারা।

  • মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও মডেল বিদ্যা সিনহা মিম। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। ফেসবুকে প্রায়শই নানা মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসা কুড়াতে দেখা যায় ‘মালিক’ সিনেমার এই অভিনেত্রীকে।

    গেল শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গোলাপি রঙের পোশাকে একগুচ্ছ ছবি আবারও অনুরাগীদের কাছে ধরা দেন জনপ্রিয় এই নায়িকা। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরাও তাকে প্রশংসার সাগরে ভাসান। এসব ছবি দেখতে দেখতে ভক্তদের মন্তব্য ও অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক—

    নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একগুচ্ছ ছবি সম্বলিত পোস্টের ক্যাপশনে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে মিম লিখেছেন, ‘গোলাপি রঙে রাঙা আমি, ভালোবাসায় ভরা মন।’ তবে ছবিগুলো কোনো ওয়েব সিরিজ নাকি সিনেমার দৃশ্যের, সে ব্যাপারে তিনি কিছুই জানাননি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনুরাগীরা অভিনেত্রীর সৌন্দর্যেরে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নানা বিশেষণে তারা প্রিয় অভিনেত্রীকে বর্ণনা করছেন। এই যেমন, সজীব নামের একজন লিখেছেন, ‘আমাদেরও একজন মিম আছেন, যিনি বলিউড–হলিউড, তামিল নায়িকাদের হার মানায়।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    রিশা মনি নামের আরেক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘সেরার যদি সেরা সুন্দরী নায়িকা যদি বর্তমানে বাংলাদেশে থাকে সেটা হচ্ছে মীম।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    আরেক ব্যবহারকারীর মন্তব্য যেন বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রিয় তারকাকে নিয়ে একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যা সিনহা সাহা মিম সৌন্দর্য, আভিজাত্য, প্রতিভা এবং এক মুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের অপূর্ব সমন্বয়ে আপনি সত্যিই এমন এক তারকা, যিনি বিশ্বের প্রতিটি কোণ আলোকিত করে তোলেন।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    এদিকে, নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শমী কায়সার প্রযোজিত একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিম। সরকারি অনুদানে তৈরি সেই ছবির শুটিং ২০২৩ সালে শেষ হলেও মুক্তির কোনো খবর নেই। ছবির নাম ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’।

    সর্বশেষ গেল ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় মিম অভিনীত চলচ্চিত্র ‘মালিক’। এতে তিনি অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভর বিপরীতে। যদিও দীর্ঘদিন পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    ‘মালিক’ মুক্তির পর জুনে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। কাজী আসাদ পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করে বেশ আলোড়ন তোলেন এই অভিনেত্রী। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

  • মেসি, দয়া করে কেঁদো না, আবেগঘন পোস্ট শশীর

    মেসি, দয়া করে কেঁদো না, আবেগঘন পোস্ট শশীর

    ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করার পর লিওনেল মেসির আবেগঘন মুহূর্ত কোটি ভক্তের মতোই স্পর্শ করেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী শারমীন জোহা শশীকে। ম্যাচশেষে মেসির কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি হৃদয়ছোঁয়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি, যা ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার এ অভিনেত্রী পোস্টের শুরুতেই মেসির প্রতি নিজের অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, ভালোবাসি এবং সব সময় ভালোবাসব। তুমি সর্বকালের সেরা। মেসি, তুমি দয়া করে কেঁদো না।’

    নিজেকে আর্জেন্টিনার সমর্থক উল্লেখ করে শশী লেখেন, জীবনে সবাই সবকিছু পায় না—এটাই বাস্তবতা। তাই একটি পরাজয় কখনোই মেসির অসাধারণ অর্জন ও কিংবদন্তি মর্যাদাকে ম্লান করতে পারে না। তার ভাষায়, ‘আজকের দিনটি হয়তো তোমার ছিল না। কিন্তু তাই বলে তুমি কোনো অংশেই কম নও। তোমার ছোট ছোট অপূর্ণতাগুলোই তোমাকে আরও সুন্দর করে তোলে।’

    ফাইনাল শেষে স্পেন যখন শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে, তখন নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘স্পেন যখন উদ্‌যাপনে ব্যস্ত ছিল, আমি দর্শকদের ভিড়ে দাঁড়িয়ে টেলিভিশনের পর্দায় শুধু ১০ নম্বর জার্সিটির দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। আমার চোখ সেখানেই আটকে ছিল।’

    পুরো বিশ্বকাপজুড়ে মেসির নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে শশী বলেন, জয়-পরাজয়কে কীভাবে গ্রহণ করতে হয়, তা মেসিই শিখিয়েছেন। টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ ফুটবল উপহার দেওয়ার জন্য তিনি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে ধন্যবাদ জানান।

    স্ট্যাটাসের শেষেও মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের অটুট ভালোবাসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে শশী লেখেন, ‘আজকের দিনটা একসময় হারিয়ে যাবে, কিন্তু মেসি কখনো হারিয়ে যাবে না। তাই এখনো আমার কণ্ঠে একটাই ধ্বনি—মেসি সর্বকালের সেরা, আর সেরা আর্জেন্টিনা।’

    শশীর এই আবেগঘন স্ট্যাটাসে আর্জেন্টিনা ও মেসির অসংখ্য সমর্থক একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন, একটি হার কখনোই লিওনেল মেসির কিংবদন্তি ক্যারিয়ার বা তার প্রতি ভালোবাসাকে ম্লান করতে পারবে না।

  • হিনা-শিল্পা দ্বন্দ্বে নতুন মোড়, ‘লক আপ ২’ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

    হিনা-শিল্পা দ্বন্দ্বে নতুন মোড়, ‘লক আপ ২’ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

    নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘লক আপ’ সিজন ২-এ বড় চমক নিয়ে হাজির হতে পারেন অভিনেত্রী হিনা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে তার অংশগ্রহণের জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিযোগী শিল্পা শিন্ডের সঙ্গে তার পুরোনো দ্বন্দ্ব।

    ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ফোরামসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী পর্বগুলোতে বিশেষ অতিথি হিসেবে হিনা খান ও উরফি জাভেদ শোতে যোগ দেবেন। যদিও এখনো বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি নির্মাতারা।

    হিনা ও শিল্পার বিরোধ নতুন নয়। ‘বিগ বস ১১’-এ অংশ নেওয়ার সময় থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। সম্প্রতি সেই বিতর্ক আবারও সামনে আসে, যখন ভরতি সিংয়ের পডকাস্টে শিল্পা স্বীকার করেন যে, প্রযোজক সঞ্জয় কোহলির সঙ্গে আইনি বিরোধ চলাকালে তিনি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন।

    শিল্পার এই স্বীকারোক্তির পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান হিনা। তিনি লেখেন, ‘কোনো বিরোধে জিততে নিজের লিঙ্গ পরিচয় ব্যবহার করে কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এর বিরুদ্ধে মানুষ যে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং বিচার চাইছে, সেটাই স্বাভাবিক। আমি সত্যিই হতবাক।’

    হিনা আরও দাবি করেন, এই ঘটনায় প্রকৃত ভুক্তভোগী ছিলেন সঞ্জয় কোহলি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, অভিযোগের পরও কেন ওই প্রযোজক আবার শিল্পার সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘শেষ পর্যন্ত হাসির পাত্র তো আমরাই।’

    এরপর পরোক্ষভাবে হিনাকে নিশানা করেন শিল্পা শিন্ডে। তিনি হিনার ক্যানসারের চিকিৎসা এবং বাবার মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘মানুষ কবে যে আমার নাম ব্যবহার করে প্রচার পাওয়া বন্ধ করবে, জানি না। চলন্ত ট্রেনে উঠতে যাবেন না, আঘাত পাবেন। প্রচার পাওয়ার জন্য আপনার নিজের অসুস্থতা আছে, পরিবারের সদস্যের মৃত্যুর ঘটনাও আছে। তাহলে শিলপা শিন্ডেকে কেন দরকার? আপনি তো আগেই যথেষ্ট প্রচার পেয়েছেন।’

    হিনা যদি সত্যিই ‘লক আপ ২’-এ হাজির হন, তাহলে বহুদিনের এই দ্বন্দ্ব নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছেন দর্শকরা। তবে তাদের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। সূত্র: এনডিটিভি

  • ‘আজকে খেলি নাই তাই জিতি নাই’

    ‘আজকে খেলি নাই তাই জিতি নাই’

    আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। প্রিয় দলের জয় উদযাপনের জন্য আতশবাজি কিনেছিলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার। প্রিয় দলের এমন পরাজয়ে মন খারাপ আর্জেন্টিনা সমর্থকদের।

    এদিকে ফাইনালে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ার পরও সেই আতশবাজিগুলো ফুটিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় এসেছেন কেয়া পায়েল। গতকাল রোববার গভীর রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে দেখা যায়, ছাদে দাঁড়িয়ে আতশবাজি ফোটাচ্ছেন কেয়া। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ভাবছিলাম জিতলে ফুটাব, কিন্তু নষ্ট হয়ে যাবে তো, তাই আরকি।’

    এতেই শেষ নয়। পোস্টের মন্তব্যের ঘরে কৌতুক করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘আজকে খেলি নাই তাই জিতি নাই, খেললে জিতে যাইতাম।’

    কেয়ার এই ভিডিও প্রকাশের পর নেটদুনিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তার রসবোধের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ মজার ছলে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের খোঁচা দিয়ে মন্তব্যও করছেন।

    বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ফুটবলপ্রেমীদের নানা প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই কেয়া পায়েলের এই ব্যতিক্রমী উদযাপন নেটদুনিয়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • বিশ্বকাপ জয়ে উচ্ছ্বসিত সিয়াম আহমেদ

    বিশ্বকাপ জয়ে উচ্ছ্বসিত সিয়াম আহমেদ

    স্পেন দলের সমর্থক ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় আসর এলেই প্রিয় দলের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা তিনি প্রকাশ করেন নেটদুনিয়ায়। এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে স্পেন। ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার।

    ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হার নিশ্চিত হওয়ার পর ফেসবুকে স্ত্রীর সঙ্গে একটি রিলস শেয়ার করেন সিয়াম। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, ভালো খেলছ- এটা বলা যাচ্ছে না আর্জেন্টিনা। এটা প্রত্যাশা করে স্পেন।

    পোস্টের ক্যাপশনে ছিল শুধু স্পেনের পতাকার ইমোজি, যা দিয়েই দলের প্রতি নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

    বলে রাখা যায়, বাংলাদেশে যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক সংখ্যাই বেশি, সেখানে অভিনেতা সিয়াম আহমেদ ব্যতিক্রম। ২০০৭ সাল থেকে তার প্রিয় দল স্পেন।

    মূলত ডেভিড ভিয়ার খেলা দেখেই দলটির প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছিল। তার গতি, গোল করার অসাধারণ দক্ষতা এবং মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা মুগ্ধ করেছে এই অভিনেতাকে। এরপর ধীরে ধীরে স্পেন দলের খেলা নিয়মিত অনুসরণ করতে শুরু করেন তিনি।

    সিয়ামের কথায়, ‘সেই সময় স্পেন বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাদের নিখুঁত পাসিং ফুটবল, বল দখলে রাখার কৌশল এবং দলগত সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো। ডেভিড ভিয়া, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, জাভি হার্নান্দেজদের সেই প্রজন্মের খেলা আজও স্মৃতিতে ভাসে। তাই এত বছর পরও স্পেনই আমার প্রিয় দল আর তাদের সাফল্য আমাকে সবসময় আনন্দ দেয়।’

  • আর্জেন্টিনার পরাজয়ের দায় তৃণমূল নেতার ওপর চাপালেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল

    আর্জেন্টিনার পরাজয়ের দায় তৃণমূল নেতার ওপর চাপালেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল

    বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে স্পেনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে লিওনেল মেসিরা যেন পায়ে কোনো বলই পাননি! আর্জেন্টিনার এমন হারে মন ভেঙেছে লাখও সমর্থকের।

    এদিকে, প্রিয় দল হারতেই সব দোষ বিরোধীদল তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অরূপ বিশ্বাসের কাঁধে চাপালেন বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

    ফাইনালের পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই টালিউড তারকা বলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনার সাপোর্টার হতে পারি, মেসি ভক্ত হতে পারি, তবে আজকে ব্রিলিয়ান্টলি যারা খেলেছে, তারাই জিতল। দুঃখ হচ্ছে, অনেকে অনেক কথা বলছে, বুকে পাথর চাপা দিয়ে সয়ে নিচ্ছি। আবার পরের ওয়ার্ল্ডকাপে দেখা হবে। তখন না হয় কথা হবে।’

    এরপর রসিকতা করে তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বলছে যে অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে যদি মেসির না দেখা হত, তাহলে রেজাল্ট অন্যরকম হত। দুঃখ পেয়েছি, কী আর করা যাবে!’

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কলকাতায় পা রেখেছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। সেসময় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া চরম অব্যবস্থা এবং ভিআইপি সংস্কৃতির তাণ্ডব এখনও স্থানীয়দের স্মৃতিতে দগদগে। হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কেটেও ভক্তরা প্রিয় তারকাকে ভালো করে দেখতে পাননি বলে বিক্ষোভ শুরু করেন। মেসিও নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়েন সেই অব্যবস্থার কারণে।

    এরপর অনুষ্ঠানস্থলে চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং পুলিশ ও সামনের দিকে থাকা দর্শকদের দিকে বোতল ছোঁড়া হয়। গ্রেপ্তার হন ইভেন্টের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। যদিও লিওনেল মেসির আবারও কলকাতা সফরের গুঞ্জন রয়েছে।

  • বিশ্ব সুন্দরীর মঞ্চে পাকিস্তানের যুবতী আনিকা

    বিশ্ব সুন্দরীর মঞ্চে পাকিস্তানের যুবতী আনিকা

    চলতি বছরের ‘মিস ওয়ার্ল্ড পাকিস্তান’-এর খেতাব জিতেছেন আনিকা জামাল ইকবাল। এ বার তাকে দেখা যাবে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে পাকিস্তানের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। তার হাত ধরে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান। প্রায় ৭৪ বছরে প্রথম বারের জন্য বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চলেছে পাকিস্তান। জিন্নার দেশের হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন ২৪ বছর বয়সী সুন্দরী এই আনিকা জামাল ইকবাল। এর আগে যে অনিকা কোনও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেননি তা নয়। ২৪ বছরের এই তনয়া ‘মিস আর্থ’, ‘মিস গ্লোবাল’, ‘মিস কসমো’, ‘মিস ইকো ইন্টারন্যাশনল’ এবং ‘মিস অরা ইন্টারন্যাশনল’-এর মতো প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশ নিয়েছেন। কসমোতে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রিডম অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতাতেও আনিকা জিতে নিয়েছেন চারটি খেতাব। তার পড়াশোনা এখনও শেষ হয়নি। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের দানিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং এবং অডিটিং নিয়ে স্নাতোকত্তর স্তরের পড়াশোনা করছেন।

    রূপবতী আনিকার মন রয়েছে সমাজকর্মেও। তিনি ‘বিউটি উইদ পার্পস’ নামের একটি প্রকল্প চালান। পাকিস্তানের সকল থ্যালাসেমিয়া রোগীর সহায়তা করাই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য। নিজের প্রকল্পের পাশাপাশি আনিকা পাকিস্তানের সামাজিক কর্মে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও সক্রিয় ভাবে কাজ করেন। লাহোরের বেশ কয়েকটি দাতব্য সংস্থায় আনিকা স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে কাজ করেন। সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা রোগীদের নিয়েই সে সকল সংস্থাগুলিতে কাজ করা হয়। আনিকা ‘মিস ওয়ার্ল্ড পাকিস্তান’-এর খেতাব জেতার পর ‘মিস পাকিস্তান ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন’-এর তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে আনিকার যাওয়া এই সংস্থার জন্য একটি মাইলফলক স্পর্শ করছে।

    দীর্ঘ ২৫ বছরে প্রথম বারের মতো তাদের সংস্থা থেকে কেউ বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে পা রাখতে চলেছেন। যদিও ইতিহাস বলছে দীর্ঘ ৭৪ বছরে পাকিস্তান বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চ ছুঁয়ে দেখেনি। ‘মিস পাকিস্তান ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন’-এর প্রধান সোনিয়া আহমেদ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের জন্য এটি একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হতে চলেছে। তার মতে, পাকিস্তানের প্রতিভা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য এটি একটি অত্যন্ত ভাল সুযোগ। পাকিস্তানের প্রতিযোগীরা এর আগে নানা ধরনের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। আনিকার কাছেও সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নতুন কিছু নয়।

    তবে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চ সে সবের থেকে আলাদা। সেখানে বাহ্যিক সৌন্দর্যের সঙ্গে বোধগম্যতা, জনসমক্ষে কথা বলার ধরন প্রভৃতি বিষয় যাচাই করে দেখা হয়। তবে সে সব নিয়ে চিন্তিত নন আনিকা। তিনি ছোট থেকেই জানতেন যে পাকিস্তানের মতো ইসলাম ধর্মাবলম্বী দেশে মডেলিংকে পেশা হিসাবে বেছে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সহজ বিষয় নয়। এ বিষয়ে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন অনেকে। কিন্তু সে সব নিয়ে চিন্তিত নন আনিকা। বর্তমানে তিনি ভিয়েতনামে হতে চলা বিশ্বসুন্দরীর প্রতিযোগিতায় নিজেকে মেলে ধরাতেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।

    অনিকার কাছে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চ কেবল একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ নয়। তার প্রধান লক্ষ্য হল, বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে নিজের দেশের থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য সহযোগিতা জোগাড় করা, যাতে তিনি তার প্রকল্পকে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। আনিকার মা-বাবা তথা পরিবারের সকলে মেয়ের এই সাফল্যে অত্যন্ত খুশি। মেয়ের এক জন সফল মডেল হওয়ার ইচ্ছায় তারা বরাবর পাশে থেকেছেন। আনিকার মা-বাবা কখনও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে কিছু করার জন্য চাপ দেননি।

  • সীতার চরিত্রে অভিনয় করা আশীর্বাদ: সাই পল্লবী

    সীতার চরিত্রে অভিনয় করা আশীর্বাদ: সাই পল্লবী

    বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক চলচ্চিত্র ‘রামায়ণ’-এ সীতার চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তুতি হিসেবে ধ্যান ও প্রার্থনার আশ্রয় নিয়েছিলেন অভিনেত্রী সাই পল্লবী। তার ভাষ্য, এটি কোনো অর্জন নয়, বরং আশীর্বাদ।

    শুক্রবার ভারতের নয়াদিল্লিতে চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাই পল্লবী বলেন, দেবীর চরিত্রে অভিনয় করা সহজ নয়। এ ধরনের চরিত্র পাওয়াও একজন অভিনেতার জন্য বিরল সৌভাগ্যের বিষয়।

    তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, সীতা মায়ের চরিত্রটি আমি বেছে নিয়েছি। বরং এই চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে আমি আশীর্বাদধন্য। এটি এমন কোনো চরিত্র নয়, যেটিকে পরিকল্পনা করে নিজের মতো করে উপস্থাপন করা যায়।’

    প্রস্তুতির বিষয়ে সাই পল্লবী বলেন, ‘আমি ধ্যান করতাম এবং প্রার্থনা করতাম- সীতা মা, আপনি আমার মাধ্যমে অভিনয় করুন। আমার মাধ্যমে যা প্রকাশ পাবে, সেটাই যেন এই চলচ্চিত্রের জন্য আপনার ইচ্ছা হয়।’

    অভিনয়ের সময় নিজের চিন্তা ও মানসিক অবস্থাকে যতটা সম্ভব নির্মল ও ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।

    সাই পল্লবীর বলেন, ‘আমি সব সময় চেষ্টা করেছি অন্তত আমার চিন্তাগুলোকে যতটা সম্ভব পবিত্র রাখতে এবং নিরপেক্ষ থাকতে। এতে পর্দায় নিজের সেরা সংস্করণটি তুলে ধরতে পেরেছি।’

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি সাই পল্লবীর নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সীতার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিনেত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

    দুই পর্বে মুক্তি পাবে ‘রামায়ণ’। প্রথম পর্ব ২০২৬ সালের দীপাবলিতে এবং দ্বিতীয় পর্ব ২০২৭ সালের দীপাবলিতে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

    চলচ্চিত্রটিতে ভগবান রামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। লক্ষ্মণের চরিত্রে রয়েছেন রবি দুবে, রাবণের ভূমিকায় কন্নড় অভিনেতা যশ এবং হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানি দেওল। এ ছাড়া শূর্পণখা চরিত্রে রাকুল প্রীত সিং, কৈকেয়ীর চরিত্রে লারা দত্ত এবং মন্দোদরীর ভূমিকায় দেখা যাবে কাজল আগরওয়ালকে।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন গায়ক

    আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন গায়ক

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কিশোর পলাশ। বিশেষ করে ফোক গানের জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি ভালোই জনপ্রিয়। গানের পাশাপাশি তিনি খেলাধুলাতেও মনোযোগ রাখেন। ফুটবলে পলাশ আর্জেন্টিনার কট্টোর সমর্থক। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মেতে আছেন। নিজের দুই সন্তানকে নিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে প্রিয় দলকে সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছেন।

    তবে এই গায়ক এবার এক ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়েছেন। জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন। নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে বুড়িগঙ্গায় নৌকার ওপর বসে থাকার একটি ছবি পোস্ট করেছেন কিশোর পলাশ।

    ছবির সঙ্গে ক্যাপশনে দিয়েছেন সেই ঘোষণা। লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলে সোজা বুড়িগঙ্গায় ঝাঁপ।’

    আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল খেলা শুরু হবে ২০ জুলাই রাত একটায়। খেলা শেষ হবে তিনটা বা তার কিছু পরে। যদি আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েই যায় তাহলে কিশোর পলাশ বুড়িগঙ্গায় কখন ঝাঁপ দেবেন, তখনই? সেই মাঝরাতেই? এই প্রশ্ন ভক্তরা করছেন।

    কিশোর পলাশ লোকজ ও জীবনমুখী গানের জন্য বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। ‘ভাঙা তরী ছেঁড়া পাল’ গানের মাধ্যমে শ্রোতদের হৃদয়ে স্থান করে নেন এই গায়ক। এছাড়াও ‘ভবের বাড়ি’, ‘যৌবন গেলে প্রেম হবে না’, ‘কলঙ্কী’, ‘দিল দিয়া যারে ভালোবাসিলাম’, ‘দয়াল’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান সংগীতপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন।

  • শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ইস্যুতে আদালতের সমন জারি, নীরবতা ভাঙলেন তিশা

    শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ইস্যুতে আদালতের সমন জারি, নীরবতা ভাঙলেন তিশা

    প্রায় ১০ মাস আগে একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগ আবারও আলোচনায় এসেছে। আদালতের সমন জারির পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি বলেছেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আদালতে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন।

    একটি জামদানি শাড়িকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী ও মডেল তানজিন তিশার বিরুদ্ধে করা প্রতারণার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি আদালত তাঁকে সমন জারি করে আগামী ১৩ আগস্ট হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর বিষয়টি আবারও সামনে আসে।

    সমন জারির পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তানজিন তিশা। তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই আদালতে যাব। আমারও ইচ্ছা হয়েছিল, আমার সঙ্গে কী ঘটেছে, সেটা নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিষয়টি যেহেতু বিচারাধীন, তাই প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু বলিনি। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আমি বিশ্বাস করি, সঠিক বিচার পাব এবং আইনিভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করব।’

    ১৪ বছরের অভিনয়জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিশা প্রশ্ন রাখেন, মাত্র ২৭ থেকে ২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য প্রতারণা করার অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত।

    তার ভাষ্য, ‘আমি এত বছর পরিশ্রম করে একজন শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। একটি অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ির জন্য প্রতারণা করার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমার বিশ্বাস, দর্শকেরা বিষয়টি বুঝতে পারবেন।’

    মামলার বাদী একটি অনলাইন পোশাক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। তাঁর অভিযোগ, তানজিন তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগ করে একটি জামদানি শাড়ির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে প্রচারণার শর্তে শাড়িটি স্পনসর করা হলেও তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো প্রচারণা করেননি এবং শাড়ির মূল্যও পরিশোধ করেননি।

    তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তিশা। তাঁর দাবি, শাড়িটি তাঁকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘গিফট নিয়ে হয়ে গেলাম প্রতারক! হা হা! আর ফটোশুটই যদি করাতে চান, পারিশ্রমিক কই? আজব নারী উদ্যোক্তা! আপনার গিফটরে সালাম!’

    এদিকে আদালতের সমনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অভিনেত্রী, তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁদের ধারণা, একটি জামদানি শাড়িকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াবে, তা তারা ভাবেননি।

    আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তানজিন তিশা।

  • যে বলিউড অভিনেত্রীকে সহশিল্পীরা করে টুকরো টুকরো, বাস থেকে ফেলা হয় মস্তক

    যে বলিউড অভিনেত্রীকে সহশিল্পীরা করে টুকরো টুকরো, বাস থেকে ফেলা হয় মস্তক

    বলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার লড়াইয়ে থাকা একজন তরুণীর কাছে সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ কোনো কুপ্রস্তাব বা বাতিল হয়ে যাওয়া চরিত্র ছিল না। সেটি এসেছিল বন্ধুত্বের ছদ্মবেশে—শুটিং সেটের চেনা মুখ, কাজের প্রতিশ্রুতি এবং উত্তর প্রদেশে যাওয়ার একটি আমন্ত্রণ। কিন্তু সেই যাত্রার শেষ হয়েছিল মুক্তিপণের দাবি, একটি মস্তকহীন দেহ এবং হিন্দি সিনেমা জগতের অন্যতম এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে।

    আজ থেকে ঠিক ১৪ বছর আগে, ২০১২ সালের মার্চ মাসে নিখোঁজ হন ২৬ বছর বয়সী উদীয়মান অভিনেত্রী মীনাক্ষী থাপা। দেরাদুন থেকে মুম্বাইয়ে গিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার লড়াইয়ে থাকা মীনাক্ষী সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘৪০৪’ এবং কারিনা কাপুর অভিনীত মধুর ভান্ডারকরের ‘হিরোইন’ চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন।

    ‘হিরোইন’ সিনেমার শুটিং সেটেই তাঁর পরিচয় হয়েছিল দুই জুনিয়র আর্টিস্ট অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনের সঙ্গে। পরবর্তীতে এই দুজনই পরিণত হন তাঁর খুনিতে।

    মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, শুটিং সেটে মীনাক্ষীর পারিবারিক গল্প শুনে অমিত ও প্রীতি ধরে নিয়েছিলেন যে তিনি অত্যন্ত ধনী পরিবারের সন্তান। তাঁদের এই ধারণাটি ভুল ছিল, কিন্তু মীনাক্ষীকে অপহরণের পরিকল্পনা করার জন্য এটিই ছিল যথেষ্ট।

    অভিযুক্তরা মীনাক্ষীকে জানান যে তাঁরা উত্তর প্রদেশে তাঁর জন্য একটি অভিনয়ের কাজের ব্যবস্থা করেছেন। বলিউডে পায়ের নিচে মাটি খোঁজা এক তরুণীর কাছে এই প্রস্তাবকে কোনো ফাঁদ মনে হয়নি। সরল বিশ্বাসে তিনি তাঁদের সঙ্গে রওনা হন।

    ভ্রমণ শুরুর পর ২০১২ সালের ১৭ মার্চ মীনাক্ষীর মায়ের ফোনে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে বার্তা আসে। অপহরণকারীরা তিন দিনের মধ্যে ১৫ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করে।

    পরিবারকে চরম আতঙ্কে ফেলতে অপহরণকারীরা হুমকি দেয়, টাকা না দেওয়া হলে মীনাক্ষীকে দিয়ে জোরপূর্বক পর্নোগ্রাফি চলচ্চিত্রে কাজ করানো হবে।

    কিন্তু মীনাক্ষীর পরিবারের পক্ষে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ জোগাড় করা অসম্ভব ছিল। তাঁরা কোনোমতে ধারদেনা করে মীনাক্ষীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬০ হাজার রুপি জমা দিতে সক্ষম হন। তবে এই সামান্য অর্থ মীনাক্ষীর জীবন বাঁচাতে পারেনি।

    মামলার বিবরণ অনুযায়ী, টাকা পাওয়ার আগেই অমিত ও প্রীতি মীনাক্ষীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং পরে তাঁর মাথা কেটে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে প্রীতির পারিবারিক বাড়ির পাশের একটি সেপটিক ট্যাংকে মীনাক্ষীর খণ্ডিত ধড় ফেলে দেওয়া হয়।

    এরপর খুনি যুগল বিচ্ছিন্ন মাথাটি একটি ব্যাগে ভরে বাসে করে লক্ষ্ণৌয়ের দিকে রওনা হন এবং যাত্রাপথের কোনো এক জায়গায় সেটি বাস থেকে ছুড়ে ফেলে দেন। সেই খণ্ডিত মাথাটি পুলিশ আর কখনোই উদ্ধার করতে পারেনি।

    হত্যাকাণ্ডের পরও খুনিরা মীনাক্ষীর পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে থাকেন। তাঁরা সমস্ত তথ্যপ্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও একটি বড় ভুল করে বসেন—তাঁরা মীনাক্ষীর ব্যবহৃত সিম কার্ডটি নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছিলেন।

    পুলিশ কল রেকর্ড এবং ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করতে শুরু করে। অবশেষে ১২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের বান্দ্রা স্টেশনের কাছের একটি এটিএম বুথে অমিত ও প্রীতির আসার খবর পায় পুলিশ।

    সেখানে ফাঁদ পেতে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছে মীনাক্ষীর সিম কার্ড এবং ডেবিট কার্ড পাওয়া যায়, যা দিয়ে তাঁরা টাকা তোলার চেষ্টা করছিলেন।

    এর দুই দিন পর, ১৬ এপ্রিল পুলিশ এলাহাবাদের সেই সেপটিক ট্যাংক থেকে মীনাক্ষীর মস্তকহীন দেহ উদ্ধার করে।

    ঘটনার পর মামলাটি দীর্ঘ ছয় বছর ধরে আদালতে বিচারাধীন ছিল।

    অবশেষে ২০১৮ সালের ৯ মে মুম্বাইয়ের একটি দায়রা আদালত অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (খুন) এবং ৩৬৪-এ (মুক্তিপণের জন্য অপহরণ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে।

    বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকম এই হত্যাকাণ্ডকে ‘বিরল থেকে বিরলতম’ অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে খুনিদের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। তবে আদালত পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ শেষে আসামিদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।

    মুম্বাইয়ের রূপালি পর্দায় নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে এসেছিলেন মীনাক্ষী থাপা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বন্ধুদের দেওয়া একটি ভুয়া কাজের আশ্বাসই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল।

  • ২৪ জুলাই সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা, বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন গান

    ২৪ জুলাই সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা, বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন গান

    ১৮ জুলাই রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার অনুষ্ঠান। তবে দেশের বন্যা পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয় সেই অনুষ্ঠান। গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ২৪ জুলাই বসবে বিশেষ এই আসর। শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রুনা লায়লাকে সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি এ অনুষ্ঠান থেকে বন্যার্ত মানুষের জন্য তহবিল গঠন করা হবে।

    শিল্পকলা একাডেমি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, রুনা লায়লার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এবং সংগীতের ভুবনে তাঁর অবদানকে জাতীয়ভাবে সম্মানিত করার লক্ষ্যে তাঁকে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২৪ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে রুনা লায়লাকে সম্মাননা প্রদান ও একক সংগীতানুষ্ঠান। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অনুষ্ঠানে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে গাইবেন রুনা লায়লা। ছয় দশকের বেশি সময়ের সংগীত ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম শিল্পকলায় একক সংগীতানুষ্ঠানে গান শোনাবেন রুনা লায়লা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় গত বছর থেকে দেশবরেণ্য শিল্পীদের সম্মাননা ও একক গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরে সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন। সবশেষ গত জুনে সম্মাননা দেওয়া হয় সৈয়দ আব্দুল হাদীকে।

  • আবারও বিয়ে করছেন পরী, ঠেকাতে পারলেন না হ্যারি কেইন!

    আবারও বিয়ে করছেন পরী, ঠেকাতে পারলেন না হ্যারি কেইন!

    ম্যাচ শুরুর আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলে আবারও বিয়ে করবেন। আর প্রিয় দলের জয় নিশ্চিত হতেই সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে উদ্দেশ্য করে নতুন পোস্ট দিলেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনি।

    আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল চলাকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরীমনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো, ফাইনাল।’ ফুটবল উন্মাদনার আবহে দেওয়া তাঁর এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়েই এতে হাজারো প্রতিক্রিয়া ও শেয়ার জমা হয়। তবে পোস্টটির মন্তব্যের সুযোগ বন্ধ রেখেছিলেন অভিনেত্রী।

    ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা জয় নিশ্চিত করার পর আবারও ফেসবুকে সরব হন পরীমনি। এবার তিনি লেখেন, ‘হ্যারি কেইন, পারলে না তুমি আমার বিয়েটা ঠেকাতে।’ ইংল্যান্ডের অধিনায়কের উদ্দেশে করা এই রসিকতাপূর্ণ মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    পরীমনির দুই পোস্টই মূলত ফুটবলকে ঘিরে তাঁর উচ্ছ্বাসের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন ভক্তরা। অনেকেই মজার ছলে তাঁর ঘোষণার বাস্তবায়ন নিয়েও মন্তব্য করছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ব্যক্তিজীবনে একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদের কারণে এর আগেও আলোচনায় ছিলেন পরীমনি। সর্বশেষ ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করেন তিনি। তাঁদের সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। দাম্পত্য কলহের পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়।

    বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে জীবনযাপনের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত কাজ করছেন পরীমনি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেওয়া তাঁর টানা দুই ফেসবুক পোস্ট এবারও ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

  • চমক দিতে তার খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না

    চমক দিতে তার খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না

    বিয়ন্সে, পুরো নাম বিয়ন্সে গিসেল নোলস-কার্টার। তিনি আবারও প্রমাণ করলেন, চমক দিতে তাঁর খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন তাঁর নতুন সিঙ্গেল ‘মর্নিং ডিউ (ডঙ্ক)’। তাতেই বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। তবে এটি কেবল একটি নতুন গান নয়; এর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল অ্যালবাম ‘বি-ডে’র ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন।

    ২০২৪ সালে ‘কাউবয় কার্টার’ অ্যালবাম দিয়ে সংগীতাঙ্গনে আলোড়ন তৈরির পর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার শ্রোতার সামনে হাজির হলেন এই গান নিয়ে। মুক্তির পর থেকেই ‘মর্নিং ডিউ’ স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিকসহ বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। ভক্তদের কাছে এটি যেন একই সঙ্গে নতুন গান ও পুরোনো স্মৃতির এক আবেগঘন ফিরে দেখা।

    ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হয়েছিল ‘বি-ডে’ শিরোনামে বিয়ন্সের অ্যালবাম। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় একক স্টুডিও অ্যালবাম। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই অ্যালবামটির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কপি বিক্রি হয়েছিল। ‘ডেজা ভু’, ‘ইররিপ্লেসেবল’, ‘বিউটিফুল লায়ার’ কিংবা ‘গেট মি বডিড’-এর মতো একের পর এক জনপ্রিয় গান এই অ্যালবামকে পপসংগীতের ইতিহাসে একটি বিশেষ জায়গা করে দেয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে অ্যালবামটির ২০ বছর পূর্ণ হবে। পাশাপাশি আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, বিয়ন্সের ৪৬তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হবে ‘বি-ডে’র বিশেষ সংস্করণ। সেই বিশেষ সংস্করণেই যুক্ত হয়েছে ‘মর্নিং ডিউ’।

    নতুন এই গানের গল্পও বেশ ব্যতিক্রমী। গানটি নতুন হলেও এর জন্ম হয়েছিল ২০১৩ সালে প্রকাশিত স্বনামের ‘বিয়ন্সে’ অ্যালবামের জন্য। শেষ পর্যন্ত গানটি অ্যালবামে স্থান পায়নি। এরপর দীর্ঘ নীরবতা। ২০২৩ সালে গানটির একটি ডেমো সংস্করণ অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি টিকটকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। হাজার হাজার ব্যবহারকারী সেই ডেমো ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করেন। ভক্তদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ ও অনুরোধের পর অবশেষে বিয়ন্সের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘পার্কউড এন্টারটেইনমেন্ট’ গানটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়।

    গানটির গীতরচনায় বিয়ন্সের সঙ্গে কাজ করেছেন ফারেল উইলিয়ামস, অ্যাঞ্জেলা শেরি উডস, ড্যারিয়াস ডিকসন এবং দ্য ড্রিম। সংগীত প্রযোজনার দায়িত্বও ভাগাভাগি করেছেন বিয়ন্সে ও ফারেল উইলিয়ামস। ফারেলের সঙ্গে বিয়ন্সের রসায়ন নতুন নয়। অতীতেও তাঁদের একাধিক সফল সহযোগিতা শ্রোতার প্রশংসা কুড়িয়েছে। ‘মর্নিং ডিউ’-এ সেই পরিচিত ঘরানার সঙ্গে আধুনিক আরঅ্যান্ডবি ও পপের মিশেল তৈরি হয়েছে, যা গানটিকে দিয়েছে আলাদা আবেদন। গানের পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি সাদাকালো ভিজ্যুয়াল ভিডিও, যা ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন বিয়ন্সের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার ক্লিফ ওয়াটস।

    ভিডিওটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২০০৭ সালে ‘স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড’ ইস্যুর ফটোশুট চলাকালীন ধারণ করা বিয়ন্সের অপ্রকাশিত আর্কাইভ ফুটেজ। নতুন গানের সঙ্গে পুরোনো সেই মুহূর্তগুলোর সংমিশ্রণ দর্শককে যেন এক লহমায় ফিরিয়ে নিয়ে যায় দুই দশক আগের বিয়ন্সের সোনালি সময়ে। ভিডিওটি শুধুই একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং তাঁর ক্যারিয়ারের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ।
    পপসংগীতের ইতিহাসে বিয়ন্সে এমন একজন শিল্পী, যিনি প্রতিটি অ্যালবামের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন। ‘ডেঞ্জারাসলি ইন লাভ’ থেকে ‘লেমনেড’, ‘রেনেসাঁ’ কিংবা ‘কাউবয় কার্টার’ প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি ভেঙেছেন প্রচলিত ধারা। ‘মর্নিং ডিউ’ সেই ধারাবাহিকতায় এক ভিন্ন সংযোজন। এটি যেমন অতীতের অপ্রকাশিত একটি গানকে নতুন জীবন দিয়েছে, তেমনি ‘বি-ডে’র বিশ বছর পূর্তিকে ঘিরে ভক্তদের আবেগও নতুন করে দিয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে সংগীতপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায় আছেন সেপ্টেম্বরের বিশেষ সংস্করণের জন্য। কারণ, ‘মর্নিং ডিউ’ শুধু একটি নতুন সিঙ্গেল নয়; এটি বিয়ন্সের দীর্ঘ সংগীতযাত্রার এক নস্টালজিক অধ্যায়ের দরজা খুলে দিয়েছে, যেখানে অতীতের স্মৃতি আর বর্তমানের সাফল্য এক হয়ে তৈরি করেছে নতুন এক উদযাপনের গল্প।

  • বোরকা পরে আদালতে ববি

    বোরকা পরে আদালতে ববি

    প্রতারণার মামলায় আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তিনি। এ সময় ববিকে দেখা যায় বোরকা ও সানগ্লাস পরে হাজির হতে, সঙ্গে অনেকেই ছিলেন।

    শুনানি শেষে আদালত এক হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। ববির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোক্তার।

    এর আগে, ১২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় ইটুই সলিউশনস লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার মেহেদি আলম প্রিন্স ববিসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মির্জা আবুল বাশার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আহাদ মিয়া এবং অ্যাডমিন সোহেল রানা।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১২ নভেম্বর আবুল বাশার তার প্রতিষ্ঠানের জন্য লিথিয়াম আয়রন ব্যাটারি সরবরাহের অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে ২০ নভেম্বর গুলশানে বিটিএলের কার্যালয়ে পাঁচটি ৬৪ ভোল্টের ১৭০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সরবরাহ করা হয়, যার মোট মূল্য ছিল ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যাটারির মূল্য পরিশোধ না করে আসামিরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে মেহেদি আলম প্রিন্সকে অর্থ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ব্যাটারির ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা।

  • তৃতীয় বিয়ের পর ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন আমির খান

    তৃতীয় বিয়ের পর ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন আমির খান

    তৃতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কের জবাব দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার কোনো স্ত্রী বা বর্তমান সঙ্গী কখনো ধর্ম পরিবর্তন করেননি। তাদের বিয়ে হয়েছে সিভিল ম্যারেজের মাধ্যমে, যেখানে ধর্মান্তরের কোনো প্রশ্নই ছিল না।

    সম্প্রতি রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘গৌরী, কিরণ রাও কিংবা রিনা দত্ত—কেউ তাদের ধর্ম পরিবর্তন করেনি। আমাদের সিভিল ম্যারেজ হয়েছে। গৌরী হিন্দুও নন, তিনি খ্রিস্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাও করেন না। সময়ের সঙ্গে জীবন যেন আরও হাস্যকর হয়ে উঠছে।’

    দীর্ঘদিন ধরেই ভিন্ন ধর্মের নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও বিয়ের কারণে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে আমির খানকে। বিশেষ করে সম্প্রতি গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেতা। তিনি বলেন, তার পরিবার বরাবরই বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিকে সম্মান করে এসেছে।

    আমিরের ভাষায়, ‘আমাদের পরিবার খুবই অন্তর্ভুক্তিমূলক। আমার দুই বোন হিন্দু পরিবারে বিয়ে করেছেন। আমার মেয়ে ইরা খানের স্বামীও হিন্দু। আমার চাচাতো ভাই মনসুর খান একজন খ্রিস্টান নারীকে বিয়ে করেছেন।’

    আমির বলেন, তার সব সম্পর্কই পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, ধর্মের ওপর নয়। তাই তার ব্যক্তিগত জীবনকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

    গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেন আমির খান। তার বর্তমান স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাট।

    এর আগে রিনা দত্ত ও কিরণ রাও–এর সঙ্গে তার দুটি বিয়ে হয়েছিল। বিচ্ছেদের পরও দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বলে বিভিন্ন সময় জানিয়েছেন এই অভিনেতা। সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) এবং পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখার বিষয়েও তিনি বরাবরই ইতিবাচক অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। সূত্র: ইন ইন্ডিয়া

  • রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন পিছিয়ে গেল

    রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন পিছিয়ে গেল

    দীর্ঘ ৬২ বছরের ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত পরিবেশন করবেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। আগামী ১৮ জুলাই একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনের মূল মঞ্চে গান গাওয়ার কথা ছিল তার। পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি শিল্পীকে সম্মাননাও জানানো হবে। তবে দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আপাতত অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    রুনা লায়লা জানান, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে শিল্পকলা একাডেমি নতুন তারিখ ঘোষণা করবে।

    শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি মাসেই অনুষ্ঠানটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২৫ জুলাই সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ভাবা হচ্ছে, তবে সেটিও নির্ভর করবে বন্যা পরিস্থিতির ওপর।’

    এ মাসের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি কনসার্টে অংশ নিতে যাচ্ছেন রুনা লায়লা। আগামী ১ আগস্ট সিডনি এবং ৮ আগস্ট মেলবোর্নে তার পরিবেশনার কথা রয়েছে। প্রায় এক দশক পর অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চে গান গাইবেন তিনি। এজন্য ২৯ জুলাই যন্ত্রশিল্পীদের নিয়ে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

    শিল্পকলা একাডেমি চায়- বিদেশ সফরের আগেই সম্মাননা অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করতে। অনুষ্ঠানে রুনা লায়লা তার জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবেন। পাশাপাশি সংগীতাঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা তার দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনের নানা স্মৃতি ও অবদানের কথা তুলে ধরবেন।

    রুনা লায়লা বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে সংগীতের ইতিহাস ও স্মৃতি পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পকলা একাডেমিতে এটিই হবে আমার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান।’

    সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় গত বছর থেকে দেশবরেণ্য শিল্পীদের সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এর আগে, এই আয়োজনে সম্মাননা পেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন ও সৈয়দ আব্দুল হাদী।

  • মুখ্যমন্ত্রী বাবার সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, পেছাল ছেলের সিনেমা

    মুখ্যমন্ত্রী বাবার সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, পেছাল ছেলের সিনেমা

    তামিল সিনেমার সুপারস্টার ও মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জনা নায়াগান’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। এই সিনেমার সঙ্গে বক্স অফিসে সংঘর্ষ এড়াতে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয় পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ মুক্তির তারিখ।

    আগে সিনেমাটি ৩১ জুলাই মুক্তির কথা থাকলেও এখন এটি আগস্টে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে। পরিচালনায় অভিষেকের পাশাপাশি জেসন সঞ্জয় অভিনয়েও নাম লেখাতে চলেছেন।

    এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেসন সঞ্জয়ের প্রথম অভিনীত সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রযোজক জিকেএম তামিল কুমারান নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে সিনেমাটি নির্মাণের বিষয়ে জেসনের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

    ‘সিগমা’ প্রযোজনা করছে লাইকা প্রোডাকশন্স। এটি ট্রেজার হান্ট, হাইস্ট ও কমেডির মিশেলে নির্মিত একটি অ্যাকশনধর্মী সিনেমা।

    সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুন্দীপ কিশান। আরও রয়েছেন ফারিয়া আবদুল্লাহ, রাজু সুন্দরম, সম্পথ রাজ, শিব পণ্ডিত, আনবু থাসান, যোগ জাপি, মহালক্ষ্মী, শীলা রাজকুমার, কমলেশ ও কিরণ কোন্ডা।

    তামিলনাড়ু ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে সিনেমাটির শুটিং হয়েছে। সংগীত পরিচালনা করেছেন এস থামান।

    এক বিবৃতিতে জেসন সঞ্জয় বলেন, ‘সিগমা এমন এক গল্পের সিনেমা, যে সমাজের প্রচলিত প্রত্যাশার বাইরে নিজের পথ নিজেই বেছে নেয়। ট্রেজার হান্ট, হাইস্ট আর কমেডির সমন্বয়ে এটি দর্শকদের জন্য দারুণ এক বিনোদনের অভিজ্ঞতা হবে।’

    এখন দর্শকদের অপেক্ষা—২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা ‘জনা নায়াগান’, আর তার পরেই আগস্টে বড় পর্দায় আসবে জেসন সঞ্জয়ের পরিচালনায় প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’। সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া

  • মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    ঢালিউডে প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ার চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার। নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে, ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ দিয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক। প্রথম সিনেমাতেই তিনি হাজির হন রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে; দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা।

    ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সিনেমাতেই পূর্ণিমাকে দেখা গেছে ‘মিষ্টি মেয়ে’র চরিত্রে। দর্শক এই চেনা রূপে তাঁকে লুফে নেওয়ায় নির্মাতারাও কখনো ভিন্নধর্মী কোনো চরিত্রে তাঁকে নিয়ে ভাবেননি। ক্যামেরার সামনে দীর্ঘ ২৮ বছর পার করার পর, এবার পর্দায় ‘ভিলেন’ বা খলনায়িকা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

    ১১ জুলাই ছিল পূর্ণিমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে একটি টিভি চ্যানেলের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি। অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানামাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করলেও কখনো খলচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। ভবিষ্যতে এমন একটি জাঁদরেল চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে এবং অভিনেত্রী হিসেবে তাঁকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার সুযোগ দেবে।

    নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে।’

    পূর্ণিমার ধারণা, তাঁর চেহারার কোমলতার কারণেই নির্মাতারা তাঁকে কখনো নেতিবাচক চরিত্রে ভাবেননি। অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, ‘এখন পর্যন্ত খলচরিত্রে অভিনয় করা হয়নি আমার। আমাকে নিয়ে হয়তো কেউ তেমনটা চিন্তাই করেননি। সবাই ভাবেন আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকেরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।’

    কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত পূর্ণিমা। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের পর্দায় সঞ্চালক কিংবা রিয়েলিটি শোর বিচারক হিসেবে পাওয়া গেলেও, অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনেকটাই আড়ালে। সবশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে ওটিটি মাধ্যমে নাম লেখালেও, এরপর আর ওটিটিতেও দেখা মেলেনি তাঁর।

  • আমির খানের বিয়ে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, বিজেপির পর কটাক্ষ শিবসেনা মন্ত্রীর

    আমির খানের বিয়ে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, বিজেপির পর কটাক্ষ শিবসেনা মন্ত্রীর

    বলিউড সুপারস্টার আমির খান ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেছেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাঁদের বিয়ে। এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে, তবে ব্যক্তিগত এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে এবার মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রথমে বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী নীতেশ রাণে আমিরের বিয়ে নিয়ে মন্তব্য করেন। এরপর একই ইস্যুতে কটাক্ষ করেছেন শিবসেনা নেতা ও মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রী সঞ্জয় শিরসাট।

    গতকাল সোমবার সম্ভাজীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সঞ্জয় শিরসাট বলেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও সমাজে প্রভাব ফেলে। এ সময় তিনি নীতেশ রাণের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘নীতেশ রাণে কিছুটা হলেও ঠিক বলেছেন। মানুষ যখন একজন অভিনেতাকে অনুসরণ করেন, তখন তাঁকে শুধু শিল্পী হিসেবে নয়, একজন আদর্শ হিসেবেও দেখেন।’

    এরপর আমিরের তৃতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো তারকা যদি এমন কাজ করেন এবং একবার নয়, তিনবার বিয়ে করেন, তাহলে মানুষ তাঁর কাছ থেকে কী শিক্ষা নেবেন? তিনি “লাভ জিহাদ”-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পারেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন না।’

    দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খানএক্স থেকে

    এর আগে বিজেপি নেতা ও মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রী নীতেশ রাণেও আমির খানের বিয়ে নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিদের এমন ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সমাজ কীভাবে দেখবে।

    একই সঙ্গে তিনি আমিরের সাম্প্রতিক বিয়েকে ‘লাভ জিহাদ’-এর উদাহরণ হিসেবে দেখা উচিত কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, এ ধরনের বিষয় নিয়ে হিন্দু সমাজের ভাবা প্রয়োজন।

    নীতেশ রাণের ওই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর শিবসেনা নেতা সঞ্জয় শিরসাটের মন্তব্যে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

    ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে একান্ত ব্যক্তিগত আয়োজনে গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন আমির খান। পরিবারের সদস্য, সন্তান ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে আমির বলেন, ‘দিনটি আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা সুখে থাকতে পারি এবং জীবনের নতুন পথচলা সুন্দর হয়।’

    এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে রীনা দত্তকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারে তাঁদের দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান। ২০০২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাঁদের একমাত্র ছেলে আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে আমির ও কিরণ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও সন্তানের সহ–অভিভাবক হিসেবে এখনো একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
    তবে নীতেশ রাণে ও সঞ্জয় শিরসাটের মন্তব্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি আমির খান বা তাঁর টিম।

  • দোয়া চাইলেন সংগীতশিল্পী ইবরার টিপু

    দোয়া চাইলেন সংগীতশিল্পী ইবরার টিপু

    সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সুরকার, সংগীত পরিচালক ও শিল্পী ইবরার টিপুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি নানা আলোচনা শুরু হয়। ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাকে দেখে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অবশেষে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী, সংগীতশিল্পী বিন্দু কণা।

    ইবরার টিপুর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বিন্দু কণা জানান, প্রায় দুই বছর আগে তার স্বামীর কিডনিতে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর দীর্ঘ চিকিৎসার পাশাপাশি একটি জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। বর্তমানে চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

    বিন্দু কণা বলেন, ‘ইবরার টিপুর বড় একটি সার্জারি হয়েছে। তাই এখনো কথা বলতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ধীরে ধীরে সেরে উঠবে। সম্প্রতি একটি ভিডিও দেখার পর অনেকেই চিন্তিত হয়েছেন, ফোন করেছেন, জানতে চেয়েছেন কী হয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে সবার সঙ্গে কথা বলা তার পক্ষে সম্ভব নয়। আরেকটু সুস্থ হলে টিপু সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দুই বছর আগে ইবরার টিপুর কিডনি ক্যানসার ধরা পড়ে। দীর্ঘ চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের একটি কঠিন যাত্রা পার করতে হয়েছে। এখন সুস্থতার দিকেই এগোচ্ছেন। আমরা আসলে বিষয়টি কাউকে জানাতে চাইনি। কিন্তু সম্প্রতি ফেসবুকে টিপুর বর্তমান চেহারা দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। তাই বিষয়টি জানানো প্রয়োজন মনে করেছি। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

    এর আগে, এক সাক্ষাৎকারেও নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়েছিলেন ইবরার টিপু। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত থেরাপি নিচ্ছেন। একই সঙ্গে মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে নিজেকে সংগীতচর্চায় ব্যস্ত রেখেছেন। নতুন গান তৈরির কাজই কঠিন সময় পেরিয়ে আসতে তাকে সবচেয়ে বেশি শক্তি জুগিয়েছে।

    তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে কাজ করে আসছেন ইবরার টিপু। তার সুর ও সংগীতে দেশের অসংখ্য জনপ্রিয় শিল্পী গান গেয়েছেন। বিভিন্ন রিয়েলিটি শোর শিরোনাম সংগীত নির্মাণের পাশাপাশি ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রকাশিত বহুল জনপ্রিয় স্বাগত সংগীত ‘ও পৃথিবী এবার এসে বাংলাদেশ নাও চিনে’ তাকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি।

    বর্তমানে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ইবরার টিপু। সফল অস্ত্রোপচার ও দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।

  • স্মার্টফোন থাকলে আমি খুব বাজেভাবে এতে আসক্ত হয়ে পড়তাম: ক্রিস্টোফার নোলান

    স্মার্টফোন থাকলে আমি খুব বাজেভাবে এতে আসক্ত হয়ে পড়তাম: ক্রিস্টোফার নোলান

    জুলাইয়ের এক মেঘলা সকাল। চরম বৈরী স্কটল্যান্ডের উপকূলের আবহাওয়া। চারদিকে সিসা রঙের আকাশ, উত্তাল সমুদ্র আর আনুভূমিকভাবে পড়তে থাকা বৃষ্টি। ঝড়ের মধ্যেই নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান তাঁর উপদেষ্টার খোঁজে জেটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। মনে মনে ভাবছিলেন, তাঁর নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’-র ছয় মাসের শুটিং শিডিউলের প্রথম দিনটি হয়তো আজ বাতিল করতে হবে।

    কিন্তু ১১৫ ফুট দীর্ঘ যে জাহাজটিতে তাঁরা শুটিং করছিলেন, সেটি ঠিক এই ধরনের প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। উপদেষ্টা নোলানকে আশ্বস্ত করলেন, অভিজ্ঞতা কিছুটা ভয়ানক হলেও কাজ করা পুরোপুরি নিরাপদ হবে। এক ঘণ্টার মধ্যে পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা উত্তাল ঢেউয়ের বুকে ভেসে পড়লেন। ঢেউয়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, বেশ কয়েকজন সহ-অভিনেতা জাহাজের রেলিং ধরে বমি করতে শুরু করেন।

    ঝড়ের গর্জনকে ছাপিয়ে নোলান চিৎকার করে তাঁর চিত্রগ্রাহক হোয়াইটে ভ্যান হোয়াইটেমাকে ডেকে বললেন, ‘কিছু মনে না করলে বমি করার এই দৃশ্যগুলো কি আমরা ক্যামেরায় ধারণ করতে পারি?’ দীর্ঘ এক বছর পর, লন্ডনের করিন্থিয়া হোটেলের শান্ত পরিবেশে বসে ৫৫ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ-আমেরিকান পরিচালক সেই দিনের স্মৃতিচারণ করছিলেন।

    নোলান হাসিমুখে বলেন, ‘অভিনেতাদের কৃতিত্ব দিতেই হয়, তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে রাজি হয়ে চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করেছিলেন। দিনটি একই সঙ্গে যেমন কষ্টের ছিল, তেমনি দারুণ কিছু শট এনে দিয়েছিল। সেগুলোই পরবর্তীতে এই সিনেমায় আমার অন্যতম প্রিয় দৃশ্য হয়ে ওঠে।’

    হোমার রচিত প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্যের ওপর ভিত্তি করে নোলানের এই নতুন সিনেমাটিকে (দ্য ওডিসি) ইতিমধ্যে ২০২৬ সালের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। সিনেমার প্রিমিয়ারের ঠিক আগের রাতে ফুটবল ম্যাচ দেখার কারণে ভোর ৪টা পর্যন্ত জেগে থাকা নোলান চা পান করছিলেন আর তাঁর সিনেমা নির্মাণের নানা অভিজ্ঞতা শোনাচ্ছিলেন।

    ১৯৭০ সালে লন্ডনে জন্ম নেওয়া এবং যুক্তরাজ্য ও শিকাগোয় বেড়ে ওঠা নোলান ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্ন দেখতেন। ১৯৯৮ সালে তিনি তাঁর প্রথম স্বল্প বাজেটের ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট ক্রাইম থ্রিলার ‘ফলোয়িং’ দিয়ে বাজিমাত করেন। এরপর ভাই জোনাথনের ছোটগল্প অবলম্বনে তৈরি করেন ‘মেমেন্টো’। মাত্র ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের সেই সাইকোলজিক্যাল মিস্ট্রি সিনেমাটি তাঁকে রাতারাতি তারকা বানিয়ে দেয়। এরপর একে একে ইনসোমনিয়া, ব্যাটম্যান ট্রিলজি, ইনসেপশন, ইন্টারস্টেলার এবং ২০২৩ সালে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ব্যবসা করা ও সাতটি অস্কার জেতা ওপেনহাইমার-এর মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দেন তিনি।

    হলিউডের স্টুডিও ও নির্মাতারা তাঁর ওপর চোখ বন্ধ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে, কারণ দর্শনের জটিল মনস্তত্ত্ব বা সময়কে উল্টো করে দেখানোর মতো দুরূহ বিষয়কেও নোলান অবলীলায় বক্স অফিস হিটে রূপান্তর করতে পারেন। নোলান জানান, অনেকে ভাবছেন ‘দ্য ওডিসি’ তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ২০১২ সালের ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’ এখনো তাঁর সবচেয়ে বেশি বাজেটের ছবি।

    এই সিনেমাটি মুক্তির আগেই ইন্টারনেটে তীব্র সংস্কৃতি যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছিল। গত মে মাসে যখন জানা যায়, জিউসের পৌরাণিক কন্যা ‘হেলেন অব ট্রয়’ চরিত্রে অভিনয় করবেন কেনিয়ান-মেক্সিকান কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী লুপিটা ইয়ংও, তখন ইলন মাস্কসহ একদল ইউটিউবার নোলানকে হলিউডের ‘ওক এজেন্ডা’-র কাছে আত্মসমর্পণ করার দায়ে অভিযুক্ত করেন। এ ছাড়া ট্রিলজির অন্য একটি চরিত্রে ট্রান্সজেন্ডার অভিনেতা এলিয়ট পেজের কাস্টিং নিয়েও অনেকে আপত্তি তোলেন, যার ফলে ইউটিউবে সিনেমার ট্রেইলারে প্রায় ৬ লাখ ডিসলাইক পড়ে।

    এই বিষয়ে জানতে চাইলে নোলান শান্তভাবে চায়ে চুমুক দিয়ে হেসে বলেন, ‘এগুলো আসলে এই পেশারই অংশ। মানুষ সিনেমাটি দেখার আগেই যেসব বিতর্ক করে তা পুরোপুরি অর্থহীন। কারণ তারা জানেই না পর্দায় আসলে কী আসতে চলেছে। আমি ব্যাটম্যান নির্মাণের সময় ১০ বছর এই ধরনের ভক্তদের উন্মাদনা সামলেছি। হিথ লেজারকে যখন জোকার চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল, তখনো অনেকে আকাশ থেকে পড়েছিলেন। আমার কাজ হলো মূল টেক্সটের প্রতি সৎ থেকে নিজের সেরা কাজটা পর্দায় ফুটিয়ে তোলা।’

    বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মধ্যেও নোলান প্রথাগত প্র্যাক্টিক্যাল ইফেক্টস এবং অ্যানিমেট্রনিক্সের ওপর ভরসা করেন। সিনেমার দৃশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের যত্রতত্র ব্যবহারের বিরোধিতা করেন। তিনি তাঁর নিজের চার সন্তানের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘নতুন প্রজন্ম এআইয়ের তৈরি কৃত্রিম জিনিসগুলো খুব দ্রুত ধরে ফেলে এবং তা প্রত্যাখ্যান করে। চলচ্চিত্রে এখন আবার বাস্তব ও স্পর্শকাতর গল্প বলার ধারা ফিরে আসছে।’

    নোলানের নিজের প্রযুক্তিবিমুখতাও চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ কিংবদন্তিতুল্য। তিনি আজ পর্যন্ত কোনো স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। এ বিষয়ে হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই এখন পড পিপল বা ফোনের দাস হয়ে গেছেন। আমি যদি একটা স্মার্টফোন কিনতাম, তবে আমি খুব বাজেভাবে এতে আসক্ত হয়ে পড়তাম এবং সারাক্ষণ ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজতাম। আমি আমার সিনেমার নতুন নতুন আইডিয়াগুলো মূলত সেই সময়গুলোতেই মাথায় আনি যখন সাধারণ মানুষ পকেট থেকে ফোন বের করে স্ক্রিনে ডুবে যায়—যেমন ট্রেনে বা এয়ারপোর্টে অপেক্ষার সময় কিংবা রেস্তোরাঁয় কারও জন্য বসে থাকার মুহূর্তগুলোতেই আমি আমার পরবর্তী কাজের রূপরেখা তৈরি করি।’

    স্মার্টফোন না থাকার কারণে তিনি ইন্টারনেটের কোনো গুজবে কান দেন না এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রল থেকেও দূরে থাকেন। কোয়েন্টিন ট্যারান্টিনোর মতো ‘১০টি সিনেমা বানিয়ে অবসরে যাওয়া’-র নিয়মে তিনি বিশ্বাসী নন। নোলান মনে করেন, প্রতিটি সিনেমাই এমনভাবে বানানো উচিত যেন এটিই তাঁর জীবনের শেষ কাজ। সিনেমা হলের ভেতরে ফোন ব্যবহারেরও বিরোধী নোলান। আগামী ১৭ জুলাই শুক্রবার থেকে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে তাঁর নতুন সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ উপভোগ করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দর্শকদের।

  • সেপ্টেম্বরে শুটিংয়ে ফিরছেন বুবলী

    সেপ্টেম্বরে শুটিংয়ে ফিরছেন বুবলী

    দ্বিতীয়বারের মতো মাতৃত্বকালীন বিরতিতে আছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। গত ১১ মে কন্যাসন্তানের মা হয়েছেন তিনি। লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন তারও কয়েক মাস আগে থেকে। রোজার ঈদে বুবলী অভিনীত ‘প্রেশার কুকার’ মুক্তির সময়ও পাওয়া যায়নি তাঁর দেখা। অবশেষে বুবলীর কাজে ফেরার খবর পাওয়া গেল। আগামী সেপ্টেম্বরে জাহিদ হোসেনের ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমা দিয়ে আবার লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনে ফিরছেন তিনি।

    বিরতি কাটিয়ে বুবলীর কাজে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার পরিচালক জাহিদ হোসেন। আজকের পত্রিকাকে নির্মাতা জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে ঢাকাইয়া দেবদাসের শুটিংয়ে অংশ নেবেন বুবলী।

    জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বুবলীর সঙ্গে শুটিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সে এখন নিজের ফিটনেস নিয়ে কাজ করছে। আশা করছি সেপ্টেম্বরে ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবে।’

    পুরান ঢাকার মানুষ, সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে ঢাকাইয়া দেবদাস। গত জানুয়ারিতে সাকরাইন উৎসবের সময় শুরু হয় সিনেমার শুটিং। বুবলীর বিরতিতে শুটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েছিল কি না জানতে চাইলে নির্মাতা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ঢাকাইয়া দেবদাস একটি ঢাকাইয়া শিল্প-সংস্কৃতির চলচ্চিত্র। পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য উৎসবের সময়ে রিয়েল লোকেশনে শুটিং করছি আমরা। তাই প্রথম থেকেই পরিকল্পনা ছিল সময় নিয়ে চলবে শুটিং। বছরব্যাপী ঢাকাইয়াদের যেসব রিচুয়াল কালচার রয়েছে, তা তুলে ধরা হবে। সেপ্টেম্বরে বুবলী শুটিং করবেন, এটা আগে থেকে ঠিক করা ছিল। মাঝে বুবলী না থাকলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু অংশের শুটিং হয়েছে। সবশেষ আশুরার সময়েও রিয়েল লোকেশনে আমরা দৃশ্যধারণের কাজ করেছি। আশা করছি সেপ্টেম্বর থেকে আবার ক্যামেরা ওপেন হবে।’

    ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমায় বুবলীর বিপরীতে আছেন আদর আজাদ। নির্মাতা জানান, ঢাকাইয়া দেবদাস মূলত প্রেমের গল্পের সিনেমা। দুজন মানুষের গল্পের মধ্যেই তুলে ধরা হবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য। এতে আরও অভিনয় করছেন তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, রোজী সিদ্দিকী প্রমুখ।

    নির্মাতা আরও জানান, আগামী বছর রোজার ঈদের মিছিলের দৃশ্যধারণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার শুটিং। এরপর পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষে কোরবানির ঈদের পর মুক্তি পাবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। সিনেমাটির প্রযোজনা ও পরিবেশনায় রয়েছে এক্সেল ফিল্মস ও রেভল্যুশন মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল।

  • আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়েও মিশরের জয় চান বর্ষা

    আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়েও মিশরের জয় চান বর্ষা

    ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর ম্যাচে আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও মিশর। ম্যাচটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সমর্থকদের পাশাপাশি এ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বর্ষাও।

    দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা ও তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত বর্ষা। তবে এবারের ম্যাচকে সামনে রেখে তিনি প্রতিপক্ষ মিশরের জয় কামনা করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফেসবুকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা একটি ছবি প্রকাশ করেন ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আজ আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হারলেও কষ্ট পাব না। কারণ, মন থেকে চাই দুনিয়ার বুকে মুসলিমদের জয় হোক। আমিন।’

    বর্ষার এই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকেই এটিকে তার ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে সম্মান জানিয়ে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন, খেলাধুলাকে ধর্মের সঙ্গে না জড়ানোই উচিত। তবে এসব ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা বা মন্তব্য করতে দেখা যায়নি অভিনেত্রী বর্ষাকে।

  • নতুন লুকে জয়া আহসান, স্টাইলিশ ১০ ছবি

    নতুন লুকে জয়া আহসান, স্টাইলিশ ১০ ছবি

    বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দর্শকের কাছে জয়া আহসান শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন, বরং সময়ের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মুখ। বর্তমানে অভিনয় নিয়েই তার ব্যস্ততা। আমাগী ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। সিনেমার মুক্তির আগে নতুন রূপে হাজির হলেন এই অভিনেত্রী।

    মঙ্গলবার নতুন ফটোশুটের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন জয়া। ছবিটিতে জয়া আহসানকে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস লুকে দেখা যাচ্ছে। ছবি: ফেসবুক

    সাদা রঙের ডাবল-ব্রেস্টেড ব্লেজার ও গলায় একাধিক স্তরের সোনালি-সবুজ পাথর বসানো স্টেটমেন্ট নেকলেস। ডান হাতের অনামিকায় বড় সবুজ রত্নখচিত আংটি, যা নেকলেসের সঙ্গে মানানসই। গয়নাগুলো ছবির প্রধান আকর্ষণগুলোর একটি। ছবি: ফেসবুক

    ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন তার ভক্তরা। প্রতিক্রিয়া এসেছে এক হাজারের বেশি। ভক্তদের অনেকে জয়ার পোস্ট করা এসব স্থিরচিত্র নিজের ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করেছেন।ছবি: ফেসবুক

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার প্রচারণার জন্য বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন জয়া। ছবি: ফেসবুক

    ক’দিন আগে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমা নিয়ে জয়া বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীর বাইরে আমি একজন দর্শকও। তাই আমিও অপেক্ষা করছি সিনেমাটি দেখার জন্য। এই সিনেমার প্রথম পর্বে যে সম্পর্কের সমীকরণ আমরা দেখেছিলাম, এবার সেটি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখবে দর্শক।’ ছবি: ফেসবুক

    ‘অর্ধাঙ্গিনী’র গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই এগোবে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। ফলে আগের ছবির দুই গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্রের সম্পর্ক এবার কোন নতুন দিকে মোড় নেয়, সেটিই সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ বলে মনে করছেন জয়া আহসান। ছবি: ফেসবুক

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় জয়া আহসান ছাড়াও অভিয়ন করেছেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, ইন্দ্রাশিস রায় ও অম্বরীশ ভট্টাচার্য প্রমুখ। ছবি: ফেসবুক

    জয়াকে সবশেষ পর্দায় দেখা গেছে পশ্চিমবঙ্গের ‘ওসিডি’ সিনেমায়। এটি পরিচালনা-রচনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। এই সিনেমাটি শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং মানসিক চাপ নিয়ে তৈরি। ছবি: ফেসবুক

    চলতি বছরের শুরুতে সুমন মুখার্জি পরিচালিত ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী (সমালোচক) বিভাগে ‘জি ২৪ ঘণ্টা’ আয়োজিত ‘বিনোদনের সেরা ২৪’ অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ছবি: ফেসবুক

  • সম্মতি ছাড়াই চুম্বনের দৃশ্য, সেদিন কেঁদেছিলেন রেখা

    সম্মতি ছাড়াই চুম্বনের দৃশ্য, সেদিন কেঁদেছিলেন রেখা

    অভিনেত্রী রেখার জীবনের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত অধ্যায় হলো তাঁর কৈশোরে শুটিং করা একটি চুম্বনদৃশ্য। প্রায় ছয় দশক পর সেই ঘটনার প্রসঙ্গ আবার সামনে এনেছেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জির মেয়ে পল্লবী চ্যাটার্জি।

    পল্লবী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁর বাবা যদি সত্যিই ওই দৃশ্যে অংশ নিয়ে থাকেন, তাহলে আগে রেখার সম্মতি নেওয়া উচিত ছিল। তাঁর ভাষায়, ‘এটা অবশ্যই ভুল ছিল। যে-ই করুক না কেন, আগে সম্মতি নেওয়া উচিত ছিল।’ এ মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলিউডের সেই বহুল বিতর্কিত ঘটনাকে, যা প্রথমবার বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছিল লেখক ইয়াসের উসমানের লেখা জীবনীগ্রন্থ ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’-তে।

    যে দৃশ্যের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না রেখা
    ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের দিকে। তখন মাত্র ১৫ বছর বয়সী রেখা হিন্দি সিনেমায় নিজের জায়গা তৈরির জন্য সংগ্রাম করছেন। দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রজগৎ থেকে আসা এই কিশোরী তখনো বলিউডের নিয়মকানুন ভালোভাবে জানতেন না।

    সেই সময় নির্মিত হচ্ছিল ‘আনজানা সফর’ নামের একটি ছবি। ছবিটি পরিচালনা করছিলেন রাজা নওয়াথে। ছবিতে রেখার বিপরীতে ছিলেন বিশ্বজিৎ।

    জীবনীগ্রন্থের বর্ণনা অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে একটি রোমান্টিক দৃশ্যের শুটিং চলছিল। কিন্তু দৃশ্যটির প্রকৃত পরিকল্পনা সম্পর্কে নাকি আগে থেকে কিছুই জানতেন না রেখা। ক্যামেরা চালু হওয়ার পর বিশ্বজিৎ হঠাৎই তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু খান। বইটির দাবি, পরিচালক ‘কাট’ বলেননি আর চুম্বনদৃশ্যটি কয়েক মিনিট ধরে চলতে থাকে। সেটে উপস্থিত অনেকেই তখন হাততালি, শিস কিংবা উল্লাস প্রকাশ করছিলেন।

    বইয়ে বলা হয়েছে, হতভম্ব হয়ে যান কিশোরী রেখা। তিনি চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন আর তাঁর চোখ বেয়ে নেমে আসছিল জল। এ বর্ণনা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। কারণ, এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি ছিল—রেখার সম্মতি আদৌ ছিল কি না।

    রেখা। এএফপি

    ‘যেকোনো মেয়ের জন্যই এটা ট্রমাটিক’
    পল্লবী চ্যাটার্জি মনে করেন, ঘটনাটি সত্যি হয়ে থাকলে তা যেকোনো কিশোরীর জন্যই মানসিকভাবে আঘাতকর হতে পারে।

    পল্লবীর মতে, সে সময়ের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে অনেকেই অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পুরো দৃশ্য না জানিয়ে অভিনয় করাতেন, যাতে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া ক্যামেরায় ধরা পড়ে। তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করে বলেছেন, কারও সম্মতি ছাড়া এমন কিছু করা ঠিক নয়।

    পল্লবী বলেন, ‘তখন রেখা খুবই ছোট ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে একজন তরুণী কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে? অনেক সময় অস্বস্তিকর কিছু ঘটলেও প্রতিবাদ করার সাহস হয় না।’

    আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দুই পরিবারের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কও ছিল। পল্লবীর ভাষ্য অনুযায়ী, রেখা প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে যেতেন এবং দুই পরিবার ছিল ঘনিষ্ঠ। ফলে ঘটনাটি যদি সত্যিই ঘটে থাকে, তাহলে সেটি রেখার কাছে আরও বেশি বিশ্বাসভঙ্গের মতো মনে হওয়াই স্বাভাবিক।

    বিশ্বজিতের ব্যাখ্যা
    এ বিতর্ক নতুন নয়। অতীতেও বিশ্বজিৎ এ নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর দাবি ছিল, এটি ছিল পরিচালকের নির্দেশ। পরিচালক নাকি চেয়েছিলেন, রেখার মুখে প্রকৃত বিস্ময়ের অভিব্যক্তি ফুটে উঠুক। সে কারণেই আগে থেকে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।
    বিশ্বজিৎ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত আনন্দের জন্য ছিল না। ছবির প্রয়োজনে করা হয়েছিল। কিন্তু রেখা নিজেকে প্রতারিত মনে করেছিলেন এবং ভীষণ রেগে গিয়েছিলেন।’

    বিশ্বজিতের এ বক্তব্য বিতর্ক কমানোর বদলে আরও বাড়িয়ে দেয়। কারণ, অনেকের মতে, কোনো দৃশ্যের শিল্পগত প্রয়োজন থাকলেও একজন অভিনেত্রীর সম্মতি ছাড়া তা করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

    ষাট ও সত্তরের দশকের বলিউডে আজকের মতো ‘ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর’, লিখিত সম্মতি বা শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্পষ্ট নীতিমালা ছিল না। অনেক সময় পরিচালক বা প্রযোজকের সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। বিশেষ করে নতুন অভিনেত্রীদের পক্ষে আপত্তি তোলা কঠিন ছিল।

    বর্তমান সময়ে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। এখন অন্তরঙ্গ দৃশ্যের আগে বিস্তারিত আলোচনা, লিখিত সম্মতি এবং পেশাদার তত্ত্বাবধানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। হলিউডের পাশাপাশি ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পেও ধীরে ধীরে এ সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

  • সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি: তুষি

    সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি: তুষি

    সিনেমাটি সম্প্রতি ভিয়েতনামের চতুর্থ ডানাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে এশিয়ার সেরা ছবি হিসেবে ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।

    নাজিফা তুষি বলেন, ‘ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড কিন্তু সব সময় আলাদা একটি গুরুত্ব বহন করে। সেখানে এশিয়ার সেরা সিনেমা হিসেবে ক্রিটিকস চয়েজ পুরস্কার পেয়েছে “রইদ”। দেশ ও দেশের বাইরে দর্শক সিনেমাটি গ্রহণ করেছে। সেটাই মনে করিয়ে দেয় এই পুরস্কার। একজন অভিনেত্রী হিসেবে এটি আমার জন্য খুবই সম্মানের। একই সঙ্গে টিমের জন্য যেমন অর্জন, তেমনি সম্মানের। সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি।’

    ‘রইদ’–এ মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি ছবি: নির্মাতার সৌজন্যে

    ২০২৫ সালের শেষ দিকে ‘রইদ’-এর ট্রেলার ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই চলচ্চিত্রটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। পরে ঈদে মুক্তির পরে দর্শক ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশংসা পায় ‘রইদ’। একই সঙ্গে দেশের বাইরেও সিনেমাটি মুক্তি পায়।

    আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার দিয়েই সিনেমাটির যাত্রা শুরু হয়। মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যাম’-এর ৫৫তম আসরের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগ ‘টাইগার কম্পিটিশন’-এ এটি অফিশিয়ালি নির্বাচিত হয়। ‘রইদ’ নির্মিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমী মানবিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে। এক সাধু ও তার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীর জীবনসংগ্রামকে ঘিরে। নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ছাড়াও সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদসহ অনেকে।

  • মা হচ্ছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ, জানালেন দ্বিতীয় বিয়ের খবর

    মা হচ্ছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ, জানালেন দ্বিতীয় বিয়ের খবর

    গত মার্চে মৌসুমী হামিদের সংসার ভাঙার খবর শুনে অনেকেরই মন ভেঙেছিল। সেই দুঃসংবাদের চার মাসের মাথায় জোড়া সুখবর দিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিয়ের সঙ্গে দিলেন মা হওয়ার খবরও। গতকাল শুক্রবার ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বেবি বাম্প নিয়ে হাজির হয়ে সহকর্মীদের চমকে দেন মৌসুমী হামিদ।

    মৌসুমী হামিদের স্বামীর নাম আবদুল ওয়াদুদ সজীব। তিনি ডিজিটাল মিডিয়া ও বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি খাতে কাজ করেন। স্বামীকে নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ১৪ বছরের পুরোনো বেস্ট ফ্রেন্ড। আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল ছিল। যে কারণেই বিয়ে সিদ্ধান্ত নিই। সবকিছুর জন্য দোয়া চাই।’

    মৌসুমী হামিদের দ্বিতীয় বিয়ে ও সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবর অনেকেরই অজানা ছিল। চরকির অনুষ্ঠানে তাই তাঁকে দেখে সহকর্মীরা জড়িয়ে ধরেন, শুভকামনা জানান।

    সংবাদমাধ্যমে মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘আমি সবাইকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য প্রথম বাইরে এসেছি। জানতাম এখানে অনেকেই থাকবে। সবার সঙ্গে দেখা হবে। এ জন্য স্বামীসহ এসেছি মা হওয়া খবর দিতে।’

    এত দিন দ্বিতীয় বিয়ের খবর গোপন রাখার কারণও স্পষ্ট করেন অভিনেত্রী। মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘অনেকেই ভুলভাবে খবর প্রকাশ করবে। এই জন্য আমি এত দিন কাউকে কিছু বলিনি। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সঠিকভাবেই মা হওয়ার খবরটা জানবে সবাই। আমি এবং আমার অনাগত সন্তান ভালো আছি, নতুন একটা অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

    এর আগে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানাকে বিয়ে করেন মৌসুমী হামিদ। দুই বছরের মাথায় ফাটল ধরে তাঁদের ভালোবাসার সংসারে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সেপারেশনে চলে যান। এরপর গত মার্চে মৌসুমী জানান বিচ্ছেদের খবর।

    লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে যাত্রা শুরু মৌসুমী হামিদের। টিভি নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। সবশেষ মৌসুমীকে দেখা গেছে মোস্তাফিজুর নূর ইমরান পরিচালিত ‘জ্বীনের বাচ্চা’ নামের ওয়েব ফিল্মে।

  • দেশি তারকাদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড়

    দেশি তারকাদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড়

    চার বছর পরপর যখন বিশ্বের সেরা দলগুলো মাঠে নামে, তখন শুধু অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নয়, ফুটবলপ্রেমী পুরো পৃথিবীই যেন এক উৎসবে মেতে ওঠে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বরং অনেক সময় মনে হয়, বিশ্বকাপে অংশ না নিয়েও ফুটবল উন্মাদনায় বিশ্বের বড় বড় দেশের সঙ্গে পাল্লা দেয় বাংলাদেশ। খেলার এ সময়টায় দেশের শহর থেকে গ্রাম– সবখানেই শুরু হয় উৎসবের আমেজ। ছাদে ছাদে উড়ে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, স্পেন কিংবা ফ্রান্সের পতাকা। চায়ের দোকানের আড্ডা জমে ওঠে প্রিয় দল ও প্রিয় খেলোয়াড়কে ঘিরে।

    সামাজিক মাধ্যমে চলে তর্ক-বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা আর ভবিষ্যদ্বাণী। এই উন্মাদনা থেকে দূরে থাকেন না দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। অভিনয়, গান কিংবা চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বিশ্বকাপের সময় তাদের মনও পড়ে থাকে ফুটবল মাঠে।

    দেশের শোবিজ জগতের এই সময়ের শীর্ষ তারকা শাকিব খান। সবচেয়ে বেশি ফ্যানবেজ তাঁরই। তাই বিশ্বকাপের মাঠে শাকিব খান কোন দলের তা জানতে উদগ্রীব ভক্তরা। কিন্তু নায়ক তো কাউকে কষ্ট দিতে চান না। তাই নিজের সমর্থন নিয়ে কিছুটা রহস্যই রেখেছেন তিনি। অতীতে তাকালে দেখা যায় শাকিব খানের ২০১৪ সালের বক্তব্যে ব্রাজিল, ২০১৮ সালের বক্তব্যে আর্জেন্টিনা, ২০২১ সালের বক্তব্য ছিল আর্জেন্টিনার দিকে। ২০২২ সালের বক্তব্যে কিছুটা রহস্য ছিল। সে রহস্য রয়েছে এখনও। তাই ২০২৬-এর বিশ্বকাপে শাকিব খান কোন দলের সমর্থন দেন– তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    এ ক্ষেত্রে অবশ্য বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেতা ও চলচ্চিত্র তারকা সিয়াম আহমেদ বেশ খোলামেলা। তাঁর পছন্দের দল স্পেন। বাংলাদেশে যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক সংখ্যাই বেশি, সেখানে সিয়াম ব্যতিক্রম। স্প্যানিশ ফুটবলের নিখুঁত পাসিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং ছন্দময় আক্রমণভাগ তাঁকে টানে। সিয়ামের মতে, স্পেনের খেলার মধ্যে এক ধরনের নান্দনিকতা রয়েছে, যা অন্য অনেক দলের চেয়ে আলাদা।

    তরুণ তারকার বাইরে শোবিজের বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াতের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয় দল সম্পর্কে জানতে। তিনি একবাক্যে বলেন– তাঁর পছন্দের দল ব্রাজিল। ছোটবেলা থেকে ব্রাজিলের খেলা দেখে বড় হওয়া এ অভিনেতার কাছে ফুটবলশিল্পের এক অনন্য প্রতীক হচ্ছে ব্রাজিল। তিনি মনে করেন, ব্রাজিলের খেলার মধ্যে এমন এক সৌন্দর্য রয়েছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের সহজেই মুগ্ধ করে। বিশ্বকাপ এলেই তাঁর প্রত্যাশা থাকে প্রিয় দলকে ঘিরে। আর্জেন্টিনার খেলাও ভালো লাগে তাঁর, কিন্তু হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের দল ব্রাজিলই।

    অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর কাছে ব্রাজিল মানেই ছন্দ, সৌন্দর্য আর সৃজনশীলতা। তিনি মনে করেন, ব্রাজিলের খেলার ধরন অন্য অনেক দলের চেয়ে আলাদা। সাম্বা ফুটবলের সেই ঐতিহ্য এখনও তাঁকে মুগ্ধ করে। তাই বিশ্বকাপ এলেই তাঁর সমর্থন থাকে ব্রাজিলের জন্য।

    বিশ্বকাপে বরাবরই আর্জেন্টিনার সমর্থন করেন মেহজাবীন চৌধুরী। অন্য দলের সমর্থকের প্রতিও রয়েছে তাঁর সম্মান। মেহজাবীন বলেন, ‘খেলা সবসময় সুন্দর কিছু বয়ে আনে। খেলা উপভোগ করতে হয়। আমিও তাই করেছি। আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। মেসির জন্যই আর্জেন্টিনা সমর্থন করি। গত বিশ্বকাপেও এই দলই সমর্থন করেছি। আমার একটাই কথা, একেকজন একেক দল সমর্থন করতেই পারেন। খেলা নিয়ে একজন অপরজনকে আঘাত করে কিছু বলা ঠিক নয়।’

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর হৃদয়েও জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ছোটবেলা থেকেই দলটির প্রতি তাঁর ভালোবাসা। সময়ের সঙ্গে সেই ভালোবাসা কমেনি, বরং আরও গভীর হয়েছে। মজার বিষয় হলো, তাঁর ছেলেও বাবার পথ অনুসরণ করে আর্জেন্টিনার সমর্থক। ফলে বিশ্বকাপের সময় তাদের পরিবারে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে আলাদা এক উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

    অভিনেতা আজিজুল হাকিমের গল্পটা একটু ভিন্ন। কারণ তিনি শুধু দর্শক নন, একসময় মাঠের খেলোয়াড়ও ছিলেন। ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই জার্মান ফুটবলের প্রতি তাঁর ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। জার্মানির শৃঙ্খলা, কৌশল ও দলগত সমন্বয় তাঁকে বরাবরই মুগ্ধ করেছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে জার্মানিকে দেখার জন্য এখনও আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন এ অভিনেতা।

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের সমর্থন ব্রাজিলের প্রতি। অন্যদিকে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা আর্জেন্টিনার সমর্থক। বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দলের জয় দেখতে চান তিনি। ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনার সাফল্য তাঁকে আনন্দ দেয় বলেই জানান।

    আর্জেন্টিনার সমর্থকদের তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। আর্জেন্টিনার প্রতি তাঁর ভালোবাসার পেছনে রয়েছে ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা এবং বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির প্রভাব। মিথিলা মনে করেন, আর্জেন্টিনা শুধু ফলাফলের জন্য নয়, তাদের খেলাধুলার সৌন্দর্যের কারণেও সমর্থকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।

    অভিনেত্রী তানজিকা আমিনের কাছেও আর্জেন্টিনা মানে আবেগের নাম। ফুটবল নিয়ে আলোচনা বা তর্ক-বিতর্কে অংশ নিতে ভালোবাসেন তিনি। তবে দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কখনও দ্বিধায় ভোগেননি। শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক তিনি। বিশ্বকাপ এলেই তাঁর প্রত্যাশা থাকে, প্রিয় দল যেন নিজেদের সেরাটা উপহার দিতে পারে।

    অভিনেতা সজলও ফুটবলের বড় ভক্ত। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলও নিয়মিত অনুসরণ করেন তিনি। তাঁর প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। ছোটবেলায় ম্যারাডোনার খেলা দেখে যে ভালোবাসার শুরু, তা এখনও অটুট রয়েছে। বিশ্বকাপের সময় পুরোনো স্মৃতিগুলো আরও বেশি মনে পড়ে বলে জানান তিনি।

    অভিনেত্রী নাজনীন নীহাও আর্জেন্টিনার ভক্ত। ফুটবল বিশ্লেষণ না করলেও মেসির খেলা তাঁকে মুগ্ধ করে। সেই ভালো লাগা থেকেই আর্জেন্টিনার প্রতি তাঁর সমর্থন। বিশ্বকাপের আবহ শুরু হলেই প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য অপেক্ষা করেন তিনি।

    চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম সমর্থন করেন ব্রাজিলকে। ফুটবলের কিংবদন্তি পেলের দেশ হিসেবে ব্রাজিলের প্রতি তাঁর আলাদা দুর্বলতা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের খেলা উপভোগ করেন। বিশ্বকাপে দলটি ভালো করলে তাঁর আনন্দও বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

    এ সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি নিজেকে লিওনেল মেসির একজন বড় ভক্ত হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। তার ভাষায়, তিনি মেসির ‘ক্রাশ’। তাই আর্জেন্টিনার প্রতি তাঁর সমর্থনও স্বাভাবিকভাবেই বেশি। বিশ্বকাপের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খেলা দেখার পরিকল্পনা থাকে তাঁর। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা আরও একটি স্মরণীয় সাফল্য অর্জন করবে– এমন প্রত্যাশাই তাঁর।

    শুধু এ কয়েকজন নন, দেশের শোবিজ অঙ্গনের আরও অনেক তারকা ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে থাকেন। আর্জেন্টিনা সমর্থকদের তালিকায় রয়েছেন– মাহিয়া মাহি, দীপা খন্দকার, সুমাইয়া শিমু, নাদিয়া আহমেদ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, সালমা খানম নাদিয়া, নিরব, ইমন, কচি খন্দকার, কিশোর, কর্ণিয়া এবং ঝিলিক।

    অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে আছেন– অপু বিশ্বাস, বাপ্পি চৌধুরী, মিশা সওদাগর, আনিসুর রহমান মিলন, বাপ্পা মজুমদার, কোনাল, পড়শী এবং সামিরা খান মাহির মতো জনপ্রিয় তারকারা।

  • বিশ্বকাপের আগে চোটাক্রান্ত আর্জেন্টিনার তারকা

    বিশ্বকাপের আগে চোটাক্রান্ত আর্জেন্টিনার তারকা

    বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির সময় চোট পেয়েছেন আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তার হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

    যুক্তরাষ্ট্রে রওনা হওয়ার আগে পারেদেসের চোটের খবর আর্জেন্টিনা শিবিরে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। আগামী ৬ জুন হন্ডুরাস এবং ৯ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে এই দুই ম্যাচে পারেদেসের খেলার সম্ভাবনা নেই।

    ম্যাচ শেষে বোকা জুনিয়র্স অধিনায়ক বলেন, ‘পুরো সপ্তাহজুড়েই আমি হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় ভুগছিলাম। কিন্তু কোনোভাবেই এই ম্যাচটি মিস করতে চাইনি। মাঠ ছেড়ে আসার প্রশ্নই ছিল না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কোচ আমাকে সত্যিটা বলতে বলেছিলেন এবং নিজের যত্ন নিতে বলেছেন। কারণ সামনে আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু ম্যাচ রয়েছে। তারপরও এই ম্যাচে না খেলে বসে থাকার মতো পরিস্থিতি আমার ছিল না।’

    বিশ্বকাপের আগে পারেদেসের চোট কতটা গুরুতর এবং তিনি কবে মাঠে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি আর্জেন্টিনা দল বা বোকা জুনিয়র্স।