ক্যাটাগরি তারকা সংবাদ

  • ক্যাটরিনার সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন রণবীর

    ক্যাটরিনার সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন রণবীর

    বলিউডে রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফের পুরনো প্রেমের গল্প নিয়ে চর্চা এখনো যেন থামার নয়। ‘আজব প্রেম কী গজব কাহানি’র শুটিং সেট থেকে শুরু হওয়া সেই চর্চিত প্রেম একসময় ছিল বি-টাউনের সবচেয়ে বড় ‘ওপেন সিক্রেট’। তবে সম্পর্কের শুরুর দিকে নিজেদের প্রেমকে মিডিয়ার চোখ থেকে বাঁচাতে সব ধরণের চেষ্টাই করেছিলেন এ তারকা জুটি।

    সেই সময় ক্যাটরিনার সঙ্গে কাটানো গোপনীয় মুহূর্তের ভিডিও করায় এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ও মাইক কেড়ে নিয়েছিলেন রণবীর। অতি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন তৎকালীন সাংবাদিক নিকিতা দলভি।

    বিনোদনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘হিন্দি রাশ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিকিতা জানিয়েছেন, সেই সময়ে রণবীর-ক্যাটরিনার প্রেমের খবর তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। এক গভীর রাতে খবর আসে যে ক্যাটরিনার বাড়িতে গেছেন রণবীর এবং রাত দেড়টার দিকে বের হবেন।

    খবর পেয়েই রাত একটার মধ্যে ক্যাটরিনার বাড়ির নিচে লুকিয়ে পড়ে পাপারাজ্জির দল। রণবীর গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের টের পেয়ে টুপি দিয়ে মুখ ঢেকে দ্রুত কেটে পড়েন। আর এভাবেই প্রথমবারের মতো ফাঁস হয় তাদের গোপন প্রেমের খবর।

    তবে আসল নাটক ঘটেছিল অন্য একদিন। নিকিতা স্মরণ করেন, এক পরিচিতের শেষকৃত্যানুষ্ঠান শেষে বান্দ্রায় ক্যাটরিনার ম্যানেজারের এক ফাঁকা ফ্ল্যাটে গোপনে দেখা করতে গিয়েছিলেন এই জুটি। খবর পেয়ে আগেই সেখানে হাজির ছিল মিডিয়া টিম। ক্যাটরিনা গাড়ি থেকে নামতেই ক্যামেরা অন করা হয়। রণবীর গাড়ির কাচ নামিয়ে সাংবাদিকদের দেখতে পেয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি শুধু ক্যাটরিনাকে ড্রপ করতে এসেছেন।

    কিন্তু আসল ঘটনা ঘটেছিল ১০ মিনিট পর। রণবীর চলে যাওয়ার ভান করে একটু দূরে গিয়ে আবার হঠাৎ ফিরে আসেন এবং সাংবাদিকদের তাড়া করেন। শুধু তা-ই নয়, রেগে গিয়ে তিনি প্রেসের গাড়ির দরজা খুলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ব্যাগ এবং বুম মাইক্রোফোন নিজের কাছে নিয়ে নেন।

    নিকিতা জানান, রণবীর শর্ত দিয়েছিলেন যে তাদের আর পিছু নেওয়া যাবে না—তবেই জিনিসপত্র ফেরত দেবেন। কিন্তু সাংবাদিক নিকিতাও দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তারকাদের পিছু নেওয়া তাদের পেশার অংশ, তাই কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। শেষমেশ সাংবাদিকের একগুঁয়েমি দেখে এবং কৌশল খাটবে না বুঝে নিজের রাগ সামলে জিনিসপত্র ফেরত দিতে বাধ্য হন রণবীর।

    উল্লেখ্য, বহু বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ভেঙে যায় রণবীর-ক্যাটরিনার সেই বহুল চর্চিত সম্পর্ক। পরবর্তীতে দুজনেই যার যার জীবনে এগিয়ে গেছেন। ২০২২ সালে আলিয়া ভাটকে বিয়ে করে সংসারী হন রণবীর, তাদের ঘরে আসে কন্যা সন্তান রাহা।

    অন্যদিকে ২০২১ সালে ভিকি কৌশলকে ভালোবেসে বিয়ে করেন ক্যাটরিনা কাইফ এবং ২০২৫ সালের শেষভাগে পুত্র সন্তান বিহানের মা হন তিনি।

  • সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমণি, সঙ্গী নিরব-বর্ষণ

    সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমণি, সঙ্গী নিরব-বর্ষণ

    নতুন ওয়েব ফিল্মে যুক্ত হয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় নির্মিতব্য এই ওয়েব ফিল্মের নাম ‘সেপারেশন’। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এর শুটিং।

    এতে পরীমণির বিপরীতে অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়ক নিরবকে।রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বর্তমানে ওয়েব ফিল্মটির শুটিং চলছে।

    রোববার নিজের ফেসবুক পেজে শুটিংয়ের একটি ছবি প্রকাশ করে নতুন কাজটির খবর জানান পরীমণি। ছবিতে ‘বিসমিল্লাহ’ লেখার পাশাপাশি ‘সেপারেশন’ ও পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নাম উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।

    গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় এর আগে ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন পরীমণি। এবার এই নির্মাতার সঙ্গে ওয়েব ফিল্মে কাজ করছেন তিনি।

    তবে ‘সেপারেশন’-এ পরীমণির চরিত্র কিংবা গল্পের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ইমতিয়াজ বর্ষণের চরিত্র নিয়েও মুখ খোলেননি নির্মাতা বা সংশ্লিষ্টরা।

    জানা গেছে, রাজধানীর ৩০০ ফিটসহ বিভিন্ন লোকেশনে পর্যায়ক্রমে ‘সেপারেশন’-এর শুটিং হবে। পরীমণি, ইমতিয়াজ বর্ষণ ও নিরবের পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করছেন শার্লিন ফারজানা।

    ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি পাবে আইস্ক্রিনে। তবে কবে নাগাদ ‘সেপারেশন’ দর্শকের সামনে আসবে, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

  • ‘অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে বড় সমর্থন’

    ‘অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে বড় সমর্থন’

    ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়ে হেনস্তা ও হামলার শিকার হওয়ার পর নিজের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা ও পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি এখনো ভেনিসে অবস্থান করছেন।

    সেখান থেকে সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন- জীবন যখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, তখন অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে। অভিনেত্রী বলেন, কী দীর্ঘ এক যাত্রা ছিল এটি! এমন এক যাত্রা; যেখানে ছিল কঠিন সব মুহূর্ত, ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আমি একটি গভীর সত্য উপলব্ধি করেছি, কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সমর্থন।

    কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ও ইতালি সরকার, ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বাঁধন। তিনি বলেন, যখন বেশি সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। নিজের কিছু মানুষ যখন দূরে সরে গিয়েছিল, তখন এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিই তার শক্তি ও সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছিল বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

    পাশাপাশি যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, খোঁজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন কিংবা একটি ভালো কথা বলেছেন- তাদের প্রত্যেকের প্রতিও হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাঁধন। প্রসঙ্গত, ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতেই ইতালিতে গেছেন বাঁধন। গত ৭ই সেপ্টেম্বর রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে সেখানে হামলা ও হেনস্তার শিকার হন বাঁধন।

  • বিয়ে করছেন মিমি, পাত্র কে?

    বিয়ে করছেন মিমি, পাত্র কে?

    এতদিন বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর উত্তর ছিল, ‘কী জন্য করব?’ কখনো আবার বলেছেন, কাজ, বই আর পোষ্যদের নিয়েই ব্যস্ত আছেন। ব্যক্তিজীবনকে বরাবরই আড়াল রেখেছেন নায়িকা। সেই মিমি কি এ বার সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন? টলিপাড়ায় অন্তত তেমনই গুঞ্জন।

    শোনা যাচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরেই চারহাত এক হবে। বিয়ের আসর বসতে পারে পাহাড়ের শহর কালিম্পঙে। ঘনিষ্ঠ মহলে ইতিমধ্যেই নিমন্ত্রণের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও খবর। যদিও মিমির তরফে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তবে গুঞ্জনের কেন্দ্রে শুধু বিয়ের দিনক্ষণ নয়, পাত্রও। টলিপাড়ার সঙ্গে তার কোনো যোগ নেই বলেই খবর। শোনা যাচ্ছে, নায়িকার হবু স্বামী পেশায় নৌ বাহিনীর কর্মকর্তা।

    মিমির প্রেমজীবন নিয়ে অবশ্য এর আগে কম আলোচনা হয়নি। সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও মিমি নিজে সেগুলিকে কখনো বিশেষ গুরুত্ব দেননি। বরং বারবার জানিয়েছেন, কাজের বাইরে তার সময় কাটে পরিবার, বই এবং পোষ্যদের সঙ্গে।

    কয়েক বছর আগে বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মিমি জানিয়েছিলেন, বিয়ে করতে হলে আগে তো পাত্র খুঁজতে হবে, তার জন্য দেখা-সাক্ষাৎও করতে হবে— সেটুকু করার সময়ও নাকি তার নেই। সেই ‘ব্যস্ত’ মিমির জীবনেই তবে এ বার চুপিসারে এসেছেন কেউ!

  • মাদক মামলায় মিসরের টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

    মাদক মামলায় মিসরের টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

    মাদক তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ ও পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মিসরের জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপিকা সারা খলিফাসহ ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এএফপি।

    কায়রোর একটি আদালতে হওয়া এই মামলায় ৩৯ বছর বয়সী সারা খলিফার পাশাপাশি আরও ১১ আসামির বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে মাদকসংক্রান্ত অপরাধ পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছিল। আদালতের রায়ে তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    মামলার তদন্ত অনুযায়ী, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন। এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশ থেকে মাদক তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করা, সেগুলো দিয়ে কৃত্রিম মাদক প্রস্তুত করা এবং পরে পাচারের জন্য মজুত রাখা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি চক্রটির সদস্যদের কাছে অনুমোদনহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদও ছিল। তদন্তের অংশ হিসেবে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও মাদক তৈরির উপাদান উদ্ধার করা হয়। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা সামগ্রীর পরিমাণ ৭৫০ কেজিরও বেশি।

    তদন্তে দুটি অ্যাপার্টমেন্টের সন্ধান পান কর্মকর্তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযোগ, এসব জায়গাকে মাদক তৈরির গোপন স্থাপনা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

    সেখান থেকে মাদক তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল ও অন্যান্য সরঞ্জামের পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

    মামলার নথিতে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে আনা উপকরণগুলো ব্যবহার করে সিনথেটিক বা কৃত্রিম মাদক প্রস্তুত করা এবং পরবর্তী সময়ে তা পাচারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হতো।

    মিসরের টেলিভিশন দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ সারা খলিফা। দেশটির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মিশন ইমপসিবল’ উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। অনুষ্ঠানটিতে নিরাপত্তা, অপরাধ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হতো।

    টেলিভিশন ক্যারিয়ারের বাইরেও ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন সারা। তার মালিকানায় একটি কসমেটিক সার্জারি ক্লিনিক রয়েছে। পাশাপাশি পার্টি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও পরিচালনা করেন তিনি।

    মাদক মামলার বাইরে সারা খলিফার বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগে মামলা চলছিল। এক তরুণকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনায় তার সঙ্গে কয়েকজন আসামিকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

    ওই মামলায় সারা খলিফাসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফলে মাদক মামলায় মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পৃথক মামলাতেও কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন এই টেলিভিশন উপস্থাপিকা। তবে কায়রোর আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ই শেষ সিদ্ধান্ত নয়। মিসরের আইন অনুযায়ী, আসামিদের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

  • ভাইয়ের চেয়ে অন্য চোখে দেখিনি: শাবনূর

    ভাইয়ের চেয়ে অন্য চোখে দেখিনি: শাবনূর

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নায়কের নাম সালমান শাহ। অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি দিয়ে মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্রজীবনে তিনি জয় করে নিয়েছিলেন মানুষের মন। ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর একে একে উপহার দিয়েছেন ২৭টি চলচ্চিত্র। মৃত্যুর তিন দশক পেরিয়ে গেলেও সেই জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। বরং সময়ের সঙ্গে সালমান শাহ যেন আরও বেশি করে আলোচনার বিষয় হয়েছেন।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা গেছেন এই নায়ক। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে ৩০ বছর। কিন্তু প্রিয় সহশিল্পী ও জনপ্রিয় জুটি শাবনূরের কাছে এখনো যেন বিশ্বাস হয় না সালমান নেই। সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন শাবনূর।

    শাবনূর লিখেছেন, ‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান…।’ সালমানের কথা মনে করে শাবনূর আরও লিখেছেন, ‘এত বছর পেরিয়ে গেলেও তোমার স্মৃতি আজও হৃদয়ে অমলিন। পর্দার সেই প্রিয় রাজপুত্র, মানুষের ভালোবাসার সেই স্বপ্নের নায়ক তুমি আজও বেঁচে আছো আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের ভালোবাসায়। তোমার অকালপ্রয়াণে আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গনে যে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা আজও পূরণ হয়নি।’
    শাবনূরের মতে, সময় চলে গেছে, প্রজন্ম বদলেছে; কিন্তু সালমান শাহর জনপ্রিয়তা ও অভিনয়ের মায়া এখনো মানুষের হৃদয়ে একইভাবে জীবন্ত। প্রিয় সহশিল্পীর উদ্দেশে তাঁর শেষ কথা, ‘যেখানেই আছো, ভালো থেকো প্রিয় সালমান শাহ।’

    একটি সিনেমার দৃশ্যে সালমান শাহ ও শাবনূর

    একটি সিনেমার দৃশ্যে সালমান শাহ ও শাবনূর ছবি: সংগৃহীত

    সালমান-শাবনূর জুটি ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি। পর্দায় তাঁরা এতটাই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলেন যে একসময় তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে—এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। তবে শাবনূর বরাবরই সেই গুঞ্জন নাকচ করে এসেছেন। তাঁর দাবি, সালমানকে তিনি সব সময় ভাইয়ের মতোই দেখেছেন। সম্প্রতি সালমানের মা নীলা চৌধুরীও বলেছেন, শাবনূরকে ছোট বোনের মতোই দেখতেন সালমান শাহ।
    সালমানের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার স্মৃতিও এখনো মনে আছে শাবনূরের। প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে তা বলেছেনও। শাবনূরের মতে, ‘সালমানকে প্রথম যেদিন দেখি, সেদিন মৌসুমী আপুর সঙ্গে শুটিং করছিল। আসা-যাওয়ার মধ্যেও দেখা হতো। তবে খুব একটা কথা হতো না। তখন শুনেছি, ফিল্মে সালমান শাহ নামে নতুন একজন হিরো এসেছে। আনুষ্ঠানিক পরিচয় “তুমি আমার” ছবিতে অভিনয় করার সময়। তখন কাজের কারণে বন্ধুত্ব হয়। আমাদের প্রথম ছবি “তুমি আমার” মুক্তি পাওয়ার পর সুপারহিট হয়।’
    সালমানের মৃত্যুর পরও শাবনূরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের গল্প ডালপালা মেলে। এ নিয়ে ক্ষোভও রয়েছে শাবনূরের।

    তিনি বলেন, ‘এটা একেবারে সত্যি কথা, সালমানকে আমি ভাই ছাড়া আর অন্য কোনো চোখে দেখতাম না। সালমানের মৃত্যুর পর কিছু লোকজন আমাকে জড়িয়ে ব্যবসা করতে চেয়েছে। কিছু সাংবাদিকও আমাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের মুখরোচক গল্প ছেপেছেন। এটা করে কী লাভ হয়েছে, আমি জানি না। আমি আমার ক্যারিয়ারটা অনেক কষ্ট করে তৈরি করেছি। তিল তিল করে গড়ে তুলেছি। কিছুসংখ্যক লোক গুজব ছড়িয়ে আনন্দ পাওয়ার চেষ্টা করেছে।’

    একটি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সালমান শাহ ও শাবনূর

    একটি চলচ্চিত্রের দৃশ্যে সালমান শাহ ও শাবনূর ভিডিও থেকে

    সালমানের মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার মুহূর্তটিও আজও ভুলতে পারেননি শাবনূর। সেদিন তিনি ছিলেন বাসায়। হঠাৎ একজন ফোন করে জানায়, সালমান শাহ মারা গেছেন। প্রথমে কথাটি বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি। শাবনূর বলেন, ‘হঠাৎ করে কে যেন ফোন করে জানায়, সালমান শাহ মারা গেছে। আমি উল্টো ধমক দিয়ে বলি, কী বলে এসব! আমার ছোট বোন বাইরে গিয়ে সালমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়ে আসে। আমি তখন পুরোপুরি হতবাক হয়ে যাই। এরপর এফডিসিতে সালমানকে দেখতে যাই।’

  • ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হলেন ডমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা

    ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হলেন ডমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা

    এবারের মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছেন ডমিনিকান রিপাবলিকের প্রতিযোগী জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। ১১১টি দেশের মধ্যে সেরা হিসেবে মুকুট জিতলেন তিনি। বিশ্বসুসন্দরীর খেতাব জেতা জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডমিনিকার রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েই এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।

    জোহাইরি মোলা একাধারে শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও মডেল। ‘ভয়েস অব টুমোরো’ নামে তার একটি উদ্যোগ আছে, যার মূল লক্ষ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তরুণদের ইংরেজি শেখানো এবং তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরিতে সাহায্য করা। প্রথম রানার আপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।সেরা ৬ প্রতিযোগীকে নিয়ে চলে একাধিক পর্ব।

    শেষে বিচারকেরা তাদের নানা রকম প্রশ্ন করেন। আর এরপর ঘোষণা করা হয় বিজয়ীর নাম। মিস ওয়ার্ল্ড বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতা। ১৯৫১ সালে যুক্তরাজ্যে এর প্রতিষ্ঠা করেন এরিক মর্লে।

    প্রতিযোগিতায় কয়েকটি ধাপে প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে থাকে প্রাথমিক পর্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, রুদ্ধদ্বার সাক্ষাৎকার এবং মঞ্চে সরাসরি অনুষ্ঠিত বিভিন্ন পর্ব। এ বছর মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে ভিয়েতনামে। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো ফ্রেঞ্চ গায়ানা, ইরিত্রিয়া, মোজাম্বিক, পাকিস্তান ও মালদ্বীপের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। অন্য দিকে ইকুয়েডরের সামান্থা কুয়েনেদিত, আর্মেনিয়ার মনিকা হারুতজুনজান এবং টোগোর নাদিরাতু আফোলাবি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

    এবারের প্রতিযোগিতায় মোট ১১১ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তাদের চারটি মহাদেশীয় অঞ্চলে ভাগ করা হয়—আফ্রিকা, আমেরিকা ও ক্যারিবীয়, ইউরোপ এবং এশিয়া ও ওশেনিয়া। বাংলাদেশের প্রতিযোগী সামানজার সাঈদ বিউটি উইথ আ পারপাসে প্রাথমিকভাবে নিজ মহাদেশে সেরা ৬–এ থাকলেও ফাইনালে সেরা চল্লিশে জায়গা করে নিতে পারেননি।

  • কেন নিজের ক্যান্সারের খবর লুকিয়েছিলেন ডলি পার্টন? জানালেন ভাগনি

    কেন নিজের ক্যান্সারের খবর লুকিয়েছিলেন ডলি পার্টন? জানালেন ভাগনি

    কান্ট্রি সংগীতের বিশ্বখ্যাত তারকা ডলি পার্টন আর নেই। গত ২৫ আগস্ট ৮০ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির ন্যাশভিলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, অভিনেত্রী, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী এই কিংবদন্তি।

    জীবনের শেষ সময়ে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ডলি। তবে নিজের অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। তার ভাগনি জাডা স্টারের বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবার ও কাছের মানুষদের অযথা উদ্বিগ্ন করতে চাননি বলেই শেষ পর্যন্ত রোগের কথা গোপন রেখেছিলেন এই শিল্পী।

    সম্প্রতি ‘এক্সট্রা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডলিকে নিয়ে কথা বলেন জাডা। সেখানে তিনি প্রয়াত তারকার সঙ্গে কাটানো সময়ের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। জাডার কথায়, ডলি নিজের শারীরিক অবস্থার চেয়ে কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন।

    জাডা বলেন, ডলি কখনোই চাইতেন না তার অসুস্থতার কারণে পরিবারের সদস্য কিংবা পরিচিতরা দুশ্চিন্তায় থাকুন। ফলে তার মৃত্যুর খবর স্বজনদের জন্য ছিল বড় ধরনের ধাক্কা। এমনকি কঠিন সময়েও ডলি তাদের কান্নায় ভেঙে না পড়ে নিজেদের কাজে ফিরে যেতে এবং পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখার কথা বলতেন।

    জাডার ভাষায়, ডলি ছিলেন সত্যিই অসাধারণ একজন মানুষ। নিজের কষ্টের কথা আড়ালে রেখেও অন্যদের ভালো থাকার কথা ভাবতেন তিনি।

    ডলি পার্টনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন সংগীত ও বিনোদন জগতের বহু তারকা। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেলর সুইফট, ডলির ধর্মকন্যা মাইলি সাইরাস ও তার বাবা বিলি রে সাইরাস, অভিনেত্রী রিজ উইদারস্পুন, গায়িকা বিয়ন্সে, র‍্যাপার এমিনেম এবং কেলি ক্লার্কসনসহ আরও অনেকে।

    ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি টান

    ১৯৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি টেনেসির পিটম্যান সেন্টারে একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ডলি পার্টন। তার মা লোকগান গাইতেন। শৈশবেই মায়ের কাছ থেকে সংগীতের প্রতি গভীর আকর্ষণ তৈরি হয় তার। মাত্র ছয় বছর বয়সেই গান লেখার হাতেখড়ি হয় ডলির। নিজের প্রিয় পুতুলকে কেন্দ্র করে প্রথম গান লেখেন তিনি। আট বছর বয়সে হাতে তুলে নেন গিটার। এরপর ধীরে ধীরে স্থানীয় পর্যায়ে সংগীতচর্চা শুরু করেন।

    মাত্র ১১ বছর বয়সেই স্থানীয় বেতারে গান পরিবেশনের সুযোগ পান ডলি। আর ১৩ বছর বয়সে পৌঁছে যান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সম্মানজনক কান্ট্রি সংগীতের মঞ্চে। সেখান থেকেই শুরু হয় তার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সংগীতযাত্রা।

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গান, অভিনয়, ব্যবসা ও সমাজসেবায় নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেন ডলি পার্টন। তার মৃত্যুতে তাই শুধু কান্ট্রি সংগীত নয়, পুরো বিনোদনজগতেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

  • বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে সালমান খানের ভাতিজা আরহানের

    বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে সালমান খানের ভাতিজা আরহানের

    এবার সিনেমায় নাম লেখাতে চলেছেন বলিউড অভিনেতা আরবাজ খান ও অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা দম্পতির ছেলে আরহান খান। একটি সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সাবেক এ তারকা দম্পতির সন্তানকে। আরহান সম্পর্কে বলিউড ভাইজান সালমান খানের ভাতিজা হন।

    আরহান খানকে হরহামেশাই বিভিন্ন বলিউড পার্টিতে দেখা যায়। এবার জানা গেছে, তিনি অভিনয়ের জগতে পা রাখতে চলেছেন। প্রথম সিনেমায় আরহান একজন অ্যাকশন হিরো হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিগ বাজেটের এই সিনেমাটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা অনিরুদ্ধ আইয়ার, যিনি এর আগে ‘অ্যান অ্যাকশন হিরো’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন। এদিকে, আসন্ন এ সিনেমাটির চিত্রনাট্য বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছেলেকে বলিউডে লঞ্চ করা প্রসঙ্গে আরবাজ খান বলেছিলেন, ‘চিত্রনাট্য আমার বা অন্য কারো হতে পারে। এ মুহূর্তে সবাই ওর দিকেই তাকিয়ে আছে।’

    তিনি আরও বলেন, দেশে অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা আছেন এবং সবাই নতুন প্রতিভা ও মুখের সন্ধানে আছেন। তার আগে যদি আরহানের জন্য কারো কাছে কোনো প্রস্তাব থাকে, তবে সে তা বিবেচনা করতে পারে।

    তিনি বলেন, এমন নয় যে, আমি আরহানকে কিছুই দেব না। আমার কাছে কিছু থাকলে, আজ হোক কিংবা কাল হোক— আমি অবশ্যই তাকে প্রস্তাব দেব এবং সে কী করতে চায়, সেই সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে দেব।

    উল্লেখ্য, আরহান খান কিছু দিন আগে ‘দম বিরিয়ানি’ নামে একটি পডকাস্ট শুরু করেছেন। তিনি তার বন্ধু দেব এবং আরুশের সঙ্গে সেই পডকাস্টটি সঞ্চালনা করতেন। যাতে তাদের পরিবারও অংশ নিত।

    ১৯৯৬ সালে আরহানের বাবা ও সালমান খানের ভাই অভিনেতা আরবাজ খান ‘দারার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ‘ফির প্যায়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া’, ‘মা তুঝে সালাম’, ‘ইয়ে মোহাব্বত হ্যায়’, ‘সোচ’ এবং ‘কুছ না কহো’ সিনেমার মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। এমনকি নির্মাতা হিসেবে তিনি সালমান খানের ‘দাবাং ২’ সিনেমাটি পরিচালনাও করেছেন।

  • ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত হবে অভিনেতা বুলবুল আহমেদের পুরস্কার ও স্মৃতিচিহ্ন

    ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত হবে অভিনেতা বুলবুল আহমেদের পুরস্কার ও স্মৃতিচিহ্ন

    প্রয়াত বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও ‘মহানায়ক’ বুলবুল আহমেদের শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার জন্মদিন উপলক্ষে এসব পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে হস্তান্তর করেছে তার পরিবার।

    আজ বুধবার বুলবুল আহমেদের স্ত্রী ডেইজি আহমেদ ও মেয়ে তিলোত্তমা তার শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবালের কাছে হস্তান্তর করেন। আগামীকাল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বুলবুল আহমেদের জন্মদিন।

    দেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিতে বুলবুল আহমেদের অসামান্য অবদানের স্মারক হিসেবে তার অর্জিত এসব পুরস্কার ও সম্মাননা জাতীয় সম্পদ হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করতেই পরিবারের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বুলবুল আহমেদের শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবালের কাছে হস্তান্তর করেন স্ত্রী ডেইজি আহমেদ ও মেয়ে তিলোত্তমা

    প্রতি বছর ৪ সেপ্টেম্বর বুলবুল আহমেদের জন্মদিন ঘিরে পরিবার ও তার অনুরাগীদের নানা আয়োজন থাকে। তবে এ বছর বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব না হলেও তার দীর্ঘ শিল্পীজীবনের অর্জন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়ামে ভবিষ্যৎ সংরক্ষণের জন্য দান করেছে পরিবার। চলচ্চিত্র অনুরাগী দর্শকদের দেখার সুযোগ করে দেওয়া এবং তার স্মৃতি ধরে রাখার মধ্য দিয়ে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার।

    বুলবুল আহমেদ শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেতাই ছিলেন না, তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরও এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে তার অর্জিত পুরস্কার ও সম্মাননা সংরক্ষিত হওয়ার মাধ্যমে তার কর্ম ও কীর্তি আগামী প্রজন্মের কাছে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বেঁচে থাকবে।