রাজবাড়ীতে পদ্মায় কুমির দেখতে মানুষের ভিড়, বন বিভাগের সতর্কতা

Crowds gather to see crocodile in Padma in Rajbari, forest officials warn

প্রতিবেদন:

·

, , , ,

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা এলাকায় পদ্মা নদীতে কুমির দেখার পর থেকে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন। নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে এলাকায় কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনি বাড়ছে আতঙ্কও।

এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর সচেতনতায় উড়াকান্দা পদ্মা নদীর পাড়ে রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। পাশাপাশি বন বিভাগের কর্মচারীরাও সেখানে অবস্থান করছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত ২৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদীমুখী অংশ বাঁশ ও প্লাস্টিকের নেট দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশে বড় করে টানানো সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডে সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মা নদীতে কুমির দেখার তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীতে গোসল, সাঁতার কাটা, মাছ ধরা, গরু গোসল করানোসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

রাজবাড়ী বন বিভাগ থেকে আসা দেলোয়ার হোসেন নামের এক কর্মচারী লোকজনের ভিড় লক্ষ্য করে মাঝেমধ্যেই সবাইকে সতর্ক করছেন, যাতে কেউ নদীতে গোসল করতে না নামেন বা নদীর পাড়ে বসে কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজ না করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী উড়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,

‘মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা কুমির দেখতে পেয়ে চিৎকার করতে থাকে। চিৎকার শুনে দৌড়ে নদীর পাড়ে গিয়ে কুমির দেখতে পাই। আমাদের ধারণা, কুমিরটি বড় হবে। গায়ে শেওলা পড়েছে। এ সময় আমি নিজে মুঠোফোনে কুমিরের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করি।’

স্থানীয় মুদিদোকানি মমিন মোল্লা বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরের দিকে স্কুলের ছেলেপেলেদের চিৎকারে নদীর পাড়ে গিয়ে একটা খাইটার মতো কুমির দেখতে পাই। এরপর গতকাল বুধবার ও আজ এখন পর্যন্ত কুমিরটি আর দেখিনি। তবে ভয়ে দুই দিন ধরে নদীতে গোসল করিনি। আমার মতো এলাকার অনেকে ভয়ে নদীতে নামছেন না।’

নদীর পাড়ে কুমির দেখতে রাজবাড়ী শহর থেকে আসা হেলাল সরদার বলেন, ‘পদ্মা নদীতে কুমির দেখা গেছে—এই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি। অনেকক্ষণ হলো এখনো কুমিরের দেখা পাইনি।’

রাজবাড়ী সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক সানজিদা সুলতানা বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে খাবারের সন্ধানে কুমির এখানে আসতে পারে। পদ্মা নদী প্রবাহমান হওয়ায় আমরা বিশেষ কোনো ব্যবস্থাও নিতে পারছি না। এলাকাবাসীর সতর্কতার জন্য নদীর পাড়ে

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ