এ ক্যাম্পেইনের আওতায় বাংলা কিউআর ব্যবহার করে মূল্য পরিশোধকারী ৫০ জন গ্রাহক এবং ৫০ জন মার্চেন্ট স্মার্টফোন জয়ের সুযোগ পাবেন। ২৩ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে।
২০ আগস্ট রাজধানীতে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম।
অনুষ্ঠানে বাংলা কিউআর ও কিউআরভিত্তিক সিকিউরড স্টেটমেন্ট বিষয়ে আলোচনা করেন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনজুজ্জামান। এ সময় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ ও মো. মাকসুদুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন জোন ও শাখাপ্রধান এবং উপশাখার ইনচার্জরা জুম প্লাটফর্মে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় বাংলা কিউআর একটি নতুন সংযোজন। এটি দেশের ডিজিটাল লেনদেনকে আরো সহজ, নিরাপদ ও সর্বজনীন করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রাহক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার পাশাপাশি প্রবাসীদের দ্রুত, সহজ ও নিরাপদে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ তৈরিতেও ইসলামী ব্যাংক কাজ করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলা কিউআর ব্যবহারের বিস্তারের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সহজে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা নিতে পারবেন। এর ফলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরো বিস্তৃত হবে এবং একটি আধুনিক, ক্যাশলেস ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলা কিউআরকে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সেবা হিসেবে নয়, বরং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে মো. আলতাফ হুসাইন বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ইসলামী ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ব্যাংকের বিস্তৃত শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে দেশের প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীসহ অধিকসংখ্যক মার্চেন্টকে বাংলা কিউআরের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
