সব নিষেধাজ্ঞা ও বাধা উপেক্ষা করে বা ফাঁকি দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহাল রয়েছে ইরানি অপরিশোধিত তেলের গোপন কেনাবেচা।
আল জাজিরা বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জানিয়েছে, গত শনিবার ‘হিউম্যানিটি’ নামের ৩৩০ মিটার দীর্ঘ এক বিশাল ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার মালাক্কা প্রণালী ও সিঙ্গাপুর পার হয়। এরপর এটি উত্তর-পূর্ব দিকে ঘুরে মালয়েশিয়া উপকূলের দিকে রওনা দেয় এবং নিজের ডিজিটাল অবস্থান ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বা ‘এআইএস’ সংকেত বন্ধ করে দেয়।
স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের উপাত্ত অনুযায়ী, দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়া উপকূল থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস’ (ইওপিএল) নামের ১,২০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত জলসীমায় গিয়ে পৌঁছায় ট্যাংকারটি।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঝসমুদ্রে অবস্থানরত অন্য কোনো জাহাজে তেল স্থানান্তরের প্রস্তুতি নিতেই সংকেত বন্ধ করে আড়ালে চলে যায় হিউম্যানিটি। একে বলা হয় ‘শিপ-টু-শিপ’ স্থানান্তর—যেখানে মাঝসমুদ্রে গোপনে মধ্যস্থতাকারীর জাহাজে জ্বালানি ঢেলে দেয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তেলের চূড়ান্ত গন্তব্য চীন। ইউএস-চীন ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের তথ্য বলছে, ঐতিহাসিকভাবে ইরান থেকে রপ্তানি হওয়া অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই কিনে নেয়া মূল ক্রেতা চীন।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
