শিক্ষা ডেস্ক:
চলতি বছরের একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে। বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও জিপিএ-এর ভিত্তিতেই কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনেই সম্পন্ন করতে হবে। এ বছরও নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসছে না— শিক্ষার্থীরা আগের মতোই সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রম হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ পাবে।
গত রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড কলেজ পরিদর্শকদের এক বৈঠকে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালার খসড়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত সব কলেজ পরিদর্শকই বিগত বছরগুলোর মতো এবারও জিপিএ-এর ভিত্তিতে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু রাখার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। তবে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করার দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। পরিদর্শকদের মতে, মন্ত্রণালয় থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, সেটিই চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, স্কুলের ভর্তি আর কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়ার মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। জিপিএ-র ভিত্তিতে অনলাইনে ভর্তি করালে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় হয় এবং এতে অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকে না। তাছাড়া, একজন শিক্ষার্থীর পক্ষে সশরীরে একাধিক কলেজে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রম হিসেবে দেওয়া সম্ভব। এমনকি প্রথম ধাপে সুযোগ না পেলেও পরের ধাপে পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ থাকে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই পুরো প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর সরাসরি কারিগরি সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলে মেধা তালিকা ও কলেজ নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্কের সুযোগ নেই বললেই চলে।
জানা যায়, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে জিপিএর ভিত্তিতে দেশের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। তবে এর বাইরেও মিশন বা চার্চ পরিচালিত কিছু প্রতিষ্ঠান আদালতের আদেশের ভিত্তিতে নিজেদের স্বতন্ত্র ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছে। এসব কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লিখিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এগুলো হলো নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজ, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল এবং সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
