‘সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪,৭৩০টি বীর নিবাস নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।’
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যেমন বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক এর পরিবারকে প্রদেয় ভাতার হার পাঁচ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ৪০ হাজার, ৩০ হাজার, ও ২৫ হাজার করার প্রস্তাব করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন তিনি। এ সময় তিনি সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা ২০ হাজার টাকা অপরিবর্তিত রাখারও প্রস্তাব করেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪,৭৩০টি বীর নিবাস নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা, চিকিৎসা সেবা ও দাফন অনুদানসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান অব্যাহত রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।
তিনি জানান, এমআইএস পদ্ধতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং জিটুপি প্রক্রিয়ায় সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতা ইএফটি প্রক্রিয়ায় প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
