মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসে জনবল কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদন:

·

, ,

মার্কিন নাগরিক ও কর্মকর্তাদের ওপর ইরান হামলা চালাতে পারে—এমন আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের চারটি দেশে অবস্থিত দূতাবাসে জনবল কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশগুলো হলো—জর্ডান, লেবানন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইরানের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হামলার পরিকল্পনাও অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের হুমকির সঙ্গে দূতাবাসগুলোতে জনবল কমানোর সিদ্ধান্তের সম্পর্ক রয়েছে।

তবে দূতাবাসগুলো বন্ধ হচ্ছে না এবং সংশ্লিষ্ট চার দেশ থেকে মার্কিন কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়নি। সৌদি আরবে অবশ্য অপ্রয়োজনীয় মার্কিন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য নতুন হামলার সঙ্গে জনবল কমানোর সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত থাকলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী।

যুদ্ধের অচলাবস্থার মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আবার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ফেরাতে মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়লে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বিশ্ব অর্থনীতি আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ