বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্বে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিএনপি।
সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে রুহুল কবির রিজভী সুস্পষ্টভাবে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্বের সঙ্গে জড়িত হয় এবং তদন্তে যদি সেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হয়, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপি সব সময় জনগণের সঙ্গে সমতার পরিচয় দিয়েছে এবং অঙ্গীকার রক্ষার পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সরকার অত্যন্ত সততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়নে বিরোধী দলের আনা ব্যর্থতার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, এটি বিরোধী দলের একটি ঢালাও মন্তব্য।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সরকারের কাজের ডাটা প্রসেস করে ইতিবাচক প্রতিবেদন দিচ্ছে।
এছাড়া বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল কবে হবে-সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী জানান, কাউন্সিলের বিষয়টি নিয়ে দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা চলছে। তবে দিন, তারিখ ও মাস এখনও চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এ সময় সম্প্রতি রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান রিজভী। সামগ্রিক পরিস্থিতি খারাপ না হলেও এখান থেকে উত্তরণ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এ নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
