ইতিহাসে ঐতিহ্যে বাংলাদেশের পাঁচটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

সুলতানি আমলের ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে ৪৫১ ফুট মিনারের ২০১ গম্বুজ মসজিদ: বাংলাদেশের পাঁচটি মসজিদের ইতিহাস, স্থাপত্য ও বিশেষত্ব।

বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের লাল ইটের সম্মুখভাগ ও গম্বুজের সারি

প্রতিবেদন:

·

,

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ। এমনকি রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের নগরী’। দেশের প্রতিটি প্রান্তে আজানের সুমধুর ধ্বনিতে একদিকে যেমন সকাল শুরু হয়, অন্যদিকে তেমনি সন্ধ্যাও নামে মুয়াজ্জিনের আহ্বানে।

এসব মসজিদের কোনোটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, আবার কোনোটি আধুনিক স্থাপত্য ও নির্মাণশৈলীতে মুগ্ধ করছে অসংখ্য দর্শনার্থীকে। বিশাল গম্বুজ, সুউচ্চ মিনার, কারুকার্যময় দেয়াল কিংবা বিস্তৃত প্রাঙ্গণ—প্রতিটি স্থাপনার সৌন্দর্যের ধরন আলাদা।

বাংলাদেশের মসজিদ স্থাপত্যে যেমন সুলতানি আমলের ঐতিহ্য রয়েছে, তেমনি রয়েছে আধুনিক নির্মাণশৈলীর বৈচিত্র্য। সেই বৈচিত্র্যের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো দেশের পাঁচটি বৃহৎ ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। চলুন, জেনে নেওয়া যাক এসব মসজিদের ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও বিশেষত্ব।

১. বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, ঢাকা

বায়তুল মোকাররম মসজিদের পূর্ব ফটক ও মিনার
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ফটক ও মিনার, ঢাকা। ছবি: T. Galib, উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ঢাকার ব্যস্ত কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা বায়তুল মোকাররম শুধু বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদই নয়, স্থাপত্যের দিক থেকেও এটি বেশ স্বতন্ত্র। শহরের ব্যস্ততার মধ্যে এর বিশাল ঘনকাকার অবয়ব সহজেই চোখে পড়ে। প্রচলিত মসজিদের নকশা থেকে কিছুটা ভিন্ন এই স্থাপনাটি দেশের আধুনিক মসজিদ স্থাপত্যের অন্যতম পরিচিত নিদর্শন।

মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৬০ সালের ২৭ জানুয়ারি। এর নকশা করেন স্থপতি টি. আবদুল হুসেন থারিয়ানি। নির্মাণকাজ শুরুর প্রায় তিন বছর পর, ১৯৬৩ সালের ২৫ জানুয়ারি শুক্রবার, এখানে প্রথম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

বায়তুল মোকাররমের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক এর ঘনকাকার নকশা, যা পবিত্র কাবা শরিফের স্থাপত্যরীতির কথা মনে করিয়ে দেয়। আটতলা এই মসজিদের মূল নামাজকক্ষের ছাদে প্রচলিত গম্বুজ নেই। মসজিদের এই ব্যতিক্রমী নকশা ও সংযত অলংকরণই একে দেশের অনেক পরিচিত মসজিদ থেকে আলাদা করেছে।

বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররমে একসঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশাল ধারণক্ষমতা, স্বতন্ত্র স্থাপত্য এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান—সব মিলিয়ে মসজিদটি বাংলাদেশের ধর্মীয় ও স্থাপত্য ঐতিহ্যে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

২. ২০১ গম্বুজ মসজিদ, টাঙ্গাইল

কেন্দ্রীয় গম্বুজ ঘিরে ২০১ গম্বুজ মসজিদের ছোট গম্বুজের সারি
ওপর থেকে টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদ। ছবি: Md shahanshah bappy, উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে ঝিনাই নদীর তীরে অবস্থিত ২০১ গম্বুজ মসজিদ। ব্যতিক্রমী নির্মাণশৈলী, অসংখ্য গম্বুজ ও সুউচ্চ মিনারের কারণে মসজিদটি ইতোমধ্যে দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে।

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ১৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রধান আকর্ষণ এর ২০১টি গম্বুজ। এর মধ্যে রয়েছে একটি বড় কেন্দ্রীয় গম্বুজ, যেটিকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে ২০০টি ছোট গম্বুজ। গম্বুজগুলোর পাশাপাশি মসজিদের চারপাশে থাকা মিনারগুলোও এর স্থাপত্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

মসজিদটির সবচেয়ে আলোচিত স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এর ৪৫১ ফুট উচ্চতার মিনার। ২০১৯ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে এটিকে বিশ্বের অন্যতম উঁচু কংক্রিটের মিনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বিশাল গম্বুজের বিন্যাস ও সুউচ্চ মিনারের সমন্বয়ে মসজিদটি বাংলাদেশের আধুনিক ইসলামি স্থাপত্যের একটি ব্যতিক্রমী নিদর্শন হয়ে উঠেছে। ২০১৯ সালে আরব নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে সময় মসজিদটিতে একসঙ্গে ১৫ হাজারের বেশি মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল।

৩. বাইতুল আমান জামে মসজিদ (গুঠিয়া মসজিদ), বরিশাল

গুঠিয়া মসজিদ, মিনার ও চারপাশের বাগান
ওপর থেকে বরিশালের গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স। ছবি: Azim Khan Ronnie, উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রামে অবস্থিত বাইতুল আমান জামে মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে গুঠিয়া মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত। সাদা রঙের বিশাল মসজিদ ভবন, সুউচ্চ মিনার, পুকুর ও ফুলের বাগান—সব মিলিয়ে পুরো কমপ্লেক্সটি দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে।

২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মসজিদ ও ঈদগাহ কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। প্রায় ১৪ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০০৬ সালে। নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তাঁর ছোট ভাই মো. আমিনুল ইসলাম নিপু।

মসজিদটির স্থাপত্যে রয়েছে ২০টি গম্বুজ এবং প্রায় ১৯৩ ফুট উঁচু একটি মিনার। এর নকশায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মসজিদের স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব রয়েছে। তবে গুঠিয়া মসজিদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যও চোখে পড়ার মতো। ভেতরের দেয়ালে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতের ক্যালিগ্রাফি, রঙিন কাচ, মার্বেল পাথর ও সিরামিকের কাজ মসজিদের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।

মসজিদের মূল প্রবেশপথের পাশে রয়েছে একটি বড় পুকুর। পুকুরের পানিতে মসজিদের প্রতিবিম্ব দেখা যায়, যা পুরো স্থাপনাটিকে অন্য রকম সৌন্দর্য দেয়। চারপাশে ফুলের বাগান, পাকা হাঁটার পথ এবং প্রবেশপথের দুটি ফোয়ারা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় মসজিদ ও এর আশপাশের পরিবেশ হয়ে ওঠে আরও আকর্ষণীয়।

মসজিদটির পাশেই রয়েছে ২০ হাজারের বেশি মানুষের ধারণক্ষমতার একটি ঈদগাহ মাঠ। এ ছাড়া কমপ্লেক্সে রয়েছে এতিমখানা, হাফেজি মাদ্রাসা, কবরস্থান ও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। ধর্মীয় উপাসনালয়ের পাশাপাশি স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই কমপ্লেক্স বরিশালের অন্যতম পরিচিত দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

৪. ষাট গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট

ষাট গম্বুজ মসজিদের লাল ইটের দেয়াল ও গম্বুজের সারি
বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ। ছবি: Belayet, উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পঞ্চদশ শতকে নির্মিত এই মসজিদ বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন। বিশাল ইটের ভবন, পুরু দেয়াল, খিলান ও সারিবদ্ধ পাথরের স্তম্ভ মসজিদটির স্থাপত্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৪৪২ সালে এবং ১৪৫৯ সালে তা সম্পন্ন হয় বলে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। খান জাহান আলীর উদ্যোগে নির্মিত এই স্থাপনা একসময় শুধু নামাজের স্থান হিসেবেই নয়, মাদ্রাসা ও সভাকক্ষ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। এর নির্মাণশৈলীতে মধ্যযুগীয় বাংলার স্থাপত্যদক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়।

নাম ষাট গম্বুজ হলেও মসজিদটির ছাদে রয়েছে ৭৭টি গম্বুজ। এর মধ্যে ৭০টি অর্ধগোলাকার এবং মাঝের সারিতে রয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী চৌচালা ঘরের ছাদের আদলে তৈরি সাতটি গম্বুজ। চার কোণের মিনার বা বুরুজের ওপর থাকা আরও চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টি। অন্যদিকে, মসজিদের ভেতরে উত্তর থেকে দক্ষিণে ছয় সারিতে ১০টি করে মোট ৬০টি পাথরের স্তম্ভ রয়েছে। এই স্তম্ভগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে মসজিদের বিশাল ছাদ ও গম্বুজের কাঠামো।

মসজিদের লাল ইটের দেয়াল, খিলান এবং পোড়ামাটির অলংকরণ এর সৌন্দর্যকে আরও স্বতন্ত্র করে তুলেছে। বিশাল প্রার্থনাকক্ষের ভেতরে সারিবদ্ধ স্তম্ভ ও খিলানের বিন্যাস স্থাপনাটির নির্মাণকৌশলের পরিচয় বহন করে।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী ১৯৮৫ সালে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সেই ঐতিহাসিক নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ষাট গম্বুজ মসজিদ। ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও নির্মাণকৌশলের সমন্বয়ে এটি বাংলাদেশের মধ্যযুগীয় ইসলামি ঐতিহ্যের এক মূল্যবান নিদর্শন।

৫. পাগলা বড় জামে মসজিদ, সুনামগঞ্জ

মোগল প্রাসাদের আদলে নির্মিত পাগলা বড় জামে মসজিদের সম্মুখভাগ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পাগলা বড় জামে মসজিদ। ছবি: স্বরুপ চক্রবর্তী, উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে মহাসিং নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা বড় জামে মসজিদ। স্থানীয়ভাবে এটি রায়পুর বড় জামে মসজিদ নামেও পরিচিত। মোগল প্রাসাদের আদলে নির্মিত দ্বিতল এই মসজিদটি এর ব্যতিক্রমী স্থাপত্যশৈলী ও কারুকাজের জন্য পরিচিত।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ইয়াসিন মির্জা ভারতের কলকাতাসহ বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণের সময় সেখানকার স্থাপত্যশৈলী দেখে নিজ গ্রামে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেন। মসজিদটির প্রধান স্থপতি ছিলেন মুমিন আস্তাগার। নির্মাণকাজ শেষ করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগে। স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়াসিন মির্জার ভাই ইউসুফ মির্জাও মসজিদটি নির্মাণে যুক্ত ছিলেন।

মসজিদটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক এর তিনটি বড় গম্বুজ ও ছয়টি সুউচ্চ মিনার। দ্বিতল ভবনটির বাইরের নকশায় যেমন মোগল প্রাসাদের স্থাপত্যের ছাপ রয়েছে, তেমনি ভেতরেও রয়েছে নানা ধরনের কারুকাজ। মসজিদের মেঝেতে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা ও কালো পাথর। পাথরখচিত মেহরাব, নকশা করা প্রবেশপথ এবং দেয়ালের অলংকরণ এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়েছে।

নির্মাণশৈলীর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, মসজিদটির মূল কাঠামো ইটের গাঁথুনির ওপর নির্মিত; এতে প্রচলিত রডের ব্যবহার করা হয়নি। নিচতলার ছাদ নির্মাণেও ব্যবহার করা হয়েছে রেললাইনের স্লিপার। মসজিদের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মহাসিং নদী। নদীর তীরঘেঁষা অবস্থান, সামনের ঈদগাহ মাঠ এবং চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ পুরো স্থাপনাটিকে দিয়েছে আলাদা সৌন্দর্য।

বাংলাদেশের মসজিদ স্থাপত্যের সৌন্দর্য কেবল বিশাল গম্বুজ কিংবা সুউচ্চ মিনারে সীমাবদ্ধ নয়। কোথাও শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাস ও সুলতানি আমলের নির্মাণশৈলী, কোথাও আধুনিক স্থাপত্যের বৈচিত্র্য, আবার কোথাও বিস্তৃত প্রাঙ্গণ ও নান্দনিক নকশায় ফুটে উঠেছে এই স্থাপত্যের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

আলোচিত পাঁচটি মসজিদ বাংলাদেশের সেই বৈচিত্র্যময় স্থাপত্যঐতিহ্যেরই কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এসব স্থাপনা দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে আছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে এসব মসজিদের স্থাপত্যসৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব ধরে রাখতে প্রয়োজন যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ