ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন করে পাঁচ লাখ সেনা সংগ্রহের পরিকল্পনা করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে রাশিয়ার ডুমা বা সংসদীয় নির্বাচনের পরেই এই বিশাল সেনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন যে পুতিন এই যুদ্ধ থামানোর কোনো পক্ষপাতী নন এবং তিনি তার দেশের সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভয়ের কারণে এই সেনা সমাবেশ ‘খোলাখুলিভাবে’ করবেন না।
ইউক্রেনীয় নেতার মতে, এত বিশাল সংখ্যক মানুষকে একসঙ্গে দ্রুত প্রশিক্ষণ দেওয়া রাশিয়ার পক্ষে সম্ভব নয়, যার ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনার সংখ্যা বেড়ে যাবে। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়বে রুশ সেনাদের বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কার মধ্য দিয়ে।
এদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে গভীরে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ায় এই যুদ্ধ আরও মারাত্মক মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ফ্রন্টলাইন থেকে যুদ্ধ যখন পেছনের দিকে বা সাধারণ জনগণের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন কোনো দেশের জন্য প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় যুদ্ধ জয় বা পরাজয়ের চেয়ে একটি জাতি হিসেবে তাদের টিকে থাকা।
এমন পরিস্থিতিতে পুতিন তার শেষ বিকল্প বা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবতে পারেন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর এডিটরস ডেস্ক প্রোগ্রামে কথা বলতে গিয়ে ফিদান এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেন এবং বিষয়টি পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে বলে জানান।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
