FIFA

  • মেসির কাছ থেকে উপহারও পাবেন ক্লোসা

    মেসির কাছ থেকে উপহারও পাবেন ক্লোসা

    এ বিশ্বকাপেই মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ভেঙেছেন লিওনেল মেসি। দীর্ঘদিন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা ছিল ক্লোসার দখলে। এ বিশ্বকাপে ক্লোসার ১৬ গোল ছাড়িয়ে গেছেন মেসি, এখন তাঁর গোল ২১টি।

    সর্বোচ্চ গোলের এ রেকর্ড ভিনদেশি কারও কাছে হাতছাড়া হলে একটু খারাপ লাগা থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই আফসোস ক্লোসার নেই। এমনকি রেকর্ড ভাঙার পর নাকি আর্জেন্টাইন তারকার সঙ্গে কথাও হয়েছে তাঁর।

    ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্লোসা বলেছেন, ‘মেসি এক অবিশ্বাস্য বিস্ময়কর প্রতিভা!’ এরপর মেসির সঙ্গে কথোপকথনের বর্ণনা দেন জার্মানির সাবেক এই তারকা ফুটবলার।
    ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইতালিয়ান ক্লাব লাৎসিওতে লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে একই দলে খেলেছিলেন ক্লোসা। ওই বন্ধুত্বটা তাঁদের রয়ে গেছে এখনো। স্কালোনি এখন আর্জেন্টিনার কোচ। তাঁর সূত্রেই ক্লোসার কথা হয়েছে মেসির সঙ্গে।

    পুরো গল্পটা ক্লোসার মুখেই শুনুন, ‘স্কালোনি আমার সতীর্থ ছিল। আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ আছে। মেসি আমার বিশ্বকাপের গোল করার রেকর্ড স্পর্শ করার পর স্কালোনিই আমাদের মধ্যে এই ফোনালাপের ব্যবস্থা করে দেয়। খুবই আবেগঘন মুহূর্ত ছিল এটা।’

    এখানেই শেষ নয়, কথোপকথনের সময় আর্জেন্টাইন অধিনায়ক তাঁকে একটি উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। হাসিমুখে ক্লোসা জানান, ‘সে (মেসি) আমাকে বলেছে যে সে আমাকে নিজের সই করা একটি জার্সি পাঠাবে।’

    ২০১৪ সালে ব্রাজিলের মাটিতে জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন ক্লোসা। ওই বিশ্বকাপের ফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। এ ছাড়া একাধিকবার তাঁর মুখোমুখি হয়েছেন।

    বর্তমানে জার্মানির দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এফসি নুরেমবার্গের কোচের দায়িত্বে থাকা ক্লোসা জানিয়েছেন, মেসির সঙ্গে নাকি কখনো এত লম্বা আলাপ হয়নি তাঁর, ‘মেসির সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হয়েছে, যা সব সময়ই খুব আনন্দদায়ক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল। কিন্তু ফুটবলের বাইরে এবারই প্রথম আমরা দীর্ঘ সময় ধরে কথা বললাম।’

    মেসি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পর প্রকাশ্যেই আর্জেন্টিনার এই অধিনায়কের প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়েছিলেন ক্লোসা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসি ১৮তম গোল করে ছাড়িয়ে যাওয়ার পর তখন জার্মানির সাবেক এই স্ট্রাইকার বলেছিলেন, ‘আমার কাছে লিওনেল মেসি সর্বকালের সেরা ফুটবলার। অভিনন্দন, চ্যাম্পিয়ন!’

    এবার তো কথা হয়ে গেল খোদ মেসির সঙ্গেই।

  • সেমিফাইনালে নিষেধাজ্ঞার মুখে ১৮ ফুটবলার

    সেমিফাইনালে নিষেধাজ্ঞার মুখে ১৮ ফুটবলার

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    ৪৮ দলের লড়াই পর্ব শেষে বিশ্বকাপ এখন রূপ নিয়েছে ৮ দলের লড়াইয়ে। এক দিনের বিরতির পর বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মাঠে গড়াচ্ছে ফিফার এই মেগা ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল।

    তবে শেষ আটের মহারণে নামার আগে বড় ধরনের দুর্ভাবনায় রয়েছেন অংশ নেয়া দলগুলোর অন্তত ১৮ জন ফুটবলার। এই ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখলেই দল সেমিফাইনালে উঠলেও দর্শক হয়ে থাকতে হবে তাদের।

    ফলে শেষ আটের প্রতিটি ম্যাচে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের পাশাপাশি সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে শৃঙ্খলা। একটি ভুল ট্যাকল, অপ্রয়োজনীয় ফাউল কিংবা রেফারির সাথেই তর্কই কেড়ে নিতে পারে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ।

    সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তায় রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার ইতোমধ্যে নকআউট পর্বে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। তাই কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রত্যেককেই বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।

    ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে, আর আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলারও একই ঝুঁকিতে আছেন। অর্থাৎ আট দলের মধ্যে কেবল কোনো ঝুঁকি নেই কলম্বিয়ার খেলোয়াড়দের।

    প্রথমবারের মতো মাঠে গড়ানো ৪৮ দলের বিশ্বকাপে যোগ হয়েছে একটি অতিরিক্ত নকআউট পর্ব। তাই হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন আসে। আগের নিয়ম বহাল থাকলে নকআউটে অনেক তারকা ফুটবলারকে হারানোর আশঙ্কা ছিল।

    তাই গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগে বাতিল (রিসেট) করা হয়। তবে শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা আছেন ঝুঁকিতে।

    কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি কার্ড দেখলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডের নিয়মানুসারে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। সে ক্ষেত্রে দল সেমিফাইনালে উঠলেও তারা মাঠে নামতে পারবেন না।

    অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে আবারো হলুদ কার্ডের হিসাব রিসেট হবে। ফলে হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল মিস করবেন না। তবে সেমিফাইনালে লাল কার্ড দেখলে ফাইনালে নিষিদ্ধ থাকতে হবে।

    আর গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা থাকবে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির। সেটা অবশ্য অন্য বিষয়।

    নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে যে ১৮ ফুটবলার

    ইংল্যান্ড : জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেয়ি

    মরক্কো : ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খানুস

    ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে, ব্রাডলি বারকোলা

    সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম

    আর্জেন্টিনা : গঞ্জালো মন্টিয়েল

    স্পেন : ফেররান তোরেস

    বেলজিয়াম : ব্র্যান্ডন মেচেলে

    নরওয়ে : অ্যান্তোনিও নুসা

  • মেসিকে নিয়ে কেন আনন্দিত ইয়ামাল

    মেসিকে নিয়ে কেন আনন্দিত ইয়ামাল

    ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে পৌঁছালেও জাদু দেখানো শেষ হয়নি লিওনেল মেসির। প্রতিনিয়ত মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সেও তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে পুলকিত লামিনে ইয়ামাল। মেসিকে নিয়ে তাই ভীষণ আনন্দিত ইয়ামাল।

    আর্জেন্টাইন অধিনায়কের প্রতি মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম এল মুন্দো দের্পোতিভোয়। স্পেনের প্লেমেকার বলেছেন, ‘অবিশ্বাস্য। মেসি কে সবাই জানে। কিন্তু এই বয়সে এসেও তার কাছে এমন দুর্দান্ত পারফম্যান্স, হয়তো কেউ আশাই করেনি। এ জন্যই তাকে নিয়ে আমি সত্যি আনন্দিত।’ ২০২২ বিশ্বকাপে নিজের আজন্ম স্বপ্ন পূরণ করেছেন মেসি।

    স্বপ্নের বিশ্বকাপ জেতায় মনে করা হচ্ছিল তার আর কিছুই চাওয়া-পাওয়া নেই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে যা করছেন তাতে মনে হচ্ছে ক্ষুধা যেন তার শেষ হয়নি। কাতার বিশ্বকাপের মতোই এবারও আর্জেন্টিনাকে একাই টানছেন ইন্টার মিয়ামির স্ট্রাইকার। দলের ১৪ গোলের ৮টি তার করা।

    বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া নেইমার-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়েও কথা বলেছেন ইয়ামাল।

    এখন যারা খেলছে তাদের শৈশব রাঙিয়ে দিয়েছে এমনটা জানিয়ে বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘নেইমার-রোনালদোকে নিয়েও আমি আনন্দিত। যদিও তারা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। এখন যারা খেলছে তাদের শৈশব রাঙানোর নায়ক তারা।’

  • বিশ্বকাপে কোন দল কতটি হলুদ কার্ড দেখেছে

    বিশ্বকাপে কোন দল কতটি হলুদ কার্ড দেখেছে

    বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৯৬টি খেলা হয়েছে। ৪৮ দল লড়াই করেছে। এখন রয়েছে ৮ দল। আজ বৃহস্পদতবার রাতে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ। দলগুলো চিন্তায় আছে হলুদ কার্ড নিয়ে। এ জায়গায় অন্যদের চেয়ে বেশি স্বস্তিতে আছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার আগে দলটি শুধু গনসালো মন্তিয়েলের নামের পাশেই হলুদ কার্ড আছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে হলুদ কার্ড দেখলে তিনি সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।

    কোয়ার্টার ফাইনাল টিকে থাকা দলগুলোর ফাউল ও হলুদ কার্ডের পরিসংখ্যান হলো—

    আর্জেন্টিনা মোট ফাউল করেছে ৫৯টি, এজন্য ৩টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১৯.৭ শতাংশ। বেলজিয়াম মোট ফাউল করেছে ৬০টি, এজন্য ৪টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১৫.০ শতাংশ। ইংল্যান্ড মোট ফাউল করেছে ৫৪টি, এজন্য ৭টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ৭.৭ শতাংশ। ফ্রান্স মোট ফাউল করেছে ৪৯টি, এজন্য ৪টি হলুদ কার্ড দেখেছে।ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১২.৩ শতাংশ।

    মরক্কো মোট ফাউল করেছে ৬১টি, এজন্য ৬টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১০.২ শতাংশ। নরওয়ে মোট ফাউল করেছে ৪৮টি, এজন্য ২টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ২৪.০ শতাংশ। স্পেন মোট ফাউল করেছে ৫৫টি, এজন্য ৩টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১৮.৩ শতাংশ। সুইজারল্যান্ড মোট ফাউল করেছে ৬৯টি, এজন্য ৬টি হলুদ কার্ড দেখেছে। ফাউল প্রতি হলুদ কার্ড ১১.৫ শতাংশ।