হাম

  • হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪

    হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এ রোগের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৮০ শিশু এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৪ জনের। সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী ১,০৬৪ শিশু । এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছে এক হাজার ৮৭ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০১ শিশুর। বাকী ৯৮৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৯১২ শিশু।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জন। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ২১ হাজার ৯৯ জন।

    এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ১৫৫ শিশু। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৬ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৩ শিশুর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা বিভাগের একজন করে রয়েছে। আর একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯৪ জন হাম উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে। আর নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ৫১ জন।

  • ৩৪ লাখ শিশুকে হামের বিশেষ টিকা শনিবার থেকে

    ৩৪ লাখ শিশুকে হামের বিশেষ টিকা শনিবার থেকে

    শিশুদের কান্না থামছে না, কেননা শরীরে লালচে দাগে মৃত্যুর সংখ্যাটাও যে এখনও কমছে না। প্রতিদিনই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হামের এই সংক্রমণ। নিয়ন্ত্রণে তাই টিকাদানেই জোর দিচ্ছে সরকার। টিকাদানের পরিধি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। দ্বিতীয় দফায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন। চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। আর নিয়মিত টিকাদানে যেসব শিশু বাদ পড়েছে, তাদেরও আনা হচ্ছে টিকার আওতায়।

    হামে আক্রান্ত শিশুদের মায়েরা জানান, টিকা দেয়ার আগে থেকেই অসুস্থ। টিকা দেয়ার সময় আসছিল। যেদিন টিকা দেব, সেদিন থেকেই জ্বর-ঠান্ডা হচ্ছে। এরপর আমরা অসুস্থতার জন্য আর টিকা দিইনি। আমরা তো ওইভাবে বুঝতে পারতেছি না যে, জ্বরের কারণে হচ্ছে, নাকি ঠান্ডার কারণে। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য টিকা নেয়া জরুরি। এজন্য এই ক্যাম্পেইনে বাবা-মাকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

    টিকা নেয়ার বিষয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. হালিমা জানান, ৯ থেকে ১৫ মাসে যে দুটি টিকা আমরা যেটিকে এমআর ভ্যাকসিন বলি, অবশ্যই সেটা নিতে হবে। যথারীতি, সরকারের ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী টিকা নেবে এবং অতিরিক্ত ডোজটিও নিয়ে রাখবে। মা-বাবাদের বলতে চাই, আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের অবশ্যই টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন এবং হাম-রুবেলার যে ভ্যাকসিনটা, অবশ্যই আপনারা সবাই দেবেন।

    এদিকে, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, যেটা শুরু হবে, এটাকে বলে মপআপ প্রোগ্রাম। মপআপ মানে হচ্ছে, যারা বাদ পড়ে গিয়েছে, বা যারা জানত না, বা কোনো কারণে তাদের লজিস্টিক প্রবলেমে আসতে পারেনি, তাদেরকে ক্যাচ করা। সুতরাং, এটাও একটা বিরাট ফ্যাক্টর।

    আগের কর্মসূচির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য স্বাস্থ্য বিভাগের। তবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত জানান, যেকোনো রোগের প্রিভেনশন এবং কন্ট্রোলের জন্য আপনার এক ধরনের ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাপ্রোচ দরকার হয়। কারণ, প্রিভেনশনের কাজটা হবে সমাজে, কমিউনিটিতে এবং সেটার সঙ্গে দরকার অ্যাওয়ারনেস, সচেতনতা।

    এর আগে ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে চলে হামের টিকাদান কর্মসূচি। সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

  • হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল

    হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল

    আইন-আদালত

    হামে আক্রান্ত এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কেন ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ড. ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫টি শিশু।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে মোট ৭৩৯ শিশু। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯৬ শিশুর। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৮৩৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩৫ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গজনিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৭০ জন। এ সময়ে ৮১৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৫৫ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১০ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৮৭৪ জনের।

    এ সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ১৮২ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

  • হামের ইনফেকশনে নিউমোনিয়া হতে পারে

    হামের ইনফেকশনে নিউমোনিয়া হতে পারে

    বর্ষাকালে ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বাড়তে দেখা যায়। এছাড়া বায়ুদূষণ, দীর্ঘদিনের কাশি ইত্যাদি বিষয়ে আজ আমরা হ্যালো ডাক্তার বিভাগে কথা বলব বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের সঙ্গে।

    প্রশ্ন : হামে আক্রান্ত শিশুমৃত্যুর ঘটনায় নিউমোনিয়াকে একটি বড় জটিলতা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার সম্পর্ক কী এবং এটি কেন এতটা প্রাণঘাতী হয়?

    উত্তর : হাম হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মূলত শিশুদের হয়ে থাকে। অতীতে দেখা গেছে, ৯ মাস থেকে ৫ বা ৬ বছর বয়সিদের মধ্যে বেশি হয়। হাম হলে শরীরে জ্বর হয়, সর্দি হবে এবং চোখ লাল হয়ে যায়। তিন থেকে চার দিন পরে শরীরে একধরনের র‍্যাশ হয়, যেটিকে ফুসকুড়ি বলা হয়। এর সঙ্গে নিউমোনিয়ার সম্পর্ক হলো দ্বিতীয় ধাপে। যাদের হাম হয়, তাদের সেকেন্ডারি ইনফেকশনের মাধ্যমে নিউমোনিয়া হতে পারে। এছাড়া ভাইরাসজনিত রোগে এক ধরনের ফুসফুসের প্রদাহ হয়, যেটিকে আমরা এআরডিএস (ARDS) লাইক সিন্ড্রোম বলি। যখন এআরডিএস লাইক সিন্ড্রোম হয় অথবা নিউমোনিয়া খুব বেশি হয়ে যায়, তখন বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হয়। বাচ্চার অক্সিজেন স্যাচুরেশন বা অক্সিজেন নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, তখন বাচ্চা আস্তে আস্তে খারাপ হয়ে যায়।

    প্রশ্ন : বায়ুদূষণ ফুসফুসের স্বাস্থ্যের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে? এ থেকে বাঁচার উপায় কী?

    উত্তর : বায়ুদূষণের কারণে ফুসফুসের কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন : কাশি হবে, শ্বাসকষ্ট হবে এবং দীর্ঘ মেয়াদের জন্য সিওপিডি (COPD) অথবা এমফাইসিমা হতে পারে। এর কারণে বয়স্কজনিত দীর্ঘদিনের শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয়; শ্বাসকষ্ট হলে রোগী হাঁটতে হাঁপিয়ে যান। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে। এজন্য আমাদের উচিত বায়ুদূষণ রোধ করা। যেসব কারণে বায়ুদূষণ হয়, সেগুলো থেকে আমাদের সবাইকে বিরত এবং সচেতন থাকতে হবে।

    প্রশ্ন : দীর্ঘদিনের কাশি হলে কোন লক্ষণগুলো গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?

    উত্তর : প্রথমত, তিন সপ্তাহের বেশি কাশি হলে রোগীর যক্ষ্মা হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, দীর্ঘদিনের কাশি হলে তার ব্রংকাইটিস, কাশিজনিত বা শ্বাসকষ্টের রোগীরও বিভিন্ন ধরনের সময় কাশি হয়। আমরা যেটিকে বলি ‘কাফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা’, যদি এর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট থাকে, তাহলে সেটি হাঁপানি রোগী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    প্রশ্ন : বর্ষাকালে ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্টজনিত রোগ কেন বেড়ে যায়?

    উত্তর : ঋতুর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ারও পরিবর্তন এবং বায়ুদূষণও হয়। বিশেষ করে, শীতকালে যখন বৃষ্টি না হয়, তখন ধুলাবালি বেশি থাকে। সেখানে পরাগরেণু থাকে এবং সেটিও শ্বাসকষ্টের একটা অন্যতম কারণ। এ ছাড়া বর্ষাকালে বৃষ্টি, ঠান্ডা বাতাস ও আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ে। এসব রোগে আক্রান্ত হলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

    প্রশ্ন : এ সময়টায় কোন ধরনের রোগী বেশি পাচ্ছেন?

    উত্তর : বর্তমানে আমরা সবচেয়ে বেশি পাচ্ছি ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী, যাদের মধ্যে সর্দি-কাশির উপসর্গও রয়েছে। এ ছাড়া যাদের অ্যাজমা ও সিওপিডি রয়েছে, বর্ষাকালে বৃষ্টি এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং রোগের উপসর্গ তীব্র হতে পারে। পাশাপাশি বর্তমানে নিউমোনিয়ার রোগীও বাড়ছে। সাধারণ জ্বরের সঙ্গে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও এখন তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।

  • হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, মোট মৃত্যু ৭১৬

    হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, মোট মৃত্যু ৭১৬

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬২৩ এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭১৬।

    আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১ হাজার ৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪১ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১১ হাজার ৮৫১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩ হাজার ৮০৬ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮০ হাজার ১৯৩ জন।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের

    হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬১৯ এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭১২।

    আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৯৪১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১৬ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ১১ হাজার ৭১০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮২ হাজার ৮৪৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৭৯ হাজার ১৫২ জন।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • হামে প্রাণ গেল আরো তিন শিশুর, নতুন আক্রান্ত ১১৩৫

    হামে প্রাণ গেল আরো তিন শিশুর, নতুন আক্রান্ত ১১৩৫

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৯ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৬ জনের। সবমিলিয়ে হামের নতুন রোগী এক হাজার ১৩৫ জন।

    এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে অর্থাৎ একশ একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৬১ জন এবং মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৮৬ জনের। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর এবং ৫৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৯৪ হাজার ৭৬৪ জন। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ১১ হাজার ২৯৭ জন। আর এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ হাজার ৭১৬ জন। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৯৭১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছে। আর ‘সন্দেহজনক’ আক্রান্তের মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে রোগী পাওয়া গেছে ৪৫৩ জন। এর মধ্যে ৭৬ জনের নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ৩০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৭ শিশু এবং সন্দেহজনক হাম মৃত্যু হয়েছে ২৫১ জনের। এরপরেই রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে দুইজনসহ মোট ৯০ জন, সিলেটে তিনজনসহ ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ১০ জনসহ ৬০ জন, বরিশালে ১৯ জনসহ ৫৮ জন, ময়মনসিংহে দুইজনসহ ৫৭ জন, খুলনাতে হামের উপসর্গে ২৭ জন এবং রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১২৫ জন। তাদের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬০ জনের।

    হামের উপসর্গে তিন শিশু রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে মারা গেছে।

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৯০ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট ৬৮৩ শিশু মারা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৯৩ হাজার ৭৫৫ শিশুর। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৭১ শিশুর। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ চার হাজার ৯২৬ শিশু।

    এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৭ হাজার ৭৪৩ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৭৩ হাজার ৯৮৫ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ৮৮৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর হাসপাতাল ছেড়েছে এক হাজার ১৩৬ শিশু।

  • হাম উপসর্গে আরো ৪ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরো ৪ শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৮৯৫ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১১ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৬৩৪ জন।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চারজনের মৃত্যু হলেও নিশ্চিত হাম রোগে এ সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৬৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৩ জন।