হাম ও হাম উপসর্গ

  • হাম উপসর্গে ৫ জনের প্রাণহানি, নতুন আক্রান্ত ১০৩১

    হাম উপসর্গে ৫ জনের প্রাণহানি, নতুন আক্রান্ত ১০৩১

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১০৩১ জন।

    বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৫৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা এক লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৯২ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৫ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭২৬ জন।

    গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৭ জন।

    একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৪৮৯ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৮৫৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • তিন মাসে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত এক লাখ ছাড়ালো

    তিন মাসে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত এক লাখ ছাড়ালো

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৯ জন এবং নিশ্চিত হামে শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জনের। তাতে সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী পাওয়া গেল এক হাজার ১৪৮ জন।

    এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে অর্থাৎ ৯৬ দিনে হাম ও হামের উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৭৭ জনে এবং মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৬৬ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। বাকী ৫৭৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জন। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ১০ হাজার ৭৭৩ জন। আর এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে দুই জন সিলেট বিভাগের, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে শিশু মারা গেছে। একই সময়ে ‘সন্দেহজনক’ আক্রান্তের মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে রোগী পাওয়া গেছে ৪২৭ জন। এর মধ্যে ৮৪ জনের নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত করা হয়েছে।বিভাগওয়ারি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ২৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৭ শিশু এবং সন্দেহজনক হাম মৃত্যু হয়েছে ২৪০ জনের। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ মোট ৮৯ জন, সিলেটে তিনজনসহ ৭৫ জন, চট্টগ্রামে ১০ জনসহ ৫৮ জন, বরিশালে ১৯ জনসহ ৫৭ জন, ময়মনসিংহে দুইজনসহ ৫৫ জন, খুলনাতে হামের উপসর্গে ২৭ জন এবং রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে মোট ৬৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ জন শিশুর, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৩৯ জন।

    এছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

  • হামে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

    হামে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৭ শিশুর। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৬ জন । আর সন্দেহজক হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ১ হাজার ২২১ জনের। এতে মোট হামের রোগী পাওয়া গেল ১ হাজার ২৮৭ জন।

    গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯১ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৫২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৬২০ জনে।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৭৯ হাজার ১২ জনের এবং এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ৯ হাজার ৬৮৬ জনের । আর এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪ হাজার ২৬৩ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ জন।

    অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৭ শিশুর মধ্যে ৪ জন ঢাকা বিভাগের এবং চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগের একজন করে মারা গেছে। একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ৫০৭ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামের রোগী রয়েছে ৫১ জন। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত হামে সবচেয়ে বেশি ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৫৫ শিশু এবং ‘সন্দেহজনক হামে’ মৃত্যু হয়েছে ২২০ জনের। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ মোট ৮৭ জন, সিলেটে নিশ্চিত হামে তিনজনসহ ৬৬ জন, বরিশালে নিশ্চিত হামে ১৯ জনসহ ৫৬ জন, চট্টগ্রামে নিশ্চিত হামে ১০ জনসহ ৫৬ জন, ময়মনসিংহে নিশ্চিত হামে দুইজনসহ ৫০ জন, খুলনাতে হামের উপসর্গে ২৩ জন এবং রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কারো মৃত্যু হয়নি। এনিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯৪।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯০। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫০৪ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ১৩৬ জন।

    একই সময়ে ১ হাজার ২৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৬২ জনে।

  • হাম ও উপসর্গে একদিনে ৭ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে একদিনে ৭ শিশুর মৃত্যু

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রোগটি ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ১ হাজার ৪৯৪ শিশু।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরো ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২১২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪৬ হাজার ৭১০ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২৮২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৪৯০ জন।

    এছাড়াও ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৬২ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৫২ শিশু।

  • হাম উপসর্গে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু!

    হাম উপসর্গে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু!

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন।

    ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।