ট্যাগ হামলা

  • হরমুজে ২ মার্কিন জাহাজ ও ৮ তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলা

    হরমুজে ২ মার্কিন জাহাজ ও ৮ তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলা

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে।

    আইআরজিসি বরাত দিয়ে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর পর এর জবাব হিসেবে তারা এসব জাহাজে হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    আইআরজিসি আরো জানায়, তারা আরো ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজকে’ লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানি ও সমর্থনে’ হরমুজ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ এলাকায়’ প্রবেশের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করেছে ইরান।

    আইআরজিসি বলেছে, হরমুজ প্রণালি এখনো তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনার’ আওতায় রয়েছে।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’

    ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’

    চট্টগ্রাম নগরে ২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে দিন-দুপুরে একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ৩৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশের দাবি, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা এ হামলায় জড়িত। তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    প্রতিষ্ঠানের মালিক আদিল বিন মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ফোন করে ডেভিড ইমন (মোবারক হোসেন ইমন) পরিচয়ে আমার কাছে ফোন আসে। এতে ইমন বলেন, ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি। মাসে দিবি ১০ লাখ।’ এখন থেকে ব্যবসা আমরা করব।

    আদিল বিন মামুন অভিযোগ করেন, চাঁদা না দেওয়ায় তারা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ইমন বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী বলে দাবি করেন তিনি।

    আদিল বিন মামুন আরও বলেন, মুঠোফোনে কথোপকথনের সময় ডেভিড ইমন নিজেকে সবাই চেনে বলে দাবি করেন। এমনকি তাঁর ছবি পুলিশ কমিশনারকে দেখিয়ে চিনে নিতে বলেন। স্মার্ট গ্রুপের মালিক মুজিবুর রহমানের বাসায় চাঁদা না পেয়ে গুলি করার ঘটনাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে আদিল বিন মামুন তাঁদের চেয়ে বড় ব্যবসায়ী হয়ে গেছেন কি না, সে প্রশ্নও তোলেন।

    ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ ডিডিএনের কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। দেশীয় অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তিরা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুঠোফোন এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। একজনকে কুড়াল দিয়ে কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামে আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখান।

    অফিস চলাকালীন সময়ে এই হামলা চালানো হয়

    অফিস চলাকালীন সময়ে এই হামলা চালানো হয়ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে

    ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ডিডিএনের পরিচালক রিদোয়ানুল কবির বলেন, হঠাৎ ১৫ থেকে ২০ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালান। এ সময় কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যান তাঁরা।

    চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এর আগে গত ৯ মে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে এক সাংবাদিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। মোবারক হোসেন ওরফে ইমন বিপ্লব দে পার্থ নামের ওই সাংবাদিককে এ হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বিপ্লব দে পার্থ।

    আজ যে প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে, তার পাশেই চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশি পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। অভিযোগ ছিল, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা এ হামলা চালান। এর আগে গত ২ জানুয়ারিও একই বাসায় গুলি করা হয়। তখন বাসার জানালার কাচ ও দরজায় গুলি লাগে। ওই ঘটনার পর থেকে বাসাটি পুলিশি পাহারায় ছিল। এরপরও আবার গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ১০ থেকে ১৫ জনের দল হামলা চালায়

    ১০ থেকে ১৫ জনের দল হামলা চালায়ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে

    কে এই ইমন

    মোবারক হোসেন ওরফে ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি।

    পুলিশের ভাষ্য, মোবারক হোসেন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন—এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তাঁর ছিল বলে পুলিশের দাবি।

    পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাঁদের একজন মোবারক হোসেন। এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকায় মোবারক হোসেন ও মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন। রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।

    পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও মোবারক হোসেন তাঁর হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

  • ইরানে মার্কিন বাহিনীর শক্তিশালী বিমান হামলা

    ইরানে মার্কিন বাহিনীর শক্তিশালী বিমান হামলা

    আর্ন্তজআতক ডেস্ক:

    হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানে ধারাবাহিক সামরিক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার থেকে এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় বেসামরিক নাগরিকদের পরিচালিত বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইরানকে “ভারী মূল্য” দিতে বাধ্য করতেই এ হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

    যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সোমবার ও মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগে মঙ্গলবার এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছিলেন, ইরানের এসব কর্মকাণ্ডের “পরিণতি ভোগ করতে হবে” এবং হামলাগুলোকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন।

    তবে ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করেনি ইরান।

    সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সংস্থাটির দাবি, “ইরানের প্রদর্শিত আগ্রাসন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।”

    এদিকে, কাতার ও সৌদি আরবও হামলার নিন্দা জানিয়েছে। দুই দেশই বলেছে, হরমুজ প্রণালির ভেতর বা আশপাশ দিয়ে চলাচলের সময় তাদের দেশের একটি করে ট্যাংকার হামলার শিকার হয়েছে।

    এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা একটি ছাড় বাতিল করে।

  • এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

    এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

    রাজনীতি ডেস্ক:

    সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    সোমবার (৬ জুলাই) রাতে এনসিপির ঢাকা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলার বাদী জানান, সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে দলের ৬ নেতাকর্মী আহত হন।

    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

    বিস্ফোরণের সময় মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব ও সংসদ-সদস্য আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিস আলম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

    এটি একটি পরিকল্পিত হামলা দাবি করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত যুগান্তরকে বলেন, হামলার কিছুক্ষণ আগে সমাবেশস্থলের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর হঠাৎ বেশ কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হামলা।

    এ ঘটনায় জুলাই শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মান্নান গাজী ও দুজন সাংবাদিকসহ ছয়জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা- হলেন মান্নান গাজী, শাহীন খন্দকার, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ডিবিসি নিউজের ক্যামেরা পারসন মো. মজনু এবং এনপিবি নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাঈদুল ইসলাম।

    এনসিপি নেতাকর্মীরা জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে কর্মসূচি শেষ করে নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা রাত ৯টার দিকে সাভারে পৌঁছান। পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে পদযাত্রা করে সমাবেশস্থলে আসেন। তারা পৌঁছানোর পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠেন এবং অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মঞ্চের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান ছিল। তাদের পেছনে বাঁশ দিয়ে ঘেরা স্থানে সাধারণ মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নাবিলা তাসনিমের বক্তব্য চলাকালে ওই স্থানেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং সমাবেশে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। কিছুক্ষণ পর বিদ্যুৎ ফিরে আসে।

    বোমা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। পরে তারা সাভার মডেল থানার সামনে গিয়ে জড়ো হন। সেখান থেকে এনসিপির নেতারা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন।

    সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমালোচনা করেন এবং হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।

    সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের আসামি করে মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে।