ট্যাগ হত্যা

  • ঢাবিতে শিক্ষার্থী নিহত ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি

    ঢাবিতে শিক্ষার্থী নিহত ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শত বছরের পুরোনো দেয়াল অনেক কিছুর সাক্ষী। এই বিশ্ববিদ্যালয় একদিকে যেমন ন্যায়পন্থি বিভিন্ন আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরেই সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় রয়েছে বিচারহীনতার কালো ইতিহাস। সেই নির্মম বাস্তবতায় আজও বিচারের অপেক্ষায় আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরিবার ও সহপাঠীরা।

    ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্যার এএফ রহমান হলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে নিহত হন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর মামলায় অভিযুক্ত দশজনই খালাস পান। এমনকি রাষ্ট্রপক্ষ সেই খালাসের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল পর্যন্ত করেনি মর্মে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস এলাকায় নিহত হলেন, মামলা হলো, বিচার হলো; কিন্তু শেষ পর্যন্ত হত্যাকারী কে, সেটিই প্রমাণ করা গেল না!

    একইভাবে, ২০২৫ সালের ১৩ মে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য টিএসসির নিকটস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার ঘটনায় আজও সুষ্ঠু বিচার পাননি তার পরিবার ও সহপাঠীরা।

    এই যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি—এর নেপথ্যের কারণ কী? একটি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া অপরাধীদের আরেকটা হত্যার পথ সহজ করে দেয়। এরূপ হত্যার শিকার শুধু আবু বকর বা সাম্য নয়, আরো অনেকে হয়েছেন বিভিন্ন সময় এবং তারও অনেক ক্ষেত্রে কোনো বিচার হয়নি। অপরাধীদের কোনো শাস্তি হয়নি। ক্যাম্পাসে ক্ষমতার রাজনীতির অপচর্চা বিচারকে প্রভাবিত করেছে বহুবার। নৈতিক মূল্যবোধ আর সততার শিক্ষা দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব শিক্ষার্থীদেরই হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি, এর চেয়ে লজ্জা আর কী হতে পারে?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবু বকর ও সাম্য হত্যার মতো প্রতিটি ঝুলে থাকা হত্যাকাণ্ডের বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি কোনো অনিবার্য বাস্তবতা নয়। এটি তৈরি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, তদন্তের দীর্ঘসূত্রতা, জবাবদিহির অভাব এবং সর্বোপরি, সময়ের সঙ্গে বিচারপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের স্মৃতি থেকে ঘটনাগুলো হারিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। তাই এর প্রতিকারও হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক, ধারাবাহিক ও দৃশ্যমান মাধ্যমে।

    প্রথমত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সব হত্যাকাণ্ডের একটি পূর্ণাঙ্গ নথি প্রণয়ন করা প্রয়োজন। ক্যাম্পাসের নিহত শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ ডেটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘আর্কাইভ’ তৈরি করা যেতে পারে। সেখানে শুধু নিহত শিক্ষার্থীর ছবি কিংবা স্মৃতিচারণই থাকবে না; বরং মামলার নম্বর, তদন্তের অবস্থা, চার্জশিট, বিচারিক অগ্রগতি, আসামিদের বর্তমান অবস্থা এবং মামলাটি কোথায় আটকে আছে—এসবের পূর্ণাঙ্গ তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

    দ্বিতীয়ত, বিচার শুধু ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর ছেড়ে না দিয়ে বিচারাধীন প্রতিটি মামলার অগ্রগতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক দায়িত্ব নিয়ে নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং প্রয়োজনে আইনজীবীদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন সেল গঠন করা যেতে পারে। এই সেল কোনো বিচারিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না; বরং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে নির্দিষ্ট সময় পরপর তা শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার সামনে তুলে ধরবে।

    তৃতীয়ত, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যেকোনো মূল্যে অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হতে হবে। অপরাধী কোনো দলের, কোনো সংগঠনের কিংবা কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ—এই পরিচয় যেন তদন্তের গতিপথ নির্ধারণ না করে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় যদি একজন অপরাধীকে আইনের নাগালের বাইরে নিয়ে যায়, তাহলে সেটি আর রাজনীতি থাকে না; সেটি হয়ে যায় শোষণের হাতিয়ার।

    চতুর্থত, বিচারপ্রত্যাশী সচেতন শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিচার দাবির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের লেখালেখি, আলাপ, সভা-সেমিনার, পাঠচক্রে নিহতদের বিচার দাবি জীবন্ত রাখতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সম্ভবত এখানেই। একটি হত্যাকাণ্ডের পর আমরা সোচ্চার হই, মিছিল করি, প্রতিবাদ করি। কিন্তু কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছর পর যখন নতুন কোনো ঘটনা সামনে আসে, তখন পুরোনো মামলাটি আমাদের আলোচনার বাইরে চলে যায়। তাছাড়া ঘটনার সময়কার শিক্ষার্থীরা একসময় লেখাপড়া শেষে ক্যাম্পাস ছেড়ে যান এবং ক্যাম্পাসে নতুন শিক্ষার্থীরা আসেন, যারা এ বিষয়ে জানতেও পারেন না। এভাবে বিচারহীনতা দীর্ঘায়িত হয়। নিহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করা শিক্ষার্থী, প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সবারই দায়িত্ব।পাশাপাশি, নতুন করে যাতে আর কোনো হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই লক্ষ্যে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সিসিটিভি নজরদারি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। টিএসসি, কার্জন হল এলাকাসহ ক্যাম্পাসের নিকটবর্তী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো এলাকাগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা টহল ও আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে ক্যাম্পাস এলাকা সুরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে কোনো অপরাধী অপরাধ ঘটিয়ে সটকে পড়ার সুযোগ না পায়!

  • ভারতে স্কুলের সামনে মুসলিম শিক্ষককে গুলি করে হত্যা

    ভারতে স্কুলের সামনে মুসলিম শিক্ষককে গুলি করে হত্যা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ভারতের উত্তরপ্রদেশের মঙ্গলবার বিকেলে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চল্লিশোর্ধ্ব বয়েসের এক স্কুল শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী গৌরব রাথি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে।

    নিহত শিক্ষকের নাম নওশাদ আহমেদ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে তার বয়স ৪০ থেকে ৪৩ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার ক্লাস শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। দুপুর ২টার দিকে স্কুলের গেটের কাছে রাথি নওশাদকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ।

    এতে একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নওশাদ। স্কুলশিক্ষক তরুণা চৌরাসিয়া তাকে উদ্ধার করে একটি ই-রিকশায় নাজিবাবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে ঋষিকেশের এআইআইএমএসে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    পুলিশ জানায়, গুলিবর্ষণের কিছুক্ষণ পরই দুটি দেশীয় তৈরি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড কার্তুজসহ রাথি থানায় হাজির হন। সংবাদমাধ্যম আমর উজালার বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, রাথি কথিতভাবে স্বীকার করেছেন যে তিনি তিনবার গুলি চালিয়েছিলেন। তিনি নৌশাদের বিরুদ্ধে কথিত ‘লাভ জিহাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন, যা পুলিশ তদন্ত করছে।

    বিজনোরের পুলিশ সুপার কে কে বিষ্ণোই জানান, অভিযুক্ত আত্মসমর্পণ করলেও হত্যার কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। নিহত নৌশাদ রাহাতপুর খুর্দ গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে সম্পত্তি কেনাবেচার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। সম্পত্তি বা আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ থেকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রামের মুখিয়া মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, হত্যার নির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

    নৌশাদ মৃত্যুর পর তার মা, দুই স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান রেখে গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং হত্যার উদ্দেশ্য তদন্তাধীন রয়েছে।

    সূত্র: মুসলিম মিরর

  • কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

    কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সড়কের ওপর রামদা দিয়ে কুপিয়ে মধু মিয়া (৫৮) নামে এক কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মধু মিয়ার স্ত্রী, সন্তান ও ভাইসহ আরও পাঁচজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন মধু মিয়ার মৃত্যু হয়।

    নিহত মধু মিয়া সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের প্রয়াত হরমুজ আলীর ছেলে।

    শনিবার নিহতের স্ত্রী সাফিয়া বেগম জানান, গত ২৬ জুলাই সকালে সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের মৃত তমিজ আলীর ছেলে ও মধু মিয়ার আপন চাচাতো ভাই আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে তার স্ত্রী, ছয় ছেলে-মেয়ে, ছেলের স্ত্রীসহ ১০ জন মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাদাঘাট-সুন্দর পাহাড়ি সড়কের ওপর মধু মিয়াকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় চিৎকার শুনে বাড়ি থেকে বের হয়ে সড়কে আসেন তিনি। এ সময় আব্দুল হাই ও তার পরিবারের সদস্যরা রামদা দিয়ে তাকেও কুপিয়ে আহত করেন। একই ঘটনায় মধু মিয়ার ছেলে শের আলী, ভাই আবু ছালাম ও কাশেম এবং কাশেমের ছেলে বিপ্লবও আহত হন।

    ঘটনার পর আহত চারজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মধু মিয়া ও তার ভাই কাশেমের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় ২৬ জুলাই বিকালে তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন মধু মিয়ার মৃত্যু হয়।

    তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, এ ঘটনায় সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের বাসিন্দা আবু ছালাম বাদী হয়ে আব্দুল হাইকে প্রধান করে নয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ জনসহ মোট ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

    মধু মিয়ার প্রতিবেশী হুমায়ুন জানান, সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের সামনে হাওরে থাকা ৫৫ শতক দুই ফসলি জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। এ নিয়ে আব্দুল হাই ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুল হাইয়ের মোবাইলে কল দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

    সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, থানায় রেকর্ড করা পূর্বের মামলার এজাহারের সঙ্গে হত্যা মামলার ধারা সংযুক্ত করা হবে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • শিশুকে ধমক দেওয়ায় বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ দম্পতির বিরুদ্ধে

    শিশুকে ধমক দেওয়ায় বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ দম্পতির বিরুদ্ধে

    কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাড়ির আঙিনা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করার সময় বাইসাইকেলের চাকা পায়ে লাগার প্রতিবাদ করায় রেহানা বেগম লিলি (৭০) নামের এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে পৌর শহরের জগন্নাথপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রেহানা বেগম লিলি জগন্নাথপুর দক্ষিণপাড়ার গাইনহাটি এলাকার হাজী ধন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। তাঁর স্বামী মৃত সুরত আলী মিয়া।

    অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর মিয়া ও তাঁর স্ত্রী রিমা বেগম একই এলাকার আনু মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে রেহানা বেগম বাড়ির আঙ্গিনা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে আলিফ আঙিনায় বাইসাইকেল চালাতে গিয়ে কয়েকবার বৃদ্ধার পায়ের ওপর চাকা তুলে দেয়। এতে তিনি শিশুটিকে ধমক দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী ঘরে ঢুকে বাঁশের লাঠি দিয়ে রেহানা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহতের বড় মেয়ে সৌরভী বলেন, ‘আমার মা ঘরের সামনে উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। প্রতিবেশীর ছেলে সাইকেলের চাকা আমার মায়ের পায়ে লাগায়। ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর ও তাঁর স্ত্রী রিমা আমাদের ঘরে ঢুকে আমার মাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।’

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ আজ সকালে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

    রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

    চট্টগ্রামের রাউজানে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদের (৪৫) বাড়ি পাশের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নে। তিনি ওই এলাকার প্রয়াত খালেদ চৌধুরীর সন্তান এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেতাগী ইউনিয়ন থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনীতে অবস্থানকালে মাসুদকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর ধারণা, বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

    হত্যাকাণ্ডের খবর রাঙ্গুনিয়া ও রাউজানে ছড়িয়ে পড়লে দুই উপজেলার যুবদল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রতিবাদে কাপ্তাই সড়কের ইছাখালী (রাঙ্গুনিয়া) ও পাহাড়তলি (রাউজান) এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা। দুপুর ১টার পর থেকে কাপ্তাই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    বিক্ষুব্ধ জনতা জানিয়েছেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন ও সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকবে। তবে মানবিক কারণে শুধুমাত্র অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের দুই উপজেলার সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, যৌতুকসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাব সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

    বাদীর দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোছাঃ শিমু আক্তার (৩১)-এর সঙ্গে ১নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০)-এর প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর থেকেই আসামি রায়হান রিতু যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। ভিকটিমের পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হওয়ায় নির্যাতনের মাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পায়।

    এরই ধারাবাহিকতায়, গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকায় আসামির নিজ বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা জোরপূর্বক ভিকটিমের মুখে বিষ প্রয়োগ করে এবং তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত ০৮:৪৫ ঘটিকায় ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন।

    ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১২)।

    মর্মান্তিক এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র‌্যাব-১৩ আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং অভিযান ত্বরান্বিত করে।

    এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ০২:৩০ ঘটিকায় নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন ধলাগাছ মতির মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০), পিতা—মৃত মোর্শেদ; ৩নং আসামি মোঃ জসিম (৩২), পিতা—মোঃ সেলিম; এবং ৪নং আসামি মোঃ জিতু (৩৪), পিতা—মৃত মোর্শেদুল হক; সর্ব সাং—সৈয়দপুর, জেলা—নীলফামারী—এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, যৌতুক, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

    গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।

    পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে আজ ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

    এ ঘটনায় আজ রোববার হত্যার শিকার ববিতা বেগমের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন।

    পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

    ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    ডে স্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে শ্রমিক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল মান্নান (৪০)। তিনি উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি।

    গতকাল রাত ১১টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপেরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে নির্জন এলাকায় গুলিবিদ্ধ আবদুল মান্নানকে পথচারীরা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

    প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান বালুসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

    নিহত আবদুল মান্নানের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি তাঁর বাঁ চোখের কাছে, একটি বাঁ হাতে ও দুটি পেটের ডান পাশে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কেন, কী কারণে মান্নানকে গুলি করা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।