ট্যাগ স্থানীয় সরকার

  • চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে: শাহে আলম

    চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে: শাহে আলম

    চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলাস্থ জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবগঠিত বগুড়ার মোকামতলা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা জানান। এসময় নেতৃত্বকে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। চলমান অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

    তিনি বলেন, সরকারের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা। এ লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ই-রিকশা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। আর সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের প্রয়োজন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুপরিকল্পিত ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

  • চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন-প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

    চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন-প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

    চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের পারাইরচকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সব স্তরের নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি আগস্ট মাসের পরই স্থানীয় সরকার বিভাগ, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে বৈঠকে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে যে স্থানীয় সরকারের কোন স্তরের নির্বাচনটি আগে অনুষ্ঠিত হবে।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আদালতের রায় হয়েছে, ফলে তার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। দেশে ফিরলেই তাকে জেলে যেতে হবে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই রায় কার্যকর করা হবে।

    সিলেট নগরীর সুযোগ-সুবিধা ও পরিচ্ছন্নতার প্রশংসা করে মীর শাহে আলম বলেন, দেশের অন্যান্য নগরের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। খাল খনন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ প্রকল্প বাস্তবায়নে সিলেট সিটি করপোরেশন বেশ ভালো করছে।

    সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সম্পর্কে তিনি জানান, ২০২৪ সালে সিলেট সিটি করপোরেশনের সাথে লাফার্জ সুরমা হোলসিমের (সিমেন্ট) একটি যৌথ প্রকল্প চালু হলেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি, যা এখন থেকে পুরোপুরি কার্যকর করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় নগরের বর্জ্য পরিশোধন করে প্লাস্টিক অংশ লাফার্জ সুরমা নিয়ে গিয়ে নিজেদের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করবে এবং অবশিষ্ট বর্জ্যকে জৈবসারে রূপান্তর করার পরিকল্পনা সিসিকের রয়েছে।

    পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেগুলো দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির ১২তম কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিষয়ে সরকারের সঙ্গে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    সকাল ১১টা থেকে দিনব্যাপী এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন ।

    আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলার পরিষদের যে আইনগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা রয়েছে।

    তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ঋণখেলাপী ও জামিনদাররাও প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন। এছাড়া ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকলেও নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন।

    ইসি সচিব জানান, এ সকল প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন। দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    আখতার আহমেদ বলেন, ‘এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান, আর তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট থাকে। তো এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়— সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।’

  • নতুন তিন উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন

    নতুন তিন উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন

    চট্টগ্রামে নতুন একটি থানা এবং চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে তিনটি নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিকার ১২১তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলা হচ্ছে— চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরাগাঁও উপজেলার পাগলা থানার আটটি ইউনিয়ন নিয়ে ‘পাগলা’ উপজেলা। এছাড়া চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার এই বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বছর; ইসির জন্য বরাদ্দ ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বছর; ইসির জন্য বরাদ্দ ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

    আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জন্য ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বরাদ্দের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন। যেখানে অন্যান্য খাতের মতো নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্যও বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসি এর আগে সরকারের কাছে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা চেয়েছিল। তবে বাজেটে প্রাথমিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে পরিচালন ব্যয় ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ৭৫৭ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। আর ইসির অনুরোধের বিপরীতে বাজেট বরাদ্দ ঘাটতি রয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

    বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। যা সংশোধিত বাজেটে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। এবার সাংবিধানিক এই সংস্থার জন্য প্রাথমিক বরাদ্দ ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় প্রাথমিক বরাদ্দ বৃদ্ধির এই হার ৪৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

    সরকারের নির্দেশনায় ইসি আগামী অক্টোবরে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিয়ে প্রথম দফার স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা এবং ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে। আগামী অর্থবছরজুড়েই এসব নির্বাচন আয়োজনের বিপুল ব্যয় মেটাতেই এবারের বাজেটে প্রস্তাবিত বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    অবশ্য বিদায়ী অর্থবছরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য বরাদ্দ হওয়া ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার মধ্যে ২ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থবছর শেষে কমিশন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৮৯৪ কোটি টাকা ফেরত দেবে।

    নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন অর্থবছরের এই বরাদ্দ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত। কমিশন বরাদ্দকৃত তহবিলের সর্বোত্তম ব্যবহার করবে।