সেলফি

  • কীভাবে সেলফি তুললে সুন্দর দেখাবে?

    কীভাবে সেলফি তুললে সুন্দর দেখাবে?

    সুন্দরভাবে সাজলে, দর্শনীয় কোনো স্থানে গেলে কিংবা এমনিতেই অনেক সময় সেলফি তুলতে মন চায়। সেলফি তোলার মুহূর্তে সবাই চান ছবিতে যাতে নিজের চেহারাটা আকর্ষণীয় দেখায়। কিন্তু কখনও খেয়াল করেছেন, হাত একটু বেশি কাছে টেনে আনলে মুখের নাকটা হঠাৎ কেমন অদ্ভুত বড় লাগে, আর পাশের চিবুক দুটো মনে হয় পিছিয়ে গেছে? সাধারণত মোবাইল ক্যামেরার লেন্স ও আমাদের মুখের মধ্যকার দূরত্বের কমবেশির কারণে এমনটায় হয়।

    সুন্দর ও স্বাভাবিক সেলফি তুলতে গেলে ফোনটি মুখ থেকে অন্তত দুই থেকে আড়াই ফুট (প্রায় ৩০ থেকে ৩৬ ইঞ্চি) দূরে রাখা উচিত। টিভি নাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের হাতটা যতটা সম্ভব সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে ফোন ধরে হাসলেই ছবি উঠবে সুন্দর। আসলে প্রায় সব স্মার্টফোনের সামনের ক্যামেরায় ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্স থাকে। খুব কাছে থেকে ছবি তুললে এই লেন্স মুখের মাঝখানের অংশকে বাড়িয়ে দিয়ে ছবিটা এলোমেলো করে দেয়। প্রযুক্তির ভাষায় একে বলে ‘লেন্স ডিস্টোরশন’। একটু দূর থেকে ফ্রেম বাঁধলে মুখের নিখুঁত গড়ন একদম ঠিকঠাক ফুটে ওঠে।

    সেলফি তোলার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় সূর্যের আলো থাকলে। এ কারণে চেষ্টা করুন আলোর দিকে মুখ করে দাঁড়াতে, আলোর উল্টো দিকে নয়। সরাসরি কড়া রোদে না দাঁড়িয়ে সকালে বা বিকেলে মিষ্টি রোদে কিংবা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলুন। তাহলে মুখে আলো খুব সুন্দরভাবে ছড়িয়ে পড়বে। ফোনের ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ ব্যবহার করলে মুখ অতিরিক্ত সাদা বা ফ্ল্যাট দেখাতে পারে। এ কারণে সেটা ব্যবহার না করাই ভালো।

  • শিক্ষার্থীদের আবদারে গাড়ি থামিয়ে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষার্থীদের আবদারে গাড়ি থামিয়ে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বরিশালের গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শেষে বরিশালে ফেরার পথে খুদে শিক্ষার্থীদের আবদারে গাড়িবহর থামিয়ে তাদের সঙ্গে সেলফি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের হাতে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

    সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের সাতমাইল এলাকায় বরিশাল ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাস-সংলগ্ন শিশুনিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে গৌরনদী থেকে বরিশাল পর্যন্ত ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। সড়কের দুই পাশে উপস্থিত জনতাকে দেখে প্রধানমন্ত্রী গাড়িবহর থামিয়ে শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    দুপুর দেড়টার দিকে সাতমাইল এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তারা করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান এবং স্মরণীয় মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেন।

    এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেলফি তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি এক ছাত্রীর মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে নিজেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। পরে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।