সাদিক কায়েম

  • ৭৭ হাজার শূন্য পদ তবুও তিন বছর ধরে বিজ্ঞপ্তি নেই এনটিআরসিএর- ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

    ৭৭ হাজার শূন্য পদ তবুও তিন বছর ধরে বিজ্ঞপ্তি নেই এনটিআরসিএর- ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

    শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব নিরসনে চলতি মাসের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের (এনটিআরসিএ) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

    আজ রোববার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান সাদিক কায়েম। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:

    তিন বছর ধরে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ পরীক্ষা NTRCA শিক্ষক নিবন্ধনের কোনো সার্কুলার নেই।

    এ বছরের এপ্রিল মাসে NTRCA নিজেই ৭৭,৭৯৯টি শূন্য পদের তালিকা করেছে। অথচ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও নিবন্ধনের কোনো বিজ্ঞপ্তি নেই। প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে বারবার আটকে যাচ্ছে বিজ্ঞপ্তি। এসব নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে একেকবার একেক কথা বলা হচ্ছে, বারবার পরিবর্তন করা হচ্ছে সিদ্ধান্ত।

    সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত আইএমএফ-এর ‘ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (F&D) সাময়িকীর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৩৬ জনই বেকার। অথচ এতগুলো পদ খালি থাকার পরও নানারকম টালবাহানায় আটকে রয়েছে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি। দলকানা সরকার এই নিয়োগে নানারকম এক্সপেরিমেন্ট করে সময়ক্ষেপণ করছে এখন। কিন্তু প্রার্থীদের বয়স তো থেমে নেই। আপনাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও খামখেয়ালি আচরণের খেসারত কেন দেবে তরুণরা?

    আর কোনো টালবাহানা নয়। অক্টোবরেই NTRCA-র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চাই।

  • ১১ মাসে যা করেছি,  ১০৫ বছরেও কেউ পারেনি: সাদিক কায়েম

    ১১ মাসে যা করেছি, ১০৫ বছরেও কেউ পারেনি: সাদিক কায়েম

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে এমন কাজ করা হয়েছে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে আর কেউ করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

    আজ পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    সাদিক কায়েম বলেন, ‘১১ মাসে আমরা প্রমাণ করেছি কিভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়, শিক্ষার্থীরাই বলে আমরা গত ১১ মাসে ডাকসুতে দায়িত্ব নেওয়ার পরে যে কাজ করেছি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসে ১০৫ বছরের সে কাজ করতে পারেনি। ’

    ডাকসুর বর্তমান নেতৃত্বের সময়ে ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। একাধিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে ডাকসুর ভিপি বলেন, ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, বর্তমান সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।

    ডাকসুর ভিপি আরও বলেন, একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করা গবেষণা করা চিন্তা করা প্রশ্ন করা এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করা। এজন্য সেই একাডেমিক পরিবেশ আমরা ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছি।

    দেশের তরুণ প্রজন্মকে যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের এই দেশে আমরা গত ৫৫ বছর জুড়ে আমাদের যারা নেতৃত্ব ছিল তারা আমাদেরকে নিয়ে যেভাবে ভাবা দরকার ছিল আমাদের তরুণ প্রজন্মদেরকে নিয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে যেভাবে ভাবা দরকার ছিল তাদেরকে যেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার ছিল সেটা তারা দিতে পারেনি। সাদিক কায়েম বলেন, দীর্ঘদিনের এ ব্যর্থতার কারণেই জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিলেও দেশে তাদের মেধার যথাযথ বিকাশ ও কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান। এতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

  • ঢাবিতে অপরাজনীতি ফিরতে দেওয়া হবে না: সাদিক কায়েম

    ঢাবিতে অপরাজনীতি ফিরতে দেওয়া হবে না: সাদিক কায়েম

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে আর কখনো অপরাজনীতি ফিরতে দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন ঢাবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।

    শুক্রবার (১৭ জুলাই) ‘সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘লীগ ধর’ ম্যারাথন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। কর্মসূচি শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ২০২৪ সালের এই বিশেষ দিনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও প্রতিটি আবাসিক হল চরমপন্থী ছাত্রলীগমুক্ত হওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করেই সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।

    ম্যারাথন শেষে ঢাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম গণমাধ্যমের সামনে আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ বার্তা তুলে ধরে বলেন, আমরা স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই এই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের যে ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, ক্ষমতার অন্যায় দাপট এবং গণরুম-গেস্টরুমের নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাসের মতো ব্যবহার করে নির্মম নির্যাতন চালানোর অন্ধকার অপরাজনীতি ছিল, তা আর কখনো এখানে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি মজবুত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই আমাদের এই ‘লীগ ধর’ ম্যারাথনের আয়োজন।

    বর্তমান সময়ের ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসগুলোতে কেউ যেন আর কখনো পেশিশক্তির নোংরা রাজনীতিতে লিপ্ত না হয়। সবাই যেন জ্ঞান, আদর্শ ও সুস্থ ধারার ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

    এদিকে ম্যারাথনের পাশাপাশি পুরো জুলাই মাসজুড়ে ঘোষিত ‘৩৬ দিনের কর্মসূচি’র অংশ হিসেবে আজ থেকে ঢাবিতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘রক্তাক্ত জুলাই’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    এই বিশেষ প্রদর্শনীতে জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ, বিপ্লবের মূল আকাঙ্ক্ষা, আন্দোলনে নারীদের অনবদ্য সাহসী ভূমিকা এবং আলেম-ওলামাদের ঐতিহাসিক অবদানের নানা চিত্র তুলে ধরা হবে।

  • বিদায়ের পর সাদিক কায়েমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    বিদায়ের পর সাদিক কায়েমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের পর আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন সদ্যবিদায়ী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ছাত্রশিবিরের ষাণ্মাসিক এক সেটআপে সাদিক কায়েমসহ ৯ জন কেন্দ্রীয় সম্পাদকের আনুষ্ঠানিক বিদায়ের কথা জানিয়েছেন প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ।

    এরপর ব্যক্তিগত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম। ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, আমার আবেগ আর ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন! দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সাথে।

    তিনি আরো লিখেন, এই প্রিয় কাফেলা আমাকে দেশ ও জাতিকে নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছে, জড়তা ভেঙে কথা বলতে শিখিয়েছে, নেতৃত্বের গুণাবলিকে পরম মমতায় বিকশিত করেছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরই আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে পরিপূর্ণ পথনির্দেশনা দিয়েছে।

    ‘পেছনে ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে অসংখ্য প্রিয় মুখ আর সংগ্রামী চিত্র। পুরোটা সময় জুড়ে নিবেদিতপ্রাণ দায়িত্বশীল ও জনশক্তিদের যে সোহবত ও সান্নিধ্য পেয়েছি, তা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। জীবনের প্রতিটি বাঁকে আপনাদের কাছ থেকে শিখেছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি।’

    সাদিক কায়েম আরও লিখেন, দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা ইসলামী ছাত্রশিবিরের এই সংগ্রাম ও আন্দোলনের কর্মীদের পবিত্র সম্পর্কগুলোকে কবুল করুন। সামনের দিনগুলোতে এই অঞ্চলের মজলুম মানুষের মুক্তি সংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে পথ চলার তাওফিক দিন এবং এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার মতো যোগ্য নেতৃত্ব দান করুন, আমীন।ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়া ৯ সম্পাদকদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান মুহিব, কেন্দ্রীয় প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান ও কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।