ট্যাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ৬,৮৮৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নলকূপের পানি পান নিষিদ্ধ

    ৬,৮৮৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নলকূপের পানি পান নিষিদ্ধ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের ৬ হাজার ৮৮৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নলকূপের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার না করতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিটি দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, PEDP4, GPS ও NNGPS প্রকল্পের আওতায় আগে পানি পরীক্ষা করা হয়েছে– এমন বিদ্যালয়গুলো বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৪৭ হাজার ৩৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পানির উৎস পরীক্ষা করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

    পরীক্ষায় দেখা গেছে, ৪০ হাজার ৪৮১টি বিদ্যালয়ের পানি নিরাপদ সুপেয় পানি হিসেবে গ্রহণযোগ্য। অন্যদিকে, ৬ হাজার ৮৮৮টি বিদ্যালয়ের পানিতে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় এসব বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    চিঠিতে আরো বলা হয়, পানি পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিরাপদ সুপেয় পানি হিসেবে গ্রহণযোগ্য ৪০ হাজার ৪৮১টি বিদ্যালয় এবং পানিতে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইড পাওয়া ৬ হাজার ৮৮৮টি বিদ্যালয়ের পৃথক তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৩ আগস্টের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল

    সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা হবে।

    রোববার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

    সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচির সম্প্রসারণ, পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতকরণ, ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা, কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদারসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টি নিশ্চিত করা।

    স্কুল মিল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    আলোচনায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার মিলের বিষয়টি উঠে আসে। পাশাপাশি দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল, ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনভিত্তিক পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

    বৈঠকে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল কেবল শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করে না; বরং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে, ঝরে পড়া রোধ করতে, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডব্লিউএফপি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের মাধ্যমে ইতিবাচক সাফল্য অর্জন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    সাক্ষাৎকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়াতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন।

    বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত একটি মামলায় আপিল বিভাগ এ রায় দেয়। এর ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর কোনো আইনি জটিলতা থাকছে না।

    এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে। এ জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে।