সমাবর্তন

  • ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন শুরু ১ নভেম্বর

    ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন শুরু ১ নভেম্বর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তনে অংশ নিতে অনলাইনে আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর। আগ্রহী গ্র্যাজুয়েটরা ৩০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

    মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাবর্তনে অংশগ্রহণের আবেদনপ্রক্রিয়া চারটি ধাপে সম্পন্ন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের প্রথম ধাপ শেষ করতে হবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। আবেদন ফি পরিশোধের শেষ সময় ২ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ জানুয়ারি ২০২৭ সকাল ১১টায় ৫৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে সম্মতি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সমাবর্তনে বক্তৃতা দেবেন জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামি। তাঁকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট ফান্ডের অন্যতম দাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশিদকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রি দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তরা এ সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন। ২০২২ সালের ৫৩তম সমাবর্তনে যেসব ফলাফল অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি, সংশ্লিষ্ট গ্র্যাজুয়েটরাও এবার অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

    সমাবর্তনের প্রস্তুতি হিসেবে সম্প্রতি সিনেট ভবন মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের জন্য নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ একাধিক উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দীর্ঘ অপেক্ষার পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ২৩ জানুয়ারি হবে এই সমাবর্তন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন।

    সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সমাবর্তন উপলক্ষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

    সাক্ষাৎকালে ভাইস-চ্যান্সেলর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি দেন। একই সঙ্গে আয়োজনটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমাবর্তন বক্তা কে থাকবেন, কারা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং আয়োজনের বিস্তারিত বিষয় শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

    দেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন আয়োজনের সুযোগ আসে দীর্ঘ বিরতির পর। ফলে বহু শিক্ষার্থীর কাছে এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি। এবার প্রথম সমাবর্তনের এক দশক পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন।