ট্যাগ শিল্প ও বাণিজ্য

  • চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার গায়েবের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার গায়েবের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে তিন কোটি টাকার কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার গায়েবের অভিযোগে বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ কমিটি গঠন করা হয়।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে এমভি এমসিসি ডানাং জাহাজ কনটেইনার খালাস করে। ওই জাহাজে ৪০ ফুট এফসিএল কনটেইনারে সাভারের রফতানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের ৬৬৮ বেল ফেব্রিকস আনা হয়।

    কাস্টমস সূত্রে আরো জানা যায়, আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেট পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে গত ২২ আগস্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। পরে কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের রাজস্ব পরিশোধ করে ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ তা ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়।

    এসআরএস সিন্ডিকেটের মালিক মো: হাফিজুর রহমানের অভিযোগ, ৩০ আগস্ট কনটেইনারটি ডেলিভারি নিতে গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ কনটেইনারটি নামিয়ে দিতে পারেনি। এরপর কয়েকদিন খোঁজাখুঁজি করে কনটেইনার না পেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।

    তিনি আরো জানান, গায়েব হওয়া কনটেইনারে প্রায় তিন কোটি টাকার কাপড় ছিল। এখন নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পেয়ে গ্রাহকও বিপাকে পড়েছে। তারা নির্ধারিত সময়ে রফতানি পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে।

    এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান।

  • সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

    সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

    ‘ছুটি শেষে আজ বুধবার সকাল থেকে বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক পণ্যবাহী ট্রাকের যাতায়াত শুরু হয়েছে এবং বন্দরে কর্মব্যস্ততা ফিরে এসেছে।’

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

    বুধবার (৩ জুন) সকাল থেকে বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা টিপু সুলতান জানান, সোনামসজিদ আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপ এবং সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের সকল ধরনের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ ব্যবস্থায় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো খোলা ছিল।

    তিনি আরো জানান, ছুটি শেষে আজ বুধবার সকাল থেকে বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক পণ্যবাহী ট্রাকের যাতায়াত শুরু হয়েছে এবং বন্দরে কর্মব্যস্ততা ফিরে এসেছে।বাসস

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।