শিক্ষামন্ত্রী

  • ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম: শিক্ষামন্ত্রী

    ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় আমরা পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাচ্ছি, কারিকুলাম পরিবর্তন করছি। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় অনেক বেশি কঠোর হচ্ছে। আমাদের এখন ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য একটি শক্তিশালী ‘বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ গঠন করেছি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। শিক্ষা খাতে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায় তা আমরা দেখছি। মোনাশ ইউনিভার্সিটি আমাদের দেশে একটি ক্যাম্পাস তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করব। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করব। এভাবেই আমরা আমাদের শিক্ষার উন্নয়ন করব এবং শিক্ষাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই আমাদের জাতির সাফল্যের চাবিকাঠি এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের অনেক অবদান রাখছে। ’

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে এটি আমাদের জিডিপির মাত্র ১.৩৯ শতাংশ ছিল, এখন আমরা অনেক বেশি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি এই বাজেট ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করবেন। তাই বাজেট আমাদের কোনো সমস্যা নয়। আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন বা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো উন্নত করতে পারি এবং আমরা তা করে দেখাব—এটিই আমাদের মিশন। ’

    সমাজে তরুণদের পথভ্রষ্ট হতে দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা রাজনীতি নয়, সমাজ পরিবর্তনের একটি কর্মসূচি চাই। এই সমাজ কে পরিবর্তন করবে? প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত কেবল শিক্ষা খাতই তা করতে পারে। আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে এবং নেতিবাচকতার ধারা বন্ধ করতে জাতিকে সাহায্য করতে হবে। ’

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হবে ট্যালেন্ট হান্ট স্কিম: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু হবে ট্যালেন্ট হান্ট স্কিম: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করা আমাদের অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে। সেই লক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ট্যালেন্ট হান্ট স্কিম চালু হবে। সুপ্ত প্রতিভাদের বিকাশের পথ উন্মুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য। নারী ক্রীড়াবিদের নিরাপত্তা ও সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে। স্পোর্টস ইকোনমি সম্প্রসারণ করা; আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করা; যুব সমাজকে খেলাধুলা মাধ্যমে সুস্থ ও দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে একই দিনে একই সময়ে দেশের সব উপজেলায় এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হবে। তবে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি ও প্রস্তুতির কারণে পূর্বনির্ধারিত ৯ আগস্টের পরিবর্তে আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই প্রতিযোগিতায় মাদরাসা এবং স্কুল কলেজের ছাত্রীদের অংশগ্রহণ অপশনাল বা ঐচ্ছিক। ইচ্ছে করলে জয়েন করতে পারেন আবার নাও করতে পারেন। এটা ঐচ্ছিক বিষয়ে আমরা রেখেছি।

    বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে কিছু অঙ্গীকার রয়েছে শিক্ষায়। প্রথমত তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা সম্প্রসারণ। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও আমাদের ইশতেহারের একটি অঙ্গীকার।

    ড. মিলন জানান, দেশের প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবে। দেশের ১৯ হাজার ২২১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ৯৫৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৩ হাজার ৩৮০টি কলেজ, ৯ হাজার ২৯৬টি মাদরাসা এবং ৬৭৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যেসব শিক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া পদার্থ বিজ্ঞান প্রথমপত্রে যে দুটি প্রশ্ন ভুল ছিল সেগুলোতে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

    বুধবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়ার এক বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচটি জেলা তথা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও ঢাকাসহ দেশের কিছু কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও বহুবিধ কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখে, ওই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হলো। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পদার্থ বিজ্ঞান প্রথমপত্রে ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ী ব্যক্তিদের ইতোমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মাননীয় স্পিকার আমি আবারো বলছি- পদার্থ বিজ্ঞান প্রথমপত্র ছয় নম্বর প্রশ্ন এবং সাত নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

  • ডিগ্রি কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    ডিগ্রি কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার কর্তৃক পর্যায়ক্রমে এমপিওবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে এবং এমপিওভুক্তির নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এমপিওবিহীন ডিগ্রি কলেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ব্যানবেইসের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ১ হাজার ৫০টি একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ডিগ্রি (পাস) কলেজ এবং ৬৯৮টি একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ডিগ্রি (সম্মান) কলেজ রয়েছে।

    এছাড়া বর্তমানে ১ হাজার ৫৬টি ডিগ্রি পর্যন্ত এমপিওভুক্ত কলেজ রয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদে তারা বৈঠক করছেন।

    বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে এ সময় শিক্ষার্থী আন্দোলন ও এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে সারা দেশে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিনদফা জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসব দাবি পূরণে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। দাবিগুলো হলো- শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, তার বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত।

  • পাঠদান পদ্ধতি পাল্টাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    পাঠদান পদ্ধতি পাল্টাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষকদের শিক্ষাদান পদ্ধতি পাল্টাতে হবে। ক্লাসরুম এডুকেশন দিতে হবে, ক্রিয়েটিভ এডুকেশন আনতে হবে। শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতেই হবে।

    সোমবার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের শিক্ষকরা নিজের স্কুলে নিজের ছেলে-মেয়েকে পড়ান না, কতটা আত্মবিশ্বাস কম। এই হচ্ছে আমাদের শিক্ষকদের মানসিকতা। নিজের প্রতিষ্ঠানকে কেনো ওই প্রতিষ্ঠান বানাতে পারেন না – এই প্রশ্নটা আপনাকে করতে হবে।

    তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তার মতো আপনারাও সার্ভিসটা দেবেন নাকি? আপনারা ইনহাউজ কোচিং করান। এখানে মোড় দেন টু হান্ট্রেড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান রয়েছেন। আপনারা ইনহাউজ কোচিং না করলে শিক্ষার্থীরা কীভাবে ভালো করবেন। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসির সিলেবাস শেষ হয়েছে, তাদের ইনহাউজ কোচিং করান। তাহলেই রেজাল্ট বাড়বে। সবাই মিলে ইনহাউজ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। কতজন স্কুলের শিক্ষক আছেন এখানে যিনি নিজের স্কুলেই নিজের সন্তানকে পড়ান? নিজের স্কুলে নিজের ছেলে-মেয়েকে পড়ান না কতটা আত্মবিশ্বাস কম। এই হচ্ছে আমাদের শিক্ষকদের মানসিকতা। নিজের প্রতিষ্ঠানকে কেনো ওই প্রতিষ্ঠান বানাতে পারেন না – এই প্রশ্নটা আপনাকে করতে হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছেন? আমি জানি না এভাবে আর কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী এভাবে সাধারণ জীবন-যাপন করেন কিনা। আপনারা দেখেছেন কিনা। তিনি চান একটি যোগ্য প্রজন্ম। নকল প্রতিরোধ কে করেছিলেন? মিলন নাকি আপনারা? আগামী প্রজন্ম তৈরি কে করেছিলেন। আপনারাই তো করেন। প্লিজ আপনাদের স্কুলে আপনাদের ছেলে-মেয়েদের পড়ান। আপনি কি মনে মনে করেন না, আপনি যেগ্য?

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাতারাতি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। আমি নতুন পদ্ধতিতে গেলাম। আমি বললাম আগেই ট্রের্নিংয়ে যেতে হবে। আমাদের এতো হাজার শিক্ষকে ট্রের্নিং দেয়ার সক্ষমতা নেই। তাই আমি দুই মাস ট্রের্নিংয়ের ব্যবস্থা করলাম। এরপর তারা জয়েন করবেন।

    মামলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছি। সেটা নিয়েও মামলা, আটকে দেয়। আরে কোথায় যাবো। যেইটা করি সেইটায় মামলা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৩০ হাজারের বেশি মামলা রয়েছে। আমার নিজেরও কয়েকটা মামলা রয়েছে। আদালত সুদৃষ্টি এনেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর। প্রতিটি মামলার জট খুলে যাবে। আমরা আস্তে-আস্ত শিক্ষক নিয়োগ শুরু করবো। এনটিআরসিএতে ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ আটকে আছেন। রংপুরের শিক্ষক কচুয়ায় চাকরি করছেন, কুমিল্লার শিক্ষক বরিশালে চাকরি করছেন, তারা সবাই বসে আছেন। যত শিগগির পারি ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করতে, আমরা এগুলো নিয়ে দিন-রাত পরিশ্রম করছি।

    অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি ২‘শ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। এরমধ্য থেকে আমি আশাকরি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষদের টাকা দেবো। আমাদের শুরুটা করতে হবে।

  • বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে, আশা শিক্ষামন্ত্রীর

    বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা বই পাবে, আশা শিক্ষামন্ত্রীর

    বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পাঠ্যবই হাতে পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের মাঠে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এ বছরে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের বই পৌঁছে দেব। বইগুলি পরিমার্জিত বই এবং বইগুলোর কারিকুলাম অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৮ সালে আমরা নতুন কারিকুলাম নিয়ে নতুন সিলেবাস নিয়ে আমরা আসতে পারব।

    তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইগুলো পরিমার্জন হয়েছে। চারটি বিষয়ে আমরা বই নতুনভাবে দিচ্ছি এবং এ কর্মযজ্ঞ শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। তবে এবার ২৫ ডিসেম্বরের আগেই তাদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে।

    আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন, মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট (ফাঁস) হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভেতরে আগামী ২০ জুলাইয়ের ভেতরে রেজাল্টও আউট (ফল প্রকাশ) হয়ে যাবে।

    এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, এর পরবর্তীতে সেশন জট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনের, এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয় সাধন করছি। আশা করছি, ২০২৮-এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন…। এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থায়ই অবহেলায় সময় কাটাব না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এ যে সিংক্রোনাইজ করছি এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশন, এখানে যেন ছেলেমেয়েরা বসে না থাকে এবং অযথা যেন কোচিং সেন্টারে যেতে না হয় এবং ক্রিয়েটিভ এডুকেশন, সৃজনশীল লেখাপড়া যেন তারা করতে পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা সিলেবাস কারিকুলাম তৈরি করছি।

    অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানোর ঘোষণা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানোর ঘোষণা

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষা খাতে কোনো ধরনের কার্পণ্য করবে না সরকার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রাজধানীর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করা হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

    তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক স্তর শেষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে যেন ১০ বছরের বেশি সময় ব্যয় না হয়, সে বিষয়ে সরকার পরিকল্পনা করছে। সেশনজট কমিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘তোমাদের জীবনে এসএসসি পাস করতে যেন ১০ বছর স্কুলিং ১০ বছরেই থাকে, ১২ বছরে না যায়। কোনো সেশনজট যেন না হয়। তোমরা যেন পিছিয়ে না পড়। সে লক্ষ্যেই আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। তোমাদের স্বার্থে যা প্রয়োজন, সেটাই করা হবে।

    শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু জিপিএ-৫-এর কথা বলব না, শিক্ষার্থীরা কী শিখেছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।’

    এর আগে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ-এ ‘নেট জিরো ক্যাম্পাস’ গঠনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৬০০ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতাসম্পন্ন ‘অন-গ্রিড ওপেক্স মডেল’ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।