ট্যাগ লিওলেন মেসি

  • মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো?

    মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো?

    লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে। মেসির উত্তরসূরি হিসেবে স্থায়ী অধিনায়ক হতে যাচ্ছেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। ইএসপিএনের সাংবাদিক এস্তেবান এদুলের বরাতে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে।

    আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তির পর নেতৃত্বের জন্য রোমেরোকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে। যদিও আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেনি।

    মেসি নিয়মিত অধিনায়ক থাকা অবস্থাতেই নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা পেয়েছেন রোমেরো। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চিলির বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমবার আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেন তিনি। শারীরিক অস্বস্তির কারণে সেদিন মেসি বেঞ্চে ছিলেন। রোমেরোর নেতৃত্বে ম্যাচটি ১-০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা।

    পরবর্তী সময়ে ভেনেজুয়েলা ও মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচেও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরেছেন এই ডিফেন্ডার। ফলে মেসি-পরবর্তী সময়ে তাকেই নেতৃত্বে দেখার সম্ভাবনা আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল।

    ২৮ বছর বয়সী রোমেরোর জাতীয় দলে অভিষেক ২০২১ কোপা আমেরিকার আগে চিলির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে। এরপর লিওনেল স্কালোনির দলের রক্ষণভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি। এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন ৫৮ ম্যাচ, গোল করেছেন চারটি।

    রোমেরোর জাতীয় দল অধ্যায়েই আর্জেন্টিনা জিতেছে ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ফিনালিসিমা। মেসি, অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া, নিকোলাস ওতামেন্দিদের প্রজন্মের পর এবার নতুন নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারেন রোমেরো।

    ২৮ বছর বয়সে অধিনায়কত্ব পেলে সামনে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকবে তার। ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে এই টটেনহাম ডিফেন্ডারের সামনে। তবে আপাতত বিষয়টি নিশ্চিত নয়। এএফএর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় থাকতে হবে। একাধিক প্রতিবেদনে অবশ্য মেসির পর স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে রোমেরোকেই সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

  • ব্যক্তিগত বিমানে করে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি

    ব্যক্তিগত বিমানে করে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি

    আরেকটি বিশ্বকাপ, আরেকটি নতুন স্বপ্ন। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় ২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নিজেদের চতুর্থ ট্রফি জয়ের মিশন শুরু করে দিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে এসে পৌঁছেছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মায়ামি থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমানে সতীর্থ রদ্রিগো দি পলকে সঙ্গে নিয়ে আর্জেন্টিনা দলে যোগ দেন তিনি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ রাঙাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

    মেসি ও দি পল শেষ দিকে যোগ দিলেও আর্জেন্টিনা দলের মূল বহরটি বুয়েনস আইরেস থেকে রওনা হয়ে রোববার দুপুরেই কানসাসে এসে পৌঁছায়। যে চার্টার্ড ফ্লাইটে চড়ে হুলিয়ান আলভারেস, এনসো ফার্নান্দেস, নিকোলাস ওতামেন্দিরা এসেছেন, সেটির নম্বর ছিল ‘এআর১৯৭৮’। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সোনালি স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেওয়া এই নম্বরটি যেন দলের লক্ষ্যকেই পুনর্ব্যক্ত করছে। স্কোয়াডের ১৮ জন ফুটবলারের পাশাপাশি অনুশীলনে সহায়তার জন্য বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কেও সঙ্গে থে এনেছেন কোচ লিওনেল স্কালনি।

    এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে খেলা লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। তবে এমিলিয়ানোর মার্তিনেসের হাতে সম্পূর্ণ ব্যান্ডেজ থাকা সত্ত্বেও তাঁর খেলা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলেই জানা গেছে। দলের সঙ্গে এখনো যোগ দিতে পারেননি এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল দেখতে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে থাকায় পরবর্তীতে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।

    কানসাস সিটির নবনির্মিত ‘অরিজিন হোটেল’-এ অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা দল। টুর্নামেন্ট চলাকালীন এটিই হবে তাদের ঘাঁটি। হোটেল থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত ‘স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টার’-এ সোমবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে কড়া অনুশীলন। তবে বছরের এই সময়ে কানসাসের আবহাওয়া বেশ পরিবর্তনশীল। তীব্র গরম, আর্দ্রতা আর ঝড়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ফুটবলাররা।

    মেসি সম্প্রতি ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে কিছুটা চোট পেয়েছিলেন। তবে ক্রীড়া দৈনিক ‘ক্লারিন’ জানিয়েছে, আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগেই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠবেন এই জাদুকর। বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে স্কালোনির দল। ৭ জুন টেক্সাসে হন্ডুরাসের বিপক্ষে এবং ১০ জুন আলাবামায় আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।

    ১১ জুন পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। আর ১৭ জুনকানসাস সিটিতেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।

  • আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    বিডিটািইমস ডেস্কঃ লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুগ শেষ হওয়ার পর ব্যালন ডি’অর দৌড় অনেকটাই খোলামেলা। অনেক খেলোয়াড়ই মনে করছেন সোনার বলটা তাদের হাতে আসতে পারে। তবে গোল ডট কমের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং বলছে ভিন্ন কথা। জানাচ্ছে, নবম ব্যালন ডি’অর জেতার সম্ভাবনা একেবারেও শেষ হয়ে যায়নি মেসির!

    যদিও এই মুহূর্তে সবার উপরে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন। এই মৌসুমে তিনি ৬৫ গোল করেছেন। জিতেছেন বুন্দেসলিগা, ডিএফবি পোকাল ও ডিএফএল সুপার কাপ। ট্রফি না জেতার যে পুরোনো অপবাদ তাকে দেওয়া হতো, সেটা এখন অতীত। কেইন এখন পুরোপুরি প্রমাণ করতে চাইছেন যে তিনি ব্যক্তিগত পুরস্কারেরও যোগ্য।

    দ্বিতীয় স্থানে আছেন পিএসজির ওসমান দেম্বেলে। গত বছর ব্যালন ডি’অর জেতার পর এই মৌসুমে চোটের কারণে শুরুটা ভালো হয়নি তার। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর থেকেই দারুণ ফর্মে ফিরেছেন। লিভারপুল ও বায়ার্নের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দিয়েছেন, ফাইনালেও গোল করেছেন। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে। বিশ্বকাপেও ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হবেন তিনি।

    তৃতীয় স্থানে আছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। এই মৌসুমে ২৫ গোল ও ২০ অ্যাসিস্ট করেছেন। বিশ্লেষকদের চোখে মৌসুমের শুরুতে তিনিই ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিলেন। তবে চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরুর ম্যাচগুলো মিস করতে পারেন। নকআউট পর্বে ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে, আর সেখানে ভালো খেললে পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারেন।

    চতুর্থ স্থানে পিএসজির ভিতিনিয়া। ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর পোডিয়ামে জায়গা পেয়েছিলেন, এবার আরও উপরে উঠতে পারেন।

    পঞ্চম স্থানে বায়ার্নের মাইকেল ওলিসে। ২৩ গোল ও ৩৩ অ্যাসিস্ট করে রীতিমতো চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার পারফরম্যান্স বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

    আর্সেনালের ডেক্লান রাইসের অবস্থান এখন নবম। প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছেন এবং আর্সেনালকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বুদাপেস্টে পিএসজির কাছে সেই ফাইনালে হারের পর তার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে।

    কিলিয়ান এমবাপ্পে আছেন ষষ্ঠ স্থানে। ৪৮ গোল করেও ট্রফি পাননি। তবে বিশ্বকাপে সেরাটা দেওয়ার রেকর্ড আছে তার, তাই শেষ পর্যন্ত রেসে থাকবেন।

    এই তালিকায় চমক হিসেবে আছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি। ৩৬ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করে এমএলএস কাপ জিতেছেন। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাথে যদি ভালো করেন, তাহলে আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর ফিরে আসাটাও অসম্ভব নয়।

    এবার চ্যাম্পিয়নস লিগের পাশাপাশি বিশ্বকাপ ও আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসও ব্যালন ডি’অর নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।