ট্যাগ রিয়াল মাদ্রিদ

  • এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে হারল রিয়াল

    এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে হারল রিয়াল

    গোলের একের পর এক সুযোগ নষ্ট, তিনবার পোস্টে আঘাত আর শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি মিস; সব মিলিয়ে হতাশার এক রাত কাটল রিয়াল মাদ্রিদের। কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি ব্যর্থতার ম্যাচে রিয়াল বেটিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে হোসে মরিনহোর দল।

    সেভিয়ার লা কার্তুহা স্টেডিয়ামে শুক্রবারের ম্যাচটি ৮০ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য ছিল। তবে এরপর ট্রয় প্যারোটের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক বেটিস। শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি রিয়াল।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল মাদ্রিদের দল। ১৪ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লাগে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপ্পেও গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে দুইবার চেষ্টা করেও বল জালে পাঠাতে পারেননি।

    বিরতির আগে জুড বেলিংহ্যামের হেড ঠেকান বেটিস গোলরক্ষক আলভারো ভালেস। পরে ডিন হুইজসেনের হেড ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে আসে।

    দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না রিয়াল। শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে ফিরতি বলে গোল করেন বেটিসের ট্রয় প্যারোট। এরপর রিয়াল একটি গোল করলেও ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।

    যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। দায়িত্ব নেন এমবাপ্পে। তবে তার স্পট কিকের দিক আগে থেকেই বুঝে ফেলেন গোলরক্ষক আলভারো ভালেস। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্বল শটটি ঠেকিয়ে দেন তিনি।

    এর আগে লা লিগার প্রথম দুই ম্যাচে চার গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। কিন্তু বেটিসের বিপক্ষে তিনটি ভালো সুযোগ নষ্ট করার পাশাপাশি পেনাল্টিও মিস করেন ফরাসি তারকা।

    চার ম্যাচ শেষে প্রথম হারের পর ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে বেটিস, আর এক ম্যাচ কম খেলেও ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

  • রোদ্রিকে দলে নিতে প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদ

    রোদ্রিকে দলে নিতে প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদ

    রিয়াল মাদ্রিদ তাদের মিডফিল্ড শক্তিশালী করতে রোদ্রিকে দলে ভেড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইয়ান দিওমান্দের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ম্যানচেস্টার সিটির এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ক্লাবটির।

    স্প্যানিশ সংবাদপত্র ‘মার্কা’–এর দাবি, রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেস ৩০ বছর বয়সী রোদ্রিকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনায় এরই মধ্যেই সবুজ সংকেত দিয়েছেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়ালের প্রধান কোচ হোসে মরিনহো প্রথমে মিডফিল্ড শক্তিশালী করতে এনসো ফের্নান্দেস এবং মাতেউস ফের্নান্দেস সহ আরও কয়েকটি বিকল্প বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত রোদ্রিকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে রোদ্রির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং গোল্ডেন বল জেতা এই সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করেছে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।

    রোদ্রির সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। তবে তিনি চুক্তি নবায়ন করতে আগ্রহী নন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ৫ থেকে ৬ কোটি ইউরোর বিনিময়ে এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারকে দলে ভেড়ানো সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস করছে রিয়াল মাদ্রিদ।

  • পেরেজ আবার প্রেসিডেন্ট হলে রিয়ালের নতুন কোচ হবেন মরিনিও

    পেরেজ আবার প্রেসিডেন্ট হলে রিয়ালের নতুন কোচ হবেন মরিনিও

    রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী কোচ কে হবেন, এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা-কল্পনা চলছিল। অবশেষে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ক্লাবটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। আসন্ন নির্বাচনে তিনি পুনর্নির্বাচিত হলে হোসে মরিনিওকে রিয়াল মাদ্রিদের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বেইন স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এ ঘোষণা দেন পেরেজ।

    এই ঘোষণার মাধ্যমে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হোসে মরিনিওর বহুল আলোচিত প্রত্যাবর্তনের পথ উন্মুক্ত হলো। বেনফিকায় দায়িত্ব পালনের পর এবার রিয়াল মাদ্রিদে নিজের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন পর্তুগিজ এই কোচ।

    ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ‘আরও ইতিহাস তৈরির পথে’ স্লোগানসংবলিত ভিডিওতে রিয়ালের জার্সি পরিহিত মরিনিওকে দেখা যায়। সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি শুধু বলেন, ‘হ্যাঁ’।

    রিয়াল মাদ্রিদে মরিনিওর প্রথম মেয়াদ ছিল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। সেই সময়ে তার অধীনে দলটি একটি লা লিগা, একটি কোপা দেল রে এবং একটি স্প্যানিশ সুপার কাপ শিরোপা জেতে। এছাড়া তার নেতৃত্বেই রিয়াল মাদ্রিদ লিগে ঐতিহাসিক ১০০ পয়েন্ট অর্জনের কীর্তি গড়ে।

    তবে প্রথম মেয়াদে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেননি মরিনিও। ফলে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নিলে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব ট্রফিটি জয় করাই হবে তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    এদিকে সম্ভাব্য দ্বিতীয় অধ্যায়ে মরিনিওকে আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সেটি হলো, রিয়াল মাদ্রিদের দুই মৌসুমের শিরোপা খরা দূর করে দলকে আবারও সাফল্যের ধারায় ফিরিয়ে আনা।