রাজধানী

  • প্লাস্টিক কারখানায় আগুন; কেরানীগঞ্জে একজনের মৃত্যু, আহত ২

    প্লাস্টিক কারখানায় আগুন; কেরানীগঞ্জে একজনের মৃত্যু, আহত ২

    ঢাকার কেরানীগঞ্জের আতাশুর এলাকায় প্লাস্টিকের কারখানায় আগুনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সাকিব হাসান (১৮)।

    এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের নাম মানিক আহমেদ (৪০) ও রাকিব হোসেন (১৮)। তাদের ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ( মিটফোর্ড) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে সেখান থেকে মানিক আহমেদকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

    সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নারিকেল বাগ এলাকার আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (ঢাকা) কাজী নজমুজ্জামান।

    ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া বিভাগের কর্মকর্তা তালহা বীন জসিম জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে।

    তিনি জানান, সোমবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ১২টা ৩২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আগুন নেভাতে সেখানে পৌঁছেন।
    প্রথমে ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আরও ৩টি এতে ইউনিট যোগ দেয়।

    আতাশুর এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন জানান, দুপুর ১২টায় কালিন্দী ইউনিয়নের আমান প্লাস্টিকের কারখানা আগুন লাগে। এ সময় কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অফিসে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য চেষ্টা করেন। পরে রাজধানী ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের আরও টিম ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাস্থলে সাকিব হাসানের মৃত্যু হয়।

    কাজী নজমুজ্জামান জানান, ৮ তলা ভবনের মালিক সাজাহান মজুমদার। ভবনটিতে প্লাস্টিকের খেলনা তৈরি হয়। খেলনা কেমিক্যাল তৈরির কারণেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

    তিনি জানান, আগুন লাগার পর শ্রমিকরা ছুটোছুটি করে নেমে যান। আগুন নিয়ন্ত্রণে ৮টি ইউনিট কাজ করে। ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

    কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি রুহুল কুদ্দুস জানান, ভবনটিতে কেমিক্যাল মিশিয়ে খেলনা তৈরি হয়। কেমিক্যালের কারণেই আগুন লাগে।

  • রাজধানীর যানজট; বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    রাজধানীর যানজট; বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকার যানজট নিরসনে প্রস্তাবিত অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করা, সংস্থাগুলোর কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

    রোববার (৪অক্টোবর) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনাবিষয়ক সভায় এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

    সভার তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ এবং দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি।

    সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজধানীর তেজগাঁও মসজিদে গোপন বৈঠক; আটক ২৩

    রাজধানীর তেজগাঁও মসজিদে গোপন বৈঠক; আটক ২৩

    রাজধানীর ফার্মগেটে তেজগাঁও মসজিদে গোপন বৈঠক চলাকালে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের তেজগাঁও থানায় নেয়া হয়েছে । সেখানে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তা আসছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, তেজগাঁও মসজিদ থেকে গোপন বৈঠক চলাকালে সন্দেহজনক জঙ্গি হিসেবে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।

  • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৫১ মামলায় গ্রেপ্তার ৫৪২

    রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৫১ মামলায় গ্রেপ্তার ৫৪২

    রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোট ৫১টি মামলা করেছে পুলিশ।

    গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন আজ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মিরপুর বিভাগ এলাকার—১৯৩ জন। এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৯১ জন, ওয়ারীতে ৬০ জন, মতিঝিলে ৫২ জন, উত্তরায় ৪২ জন, গুলশানে ৪১ জন, লালবাগে ২৮ জন এবং রমনা বিভাগে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ১২ জন ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    অভিযানের সময় আসামিদের কাছ থেকে ৪৫ কেজি ৪৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ২৯১টি ইয়াবা বড়ি, ১টি শটগান, ১টি প্রাইভেট কার, ১৫টি মুঠোফোন ও ১ জোড়া হাতকড়া উদ্ধার করা হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বুধবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত) রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে মোট ৪৭৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ডিএমপি।

  • রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে এবার উড়বে ড্রোন

    রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে এবার উড়বে ড্রোন

    রাজধানী ঢাকায় যানজট বেশ পুরনো সমস্যা। এতে নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কর্মঘণ্টা। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মেলেনি এ সংকটের স্থায়ী সমাধান। তবে সম্প্রতি যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্যামেরার ব্যবহার কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) উদ্যোগ নিয়েছে ড্রোন সার্ভিলেন্স চালুর।

    সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন এ প্রযুক্তি যুক্ত হলে রাজধানীতে যানজট অনেকাংশ কমে আসবে বলে আশা করছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্ত করেন এ আশাবাদ।

    ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এ কর্মকর্তার ভাষ্য, পরীক্ষামূলকভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি ড্রোনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত, সতর্কবার্তা প্রদান এবং পরবর্তী সময়ে অটোমেটিক নাম্বার প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) যুক্ত করে ভিডিও মামলা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    আনিছুর রহমান বললেন, ড্রোন সার্ভিলেন্স পৃথিবীর বহু দেশে আছে। তবে, এটি আমাদের জন্য একেবারে নতুন একটি কনসেপ্ট। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে সড়কের পাশাপাশি ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতেও যানজট তৈরি হয়। অনেক সময় এসব যানজটের সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না বা জানতে দেরি হয়। সেজন্য আমরা চিন্তা করেছি, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন জায়গায় যদি আমরা ড্রোন সার্ভিলেন্স চালু করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের তাৎক্ষণিক রিয়েল টাইম ইনফরমেশন দেবে। এতে আমাদের জন্য নির্দেশনা দিতে সহজ হবে।

    ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনে করেন, ড্রোনে যদি অটোমেটিক নাম্বার প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়, তাহলে অফিসে বসে ভিডিও মামলা দেওয়া সম্ভব হবে।

    আনিছুর রহমান বললেন, ঢাকায় বড় অসুবিধা হলো বাসগুলো নির্দিষ্ট স্থানে থামে না। বাসের কন্ডিশন অনুযায়ী ‘পার ডে’ তারা মালিককে টাকা দেয়। এই টাকা দেওয়ার ফলে নিজেদের মধ্যে কম্পিটিশন করে তারা। কম্পিটিশনের কারণে বাসগুলো যাত্রী ছাউনিতে না থামিয়ে ইচ্ছেমতো যেখানে সেখানে থামে এবং পেছনের পুরো রাস্তা ব্লক করে দেয়।

    ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনে করেন, উন্নত দেশগুলোয় নির্দিষ্ট সময় পরপর বাস চলাচল করে। কোন বাসের পর কোন বাস আসবে এবং কোন বাস কখন কোথায় দাঁড়াবে— সবকিছু একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে বাসগুলো যাত্রী পাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। ফলে ঢাকার প্রায় সব বাসের গায়ে অসংখ্য দাগ ও ক্ষত দেখা যায়। দেখতে অনেকটা বসন্ত রোগীর মুখের মতো। এটা যতদিন পর্যন্ত বন্ধ না হবে এবং ই-টিকিটিং সিস্টেম ও বাস রুট রেশনালাইজেশন— এই দুটি কাজ যতদিন আমরা যথাযথভাবে করতে না পারব, ততদিন পর্যন্ত এই ভোগান্তি কমবে না।

    ড্রোনগুলো ঠিক কী ধরনের কাজ করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে আনিছুর রহমান জানালেন, ড্রোনে ভয়েস বা শব্দের ব্যবস্থা থাকবে। এর মাধ্যমে আইন ভঙ্গকারী যানবাহনকে সতর্কবার্তা দেওয়া যাবে। যেমন— কোনো গাড়ি যানজট সৃষ্টি করলে ড্রোন থেকে বলা যাবে, ‘আপনি যানজট সৃষ্টি করছেন, সরে যান।’

    ‘ড্রোনের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলাও করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। তবে এটি এখনো একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। একটি সংস্থা পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের কাছে একটি ড্রোন দিয়েছে। আমরা সেটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আশা করছি, খুব দ্রুত এটি নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারব’, যোগ করেন ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এ কর্মকর্তা।

    ড্রোনের মাধ্যমে রিয়েল টাইম ডাটা সরাসরি পাওয়া যাবে কি না— জানতে চাইলে আনিছুর রহমান বললেন, একদম রিয়েল টাইম ডাটা পাওয়া সম্ভব। তবে, এগুলো পেতে আমাদের অবকাঠামো লাগবে। কারণ এগুলো সবই হচ্ছে ইন্টারনেট বেইজড, সার্ভার বেইজড। এগুলোর জন্য স্পেস দরকার, অবকাঠামো দরকার। এগুলোর জন্য ব্যয় আছে।

    ড্রোন পরিচালনার জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ দরকার আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেছেন, ড্রোন চালানো একটি কারিগরি বিষয়। তাই আমরা এরই মধ্যে আমাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছি। প্রথমে তেজগাঁও বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সেখানে আমাদের একটি দল এরই মধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পরবর্তী ধাপে উত্তরা বিভাগের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

    এ প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে চ্যালেঞ্জের কথা জানাতে গিয়ে আনিছুর রহমান বলেছেন, ‘শুরুতে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা প্রথমে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ে কাজ শুরু করেছি। শাহবাগ থেকে শুরু করে ১৪টি এবং লেক রোডে একটি— মোট ১৫টি সিগন্যাল এআই প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিএমপির অন্যান্য সিগন্যালও রয়েছে।

    ‘আমরা প্রথমে দেখতে চেয়েছিলাম, এই ব্যবস্থা কাজ করে কি না। আপাতত কাজ করছে। তবে সমস্যা যে নেই, তা নয়। সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি, মানুষ যেন ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে শেখে। তবে এই অভ্যাস তৈরি হতে কিছুটা সময় লাগছে। আশা করি, ড্রোনের ক্ষেত্রেও সময় লাগবে। আমরা এটি পরীক্ষা করে দেখব। যদি কোনো নেতিবাচক দিক দেখা যায়, তাহলে এটি চালু করা হবে না’, যোগ করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

  • ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় বসছে এআই সংকেতবাতি, একেকটিতে খরচ ২ কোটি

    ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় বসছে এআই সংকেতবাতি, একেকটিতে খরচ ২ কোটি

    ঢাকার যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর আরও ৫০টি স্থানে স্বয়ংক্রিয় (এআই) সংকেতবাতি (ট্রাফিক সিগন্যাল) বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি সিগন্যালে গড়ে ব্যয় হবে প্রায় ২ কোটি টাকা।

    তবে এই অর্থ শুধু সংকেতবাতি বসাতে খরচ হবে না। সিগন্যালের খুঁটি, ভিত্তি, স্টিলের বেড়া, বিদ্যুৎ–সংযোগ, ট্রাফিক পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ, সড়ক খনন, ক্যামেরা, নিয়ন্ত্রণ বক্স, ট্যাবসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কেনার পেছনেও ব্যয় হবে।

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতায় ২৮টি স্থানে ট্রাফিক সংকেতবাতি বসাতে ব্যয় হবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২২টি স্থানে ব্যয় হবে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। দুই সিটি মিলিয়ে ৫০টি সিগন্যালে মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৯৯ কোটি টাকা। এর সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতায় ২৮টি স্থানে ট্রাফিক সংকেতবাতি বসাতে ব্যয় হবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২২টি স্থানে ব্যয় হবে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। দুই সিটি মিলিয়ে ৫০টি সিগন্যালে মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৯৯ কোটি টাকা। এর সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

    দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক বাতি চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দুই সিটি করপোরেশনকে ৫০ কোটি টাকা করে মোট ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

    পরে এসব সিগন্যালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরা যুক্ত করে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা এলাকায়

    দুই সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত বাতি স্থাপনের কাজ শুরু করা হবে। তবে কাজ শুরুর সময় নিয়ে দুই সিটির কর্মকর্তাদের বক্তব্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

    দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শুরু করা হবে।

    রাজিব খাদেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, ডিএসসিসি

    এক সিগন্যালে ব্যয় ২ কোটি টাকা

    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নতুন ট্রাফিক সংকেতবাতি স্থাপনের কাজ মূলত দুই ভাগে করা হবে। একটি অংশের কাজ করবে সিটি করপোরেশনের নিয়োজিত ঠিকাদার। অন্য অংশের কাজ করবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।

    সিটি করপোরেশনের ঠিকাদারের কাজের মধ্যে রয়েছে সিগন্যালের দুই পাশে ৫০ মিটার করে স্টিলের বেড়া নির্মাণ, ট্রাফিক পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ তৈরি, বাতির খুঁটির ভিত্তি ও খুঁটি নির্মাণ, বিদ্যুতায়ন এবং সড়ক খনন বা কাটার কাজের মতো পূর্তকাজ।

    অন্যদিকে বুয়েট ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার নকশা প্রণয়ন করবে। সংকেতবাতি, নিয়ন্ত্রণ বক্স, ট্যাব, ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করবে। পাশাপাশি যানবাহনের চলাচলসংক্রান্ত জরিপও করবে প্রতিষ্ঠানটি।

    অর্থাৎ শুধু সিগন্যাল বাতি স্থাপন নয়, এর সঙ্গে যুক্ত অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের জন্যও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নতুন ট্রাফিক সংকেতবাতি স্থাপনের কাজ মূলত দুই ভাগে করা হবে। এর একটি অংশের কাজ করবে সিটি করপোরেশনের নিয়োজিত ঠিকাদার। অন্য অংশের কাজ করবে বুয়েট।

    ডিএনসিসির হিসাব বলছে, ২৮টি স্থানে ট্রাফিক সংকেতবাতি স্থাপনের পূর্তকাজে ব্যয় হবে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে স্টিলের বেড়া নির্মাণে। সংকেতবাতির খুঁটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। খুঁটির ভিত্তি তৈরিতে প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ এবং বিদ্যুতায়নে ৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বক্স, সড়ক খনন, ট্রাফিক সাইনসহ অন্যান্য কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১৬ কোটি টাকা।

    এর বাইরে বুয়েটের পরামর্শ, সংকেত বাতি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম কেনায় ব্যয় হবে প্রায় ১২ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ডিএনসিসির ২৮টি সিগন্যালে ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা।

    অন্যদিকে ডিএসসিসির ২২টি স্থানে সিগন্যাল বাতি বসানোর পূর্তকাজে ব্যয় হবে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। আর বুয়েটকে দেওয়া হবে প্রায় ৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ব্যয় হবে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা।

    এই হিসাবে উত্তর ও দক্ষিণ সিটির প্রতিটি স্থানে একটি সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপনে গড়ে প্রায় ২ কোটি টাকা করে ব্যয় হচ্ছে।

    নতুন সিগন্যাল ব্যবস্থা ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করলে ফলাফল আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করা যেত। তবে আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় এ প্রযুক্তি প্রয়োজন; পাশাপাশি লেন ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য ট্রাফিক শৃঙ্খলাও নিশ্চিত করতে হবে।

    আদিল মুহাম্মদ খান, নগর পরিকল্পনাবিদ

    সাত সিগন্যালের পর এবার আরও ৫০

    যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গত বছর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ২২টি মোড়ে নতুন করে সংকেতবাতি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব বাতি বসাতে ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা।

    প্রাথমিকভাবে ঢাকা দক্ষিণের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল ও বাংলামোটর এবং ঢাকা উত্তরের সোনারগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাহাঙ্গীর গেট মোড়ে এসব সিগন্যাল বসানো হয়েছিল। পরে এসব সিগন্যালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরা যুক্ত করে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। দুই সিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ভাষ্য, এতে যানজট নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

    গত মে মাসে কারওয়ান বাজার মোড়ে দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক পুলিশ সদস্য ছোটন বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘আগে গাড়ি থামাতে যুদ্ধ করতে হতো। এখন লাল বাতি জ্বলে উঠলেই থেমে যাচ্ছে। শান্তিতে দায়িত্ব পালন করতে পারছি। তবে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো সমস্যা সৃষ্টি করছে।’

    সিগন্যালে এআই ক্যামেরা চালুর পর চালকেরা এখন জেব্রাক্রসিংয়ের আগেই থামছেন। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা এলাকায়

    বুয়েট এসব বাতি তৈরি করে। পরে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বুয়েট এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) যৌথভাবে এ পরীক্ষামূলক সিগন্যাল ব্যবস্থার তদারকি করে।

    জানতে চাইলে নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান প্রথম আলোকে বলেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সংকেত ভঙ্গকারীদের তাৎক্ষণিক জরিমানা করায় আইন মানার প্রবণতা বেড়েছে। তাঁর মতে, আইনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ ট্রাফিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

    দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সেটি প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

    নাঈম রায়হান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল, ডিএনসিসি

    যেসব মোড়ে বসছে নতুন বাতি

    ডিএনসিসির যে ২৮টি স্থানে নতুন ট্রাফিক সংকেতবাতি স্থাপন করা হবে, সেগুলো হলো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদ গেট, গণভবন, মোহাম্মদপুর থানা, কলেজ গেট, টেকনিক্যাল, মাজার রোড, মিরপুর-১, সনি সিনেমা হল, মিরপুর-১০, মিরপুর-১২, মিরপুর-৬, মিরপুর-১৪, আগারগাঁও, আবহাওয়া অধিদপ্তর, পরিকল্পনা কমিশন, গুলশান ক্লাব, গুলশান আজাদ মসজিদ, গুলশান-১, গুলশানের ডোমিনোজ ক্রসিং, পুলিশ প্লাজা, নিকেতন, তেজগাঁওয়ের পুরোনো আড়ং, শান্তা টাওয়ার, তেজগাঁও-মহাখালী লিংক রোড, বিওয়াইডি শোরুম, রেইনবো ক্রসিং এবং হাতিরঝিল-মগবাজার ক্রসিং।

    আর ডিএসসিসির ২২টি আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ধানমন্ডি-৬, ধানমন্ডি-৭, কলাবাগান, রাসেল স্কয়ার, ধানমন্ডি-২৭, কাঁটাবন, বাটা সিগন্যাল, কাকরাইল, বিজয়নগর, ফকিরেরপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, বঙ্গভবন, গুলিস্তান স্কয়ার, জিপিও, পল্টন মোড়, গ্রিন রোড, মগবাজার মোড়, মিন্টো রোড ও অফিসার্স ক্লাব ক্রসিংয়ে নতুন বাতি বসবে।

    নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, নতুন সিগন্যালব্যবস্থা ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করলে ফলাফল আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করা যেত। তবে আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় এ প্রযুক্তি প্রয়োজন। পাশাপাশি লেন ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য ট্রাফিক শৃঙ্খলাও নিশ্চিত করতে হবে।

    সিগন্যালে এআই ক্যামেরা চালুর কারণে চালকেরা জেব্রাক্রসিংয়ের আগেই থেমে আছেন। রাজধানীর বিজয় সরণি এলাকায় ফাইল ছবি

    কাজ শুরু নিয়ে দুই সিটির বক্তব্য

    নতুন সংকেতবাতি স্থাপনের কাজ কবে শুরু হবে, তা নিয়ে দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

    ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রাজিব খাদেম প্রথম আলোকে বলেন, দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শুরু করা হবে।

    অন্যদিকে ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম রায়হান খান বলেন, দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সেটি প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

    ঢাকার দুই সিটির ট্রাফিক প্রকৌশল বিভাগ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও বুয়েট যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।