যুবদল

  • ২৫ লাখে খুনি ভাড়া, নেপথ্যে বিএনপি নেতা জনি: সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা

    ২৫ লাখে খুনি ভাড়া, নেপথ্যে বিএনপি নেতা জনি: সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা

    রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আলোচিত গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব বা চাঁদাবাজি নয়, বরং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থিতাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক শত্রুতা কাজ করেছে। এমন দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু।

    হামলায় বেঁচে যাওয়া যুবদলের এই নেতার অভিযোগ, নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে তাঁর প্রার্থিতা ও গ্রহণযোগ্যতা সহ্য করতে না পেরে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি তাঁকে হত্যার মূল নীল নকশা সাজিয়েছিলেন।

    আজ বুধবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি হত্যাচেষ্টা, হামলা ও একাধিক সন্দেহভাজন ঘাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত বিএনপি নেতার ছবি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, গত ২৪ জুলাই (শুক্রবার) রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে মিরপুর ১৩ নম্বর এলাকায় তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় একদল দুর্বৃত্ত। হামলায় কাফরুল থানা যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন এবং দুই ফুটপাত ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন।

    ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনিকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, ‘মূল মাস্টারমাইন্ড বা মূল ঘাতক সাব্বির দেওয়ান জনি। সে-ই অর্থদাতা বলে আমার সন্দেহ। তবে তা প্রমাণের দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের।’

    তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় একটি মার্কেটের গ্যারেজ অবৈধভাবে সিএনজি হাফিজ নামে এক ব্যক্তিকে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, যা কিলিং মিশন পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। ওই মার্কেটের সভাপতি সাব্বির দেওয়ান জনি অন্য সদস্যদের মতামত না নিয়ে জেনেশুনেই তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

    ঘটনার পরপরই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেওয়া বক্তব্যকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেন এই যুবদল নেতা।

    ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল—স্থানীয় আধিপত্য, বর্জ্য সংগ্রহের টেন্ডার, ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসা ও ফুটপাতের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    পুলিশের এই দাবি খণ্ডন করে হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘মিরপুর ১৩ নম্বরে আমার বা অন্য কারও ডিশ-ইন্টারনেটের ব্যবসা কিংবা ফুটপাতে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট নেই। এমনকি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো এই অঞ্চলে ময়লার কোনো টেন্ডারই আহ্বান করা হয়নি।’

    বাবু দাবি করেন, মূল চক্রান্তকারীকে আড়াল করতেই চক্রান্তকারীরা মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, এই কিলিং মিশন বাস্তবায়নের জন্য ঢাকার বাইর থেকে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে পেশাদার খুনিদের ভাড়া করা হয়েছিল।

    পরিকল্পনাকারী নেপথ্যে থেকে ‘সিএনজি হাফিজ’ নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে পুরো মিশন পরিচালনা করান বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ভাড়াটে খুনি আবির, জিয়ারুল ও বাস্তবায়নকারী হাফিজের সঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির একাধিক ছবি সাংবাদিকদের সামনে প্রদর্শন করা হয়।

    হাফিজুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পলাতক ঘাতকদের সঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির সরাসরি ছবি থাকার পরও কেন পুলিশ তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদ করছে না।

    নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কার কথা প্রকাশ করে এই যুবদল নেতা বলেন, ‘আমাকে হত্যার চেষ্টা এক দিনে নয়, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে করা হচ্ছে। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা নেতাদের সরিয়ে দিয়ে যারা নতুন করে নিজেদের জাহির করতে চাইছে, তারাই নিজেদের পথ পরিষ্কার করতে কিলারদের নিয়োগ দিয়েছে।’

    সংবাদ সম্মেলন থেকে হাফিজুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং মূল নির্দেশদাতাসহ সব পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান।

  • যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

    যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

    যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবদল নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার বেলা আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে উপজেলার খাজুরা ফুয়েল স্টেশন-সংলগ্ন ওয়ে স্কেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত রুবেল হোসেন (৩৮) বাঘারপাড়া উপজেলার তেলিধান্যপুড়া গ্রামের মৃত মুনতাজ ঢালীর ছেলে। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার আব্দুর রবের ছেলে রাব্বি ধারাল অস্ত্র দিয়ে রুবেল হোসেনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযুক্ত রাব্বি নিহত রুবেলের ছোট বোনের দেবর। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গুরুতর অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহ জালাল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত রাব্বিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

  • শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে যুবদলের ৩০০ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

    শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে যুবদলের ৩০০ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

    দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সারা দেশে যুবদলের প্রায় ৩০০ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না।বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    যুবদল সভাপতি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল সুশৃঙ্গল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। কোনো রকম বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেয় না। দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

    তিনি জানান, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাবে না। ভবিষ্যতে যাতে কেউ সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে দেশব্যাপী যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিটের নেতাকর্মীরা জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন সফল করেছেন। আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত করতে যুবদলের ৭৮ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। শত শত নেতাকর্মী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং হাজার হাজার নেতাকর্মী রক্তাক্ত হয়েছেন।’

  • সাঁথিয়ায় ধর্ষণচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার যুবদল নেতা বহিষ্কার

    সাঁথিয়ায় ধর্ষণচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার যুবদল নেতা বহিষ্কার

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবদল নেতা আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আবুল কাশেম সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা এলাকার আড়িয়াডাংগী গ্রামের নিজামুদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি।

    গত ১১ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরদিন শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে কাশেম শেখকে অভিযুক্ত করে আতাইকুলা থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীকে গ্রেপ্তার দাবিতে রোববার অভিযুক্তের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে স্থানীয়রা।

    এদিকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দল থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়। রোববার রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি একতাশামুল হক রাজিব এবং সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল সরদারের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

    আতাইকুলা থানার ওসি মজিবর রহমান জানান, ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর এলাকা থেকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

    রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

    চট্টগ্রামের রাউজানে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদের (৪৫) বাড়ি পাশের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নে। তিনি ওই এলাকার প্রয়াত খালেদ চৌধুরীর সন্তান এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেতাগী ইউনিয়ন থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনীতে অবস্থানকালে মাসুদকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর ধারণা, বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

    হত্যাকাণ্ডের খবর রাঙ্গুনিয়া ও রাউজানে ছড়িয়ে পড়লে দুই উপজেলার যুবদল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রতিবাদে কাপ্তাই সড়কের ইছাখালী (রাঙ্গুনিয়া) ও পাহাড়তলি (রাউজান) এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা। দুপুর ১টার পর থেকে কাপ্তাই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    বিক্ষুব্ধ জনতা জানিয়েছেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন ও সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকবে। তবে মানবিক কারণে শুধুমাত্র অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই সড়কের দুই উপজেলার সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।