ট্যাগ মক্কা প্যাক্ট

  • মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    মক্কা প্যাক্টের ক্ষেত্রে সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি সময় নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

    আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    শামা ওবায়েদ ব‌লেন, ‘বহুপক্ষীয় ফোরামে অংশ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি আমরা অনুসরণ করে থাকি। এখানে যুক্ত হলে বাংলাদেশের কি সুবিধা, জনগণের কি লাভ, সেটা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখনো অফিসিয়ালি কিছু পাইনি। তবে এটা উন্মুক্ত আছে, দেখা যাক।’

    এর আগে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রাকে স্বাগত জানায় আইপিইউ।

    সংসদীয় গণতন্ত্রের উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংসদীয় কূটনীতি জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, তরুণ সংসদের উপস্থিতিকেও ইতিবাচকভাবে দেখছে আইপিইউ।

    বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সংসদীয় ফোরামগুলোর সমর্থন আদায়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

  • মক্কা চুক্তি ও ভারত প্রসঙ্গ নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

    মক্কা চুক্তি ও ভারত প্রসঙ্গ নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

    আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

    শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ভারত তাদের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী কাজ করবে- আমরা আমাদের নীতি অনুযায়ী কাজ করব। ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মতো।

    সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট কিনা, সেটি মূল বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    ই-জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন প্রসঙ্গেও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার ও আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

    জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।