ভাংচুর

  • নড়াইলের কালিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর, আহত ১২

    নড়াইলের কালিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর, আহত ১২

    নড়াইল প্রতিনিধি

    জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ এবং গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় অন্ততপক্ষে সাতটি বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১২জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    রোববার (১৪ জুন) সকালে এবং শনিবার বিকেলে দুই দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের সাইফুল ফরাজী ও রুহুল ফরাজীর মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    প্রতিপক্ষের হামলায় হায়দার, সোহাগসহ অন্তত সাতটি বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। রুহুল ফরাজির লোকজন এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় টিন ও সিমেন্টের চালা, বেড়া, চেয়ার, ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে।

    এছাড়া শনিবার বিকেলে প্রতিপক্ষের হামলায় সাইফুল ফরাজী গ্রুপের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদিকে, প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে সাইফুল ফরাজীর গ্রুপের পুরুষরা বাড়িঘর ছেড়ে আশেপাশের গ্রামে অবস্থান নিয়েছেন। তারা বাড়িতে ফিরতে চান এবং এ ঘটনার বিচার চান।

    তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের রুহুল ফরাজী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ওপরই হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের গ্রুপের পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নড়াইলের সাতবাড়িয়া গ্রামের সাইফুল ফরাজী ও রুহুল ফরাজীর মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

    নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতী গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাজমুল ইসলামের বাড়িতে হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া চাঁদা দাবি ও নারীদের মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে গত সোমবার দুপুরে বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

    ওই গ্রামের মিজানুর মোল্যা ও তার ভাই তরিকুল ইসলাম এবং ফাতেমা বেগম তুলির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নড়াইলের ঈশানগাতী মৌজার ১২৯৭ দাগের সাড়ে চার শতাংশ জমির মধ্যে দুই শতাংশ জমি নিয়ে একই গ্রামের ফাতেমা বেগম তুলি ও ত্রা স্বামী মিজানুর মোল্যা এবং মিজানুরের ভাই তরিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের সৈয়দ কামরুজ্জামানের স্ত্রী সালেহা মেগম ও ছেলে নাজমুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছে।

    এ বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা হলে জমির মালিকানার রায় পান ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম। তবে এ রায়কে উপেক্ষা তরিকুল ইসলামের পরিবার দুই শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা করেন।

    এর জের ধরে গত সোমবার (৮ জুন) দুপুরে তরিকুল ইসলামের পরিবারসহ তাদের লোকজন প্রবাসী নাজমুল ইসলামের পরিবারের ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুর চালায়। এছাড়া নাজমুল ইসলামের চাচাতো বোন হাসিবা আক্তারকে মারধর করে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

    ভুক্তভোগী নাজমুলের মা সালেহা বেগম, তার চাচা সৈয়দ আহাদসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, দেশি অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আমাদের হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। আমরা এসব ঘটনার বিচার চাই।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামসহ তার পরিবার জানায়, ষড়যন্ত্র করে তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। #