ভর্তি

  • প্রাথমিকে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ, প্লে-নার্সারি-কেজি নিষিদ্ধের দাবিতে আইনি নোটিশ

    প্রাথমিকে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ, প্লে-নার্সারি-কেজি নিষিদ্ধের দাবিতে আইনি নোটিশ

    প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ, প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স নিষিদ্ধ এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদিত বোর্ডবইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়া বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে উল্লিখিত বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় শিশুদের স্বার্থ রক্ষায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    নোটিশে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন, গণমুখী ও বাধ্যতামূলক করার নীতি রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক প্রবণতা বাড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের প্লে, নার্সারি, কেজি-১ ও কেজি-২-এর মতো একাধিক স্তরে ভর্তি করিয়ে তাদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনা ও বইয়ের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব, মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার অনুমোদিত একক প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু রেখে অননুমোদিত কোর্সগুলো নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

    নোটিশে প্রাথমিক স্তরে শিশুদের লিখিত পরীক্ষা, স্ক্রিনিং টেস্ট ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আইনজীবী দাবি, অল্প বয়সে প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মুখোমুখি হলে শিশুদের মধ্যে ভীতি, মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই প্রাথমিক স্তরে যেকোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ করে উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

    এনসিটিবির নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাকরণ বই, ওয়ার্কবুক ও সহায়ক বই চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক প্রকাশনা সংস্থার যোগসাজশে শিশুদের ওপর অতিরিক্ত বই ও পাঠ্যসূচির বোঝা চাপানো হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ এবং সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

    নোটিশে আরও বলা হয়েছে, শৈশব থেকেই শিশুদের মুখস্থনির্ভর শিক্ষায় আবদ্ধ না রেখে মুক্তচিন্তা, কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। এ ধরনের অতিরিক্ত চাপ সংবিধানের ১৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত শিক্ষার সুযোগ, সমতা, আইনের আশ্রয়লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিসত্তার সুরক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

    নোটিশে পাঁচ দিনের মধ্যে অননুমোদিত প্রাক-প্রাথমিক কোর্স বন্ধ, প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষা নিষিদ্ধ এবং এনসিটিবির বোর্ডবইয়ের বাইরে অতিরিক্ত বই চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিবন্ধন বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তদারকি দল গঠন করে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে শিশুদের স্বার্থে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণির ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি যেভাবে

    প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণির ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এ ভর্তি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

    সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত শিগগির চূড়ান্ত হবে বলে জানায় সূত্রটি।

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির ভর্তির যাবতীয় কার্যক্রম ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে সম্পন্ন হবে। এ জন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী নির্ধারিত সফটওয়্যারে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’ সারাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তি-সংক্রান্ত কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে সম্পন্ন করবে।

    লটারির আগে নির্বাচিত কারিগরি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের যথার্থতা সরকার স্বীকৃত অন্য একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করতে হবে। এ-সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

    ডিজিটাল লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমান শিক্ষার্থীর তালিকাও প্রস্তুত করা হবে। নির্ধারিত সময়ে কোনো নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমান তালিকার ক্রমানুসারে পরবর্তী শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপেক্ষমান তালিকার ক্রম বজায় রাখতে হবে।

    লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাবে ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ভর্তি কমিটি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নির্ধারিত সময়ে ভর্তি সম্পন্ন করবে।

    যৌক্তিক কোনো কারণে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণির কোনো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হতে না পারলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।এদিকে ঢাকা মহানগরীর স্কুলগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যালয় সংলগ্ন তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা হবে। এসব ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে হবে।

  • জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন করেও ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি। সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেও কেন তারা কলেজে আসন বরাদ্দ পেল না এবং তাদের ভর্তিপ্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    একাদশে ভর্তির জন্য এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। সেখানে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে চয়েজ বা পছন্দক্রম দিতে পারে শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে এসএসসির ফল বিবেচনায় নিয়ে তাদের কলেজ মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    উদাহরণস্বরূপ: কোনো শিক্ষার্থী যদি তার পছন্দের তালিকায় ১ নম্বরে রাখে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাহলে ওই কলেজে কতসংখ্যক আসন ফাঁকা রয়েছে এবং শিক্ষার্থীর ফলাফল অনুযায়ী অন্যদের চেয়ে তার অবস্থান কী, তা বিবেচনা করা হয়। যদি তার চেয়েও ভালো ফল বা বেশি নম্বর থাকা শিক্ষার্থীরা ভিকারুননিসা কলেজ পছন্দক্রমে দেয়, তাহলে তাকে ওই কলেজ বরাদ্দ দেওয়া হয় না। তার পছন্দক্রম ২ নম্বরে কোন কলেজ তা বিবেচনা করা হয়। এভাবে একের পর এক পছন্দক্রম বিবেচনায় নিয়ে এবং এসএসসির ফল বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষার্থীকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

    ভর্তি-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় তারা শুধু ভালো ২-৩টি কলেজ পছন্দক্রমে দেন। সেই কলেজগুলোতে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে দেখা যায়, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাড়া কেউ সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকছে না। এমনকি জিপিএ-৫ পেলেও নম্বর কম-বেশির কারণে কেউ পছন্দের কলেজ পায়, আবার কেউ পায় না। ঠিক এ কারণেই ২ হাজার ২০৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি।

    শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই শিক্ষার্থীরাও ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে আবেদনের সময় তারা কম কলেজে চয়েজ (পছন্দক্রম) দেওয়ায় এ সমস্যায় পড়েছে। পরবর্তীতে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে তাদের পছন্দের কলেজে অথবা নতুন করে পছন্দক্রম নিয়ে তাদের জন্য আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী এবার কোনো কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাননি। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন।

    ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা ছিল। তবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ওইদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরুর তারিখ একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

  • ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা মানবণ্টন প্রকাশ

    ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা মানবণ্টন প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চারুকলা ইউনিট এবং আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের MCQ এবং ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের MCQ এবং ৩০ নম্বরের বর্ণনামূলক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চারুকলা ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং অঙ্কন/লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আইবিএ ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট এবং বর্ণনামূলক পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য ইউনিটের MCQ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলের ওপর থাকবে ২০ নম্বর।

    রোববার (২ আগস্ট) ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

    কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ১৯ ডিসেম্বর শনিবার, বিজ্ঞানের ১২ ডিসেম্বর শনিবার, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর শনিবার, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) আগামী ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার এবং ‘আইবিএ ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

    আইবিএ ইউনিট’ ছাড়া সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’ ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম আগামী ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে চলবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

    সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে- ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’, ‘চারুকলা ইউনিট’ এবং ‘আইবিএ ইউনিট’।

    বিভাগীয় কেন্দ্রগুলো হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক/সমমান এবং ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

    পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ এবং মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম ৭.৫, আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে।

    ‘চারুকলা ইউনিট’-এর জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৬.৫ এবং আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটের ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সভায় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

  • আলিমে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়লো

    আলিমে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়লো

    ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের আলিম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন থেকে বাদপড়া শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ বিবেচনায় এ সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ পর্যায়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়া যাবে ১৯ মে পর্যন্ত। তথ্য (eSIF) এন্ট্রি চলবে ২১ মে পর্যন্ত।

    রোববার (১০ মে) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

    এতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের (পরীক্ষা-২০২৭) আলিম শ্রেণিতে যে সব শিক্ষার্থী অনলাইনে কোন মাদরাসায় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি, সে সব শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন অত্র বোর্ডের eSIF পূরণের মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    আলিম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ৬৮৫ টাকা এবং অনিয়মিত শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে পাঠ বিরতি ফি ১৫০ টাকাসহ ৮৩৫ টাকা।

    ফি প্রদান ও eSIF পূরণে যে কোন ব্রাউজার থেকে সরাসরি www.ebmeb.gov.bd তে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানের EIIN ও Password দিয়ে লগইন করতে হবে। অত:পর পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করে শিক্ষার্থী সংখ্যা এন্ট্রি দিয়ে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত বোর্ড ফি দিতে হবে। নির্ধারিত ফি সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই কেবলমাত্র শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোডের জন্য নতুন এন্ট্রির অপশন পাওয়া যাবে এবং সতর্কতার সাথে নতুন এন্ট্রি করা শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এখানে শুধু বিলম্ব ফি দিয়ে নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। আগে এন্ট্রি করা শিক্ষার্থী ডিলেট করার সুযোগ থাকবে না। পূর্বে রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভুল বিভাগ, বিষয় ও ছবি সংশোধন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আরো বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান ও তথ্য এন্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য অফিস সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের EIIN ভিত্তিক সিম নম্বর দিয়ে ০১৭১৩-০৬৮৯০৯, ১৫১-৬১১৯৩৬০ যোগাযোগ করতে হবে।