ট্যাগ ব্যালন ডি অর

  • এমবাপ্পেকে ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

    এমবাপ্পেকে ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

    ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ফরাসি ফরোয়ার্ডের আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যের জবাবে ইয়ামাল বলেছেন, গত মৌসুমের সাফল্য বিবেচনায় এই পুরস্কার তারই প্রাপ্য।

    মুভিস্টার প্লাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, ‘আমার মতে, এমবাপ্পে আর আমিই এখন বিশ্বের সেরা দুই খেলোয়াড়। সত্যিই বিশ্বাস করি, বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে আমরা দুজনই আছি। তবে এ বছর আমি যে শিরোপাগুলো জিতেছি, সেই বিচারে ব্যালন ডি’অরটা আমারই প্রাপ্য।’

    গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল ও ১৭ অ্যাসিস্ট করেন ইয়ামাল। তার পারফরম্যান্সে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতে কাতালান ক্লাবটি। স্পেনের হয়ে ১২ ম্যাচে এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টের পাশাপাশি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি।

    তবে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনকে। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল ও আট অ্যাসিস্ট করেন তিনি। বায়ার্নের হয়ে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়ের পাশাপাশি ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কেইন।

    এবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান হবে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে। ২০১৯ সালের পর থেকে নিয়মিত প্যারিসের থিয়েটার দ্যু শাতলেতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল অনুষ্ঠানটি।

  • এবারও কি তাহলে ব্যালন ডি’অর পাচ্ছেন মেসি

    এবারও কি তাহলে ব্যালন ডি’অর পাচ্ছেন মেসি

    আরও আগেই ইউরোপ অধ্যায়ের পাট চুকিয়েছেন লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালেই যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। এরপরও নবম ব্যালন ডি’অরের হাতছানি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সামনে।

    বিশ্বকাপের ফাইনালকে ঘিরে যখন ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা তুঙ্গে, তখনই ব্যালন ডি’অর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের আয়োজকেরা জানিয়েছে, ব্যালন ডি’অর জিততে কোনো ফুটবলারের ইউরোপের ক্লাবে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলে সেরা পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে এই পুরস্কার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

    একসময় ব্যালন ডি’অর শুধু ইউরোপীয় লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে পুরস্কারটি আন্তর্জাতিক রূপ পেলেও তখনো ইউরোপে খেলা ছিল অন্যতম শর্ত। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারকেই ব্যালন ডি’অর দেওয়া হচ্ছে, তিনি কোন লিগ বা ক্লাবে খেলছেন, সেটি আর বিবেচ্য নয়।

    এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আয়োজকেরা গত ১৮টি আসরের উদাহরণ তুলে ধরেছে। তাদের ভাষ্য, ‘গত ১৮টি আসর বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, ইউরোপের বাইরে খেলেও কোনো ফুটবলারের ব্যালন ডি’অর জেতা বাস্তবসম্মত কি না। ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তিনজনই ওই বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন, যা ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত। লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলেও যখন এই পুরস্কার জিতেছেন, তখন সবাই ইউরোপেই খেলছিলেন।’

    তবে এই ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে ব্যালন ডি’অরের আয়োজকেরা লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইউরোপের বাইরে খেলে ব্যালন ডি’অর জেতা একমাত্র ফুটবলার লিওনেল মেসি। ৬৭তম ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান, যা ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়, তখন আর্জেন্টাইন তারকা ইতোমধ্যেই ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলছিলেন। ফলে আটবারের এই বিজয়ীই প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যালন ডি’অর জেতেন।’

    বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়েছে, ‘ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে কিছুই অসম্ভব নয় এবং যেকোনো ফুটবলারই এই পুরস্কার জিততে পারেন।’

    এই ব্যাখ্যা এমন সময় এলো, যখন বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন মেসি। সাত ম্যাচে আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন এই ফরোয়ার্ড। ফলে মায়ামির এই তারকা নবমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের আলোচনাতেও জোরালোভাবেই রয়েছেন।

  • আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    আবারও ব্যালন ডি’অর জিতছেন লিও মেসি!

    বিডিটািইমস ডেস্কঃ লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুগ শেষ হওয়ার পর ব্যালন ডি’অর দৌড় অনেকটাই খোলামেলা। অনেক খেলোয়াড়ই মনে করছেন সোনার বলটা তাদের হাতে আসতে পারে। তবে গোল ডট কমের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং বলছে ভিন্ন কথা। জানাচ্ছে, নবম ব্যালন ডি’অর জেতার সম্ভাবনা একেবারেও শেষ হয়ে যায়নি মেসির!

    যদিও এই মুহূর্তে সবার উপরে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন। এই মৌসুমে তিনি ৬৫ গোল করেছেন। জিতেছেন বুন্দেসলিগা, ডিএফবি পোকাল ও ডিএফএল সুপার কাপ। ট্রফি না জেতার যে পুরোনো অপবাদ তাকে দেওয়া হতো, সেটা এখন অতীত। কেইন এখন পুরোপুরি প্রমাণ করতে চাইছেন যে তিনি ব্যক্তিগত পুরস্কারেরও যোগ্য।

    দ্বিতীয় স্থানে আছেন পিএসজির ওসমান দেম্বেলে। গত বছর ব্যালন ডি’অর জেতার পর এই মৌসুমে চোটের কারণে শুরুটা ভালো হয়নি তার। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর থেকেই দারুণ ফর্মে ফিরেছেন। লিভারপুল ও বায়ার্নের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স দিয়েছেন, ফাইনালেও গোল করেছেন। পিএসজি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে। বিশ্বকাপেও ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হবেন তিনি।

    তৃতীয় স্থানে আছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। এই মৌসুমে ২৫ গোল ও ২০ অ্যাসিস্ট করেছেন। বিশ্লেষকদের চোখে মৌসুমের শুরুতে তিনিই ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বড় দাবিদার ছিলেন। তবে চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরুর ম্যাচগুলো মিস করতে পারেন। নকআউট পর্বে ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে, আর সেখানে ভালো খেললে পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারেন।

    চতুর্থ স্থানে পিএসজির ভিতিনিয়া। ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন। ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর পোডিয়ামে জায়গা পেয়েছিলেন, এবার আরও উপরে উঠতে পারেন।

    পঞ্চম স্থানে বায়ার্নের মাইকেল ওলিসে। ২৩ গোল ও ৩৩ অ্যাসিস্ট করে রীতিমতো চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার পারফরম্যান্স বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

    আর্সেনালের ডেক্লান রাইসের অবস্থান এখন নবম। প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছেন এবং আর্সেনালকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বুদাপেস্টে পিএসজির কাছে সেই ফাইনালে হারের পর তার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে।

    কিলিয়ান এমবাপ্পে আছেন ষষ্ঠ স্থানে। ৪৮ গোল করেও ট্রফি পাননি। তবে বিশ্বকাপে সেরাটা দেওয়ার রেকর্ড আছে তার, তাই শেষ পর্যন্ত রেসে থাকবেন।

    এই তালিকায় চমক হিসেবে আছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি। ৩৬ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করে এমএলএস কাপ জিতেছেন। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাথে যদি ভালো করেন, তাহলে আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর ফিরে আসাটাও অসম্ভব নয়।

    এবার চ্যাম্পিয়নস লিগের পাশাপাশি বিশ্বকাপ ও আফ্রিকান কাপ অফ নেশনসও ব্যালন ডি’অর নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।