বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘গট ম্যারিড’ লাইফ ইভেন্ট যুক্ত করেছেন তিনি। পরে গণমাধ্যমে নিজের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেত্রী। মিষ্টি জানিয়েছেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী। পাশাপাশি মিডিয়ার সঙ্গেও তার কিছুটা সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে আপাতত স্বামীর নাম কিংবা বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি নন তিনি। বিয়ের সময়, স্থান ও স্বামীর পরিচয় জানতে চাইলে মিষ্টি জানান, এসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাবে না। শুধু জানিয়েছেন, তাদের বিয়ে বাংলাদেশেই হয়েছে। মিষ্টির বিয়ে প্রেমের নাকি পারিবারিকভাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এটি প্রেমের বিয়ে। তবে কবে থেকে তাদের সম্পর্ক, কিংবা ঠিক কবে বিয়ে করেছেন, সেই তথ্যও আপাতত গোপন রাখতে চান অভিনেত্রী। এর কারণ হিসেবে মিষ্টি জানান, সব তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ করে দিলে আর কোনো ‘সাসপেন্স’ থাকবে না। তাই আপাতত স্বামীর পরিচয় ও বিয়ের অন্যান্য তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মিষ্টি জানান, তাদের বিয়েটি হুট করে হয়নি। বরং অনেক আগেই বিয়ে করেছেন তারা। তবে ব্যক্তিগত কিছু কারণে এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন।
ট্যাগ বিয়ে
-

বিয়ে করে আত্মীয়-স্বজনকে জানানোর বিধান
ধর্ম ও জীবন
ইসলামে বিবাহ কেবল একটি সামাজিক চুক্তি নয়; এটি একটি পবিত্র ইবাদত, দায়িত্ব এবং আমানত। বিশেষ পরিস্থিতিতে একজন মুসলিম পুরুষকে একাধিক বিয়ের অনুমতি দেওয়া হলেও ইসলাম এটিকে কোনো শর্তহীন অধিকার হিসেবে উপস্থাপন করেনি। বরং ন্যায়বিচার, আর্থিক সামর্থ্য, দায়িত্বশীলতা এবং আল্লাহভীতিকে একাধিক বিয়ের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ইসলামে বিয়ে গোপন রাখার অনুমোদন নেই। বরং বিয়ের পর তা সমাজে ঘোষণা করা বা প্রচার করা আবশ্যক।
বিয়ের ঘোষণা (ই’লান): রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, তোমরা বিয়ে প্রকাশ্যে সম্পন্ন করো। বিয়ে যে সম্পন্ন হয়েছে, তা যেন সমাজের মানুষ জানতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষী ও অভিভাবক: বিয়ের আকদ বা চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য শর্ত হলো দুইজন মুসলিম পুরুষ (অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) সাক্ষী এবং কনের অভিভাবকের (ওয়ালী) উপস্থিতি থাকতে হবে। হাদিসে এসেছে, অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে হয় না। (সহিহ ইবনে হিব্বান)
ওলিমা: বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার সবচেয়ে উত্তম এবং সুন্নাতসম্মত মাধ্যম হলো ‘ওলিমা’ বা বিয়ের খাবার আয়োজন করা। সামর্থ্য অনুযায়ী আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও অভাবীদের দাওয়াত খাইয়ে বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং জানান দেওয়া ওয়াজিব বা মুস্তাহাব পর্যায়ের আমল। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে ওয়ালিমা করেছেন এবং সাহাবিদের করতে বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.)-কে বিয়ে করার পরদিন ওয়ালিমা করেছিলেন। (বুখারি, হাদিস নম্বর-৫১৭০)। রাসুলুল্লাহ (সা.) ছাফিয়াহ (রা.)-কে বিয়ের পর
তিন দিন যাবৎ ওয়ালিমা খাইয়েছিলেন। (মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস নম্বর-৩৮৩৪)
ঢোল বাজানো ও আনন্দ করা: ইসলামে বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার জন্য মেয়েদের দফ (এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র) বাজিয়ে গান গাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে আশেপাশের মানুষ বুঝতে পারে যে বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা বিয়ের ঘোষণা দেবে এবং তা মসজিদে সম্পন্ন করবে। আর এ উপলক্ষে দফ বাজাবে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৮৯)
-

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চবি ছাত্রীর সঙ্গে চীনা অধ্যাপকের বিয়ে
শিক্ষা ডেস্ক:
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চীনের শানডং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান (ওশানোগ্রাফি) বিভাগের অতিথি শিক্ষক জিহুয়া জাং। বিয়ের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আল আমিন।
শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার নিজের ফেসবুক পোস্টে বিয়ের বিষয়টি জানান। পরে জিহুয়া জাংও তার ফেসবুক আইডিতে দুজনের একটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সুমাইয়া আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব ফয়জুন্নেছা হল সংসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস)। নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া নাস্তা ও পিঠা বিক্রির মাধ্যমে তিনি ক্যাম্পাসে পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
বিয়ের বিষয়ে সুমাইয়া জানান, জিহুয়া জাং অতিথি শিক্ষক হিসেবে দুই দফায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। গত ১৪ জুলাই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নতুন নাম রাখা হয় আল আমিন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষার একটি কোর্স করার সময় তাদের পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় থেকে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন জানান, জিহুয়া জাং বিভাগের একটি প্রকল্পের অধীনে অতিথি (অ্যাডজাঙ্কট) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ডেটা মডেলিং ও এনভায়রনমেন্টাল অ্যানালাইসিস বিষয়ে পাঠদান করতেন। গত দুই বছরে সামার ভ্যাকেশনের সময় তিনি দুইবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। সর্বশেষ গত জুন মাসে তিনি ক্যাম্পাসে অবস্থান করেছিলেন বলে জানান এই শিক্ষক।
-

তৃতীয় বিয়ের পর ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কের জবাব দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার কোনো স্ত্রী বা বর্তমান সঙ্গী কখনো ধর্ম পরিবর্তন করেননি। তাদের বিয়ে হয়েছে সিভিল ম্যারেজের মাধ্যমে, যেখানে ধর্মান্তরের কোনো প্রশ্নই ছিল না।
সম্প্রতি রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘গৌরী, কিরণ রাও কিংবা রিনা দত্ত—কেউ তাদের ধর্ম পরিবর্তন করেনি। আমাদের সিভিল ম্যারেজ হয়েছে। গৌরী হিন্দুও নন, তিনি খ্রিস্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাও করেন না। সময়ের সঙ্গে জীবন যেন আরও হাস্যকর হয়ে উঠছে।’
দীর্ঘদিন ধরেই ভিন্ন ধর্মের নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও বিয়ের কারণে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে আমির খানকে। বিশেষ করে সম্প্রতি গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেতা। তিনি বলেন, তার পরিবার বরাবরই বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিকে সম্মান করে এসেছে।
আমিরের ভাষায়, ‘আমাদের পরিবার খুবই অন্তর্ভুক্তিমূলক। আমার দুই বোন হিন্দু পরিবারে বিয়ে করেছেন। আমার মেয়ে ইরা খানের স্বামীও হিন্দু। আমার চাচাতো ভাই মনসুর খান একজন খ্রিস্টান নারীকে বিয়ে করেছেন।’

আমির বলেন, তার সব সম্পর্কই পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, ধর্মের ওপর নয়। তাই তার ব্যক্তিগত জীবনকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেন আমির খান। তার বর্তমান স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাট।
এর আগে রিনা দত্ত ও কিরণ রাও–এর সঙ্গে তার দুটি বিয়ে হয়েছিল। বিচ্ছেদের পরও দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বলে বিভিন্ন সময় জানিয়েছেন এই অভিনেতা। সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) এবং পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখার বিষয়েও তিনি বরাবরই ইতিবাচক অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। সূত্র: ইন ইন্ডিয়া
-

বিয়ে-জন্মদিনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে গুনতে হবে জনপ্রতি ২৫ টাকা
দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই। ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’ এমনই একটি। সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।

১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’–এ ২০০৩ সালে সংশোধনী আনা হয়কোলাজ: প্রথম আলো
দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় রুখতে এই আদেশটি জারি করা হয়েছিল। ব্রিটিশ আমলের ধারাবাহিকতায় এবং ১৯৫৬ সালের ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই বিশেষ এই আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। ২২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।
‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’-এ আসলে কি আছে?

আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমছবি: ভিডিও থেকে
প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি
১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত ছিল, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।
বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধু তা–ই নয়, ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।
তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
শাস্তি
১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।
সংশোধনী
২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি
আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।
দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই।
