ট্যাগ বিরোধীদলীয় নেতা

  • শহীদ মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    শহীদ মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    বগুড়ায় শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত ও শহীদ আব্দুল মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান । পরে তিনি শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

    শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী সাংগঠনিক সফরের অংশ হিসেবে বগুড়ায় অবস্থান করছেন শফিকুর রহমান।

    শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডা. শফিকুর রহমান তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং শহীদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শহীদ পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    Malek Foundation

    সফরকালে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বগুড়া অঞ্চল পরিচালক এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

    ছাত্রনেতা শহীদ আব্দুল মালেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন পাকিস্তানে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে দুই দলের মধ্যে চলা সংঘর্ষে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন ও ১৫ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার হত্যাকাণ্ডের দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতি বছরের ১৫ আগস্টকে ‘ইসলামী শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

  • বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হন তার।

    এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিকাল এ্যাটাচে রু কি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয় এবং উভয় দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষ উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে দুই দেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরো গভীর, সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    এছাড়াও তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিরোধীদলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।