বিদেশে শিক্ষা

  • ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড

    ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে নিউজিল্যান্ড। নতুন নিয়ম ২০২৬ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। খবর এনডিটিভির।

    নতুন নীতিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ নামে একটি নতুন ভিসা চালু করা হয়েছে। এই ভিসার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে সর্বোচ্চ ছয় মাস নিউজিল্যান্ডে থেকে চাকরি করতে পারবেন।

    এই ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে নিউজিল্যান্ডে লেভেল ৫ থেকে ৭-এর পূর্ণকালীন কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। কোর্সের মেয়াদ কমপক্ষে ২৪ সপ্তাহ হতে হবে। এছাড়া ব্যাংক হিসাবে কমপক্ষে ৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার থাকতে হবে এবং স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

    তবে এই ভিসায় ব্যবসা শুরু করা যাবে না, পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করা যাবে না এবং এটি জীবনে একবারই পাওয়া যাবে।

    এ ছাড়া পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। এখন যেসব শিক্ষার্থী লেভেল ৭ গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করবেন, তারা এক বছরের ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এজন্য আবেদনকারীর ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে অথবা তার পড়াশোনা নিউজিল্যান্ডের গ্রিন লিস্টভুক্ত পেশার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।

    গ্রিন লিস্ট হলো এমন পেশার তালিকা, যেখানে নিউজিল্যান্ডে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেশি রয়েছে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা এবং শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা দুটোই একবারের বেশি পাওয়া যাবে না। তাই শিক্ষার্থীদের কোর্স নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আগে থেকেই সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে।

  • ভিয়েনার সরকারি স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে

    ভিয়েনার সরকারি স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে

    ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার সরকারি স্কুলগুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শহরের শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি স্কুলের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৪২ শতাংশই মুসলিম।

    অস্ট্রিয়ান দৈনিক ‘ডাই প্রেস’ এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিয়েনার সরকারি স্কুলগুলোতে মোট প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে মুসলিম শিক্ষার্থীর হার সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে ধর্মীয় পরিচয়হীন শিক্ষার্থী ২৩ শতাংশ, ক্যাথলিক ১৭ শতাংশ এবং অর্থোডক্স খ্রিস্টান ১৪ শতাংশ।

    বেলজিয়াম ভিত্তিক গণমাধ্যম ব্রুসেলস সিগন্যালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি মাধ্যমিক ও পলিটেকনিক স্কুলগুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীর হার আরও বেশি। ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়া ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীর হার প্রায় ৩৯ শতাংশ।

    একীকরণ বিশেষজ্ঞ কেনান গুঙ্গোর বলেন, ২০১৫ সালের পর সিরিয়া, আফগানিস্তান ও ইরাকসহ বিভিন্ন মুসলিমপ্রধান দেশ থেকে অস্ট্রিয়ায় বড় আকারের অভিবাসনের কারণে এই পরিবর্তন দ্রুত ঘটেছে। তাঁর মতে, এসব অভিবাসী পরিবারের জন্মহার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থী কাঠামোতেও এর প্রভাব পড়ছে।

    তিনি আরও বলেন, আগে অস্ট্রিয়ার অধিকাংশ মুসলিম ছিল তুর্কি বংশোদ্ভূত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরব দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আরব মুসলিম সমাজে ধর্মীয় অনুশীলন তুলনামূলক বেশি রক্ষণশীল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক আচরণ ও মূল্যবোধেও এর প্রভাব পড়ছে।