ট্যাগ বাংলাদেশ ক্রিকেট

  • ‘জ্যোতি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি’

    ‘জ্যোতি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি’

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতান জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রিকেটার। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার জ্যোতির আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে তো অধিনায়ক না, স্বৈরাচার। তার কথার বাইরে গেলে বা বিপরীত মত দিলেই রোষানলে পড়তে হয়।’

    আরেক ক্রিকেটারের অভিযোগ, জ্যোতির অতিরিক্ত চিৎকার ও আচরণের কারণে তিনি নিজেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘এক ম্যাচে বল আমার কাছে আসার আগেই চিল্লানো শুরু করেন অধিনায়ক। এরপর ঘাবড়ে গিয়ে মিস করি আমি। তখন উনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। শুধু তাই নয়, মাঠের বাইরেও উনি যেভাবে মানসিক নিপীড়ন করেন, আমি মাঝেমাঝে আল্লাহর কাছে বিচার দিই। বলি, অভিশাপ লাগে যেন।’

    অভিযোগ রয়েছে, জ্যোতির কঠোর আচরণে দলের কয়েকজন ক্রিকেটার এতটাই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন যে তারা স্রষ্টার কাছে তার বিরুদ্ধে মোনাজাত করে অভিশাপও চেয়েছেন।

    জ্যোতি ২০২১ সালে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক হন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দায়িত্ব পাওয়ার এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই নিজের প্রভাববলয় তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সরিয়ে একের পর এক নতুন মুখকে দলে আনা এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

    এরপর ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। এমন দাবি করেছেন দলসংশ্লিষ্টরা। এমনকি মারামারি ও গালাগালির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনা নিয়ে বিচার-সালিশ পর্যন্ত হয়েছে বলেও জানা যায়।

    গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে স্পিনার জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনার বাদ পড়া নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। দল সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র তখন দাবি করেছিলেন, অফ-স্পিনার সুমনাকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না রাখার পেছনে জ্যোতির ভূমিকা ছিল।

    পারফরম্যান্স ও স্মার্টনেস দিয়ে সুমনা দীর্ঘদিন ধরেই নজর কাড়ছিলেন। অভিযোগকারীদের মতে, তাকে নিজের জন্য সম্ভাব্য হুমকি মনে করেই দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    সাম্প্রতিক সময়েও দলের এক তরুণ অলরাউন্ডারকে জ্যোতি হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের দাবি, ওই ক্রিকেটারের সঙ্গে অধিনায়কের সাম্প্রতিক সময়ে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

    এর আগে জ্যোতির একচ্ছত্র আধিপত্য ও মানসিক চাপের মুখে নিজের আত্মসম্মান রক্ষায় পেসার জাহানারা আলম একপর্যায়ে দেশ ছাড়তেও বাধ্য হন। এমন দাবিও রয়েছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় দলের সাবেক এক অধিনায়ক বলেছেন, ‘মাঠের অধিনায়কত্ব আর বাইরের অধিনায়কত্ব আবার ভিন্ন। এখানে ওর কিছু জিনিস আছে, যেগুলো না করলেও পারতো। সেই জিনিসটা হচ্ছে, অধিনায়ক হয়েই তখনকার নির্বাচক কাম ম্যানেজার মঞ্জু (বর্তমানে নিষিদ্ধ মঞ্জুরুল ইসলাম) ভাইকে নিয়ে একটা সিন্ডিকেট তৈরি করা। এই জিনিসটা আসলে আমার মতে ও ঠিক করেনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘একটানা সিনিয়রদের সবাইকে বসিয়ে দিয়ে জুনিয়র যারা ওর কথা শুনছে বা ওর কথা মান্য করছে, সেই ধরনের জুনিয়রদের নিয়েছে। এমনও আছে, যারা অভিষেক পর্যন্ত করেনি, সেই নতুনদেরও ওর কথা অনুযায়ী দলে ঢুকিয়েছে। দল তো এভাবে করে কোনোদিন ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে না। একটা সময় এর প্রতিফলন ঘটবেই। এখন যেটা ঘটছে, সেটাই তার প্রতিফলন। সে যেভাবে চেয়েছিল, সবাইকে ভয় দেখিয়ে চলবে বা সবাই ওর কথা শুনবে, জিনিসগুলো সেরকমই হচ্ছে; কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সটা আর পাওয়া যাচ্ছে না। সেই আগের ক্রিকেটটা আর নেই।’

  • তিন নম্বরে তিন বছরে মুমিনুলও তিনে

    তিন নম্বরে তিন বছরে মুমিনুলও তিনে

    ক্রিকেটে কিছু সংখ্যা শুধু সংখ্যা নয়। তিন নম্বর যেমন।

    ওপেনারদের পরেই নামতে হয় বলে নতুন বলের পরীক্ষা থাকে, আবার প্রথম উইকেট পড়লেই দলের ইনিংসের ভার এসে পড়ে কাঁধে। এই জায়গায় তাই ব্যাটসম্যানকে কখনো ধৈর্য ধরে ধাক্কা সামাল দিতে হয়, কখনো আবার দ্রুত রান তুলে ব্যাটিংয়ের সুরটা বেঁধে দিতে হয়। ডন ব্র্যাডম্যান, ভিভ রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, রাহুল দ্রাবিড়, কুমার সাঙ্গাকারা—এমন কিংবদন্তি সব ব্যাটসম্যান ওয়ান ডাউন বা তিন নম্বর পজিশনের গুরুত্বটা আরও ভালো করে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    সেই গুরুত্ব এখনো আছে। টেস্ট ক্রিকেটে গত তিন বছরে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার চোখে পড়বে। বাংলাদেশের মুমিনুল হক যেন ‘৩’ সংখ্যাটা নিজের সমার্থক করে নিয়েছেন। গত তিন বছরে তিন নম্বরে ব্যাটিং করা ব্যাটসম্যানদের রানের হিসেবে তিনি আছেন ঠিক তিন নম্বরেই। তাঁর ওপরে আছেন শুধু ইংল্যান্ডের ওলি পোপ ও নিউজিল্যান্ডের কেইন উইলিয়ামসন।

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ টেস্টে ২৬ ইনিংসে তিন নম্বরে ব্যাট করেছেন মুমিনুল। ৪০.৭৯ গড়ে করেছেন ৯৭৯ রান। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে আটটি ফিফটি। অর্থাৎ ২৬ ইনিংসে নয়বার পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। মুমিনুলের চেয়ে যাঁরা ভালো করেছেন, সেই দুজনের মধ্যে পোপের রান ৩৮ ইনিংসে ১৩৬৯, পাঁচ সেঞ্চুরি তিন ফিফটি আর উইলিয়ামসনের ৩০ ইনিংসে ১৩৬০ রান, পাঁচ সেঞ্চুরি দুই ফিফটি। অর্থাৎ পঞ্চাশ ছোঁয়ার দিক থেকে এ দুজনের চেয়েও এগিয়ে মুমিনুল। তবে পিছিয়ে পড়েছেন বেশির ভাগ ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে না পারায়।

    তিন নম্বরের এই হালচাল বিশ্লেষণের কারণ মারনাস লাবুশেন। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার তিন নম্বর পজিশন সামলানো এই ব্যাটসম্যান বেশ কিছু দিন ধরে ধুঁকছেন। গত তিন বছরে ৪৩ ইনিংসে তাঁর গড় মাত্র ২৪.৬৯। অন্তত ২০ ইনিংস খেলেছেন, এমন ৫৬ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তার চেয়ে খারাপ গড় মাত্র তিনজনের। দুজন আবার অবসরেও চলে গেছেন।

    এই তিন বছরে তিন নম্বরে যাঁরা ব্যাট করেছেন (শীর্ষ ১০), তাঁদের মধ্যে একমাত্র লাবুশেনেরই কোনো সেঞ্চুরি নেই। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজেই যেমন তিন ইনিংসে আউট হয়েছেন যথাক্রমে ১, ৩১ ও ৪ রানে। লাবুশেনের এমন হাঁসফাঁস দেখে রিকি পন্টিং তো বলেই দিয়েছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার এখন তিন নম্বরের জন্য অন্য কাউকে খোঁজা উচিত।

    তবে নির্বাচকেরা শেষ পর্যন্ত সেই পথে হাঁটেননি। তিন টেস্টের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সেই সফরের দলে রাখা হয়েছে লাবুশেনকে। ২০১৮ সালের কুখ্যাত ‘শিরীষ কাগজ’ কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তিন নম্বরে খেলতে যে ধার লাগে, যে ভার সইতে হয়, তা নতুন কারও কাঁধে তুলে দেওয়ার ঝুঁকি নেননি নির্বাচকেরা। তিন নম্বর পজিশন বলে কথা!

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

    রাইলি মেরেডিথের শর্ট বল পুল করলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল যখন আকাশে, তখনই মিরপুর শেরেবাংলার ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে শামীম আশরাফ চৌধুরীর কণ্ঠে বোঝা গেছে উত্তেজনা। শেষ পর্যন্ত বলটা পৌঁছাল সীমানার ওপারে। মিরাজের এই ছক্কায় লেখা হয়ে গেল ইতিহাস। প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

    ছয়বারের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর আইসিসি ইভেন্টে নেই সফলতা। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ অস্ট্রেলিয়া খেলছে ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউডদের মতো তারকাদের ছাড়াই। আজ মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এখন শুধু বাংলাওয়াশ করার অপেক্ষা। ১৪ জুন শেরেবাংলায় তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া।

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাকি রইল ইংল্যান্ড। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া—টেস্ট খেলুড়ে এই ১০ দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

    বৃষ্টির কারণে ডাকওয়ার্থ লুইস ৪১ ওভারে ১৯২ রানের লক্ষ্য হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। একাদশে এক পরিবর্তনও আনা হয়েছে। সাইফ হাসানের পরিবর্তে ওপেনিং করেছেন সৌম্য সরকার। তবে তাঁর সঙ্গী তানজিদ হাসান তামিম রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে তানজিদ তামিমকে কট এন্ড বোল্ড করেন জ্যাভিয়ের বার্টলেট।

    ০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সৌম্য-শান্ত সাবলীলভাবে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মোকাবেলা করেন। ভালো বলকে সমীহ করেছেন। বাজে বল পেলে সেটাকে বাউন্ডারিতে পরিণত করেছেন তাঁরা (সৌম্য-শান্ত)। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন সৌম্য-শান্ত।

    সৌম্যকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ম্যাট রেনশ। তাতে সৌম্যর দায়ই বেশি। ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে রেনশকে রিভার্স সুইপ করতে যান সৌম্য। এজ হওয়া বল স্লিপে ক্যাচ ধরেন বার্টলেট। কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন শান্তও। এই বাঁহাতি ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন মেরেডিথ। সৌম্য, শান্ত দুজনেই করেন ৪৩ রান।

    দুই বাঁহাতি ব্যাটার সৌম্য, শান্তর বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ১৮.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৮ রান। এরপর মিডল অর্ডারে লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২১ রান করা লিটনকে ফিরিয়েছেন ক্যামেরন গ্রিন। আর সৈকতের উইকেট নিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। বাংলাদেশের এই মিডল অর্ডার ব্যাটার করেন ১৫ রান।

    লিটন, সৈকতের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ২৭ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৪ রান। বাকি পথটুকু নিরাপদে পাড়ি দিয়েছেন মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৯ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন তাঁরা (মিরাজ-হৃদয়)। তুলির শেষ আঁচড় মিরাজ দিয়েছেন ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা মেরে।

    দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিং নেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জশ ইংলিস। ২ ওভারে ৩ উইকেটে ০ রানে পরিণত হয় অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট ও কুপার কনোলি এবং ম্যাট রেনশ—এই তিন ব্যাটার মেরেছেন ডাক। ওপেনার শর্টকে বোল্ড করে তাসকিন আহমেদের শুরু। কনোলি, রেনশকে ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। উইকেটের পেছনে ক্যাচ ধরেছেন লিটন দাস।

    ১০০ থেকে ১৫০-এর ভেতরে অস্ট্রেলিয়ার গুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা হয়নি। ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রানে আটকে যায় অজিরা। বেলা ২টা ৩৪ মিনিটে বৃষ্টি নামার পর আড়াই ঘণ্টা খেলা হয়নি। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মারনাস লাবুশেন। ৮৫ বলে ৩ চারে ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন অজি এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। বাংলাদেশের মোস্তাফিজ, তাসকিন নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। ৭ ওভারে ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন মোস্তাফিজ। দুই ওভার মেডেনও দিয়েছেন তিনি। তানভীর ইসলাম পেয়েছেন ২ উইকেট।