বাঁধ

  • কুড়িগ্রামে তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

    কুড়িগ্রামে তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

    শুক্রবার দুপুরে বাঁধ ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পাউবো রংপুর বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী। এ সময় তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামত কাজ শুরুর উদ্যোগের আশ্বাস দেন।

    এদিকে গত এক সপ্তাহে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে এসব ধস দেখা দেওয়ায় বাঁধের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, এর আগে এক সপ্তাহ আগে কাঁচকোল বাজারসংলগ্ন এলাকায় বাঁধের প্রায় ২৮ মিটার অংশে ধস দেখা দেয়। এর প্রায় ৬০০ মিটার দূরে পুঁটিমারি বাজারসংলগ্ন বাঁধের আরও ৩০ মিটার অংশের জিও ব্যাগ সরে গিয়ে ব্লক পিচিংয়ে ফাটল দেখা দেয়। সেগুলো মেরামতের কাজ শুরুর আগেই বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আগের দুই স্থানের মধ্যবর্তী আরও ৩৫ মিটার অংশে ধস দেখা দেয়।

    এতে তীর রক্ষা বাঁধের কংক্রিটের ব্লক নদীতে ধসে পড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা কাজ শুরু না করলে তীরবর্তী এলাকার বাড়িঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    এর আগে চলতি বছরের ১, ১৬ ও ২০ জুলাই ৩ দফায় ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছিল। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ধস ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়। দুই মাসের ব্যবধানে একই বাঁধে ফের বড় অংশজুড়ে ধস দেখা দিয়েছে।

    রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল এলাকার আসাদুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে পানি বাড়ছে। যে হারে ভাঙছে, তাতে দ্রুত এটি বন্ধ করার ব্যবস্থা না করলে বাঁধটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

    এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় ৬০০ মিটার অংশজুড়ে ৪টি স্থানের কোথাও ফাটল, আবার কোথাও ধস দেখা দিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূল্যায়ন করছি। মূল্যায়ন শেষে মোট দূরত্ব বলা যাবে। প্রয়োজনীয় মেরামত কাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলেই কাজ শুরু করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, আপাতত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।