ফুটবল বিশ্বকাপ

  • শেষ মুহূর্তের গোলে ঘানার উল্লাস

    শেষ মুহূর্তের গোলে ঘানার উল্লাস

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল পানামা। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আফ্রিকার শক্তিশালী দল ঘানাকে রুখে দিয়ে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্টের স্বপ্ন দেখছিল তারা। কিন্তু ফুটবলের নিষ্ঠুর বাস্তবতা তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে দিল যোগ করা সময়ের শেষ আক্রমণে।

    টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে ৯৫তম মিনিটে কালেব ইয়েরেঙ্কির গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ঘানা। আট বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা আফ্রিকান দলটি এভাবেই নাটকীয় এক জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল।

    ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই নিয়ন্ত্রণ ছিল পানামার হাতে। ৬২ শতাংশ বলের দখল ধরে রাখার পাশাপাশি তারা নেয় ১১টি শট। বিপরীতে ঘানা শট নেয় মাত্র আটটি। তবে সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি মধ্য আমেরিকার দেশটি।

    পানামার হতাশার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ান ঘানার বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। বিরতির পর মাঠে নেমে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। বিশেষ করে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া দুটি শট ফিরিয়ে দিয়ে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। প্রথমার্ধে কয়েকটি সংঘর্ষে চোট পাওয়ার পর মূল গোলরক্ষক আতি জিগি মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন আসারে।

    ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগও তৈরি করেছিল পানামা। দ্বিতীয় মিনিটে আমির মুরিলোর নিচু ক্রস থেকে সিসিলিও ওয়াটারম্যানের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন জিগি।

    যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে এসে গোলমুখে বল বাড়ান। সেখানে সুযোগসন্ধানী কালেব ইয়েরেঙ্কি কাছ থেকে জালে বল জড়িয়ে ঘানাকে এনে দেন মূল্যবান তিন পয়েন্ট।

    উল্লেখ্য, এই ম্যাচে মিডফিল্ডার থমাস পার্টিকে ছাড়াই মাঠে নামে ঘানা। ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এই ফুটবলার কানাডার ভিসা না পাওয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি।

    শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েও শূন্য হাতে মাঠ ছাড়তে হয় পানামাকে, আর শেষ মুহূর্তের গোলের সুবাদে উল্লাসে ভাসে ঘানা।

  • মেসির হ্যাটট্রিকে  আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত শুভসুচনা

    মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত শুভসুচনা

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    ক্যানসাস সিটি স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে ভর করে তারা আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ জে-তে শক্ত বার্তা দিয়ে রাখল।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রথম দিকেই মেসি গোলের দেখা পান, তবে সহকারী রেফারির পতাকায় সেই উদযাপন থেমে যায় অফসাইডের কারণে। একই সময়ে আলজেরিয়াও একটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেও তাদের গোলও অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। ফলে শুরু থেকেই ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই দলই আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলতে থাকে।

    এরপর ১৭তম মিনিটে আসে সেই মুহূর্ত। মাঝমাঠে রদ্রিগো ডি পলের কাছ থেকে বল পেয়ে আলজেরিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে এগিয়ে যান লিওনেল মেসি। বক্সের বাইরে জায়গা তৈরি করে বাঁ পায়ের নিখুঁত ও বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন। লুকা জিদান সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সেই শট আটকাতে পারেননি। এই গোলেই আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয়।

    প্রথমার্ধে আলজেরিয়া কিছুটা গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনার চাপ অব্যাহত থাকে। মাঝমাঠে বল দখল ও দ্রুত পাসিংয়ের মাধ্যমে তারা একের পর এক আক্রমণ তৈরি করতে থাকে। তবে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছিল না। অন্যদিকে আলজেরিয়া রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি মাঝে মাঝে পাল্টা আক্রমণে গেলেও আর্জেন্টিনার ডিফেন্সকে খুব একটা চাপে ফেলতে পারেনি।

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বাড়ে। ৬০তম মিনিটে আর্জেন্টিনা তাদের দ্বিতীয় গোল পায়। এমিলিয়ানো মার্তিনেজের লং বল থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে ম্যাক অ্যালিস্টার বক্সের বাইরে থেকে শট নেন। সেই শট আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান ঠিকভাবে সামলাতে ব্যর্থ হন। ঠিক সেই মুহূর্তে বক্সেই দাঁড়িয়ে থাকা মেসি আলতো টোকায় সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

    এরপর ৭৬তম মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। নিকোলাস গঞ্জালেসের সঙ্গে দারুণ সমন্বয়ে আক্রমণ গড়ে আবারও বল পান মেসি। বক্সের বাইরে জায়গা তৈরি করে জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। এই গোলের মাধ্যমে ম্যাচ কার্যত শেষ হয়ে যায় এবং আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

    এই ম্যাচটি লিওনেল মেসির জন্য বিশেষ এক অধ্যায় হয়ে থাকবে। এটি ছিল তার আর্জেন্টিনার হয়ে ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই তিনি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ১৬ গোল নিয়ে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসের পাশে বসেন।

    এছাড়াও মেসি এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করা খেলোয়াড় হয়েছেন, বিশ্বকাপে ছয়টি ভিন্ন আসরে খেলা প্রথম ফুটবলার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন এবং বিশ্বকাপে তার মোট গোল অবদান ২৪-এ পৌঁছে পেলের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছেন। টানা পাঁচ বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার ধারাও তিনি বজায় রেখেছেন।

    সবমিলিয়ে, আর্জেন্টিনার এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়, বরং এটি ছিল মেসির হাত ধরে নতুন এক ইতিহাস লেখা রাত। বয়স ৩৮ হলেও তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, বড় মঞ্চে তিনি এখনো অপ্রতিরোধ্য।

  • ৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে বিরল ঘটনা!

    ৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে বিরল ঘটনা!

    কীড়া ডেস্ক:

    বিশ্বকাপে প্রতিটি দিনই নতুন গল্পের জন্ম হয়। কোথাও গোলের বন্যা, কোথাও অঘটন, আবার কোথাও নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। তবে এবারের আসরের পঞ্চম দিনটা ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে ভিন্ন এক কারণে।

    সূচি অনুযায়ী এক দিনে অনুষ্ঠিত চারটি ম্যাচেই জেতেনি কেই, আবার হারেওনি। চারটি ম্যাচই শেষ হয়েছে ড্রয়ে। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটল মাত্র দ্বিতীয়বার।

    সোমবার দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় স্পেন ও কেপ ভার্দে। শক্তিমত্তা-অভিজ্ঞতায় ব্যাপক পার্থক্য থাকলেও দু’দল গোলশূন্য সমতায় মাঠ ছাড়ে। এরপর বেলজিয়াম ও মিসর ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে।

    ভোরের ম্যাচে একই স্কোরলাইনে ড্র করে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে। দিনের শেষ ম্যাচে ইরান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচটাও শেষ হয় রোমাঞ্চকর ড্রয়ে, ২-২ সমতায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।

    এক দিনে চারটি ম্যাচ, আর চারটিই ড্র- এমন বিরল দৃশ্য শেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে। সেবার একই দিনে সুইডেন-ওয়েলস গোলশূন্য ড্র করেছিল। যুগোস্লাভিয়া-প্যারাগুয়ে ম্যাচে হয়েছিল ৩-৩ গোলের রোমাঞ্চকর সমতা, আর ইংল্যান্ড-অস্ট্রিয়া ২-২ ও নর্দান আয়ারল্যান্ড-জার্মানি ম্যাচও শেষ হয়েছিল ২-২ স্কোরলাইনে।

    অর্থাৎ ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরুর পর প্রায় সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে আর দেখা যায়নি এমন ঘটনা। অবশেষে ৬৮ বছর পর আবারো এক দিনে চারটি ড্রয়ের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব।

    মজার বিষয় হলো, চারটি ম্যাচেই ছিল ভিন্ন ভিন্ন গল্প। কোথাও রক্ষণভাগের দৃঢ়তা, কোথাও শেষ মুহূর্তের লড়াই, আবার কোথাও দু’দলের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ। কিন্তু দিনের শেষে ফলাফল একটাই- সমতা।

    বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে প্রতিটি পয়েন্টের মূল্য অনেক। তাই এই চার ড্র শুধু পরিসংখ্যানের নতুন অধ্যায়ই নয়, গ্রুপ পর্বের সমীকরণও আরো জটিল করে তুলেছে। ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়া এই দিনটি তাই দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে।

  • উরুগুয়েকে আটকে দিল সৌদি আরব

    উরুগুয়েকে আটকে দিল সৌদি আরব

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় দলগুলোর জন্য সৌদি আরব যে এখনও ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ, তার আরেকটি প্রমাণ মিলল মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায়। দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে দীর্ঘ সময় চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র করেছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। একসময় জয়ের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল সৌদি আরব, যদিও শেষ পর্যন্ত মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোর গোলে সমতায় ফেরে উরুগুয়ে।
    ম্যাচের আগে শক্তির বিচারে স্পষ্ট ফেভারিট ছিল উরুগুয়ে। ডারউইন নুনিয়েস, ফেদেরিকো ভালভার্দে ও মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহোদের নিয়ে গড়া দক্ষিণ আমেরিকার দলটিকে অনেকেই সহজ জয় পেতে দেখছিলেন। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে শুরু থেকেই সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় সৌদি আরবপ্রথমার্ধে উরুগুয়ের আক্রমণ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি পাল্টা আক্রমণেও বেশ কয়েকবার হুমকি তৈরি করে সৌদি। তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণভাগ এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলে ছন্দ খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয় উরুগুয়েকে।

    অবশেষে ৪১তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় সৌদি আরব। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে প্রথমে শক্তিশালী হেড করেন হাসান আল তামবাকতি। বলটি ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। তার হাত ফসকে বেরিয়ে আসা বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কাছ থেকে জালে পাঠান আবদুলেলাহ আল-আমরি। সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।

    গোল হজম করার পরও প্রথমার্ধে সমতা ফেরাতে পারেনি উরুগুয়ে। ফলে লিড নিয়েই বিরতিতে যায় সৌদি, আর গ্যালারিতে তখন ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারানোর স্মৃতি যেন আবারও ফিরে আসে।দ্বিতীয়ার্ধে চিত্র পাল্টানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণকে ব্যস্ত রাখেন ডারউইন নুনিয়েস, ফেদেরিকো ভালভার্দে ও আরাউহো। তবে গোলরক্ষক এবং ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় দীর্ঘ সময় পর্যন্ত এগিয়ে থাকে সৌদি আরব।

    সময় যত গড়াতে থাকে, উরুগুয়ের উদ্বেগও তত বাড়তে থাকে। ৭০ মিনিট পার হওয়ার পরও ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল তারা। বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে ব্যর্থ হচ্ছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তখন মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপে আরেকটি বড় অঘটনের জন্ম দিতে চলেছে সৌদি আরতবে শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ভাঙতে হয় এশিয়ার প্রতিনিধিদের। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে অবশেষে সমতার গোল আদায় করে উরুগুয়ে। ধারাবাহিক আক্রমণের ফল হিসেবে পাওয়া সুযোগ থেকে জালে বল পাঠান মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। তার গোলে ১-১ সমতায় ফিরে ম্যাচে নতুন প্রাণ পায় দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    সমতা ফেরানোর পর জয়ের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে উভয় দল। সৌদি আরবও আর শুধু রক্ষণে সীমাবদ্ধ থাকেনি, পাল্টা আক্রমণে উরুগুয়ের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখেছে। অন্যদিকে উরুগুয়ে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়।তবে নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

    ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে সৌদি আরব। আর জয় প্রত্যাশী উরুগুয়েকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় ভাগাভাগি করা এক পয়েন্ট নিয়েই। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ কাঁপানো সৌদি আরব এবার উরুগুয়েকেও আটকে দিয়ে আবারও জানিয়ে দিল, বড় দলগুলোর জন্য তারা এখনও বড় এক পরীক্ষার নাম।