ফার্মাসিস্ট

  • বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস আজ

    বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস আজ

    ওষুধের নিরাপদ ও সঠিক ব্যবহার, রোগ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফার্মাসিস্টদের অবদান স্মরণ করে আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস।

    এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য—‘সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন’। পরিবর্তিত স্বাস্থ্য চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফার্মাসিস্টদের দক্ষতা, স্বীকৃতি এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায় যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর এবার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশন (এফআইপি) প্রতিষ্ঠার দিনকে স্মরণ করে প্রতিবছর ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালন করা হয়। ১৯১২ সালের এই দিনে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০০৯ সালে এফআইপির পরিষদ ২৫ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

    ২০২০ সাল থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ঘিরে বিশ্ব ফার্মেসি সপ্তাহও পালন করা হচ্ছে। এতে ফার্মাসিস্টের পাশাপাশি ওষুধবিজ্ঞানী, ফার্মেসি প্রযুক্তিবিদসহ ফার্মেসি খাতের বিভিন্ন পেশাজীবীর অবদান তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবায় ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া। রোগীদের ওষুধ ব্যবহারের নিয়ম বোঝানো, স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ দেওয়া এবং রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতেও তারা ভূমিকা রাখেন।

    এফআইপি বলছে, জনসংখ্যার পরিবর্তন, অসংক্রামক রোগের বিস্তার, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন এবং জলবায়ুজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বদলে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টদের আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন। ফার্মাসিস্টদের কাজ কেবল ওষুধ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ওষুধের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা, স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য দেওয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জনসচেতনতা তৈরি এবং নতুন ওষুধ নিয়ে গবেষণার মতো কাজেও তারা যুক্ত রয়েছেন।

    এফআইপির সভাপতি পল সিনক্লেয়ার বলেন, পরিবর্তিত স্বাস্থ্য চাহিদা মোকাবিলায় ফার্মাসিস্টদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, স্বীকৃতি ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ তৈরি করা গেলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও সহজলভ্য, কার্যকর ও টেকসই হতে পারে।

    দিবসটি উপলক্ষে ফার্মাসিস্টদের জন্য সহায়ক নীতি প্রণয়ন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায় তাদের আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।