পে-স্কেল

  • পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচির ঘোষণা

    পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মসূচির ঘোষণা

    নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ, বদলির ফল ঘোষণা এবং শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে এবার কঠোর আন্দোলনে নামছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই আন্দোলন শুরু হবে।

    সোমবার এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বদলির জন্য আবেদন গ্রহণের দেড় মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে কর্মরত শিক্ষকেরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শিক্ষকদের এই অহেতুক ভোগান্তি কমাতে অবিলম্বে বদলির ফল প্রকাশ করতে হবে।

    পে স্কেলের বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি মাস থেকে নবম পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কবে থেকে নতুন পে স্কেলের সুফল পাবেন, তা এখনো অনিশ্চিত। এই ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তা দূর করতে তাঁদের জন্য অবিলম্বে পে স্কেল বাস্তবায়নের সরকারি নির্দেশনা জারি করতে হবে।

    এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নামমাত্র উৎসব ভাতা প্রদানকে চরম বৈষম্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য অবিলম্বে দূর করে আসন্ন ঈদে সরকারি শিক্ষকদের মতো শতভাগ উৎসব ভাতা দিতে হবে।

    এই তিন দফা যৌক্তিক দাবি আদায়ে আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

  • নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বাড়বে যেভাবে

    নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বাড়বে যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত জনবলের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না বলে জানা গেছে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ এবং শিক্ষার উচ্চপর্যায়ের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা। নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন হবে না। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের জন্য প্রযোজ্য হবে।’অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট জারি হয়েছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত জনবল সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় ভাতা পান না। এ বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে। ভাতাগুলো আগের মতোই থাকবে। বিষয়গুলো নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কাজ করবে।’

    নতুন পে-স্কেলে নিজের বেতন বৃদ্ধির হিসাব করবেন যেভাবে

    নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই হিসাব-নিকাশ চলছে। নতুন বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলত একজন কর্মচারীর ৩০ জুনের মূল বেতন, বর্তমান গ্রেড এবং নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের নির্ধারিত স্কেলের তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে।

    নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনে বেতন নির্ধারণের জন্য দুটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। পুরোনো বেতন স্কেলের একেবারে শুরুতে থাকা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে হিসাব অপেক্ষাকৃত সহজ। আর যারা স্কেলের মাঝামাঝি বা ওপরের কোনো ধাপে বেতন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান হিসাব করে নতুন স্কেলে তা সমন্বয় করতে হবে।

    স্কেলের শুরুতে থাকা কর্মচারীদের বেতন যেভাবে নির্ধারিত হবে

    কোনো কর্মচারী যদি ৩০ জুন পর্যন্ত তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন বা প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপেই তার বেতন নির্ধারণ করা হবে।

    ধরা যাক, ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেতন স্কেলের শুরুতে ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোয় ১৬তম গ্রেডের স্কেল যদি ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারিত হয়, তাহলে ওই কর্মচারীর নতুন মূল বেতন হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা। অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রে পুরোনো বেতন ও নতুন বেতন স্কেলের শুরুর ধাপের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় করা হবে।

    স্কেলের মাঝামাঝি ধাপে থাকা কর্মচারীদের হিসাব

    কোনো কর্মচারী যদি তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন এবং তার বর্তমান মূল বেতনের মধ্যে ব্যবধান বের করতে হবে।

  • কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ আজ শনিবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

    ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি এলাকা ও গ্রেডভেদে বাড়িভাড়ার হারও নির্ধারণ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চাকরি করা গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪৫ শতাংশ।

    আর গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকার জন্য বাড়িভাড়ার হার কিছুটা কম। এসব এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।

    একই এলাকায় গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া।

    অন্যান্য এলাকায় কত হবে

    অন্যান্য এলাকার জন্য গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ হারে।

    এ ছাড়া গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

    বর্তমানে কত বাড়িভাড়া পান

    বর্তমানে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া পান চাকরিজীবীরা। ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল বেতন হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়।

    মূল বেতন ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৫৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৯ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়। আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ১৯ হাজার ৫০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়।অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে বর্তমানে বাড়িভাড়ার হার ও ন্যূনতম অঙ্কে ভিন্নতা রয়েছে।

  • নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    নবম পে-স্কেল: এমপিও শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন শিগগিরই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় সরকারি শিক্ষকরা নতুন বেতন কাঠামোর সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ আজ প্রকাশিত গেজেটি সরকারি শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। অপরদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    আজ শনিবার নবম পে-স্কেলের জারি করা গেজেটে এসব বিষয় উঠে এসেছে। গেজেটের গায়ে ১৭ সেপ্টেম্বর লেখা থাকলেও আজ শনিবার বিকেলে এটি হাতে পাওয়া গেছে।

    আজ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ইতোমধ্যে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ গেজেট জারি হয়েছে।

    প্রকশিত গেজেটে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কার্যকর করা হয়েছে। তবে ধাপে ধাপে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    এরপর ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামোর পরবর্তী ধাপ কার্যকর হবে। এ সময়ে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে বেতন পাবেন।

    ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর বেতন বৃদ্ধির পুরো অংশ বা শতভাগ কার্যকর হবে। যেহেতু নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই তারিখ থেকে প্রাপ্য বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থও পাবেন।প্রজ্ঞাপনে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ধরনের ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় যাবতীয় সুবিধা পাবেন।নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।

  • মন্ত্রিপরিষদ, মুখ্যসচিব ও জ্যেষ্ঠ সচিবদের বেতন বেড়ে কত হলো

    মন্ত্রিপরিষদ, মুখ্যসচিব ও জ্যেষ্ঠ সচিবদের বেতন বেড়ে কত হলো

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ আজ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের মূল বেতন কত হবে, সেটিও আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন বেতনকাঠামোয় গ্রেড ভেদে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। গ্রেড-১২ থেকে ২০ পর্যন্ত বাড়ানোর হার ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদে বেতন হবে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা (নির্ধারিত মানে মূল বেতন এটিই থাকবে)। এত দিন তাঁদের মূল বেতন ছিল ৮৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদের বেতন হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। এত দিন পেতেন ৮২ হাজার টাকা।

    অন্যদিকে গ্রেড-১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা; গ্রেড-২-এ ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৩২ হাজার; গ্রেড-৩-এ ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৪-এ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    এভাবে ২০টি গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। এর মধ্যে গ্রেড-৫-এ ৪৩ হাজার থেকে বেড়ে ৮৬ হাজার টাকা; গ্রেড-৬-এ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭১ হাজার টাকা, গ্রেড-৭-এ ২৯ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৫৮ হাজার টাকা; গ্রেড-৮-এ ২৩ হাজার থেকে বেড়ে ৪৬ হাজার টাকা; গ্রেড-৯-এ ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১০-এ ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    গ্রেড-১১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে দ্বিগুণ হয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১২-এ ১১ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা; গ্রেড-১৩-এ ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা; গ্রেড-১৪-এ ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-১৫-এ ৯ হাজার ৭০০ থেকে বেড়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া গ্রেড-১৬-এ ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৭-এ ৯ হাজার টাকা থেকে ২১ হাজার ৪০০ টাকা; গ্রেড-১৮-এ ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার টাকা; গ্রেড-১৯-এ ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-২০-এ ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

  • কোন গ্রেডে বেতন বেড়ে কত হলো

    কোন গ্রেডে বেতন বেড়ে কত হলো

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ আজ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের মূল বেতন কত হবে, সেটিও আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন বেতনকাঠামোয় গ্রেড ভেদে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। গ্রেড-১২ থেকে ২০ পর্যন্ত বাড়ানোর হার ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদে বেতন হবে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা (নির্ধারিত মানে মূল বেতন এটিই থাকবে)। এত দিন তাঁদের মূল বেতন ছিল ৮৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদের বেতন হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। এত দিন পেতেন ৮২ হাজার টাকা।

    অন্যদিকে গ্রেড-১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা; গ্রেড-২-এ ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৩২ হাজার; গ্রেড-৩-এ ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৪-এ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    এভাবে ২০টি গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। এর মধ্যে গ্রেড-৫-এ ৪৩ হাজার থেকে বেড়ে ৮৬ হাজার টাকা; গ্রেড-৬-এ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭১ হাজার টাকা, গ্রেড-৭-এ ২৯ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৫৮ হাজার টাকা; গ্রেড-৮-এ ২৩ হাজার থেকে বেড়ে ৪৬ হাজার টাকা; গ্রেড-৯-এ ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১০-এ ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    গ্রেড-১১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে দ্বিগুণ হয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১২-এ ১১ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা; গ্রেড-১৩-এ ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা; গ্রেড-১৪-এ ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-১৫-এ ৯ হাজার ৭০০ থেকে বেড়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেড-১৬-এ ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৭-এ ৯ হাজার টাকা থেকে ২১ হাজার ৪০০ টাকা; গ্রেড-১৮-এ ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার টাকা; গ্রেড-১৯-এ ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-২০-এ ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

  • নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, বাস্তবায়ন তিন ধাপে

    নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, বাস্তবায়ন তিন ধাপে

    এর আগে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আমার দেশকে বলেছেন, নতুন বেতন পে স্কেলের ভেটিং সম্পন্ন করে আমরা গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিজি প্রেসে পাঠিয়ে দিয়েছি। সেখান থেকে প্রকাশ করা হলে এটা গেজেট আকারে জারি করা হয়।

    আজকেই গেজেট জারি হবে কি না, এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের কাজ হয়ে গেছে, এটা এখন সম্পূর্ণ বিজি প্রেসের এখতিয়ার।’

    গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন।

    এর আগে গত ৩১ আগস্ট নতুন কাঠামোর খসড়ার আংশিক অংশ অর্থ বিভাগ থেকে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে বাকি অংশও পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।

    নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, এসব গ্রেডে আগের তুলনায় মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    অন্যদিকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এই গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। আর প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে ১ জুলাই, ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পেনশনভোগীদের নিট পেনশনও একইভাবে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

    প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির ফলে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এজন্য অর্থবছরের বাজেটে আলাদা অর্থ সংস্থান রাখা হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে তিন ধাপে।

    এর আগে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আমার দেশকে বলেছেন, নতুন বেতন পে স্কেলের ভেটিং সম্পন্ন করে আমরা গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিজি প্রেসে পাঠিয়ে দিয়েছি। সেখান থেকে প্রকাশ করা হলে এটা গেজেট আকারে জারি করা হয়।

    আজকেই গেজেট জারি হবে কি না, এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের কাজ হয়ে গেছে, এটা এখন সম্পূর্ণ বিজি প্রেসের এখতিয়ার।’

    গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন।

    এর আগে গত ৩১ আগস্ট নতুন কাঠামোর খসড়ার আংশিক অংশ অর্থ বিভাগ থেকে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে বাকি অংশও পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।

    নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, এসব গ্রেডে আগের তুলনায় মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    অন্যদিকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এই গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। আর প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে ১ জুলাই, ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পেনশনভোগীদের নিট পেনশনও একইভাবে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

    প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির ফলে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এজন্য অর্থবছরের বাজেটে আলাদা অর্থ সংস্থান রাখা হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

  • বিলম্ব হলেও ১ জুলাই থেকে কার্যকর পে-স্কেল

    বিলম্ব হলেও ১ জুলাই থেকে কার্যকর পে-স্কেল

    নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নতুন ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬’ অনুমোদন করেছে সরকার। নতুন কাঠামোয় ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হওয়া।

    সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। তবে বর্ধিত বেতনের আর্থিক সুবিধা একবারে দেওয়া হবে না। মূল বেতন তিন ধাপে সমন্বয় করা হবে। প্রথম ধাপে মূল বেতনের একটি অংশ কার্যকর করা হবে এবং পরবর্তী দুই ধাপে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে। বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত?

    নতুন কাঠামোয় ২০টি গ্রেডই বহাল রাখা হয়েছে। প্রতিটি গ্রেডে প্রস্তাবিত ধাপ সংখ্যাও অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ১ম, ৮ম ও ৯ম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    গ্রেডপুরোনো প্রারম্ভিক মূল বেতননতুন প্রারম্ভিক মূল বেতন
    ১ম গ্রেড৭৮,০০০ টাকা১,৫৬,০০০ টাকা
    ৮ম গ্রেড—প্রস্তাবের তুলনায় সংশোধিত
    ৯ম গ্রেড—প্রস্তাবের তুলনায় সংশোধিত
    ২০তম গ্রেড৮,২৫০ টাকা২০,০০০ টাকা

    নতুন কাঠামোয় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতনের ব্যবধানও কমানো হয়েছে। বিদ্যমান বেতন কাঠামোয় এই অনুপাত ছিল ১:৯ দশমিক ৪৫। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ১:৭ দশমিক ৮ করা হয়েছে।

    ১ম, ৮ম ও ৯ম গ্রেডে কী পরিবর্তন?

    জাতীয় বেতন কমিশন ১ম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেছিল। তবে সচিব কমিটি তা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে। শেষ পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামোয় ১ম গ্রেডের মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে ৮ম ও ৯ম গ্রেডেও কমিশনের প্রস্তাবের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কমানো হয়েছে। এই দুই গ্রেডে কমিশন প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। সচিব কমিটি তা কমিয়ে ১০০ শতাংশ করার সুপারিশ করে। অন্য গ্রেডগুলোতে কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার বহাল রাখা হয়েছে।

    কবে থেকে কার্যকর হবে নতুন বেতন?

    নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। তবে বাড়তি আর্থিক সুবিধা ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ নতুন স্কেল অনুমোদিত হলেও সব সুবিধা একসঙ্গে হাতে পাওয়ার সুযোগ নেই।

    প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতনের একটি অংশ কার্যকর হবে। পরবর্তী দুই ধাপে বাকি অংশ সমন্বয় করা হবে। আর বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    কেন কিছুটা পরিবর্তন করা হলো?

    জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর প্রস্তাব পর্যালোচনার সময় মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেয় সচিব কমিটি। এ সময় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতনের ব্যবধানও পর্যালোচনা করা হয়।

    ফলে কমিশনের প্রস্তাবের কিছুটা কাটছাঁট করে নতুন কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছে। তবে ২০টি গ্রেড রাখা এবং ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব বহাল রাখা হয়েছে।

    এক নজরে সর্বশেষ আপডেট

    – নতুন স্কেল: জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬

    – গ্রেড: ২০টি

    – কার্যকর ধরা হবে: ১ জুলাই ২০২৬ থেকে

    – সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন: ২০তম গ্রেডে ২০,০০০ টাকা

    – সর্বোচ্চ প্রারম্ভিক মূল বেতন: ১ম গ্রেডে ১,৫৬,০০০ টাকা

    – মূল বেতন সমন্বয়: তিন ধাপে

    – বাড়িভাড়া ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা: ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর – বিশেষ পরিবর্তন: ১ম, ৮ম ও ৯ম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতনে সংশোধন

  • নতুন পে স্কেলের গেজেট কবে, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    নতুন পে স্কেলের গেজেট কবে, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার। এখন অপেক্ষা শুধু গেজেট জারির। নতুন বেতনকাঠামোসংক্রান্ত আদেশ আজ বুধবার অথবা আগামীকাল বৃহস্পতিবার জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

    নতুন বেতনকাঠামো সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণমাধ্যমে বলেন, অর্থ বিভাগ আজ অথবা আগামীকাল এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করবে। এরপর নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত বিষয় স্পষ্টভাবে জানা যাবে।

    এর আগে সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬ অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশাবলী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি-২০২৫-এর প্রতিবেদন পাওয়ার পর সরকারের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

    পর্যালোচনা শেষে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সময় সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারি কর্মচারীদের জীবনমানের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও যৌক্তিক বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্ব পেয়েছে।

    অনুমোদিত জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এ সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি বেতন গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। তবে প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন বেতনস্কেলে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

    নতুন বেতন কাঠামোয় বেতন বৈষম্য কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত কমানো হয়েছে। বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ অনুপাত কমিয়ে নতুন বেতনস্কেলে তা ১:১.৭৮ করা হয়েছে।

    ফলে নতুন বেতনস্কেলে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ বাড়বে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ গ্রেডের নির্ধারিত বেতন বাড়বে ১০০ শতাংশ।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পাবেন নতুন পে-স্কেল সুবিধা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পাবেন নতুন পে-স্কেল সুবিধা

    জাতীয় ডেস্ক:

    দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পাবেন মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর সুবিধা। আজ মঙ্গলবার সকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে বেতন বৃদ্ধির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। কিন্তু সেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় আসবেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘এটা এখন বলতে পারছি না। এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত আসবে।’

    এ রকম পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে আজ সকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে বলেন বিষয়টি জেনে জানাবেন। এর কিছুক্ষণ পর তিনি বলেন, শতভাগ নিশ্চিত যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতনকাঠামোর সুবিধা পাবেন।

    বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য আর্থিক অনুদান দেয় সরকার, যা এমপিও (মান্থলি পে অর্ডার) নামে পরিচিত। এসব শিক্ষক-কর্মচারী মূল বেতনের শতভাগ অংশ পান। এর সঙ্গে চিকিৎসা ভাতাসহ কিছু ভাতা পান। এর মধ্যে গত বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত হয়। তার আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা এত দিন মাসে এক হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া পেয়ে আসছিলেন।

    শিক্ষক-কর্মচারীরা এত দিন মাসে এক হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া পেয়ে আসছিলেন।


    বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন প্রায় ৪ লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। তবে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।

    এখন নতুন বেতনকাঠামোর সুবিধা পাওয়ার পর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন ও বাড়িভাড়াও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে। স্কুল, কলেজ বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্তর এবং বিষয়ভেদে শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে ভিন্নতা আছে। এখন যিনি যে গ্রেডে চাকরি করছেন, সে অনুযায়ী নতুন বেতনকাঠামোর সুবিধা পাবেন।

    সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী গ্রেডভেদে মূল বেতন বাড়বে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। নতুন কাঠামোয় এখনকার মতোই ২০টি গ্রেড থাকছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার টাকা। আর সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডের বেতন নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।নতুন বেতনকাঠামো এ বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের (২০২৭) মধ্যে মূল বেতন মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ভাতা একযোগে কার্যকর হবে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রমতে স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য প্রথম ধাপে এ বছরের জুলাই থেকে প্রথম ছয় মাসে ৫০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন বাড়বে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও ২৫ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের জুলাই থেকে তৃতীয় ধাপে অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে।এর মানে হলো প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বেতন বাড়ার পর দ্বিতীয় ধাপে গিয়ে নতুন করে ২৫ শতাংশসহ মোট ৭৫ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন পাবেন এই গ্রেডের চাকরিজীবীরা। আর শেষ ধাপে আরও ২৫ শতাংশ যোগ হলে তখন বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ পাবেন তাঁরা। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৮ সাল থেকে বেতন ও ভাতা একযোগে পাবেন।অন্যদিকে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের চাকরিজীবীদের জন্য প্রথম ধাপে গত ১ জুলাই থেকে ৪০ শতাংশ বর্ধিত মূল বেতন বাড়বে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি আরও ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে।