পর্তুগাল

  • নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল পর্তুগাল

    নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করল পর্তুগাল

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানো, সাইবার বুলিং কমানো এবং বিদ্যালয়ের সামাজিক পরিবেশ উন্নত করতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল চলাকালে স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে পর্তুগাল সরকার।

    সোমবার (৩ আগস্ট) দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পরীক্ষামূলকভাবে এ নিষেধাজ্ঞা চালুর পর শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর যোগাযোগ বেড়েছে। এছাড়া বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা মোবাইলের বদলে খেলাধুলা ও সহপাঠীদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছে।

    তবে স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের অনুমোদিত শিক্ষামূলক কাজে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশও স্কুলে স্মার্টফোন ব্যবহারে একই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

  • রোনালদোর স্বপ্ন ভেঙ্গ শেষ আটে স্পেন

    রোনালদোর স্বপ্ন ভেঙ্গ শেষ আটে স্পেন

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    গ্যালারিতে একটা পোস্টার হাতে একজনকে দেখা গেল। রঙিন সেই পোস্টারে এক পাশে রোনালদোর ছবি, আর অন্য পাশে লামিন ইয়ামালের। রোনালদোর ছবির পাশে লেখা ‘দ্য লিজেন্ড’। ইয়ামালের পাশে লেখা লাল হরফে ‘দ্য ফিউচার’।

    ম্যাচের ফলাফল তাই জানাল, ভবিষ্যৎ থাকল আর লিজেন্ড বিদায় নিল। বিশ্বকাপের মাঠ আগের দিন দেখেছিল নেইমারের কান্না। এদিন সাক্ষী হলো রোনালদোর চোখের জলের। আর চোখে নতুন স্বপ্ন নিয়ে হাসতে হাসতে ইয়ামালের স্পেন নাম লেখাল বিশ্বকাপের শেষ আটে। রোনালদোর পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন রাউন্ড অব সিক্সটিনেই সমাপ্ত।

    ডালাসে ম্যাচের ৯১ মিনিটে গোল করে মিকেল মেরিনো স্পেনকে জয় এনে দিলেন। ফ্রি কিক থেকে ফার্নান্দো তোরেসের পাসে পাওয়া বলে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খালি জায়গা করে নিয়ে গোল করেন মেরিনো।

    ম্যাচ শেষ হতে তখন বাকি কেবল ৬ মিনিট। শেষের এই সময়ে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালায় পর্তুগাল। গোল প্রায় পেয়েও গিয়েছিল তারা। কিন্তু ব্রুনো ফার্নান্দেজের হেড স্পেনের গোলপোস্টের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়। আর তাতেই ভেসে যায় পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্বপ্ন।

    আবেগ চেপে রেখে মাঠ ছাড়েন রোনালদো। কিন্তু চোখের জল লুকাতে পারেননি। ছয়টি বিশ্বকাপ খেললেন। যার প্রত্যেকটিতেই আছে তার গোল। কিন্তু স্বর্ণালী ট্রফির বিশ্বকাপ হাতে নিয়ে উল্লাস করার স্বপ্নটা তার অপূর্ণই রয়ে গেল।

    বাড়ি ফেরার প্লেন ধরছে পর্তুগাল। আর স্পেন কোয়ার্টার ফাইনালে মোকাবিলা করবে বেলজিয়ামকে।

  • পর্তুগাল-স্পেনের খেলায় কে জিতবে?

    পর্তুগাল-স্পেনের খেলায় কে জিতবে?

    ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম উত্তপ্ত লড়াই ‘আইবেরিয়ান ডার্বি’তে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও পর্তুগাল। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর দ্বৈরথ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবলবিশ্বে।

    একদিকে স্পেনের দৃষ্টিনন্দন পাসিং ফুটবল, অন্যদিকে পর্তুগালের গতিময় আক্রমণ ও তারকাখচিত স্কোয়াড- সব মিলিয়ে ম্যাচটি হতে যাচ্ছে হাইভোল্টেজ এক মহারণ। শেষ পর্যন্ত কার মুখে ফুটবে হাসি— সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

    স্পেন ও পর্তুগালের লড়াই মানেই ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একই আইবেরিয়ান উপদ্বীপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এবার মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়, যেখানে হার মানেই বিদায়। তাই এই ম্যাচে কৌশল, মানসিক দৃঢ়তা এবং ছোট ছোট মুহূর্তের সিদ্ধান্তই গড়ে দিতে পারে ফল।

    শেষ ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে স্পেন। পুরো ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ তৈরির দক্ষতা এবং রক্ষণে দৃঢ়তা- সব ক্ষেত্রেই নিজেদের সামর্থ্যরে প্রমাণ দিয়েছে লা রোহা। অন্যদিকে, পর্তুগাল কঠিন লড়াইয়ের পর ২-১ ব্যবধানে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। তবে তাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

    স্পেনের শক্তির মূল জায়গা তাদের মিডফিল্ড। ছোট ছোট পাস, বলের দখল ধরে রাখা এবং প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার ক্ষমতায় তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। তরুণ তারকাদের গতির সঙ্গে অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সমন্বয় স্পেনকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলেছে। অন্যদিকে পর্তুগালের বড় ভরসা দ্রুত পাল্টা আক্রমণ, শক্তিশালী মিডফিল্ড এবং ব্যক্তিগত নৈপুণ্য। সুযোগ পেলেই ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে তাদের আক্রমণভাগের। স্পেনের রয়েছে একঝাঁক তরুণ প্রতিভা। তাদের মধ্যে স্ট্রাইকার লামিনে ইয়ামাল অন্যতম। আরও আছে- পেদ্রি, গাভি, রদ্রি, ওলমো, নিকো আর ওয়ারাবাজালের মতো খেলোয়াড়। স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন ইতোমধ্যে বিশ্বকাপে রেকর্ড গড়েছেন। ৫১৯ মিনিট গোলবার আগলে রেখে।

    অন্যদিকে পর্তুগাল বিশ্বকাপে ফেবারিট দল হিসেবে এলেও এখন পর্যন্ত আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি। দলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তিন গোল করলেও খেলার ধরন ছিল গড়পড়তা। এখনও দল হিসেবে খেলতে পারছে না কোচ রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা। এই ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ হবে প্রজন্মের লড়াইও। একদিকে অভিজ্ঞ তারকাদের নেতৃত্বে পর্তুগাল, অন্যদিকে তরুণদের উচ্ছ্বাসে ভর করে এগিয়ে চলা স্পেন। নকআউট ম্যাচ হওয়ায় শুরু থেকে দুদলই সতর্ক থাকবে। ফলে ম্যাচের প্রথম ভাগে মাঝমাঠের লড়াই এবং বলের দখল নিয়ে টানটান উত্তেজনা দেখা যেতে পারে।

    ইতিহাসও বলছে, স্পেন-পর্তুগাল দ্বৈরথে খুব কম ব্যবধানেই ফল নির্ধারিত হয়। দুদলের আগের বেশির ভাগ লড়াই ছিল হাড্ডাহাড্ডি, যেখানে এক মুহূর্তের ভুল কিংবা একঝলক ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ২০১০ সালের একমাত্র দেখায় স্পেন ১-০ ব্যবধানে জিতে শেষ পর্যন্ত শিরোপাও জিতেছিল।

    সবমিলিয়ে এটি শেষ ষোলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচগুলোর একটি হওয়ার অপেক্ষায়। স্পেনের সংগঠিত ফুটবল নাকি পর্তুগালের কার্যকর পাল্টা আক্রমণ— কোন কৌশল শেষ পর্যন্ত সফল হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। ছোট একটি ভুল কিংবা একটি অসাধারণ মুহূর্তই হয়তো নির্ধারণ করবে, আইবেরিয়ান ডার্বিতে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কার হাতে উঠবে।

    স্পেন ও পর্তুগাল এ পর্যন্ত মোট ৪১ বার মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে স্পেনের জয় ১৭টি। পর্তুগালের ৭টি। বাকি ১৭টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সবশেষ মোকাবিলায় ২০২৫ সালের উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুদল। ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে ড্র ছিল, পরে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে শিরোপা জেতে পর্তুগাল। বিশ্বকাপে ২০১০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ১-০ গোলে হারায় পর্তুগিজদের। আর ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল দুদল।

  • পর্তুগিজ গণমাধ্যমে রোনালদোর তীব্র সমালোচনা

    পর্তুগিজ গণমাধ্যমে রোনালদোর তীব্র সমালোচনা

    বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, কাঙ্ক্ষিত পারফর্ম করতে ব্যর্থ পর্তুগাল। গ্রুপপর্বে কঙ্গোর বিপক্ষে টেনেটুনে ড্র দিয়ে শুরু, এরপর উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে দেওয়ার পর শেষ ম্যাচে ফের কলম্বিয়ার সঙ্গে ড্র।

    কলম্বিয়া ম্যাচে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে পর্তুগাল ফুটবল দল। এমনকি দেশটির ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র ‘আ বোলা’ মাঠের সবচেয়ে খারাপ খেলোয়াড় হিসেবে বেছে নিয়েছে রোনালদোকে। তারা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে প্রধান তারকাকে ১০ এর মধ্যে ৪ রেটিং দিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোনালদোর শটগুলো তেমন বিপজ্জনক ছিল না এবং কলম্বিয়া গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাসের মুখোমুখি হয়ে পাওয়া বড় সুযোগটিও কাজে লাগাতে পারেননি। যদিও পরে সেই আক্রমণ অফসাইড হিসেবে বাতিল হয়। ম্যাচটিতে রোনালদো পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন। টুর্নামেন্টে যা ছিল দ্বিতীয়বার রোনালদোর কাছে পাওয়া প্রত্যাশার চেয়ে কম পারফরম্যান্স।

    এর আগে প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচেও ম্লান ছিলেন সিআরসেভেন। তার সেরা পারফরম্যান্স ছিল উজবেকিস্তানের বিপক্ষে, যেখানে তিনি দুটি গোল করেছিলেন। রোনালদোর সমালোচনা করার পাশাপাশি কলম্বিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের সেরা খেলোয়াড় হিসবে গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার কথা উল্লেখ করেছে ‘আ বোলা’। তাদের মতে, কস্তা ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় এবং ৮ রেটিং পেয়েছেন।

    কলম্বিয়ার একের পর এক আক্রমণ সামলে ক্লিনশিট ধরে রেখেছেন দিয়োগো কস্তা। তিনি ‘সবকিছুই আটকে দিয়েছেন’ এবং ‘দুর্দান্ত পারফরম্যান্স’ করার কথা উল্লেখ করে গণমাধ্যমটি। কস্তার সেরা সেভের একটি ছিল দ্বিতীয়ার্ধের ৪৩ মিনিটে। হুয়ান কুইন্তেরোর ক্রস থেকে লুইস সুয়ারেজের কাছে বল পৌঁছানোর আগেই তিনি পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন।

    এ নিয়ে গ্রুপপর্বের দুটি ম্যাচে ড্র করেছে পর্তুগাল। ম্যাচের ফল তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও পুরো লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া এবং বেশি সুযোগও তারাই তৈরি করে। অতিরিক্ত সময়ে ডেভিনসন সানচেজ গোল করলেও মিলিমিটার অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। শেষ ৩২–এ রোনালদোর পর্তুগাল ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে লড়বে।

  • ‘আমাকে তো অবসরপ্রাপ্তই বানিয়ে ফেলেছিল’

    ‘আমাকে তো অবসরপ্রাপ্তই বানিয়ে ফেলেছিল’

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ গোলের দাপুটে জয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যাচে জোড়া গোল করে শুধু দলকে বড় জয়ই উপহার দেননি, গড়েছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নতুন রেকর্ড। ম্যাচ শেষে নিজের কঠিন সময়, সমালোচনা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও শোনালেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

    হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচে উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় পর্তুগাল। জোড়া গোল করেন রোনালদো, একটি গোল করেন নুনো মেন্দেস, আর একটি আসে আত্মঘাতী গোলে। শেষ দিকে স্কোরলাইন ৫-০ করেন রাফায়েল লেয়াও।ম্যাচ শেষে রোনালদো বলেন, “আমরা জানতাম এই সপ্তাহে এমন কিছু ঘটবে। তবে দল খুব ভালোভাবে কাজ করেছে এবং আমরা অনেক উন্নতি করেছি। একটি প্রবাদ আছে—প্রতিটি কালো মেঘেরই রুপালি দিক থাকে। ব্যক্তিগতভাবে রেকর্ড ভাঙতে সবসময়ই ভালো লাগে, কিন্তু আমার প্রধান লক্ষ্য জাতীয় দলকে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করা। এই পর্যায়ে আমাদের লক্ষ্য ছিল গ্রুপ পর্ব পেরোনো। আমার বিশ্বাস, চার পয়েন্ট নিয়েই আমরা পরের রাউন্ড নিশ্চিত করেছি। আমি খুবই খুশি।”

    ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানান, কঠিন সময়েও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি তিনি।“আমি জানতাম এটা হবে। ঈশ্বর তাদেরই সাহায্য করেন, যারা কঠোর পরিশ্রম করে। আমি জানতাম আমার সতীর্থরাও আমাকে সাহায্য করবে। এটি ছিল খুব কঠিন একটি সপ্তাহ, একেবারে অন্ধকার একটি সপ্তাহ। এমনও মনে হচ্ছিল, যেন আমি ইতোমধ্যেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি! কিন্তু আমি টিকে ছিলাম, যেমনটা সবসময় থাকি। কারণ আমি অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে কঠোর পরিশ্রমে বেশি বিশ্বাস করি।”

    এরপর নিজের অনুভূতি লুকাননি রোনালদো, “আমি মিথ্যা বলব না, সময়টা কঠিন ছিল। এটা স্বীকার করতেই হবে। তবে আমরা ফিরে এসেছি।”উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রোনালদো বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হয়েছেন। সমালোচনার মুখে থাকা এক সপ্তাহের পর এমন পারফরম্যান্স যেন তার পক্ষ থেকে সবচেয়ে জোরালো জবাবই হয়ে উঠল।