ট্যাগ পদত্যাগ

  • অবশেষে পদত্যাগ করলেন ববির বিভাগীয় চেয়ারম্যান

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন ববির বিভাগীয় চেয়ারম্যান

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হক। তিনি বিভাগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর রাত ১০টার দিকে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

    পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। ’

    স্বেচ্ছাচারিতা, কোর্সে নাম থাকলেও নিজে ক্লাস না নেওয়া, পরীক্ষা না নিয়ে পছন্দ অনুযায়ী নম্বর দেওয়াসহ নানা অভিযোগে হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ দাবিতে রোববার সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন তাঁরা বিক্ষোভ করে বিভাগের চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষে তালা দিয়ে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন শতাধিক শিক্ষার্থী। রাত ১০টার দিকে হাফিজ আশরাফুল হক পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থীরা অনশন থেকে উঠে যান।

    আন্দোলন প্রত্যাহারের সময় শিক্ষার্থীরা জানান, চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করায় তাঁরা অনশন প্রত্যাহার করছেন। তবে হাফিজ আশরাফুল হককে দিয়ে কোনো ধরনের ক্লাস বা পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি এক মাসের মধ্যে তাঁকে বিভাগ থেকে অপসারণ করতে হবে।

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান বলেন, ‘হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে আমরা যে দাবি করেছিলাম, তিনি কোনো ক্লাস ও পরীক্ষা নিতে পারবেন না, সেটিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের নিশ্চিত করেছে। তাঁকে অপসারণের জন্য প্রশাসনকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই এক মাসের মধ্যে তাঁকে অপসারণ করা না হলে আমরা আবারও আন্দোলনে নামব।

  • গুরুতর অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি: বঙ্গভবন

    গুরুতর অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি: বঙ্গভবন

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে আজ শুক্রবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। স্পিকার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করেন

    আজ বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদ্‌যন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামের রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।’

    রাষ্ট্রপতি আরও লেখেন, ‘এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।’

    সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

    উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।

  • ‘আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান’— পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি

    ‘আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান’— পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি

    সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে একটি গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।’

    পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরের বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘বলে দিছি, বুঝে নেন।’

    এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানাতে বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার।

    রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

    সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

    সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

    সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটির মনোনীত ব্যক্তিরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছে।

    আজ দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই তিনি ব্যাংককে গিয়েছিলেন। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী রবিবার তার ফেরার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে তিনি দেশে ফেরেন।

  • ‘আমার কথায় ছেলে বিসিবি থেকে পদত্যাগ করেছে, তা কেউ হাইলাইট করে না’

    ‘আমার কথায় ছেলে বিসিবি থেকে পদত্যাগ করেছে, তা কেউ হাইলাইট করে না’

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, তাঁর কথাতেই ছেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে ঘটনাটি গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এমন মন্তব্য করেন।

    নিজের পরিবারের সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই যে দেখুন আজকে আমাদের সন্তানেরা কিছু করলে সেটা নিয়ে বিভিন্নভাবে সমালোচিত হয়। যে আমির খসরু মাহমুদ সাহেবের ছেলে কেন ক্রিকেট বোর্ডে, সালাহউদ্দিন সাহেবের ছেলে কেন ক্রিকেট বোর্ডে, বা মির্জা ফখরুল ইসলামের সাহেবের ভাই কেন ক্রিকেট বোর্ডে, আমার নিজেরও সন্তান ক্রিকেট বোর্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে এসেছিল। যখন সমালোচনা শুরু হয়েছে, আমার সন্তান আমার ওপর খুবই মন খারাপ করেছে, আমি তাঁকে ডেকে বুঝিয়ে বলেছি, বাবা এটা নিয়ে নানান কথা হবে, তোমার ব্যবসা-বাণিজ্য এখন অনেক দেখতে হবে, তুমি দয়া করে পদত্যাগ করো।’

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেদিন বোর্ড নির্বাচিত হয়েছে…পরদিনই আমার কথামতো গিয়ে আমার ছেলে ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছে। এই নিউজ তো আপনারা কেউ হাইলাইট করেন না যে একজন মন্ত্রী নির্বাচিত তাঁর সন্তানকে ক্রিকেট বোর্ড থেকে সরিয়ে আনছে।’

    এর আগে গত ২০ জুন বগুড়ার দুটি নবগঠিত ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে ১১ জুন জেলা প্রশাসনের প্রজ্ঞাপনে শিবগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়নের নাম ‘মীরবাড়ী’ এবং নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার দুটি ইউনিয়নের নাম ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ রাখা হয়।

    পরে অভিযোগ ওঠে, মীরবাড়ী প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পৈতৃক বাড়ির নাম এবং সীমান্ত ও দিগন্ত তাঁর দুই ছেলের নামের সঙ্গে মিলে যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয় এবং জাতীয় সংসদেও আলোচনায় আসে।

    সংসদে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, স্থানীয় জনগণের মতামত ও গণশুনানির ভিত্তিতেই ইউনিয়নগুলোর নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। গাবতলী ও সোনাতলা উপজেলার সীমান্তবর্তী অবস্থানের কারণে একটি ইউনিয়নের নাম ‘সীমান্ত’ এবং ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় অন্যটির নাম ‘দিগন্ত’ রাখা হয়েছে। তাঁর দুই ছেলের নামের সঙ্গে মিল থাকাকে তিনি ‘কাকতালীয়’ বলে উল্লেখ করেন।

    তবে সেই ব্যাখ্যার পরও বিতর্ক থামেনি। পরে প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়নগুলোর নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। পরে বিএনপির মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টেও জেলা প্রশাসনের বরাত দিয়ে জানানো হয়, বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার নবগঠিত সীমান্ত ও দিগন্ত ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • মরক্কোর কাছে হারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ডাচ কোচের পদত্যাগ

    মরক্কোর কাছে হারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ডাচ কোচের পদত্যাগ

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    বিশ্বকাপে থেকে বিদায়ের পর নেদারল্যান্ডসে প্রধান কোচ রোনাল্ড কোম্যান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে নাটকীয় টাইব্রেকারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে পদত্যাগের খবর জানান কোম্যান। পরে রয়্যাল ডাচ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বিষয়টি নিশ্চিত করে।

    বিবৃতিতে কোম্যান লিখেন, ‘গত রাতেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আমি আর থাকছি না। আমরা সবাই মিলে এই বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম, কিন্তু আমরা পারিনি। এই স্বপ্নভঙ্গে আমার চেয়ে বেশি হতাশ আর কেউ নয়। কোচ হিসেবে দিনশেষে এই ব্যর্থতার দায়ভার আমার।’

    এমনকি অসুস্থ স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় দিতে কোচিং ক্যারিয়ারের ইতি টানার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ৬৩ বছর বয়সী কোম্যান। সাবেক এই ডাচ ডিফেন্ডার বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আমি অনুধাবন করতে পেরেছি, জীবনে ফুটবলের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু আছে। ফুটবলই আমার জীবন। কিন্তু মানুষের স্বাস্থ্য অমূল্য। যখন আপনার কোনো প্রিয়জন কঠিন কোনো লড়াই লড়ছে, তখন জীবনের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যাবে। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও আমার স্ত্রী আমাকে প্রতিনিয়ত আমাকে সমর্থন দিয়েছে, যেন কোচ হিসেবে আমি আমার কাজ শেষ করতে পারি। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’

    কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নেদারল্যান্ডসের বিদায় নেয়ার পর লুইস ফন হালের স্থলাভিষিক্ত হন কোম্যান। এর আগেও ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দুই বছর নেদারল্যান্ডসের ডাগআউটে ছিলেন তিনি। কোম্যানের অধীনে গত ইউরোর সেমিফাইনাল খেললেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ২৫ এর ভেতরে থাকা কোনো দলকে হারাতে পারেনি ডাচরা।

    বিদায়বার্তায় তিনি ফেডারেশন, খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বকাপ জিতে বিদায় নিতে পারলে সেটিই হতো সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। তবে দীর্ঘ কোচিং ও ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে তিনি গর্বিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।