ন্যায়বিচার

  • চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাশিলা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন (৬২)। নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা খাল পাড়ার শওকত আলীর ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (৫৮)। সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আড়সিংড়ি পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লুৎফর মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রোকন উদ্দিন (৩৮)। হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের তোরাপ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জালাল উদ্দিন (৫৭)এবং ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে দুখুকে (২৭) চোর সন্দেহে আটক করেছে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • বিচারকের ছেলের হত্যাকারী আটক

    বিচারকের ছেলের হত্যাকারী আটক

    রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার স্কুল পড়ুয়া ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে লিমন মিয়া নামে এক যুবক।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে এ হামলায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী গুরুতর আহত হয়েছেন। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এর আগে ওই যুবক বাড়ির ফটকে নিরাপত্তাকর্মীদের জজের স্ত্রীর ভাই পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করে। হত্যার ঘটনার পর জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিলেন হত্যাকারী লিমন। পরে তাকে আটক করেছে পুলিশ। আটক লিমন মিয়ার (৩৫) বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি এলাকায়।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আবু সুফিয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, হামলাকারী যুবকও বিচারক পরিবারের পূর্বপরিচতি বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লিমন বিচারকের বাসায় প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। ধারাল অস্ত্রের কোপে তাওসিফ রহমান সুমন গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় বিচারকের ছেলে ও স্ত্রী তাসমিন নাহারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ঘটনা সময় বিচারক আবদুর রহমান বাসায় ছিলেন না। খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে ছুটে যান।

    এদিকে হামলাকারী যুবক লিমন মিয়াও আহত অবস্থায় এখন রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আরএমপির মুখপাত্র ও উপকমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, সেখানে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে লিমনও আহত হন।’

    রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল কাজ করছে। হত্যার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত শত্রুতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হামলাকারী লিমন মিয়া যেহেতু অজ্ঞান অবস্থায় আছে, তাই এখনই কী কারণে এটি ঘটেছে—সেটি বলা যাচ্ছে না। আমরা তদন্ত করছি।’

    গত ৬ নভেম্বর সিলেটের সুরমা থানায় একটি জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী লুসি। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, লিমন মিয়ার সঙ্গে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে তার পরিচয় হয়। এরপর তার দারিদ্রতার কারণে লিমনকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন লুসি। একপর্যায়ে সহযোগিতা করা বন্ধ করে দিলে লিমন আরও টাকা দাবি করেন। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করলে লিমন গত ৩ নভেম্বর তাকে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি সিলেটের সুরমা থানায় নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে লিমনের বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন।

  • বাঘারপাড়ায় দাদার বিরুদ্ধ নাতনি ধর্ষণের অভিযোগ

    বাঘারপাড়ায় দাদার বিরুদ্ধ নাতনি ধর্ষণের অভিযোগ

    যশোরে খেলনা কিনে দেয়ার কথা বলে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রমজান কাজী (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার ওই শিশুটিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বাঘারপাড়া উপজেলার বারবাগ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    আটক রমজান কাজী ওই গ্রামের মৃত শাহাদৎ কাজীর ছেলে। অভিযুক্ত সম্পর্কে ভুক্তভোগীর আপন দাদা।

    নির্যাতিত শিশুটির মা জানান, তার স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং তারা নড়াইল শহরে বসবাস করেন। অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে তার শ্বশুর রমজান কাজী নড়াইলে বেড়াতে আসেন। ফেরার সময় তিনি মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে যান। ১৫ দিন পর, ৩০ অক্টোবর সকালে মেয়েকে নিতে যশোরে আসি।

    তিনি আরও বলেন, এ সময় মেয়ে জানায় দুই দিন আগে তার দাদা খেলনা কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে ধর্ষণ করেছে। মেয়ে ওই বাড়ি থেকে তাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে বলে। এরপর মেয়েকে নিয়ে নড়াইলে ফিরে যাই এবং স্বামীকে বিষয়টি জানাই। পরে রাত ১০টার দিকে বাঘারপাড়া থানায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েছি।

    বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে রমজান কাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর রাত ১টার দিকে নির্যাতিত শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মামার বদলে ভাগনে !

    যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মামার বদলে ভাগনে !

    যশোরে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার মতো মামার পক্ষে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে গেছেন ভাগনে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে। কারা অভ্যন্তরে আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাইকালে এটি ধরা পড়ে। পরে কারাগারে যাওয়া আসামিও বিষয়টি স্বীকার করেন।

    কারাগারে যাওয়া আসামি মো. শামীম আহম্মেদ (২৭) যশোর সদর উপজেলা ভেকুটিয়া গ্রামের জামশেদ আলীর ছেলে। শামীম তার আপন ছোট মামা হাসানের পক্ষে প্রক্সি দিতে কারাগারে গেছেন। হাসান বড় ভেকুটিয়া গ্রামের মন্টুর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার আবিদ আহম্মেদ।
    যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলা বড় ভেকুটিয়া গ্রামের হাসানের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মামলা দায়ের হয়। কোতোয়ালি থানার মামলা নং-২৪, তারিখ-০৯.১১.২০২৪, জি, আর-৯৩১/২৪ ধারা-৪৪৮/৩২৩/ ৩৫৪/৩৮৪/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬ দ. বি.। এই মামলায় আসামি হাসানের বিরুদ্ধে ৩/৪ বার আদালতে হাজিরাও দেন হাসানের ভাগনে শামীম। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) শামীম আদালতে হাজিরা দিতে গেলে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ফলে আসামি হাসানের পরিবর্তে কারাগারে প্রেরণ করা হয় শামীমকে।

    এদিকে, শামীম কারাগারে যাওয়ার পর আদালত হতে প্রাপ্ত তথ্য এবং আসামির নাম, পিতার নাম, ঠিকানা যাচাইয়ের সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ফলে কারাগারের চৎরংড়হ ও সিস্টেমের মাধ্যমে তার ফিঙ্গার প্রিন্টে (এন আইডি নং-১৯৫৫১৪৭৪৪০) প্রকৃত নাম মো. শামীম আহম্মেদ সনাক্ত হয়।

    কারা সূত্র আরও জানিয়েছে, আসামি হাসানের পরিবর্তে কারাগারে যাওয়া শামীম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে হাসান তার আপন ছোট মামা। মামার পরিবর্তে সে ৩/৪ বার আদালতে হাজিরাও দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে আদালতে প্রেরণ করেছে। এখন আদালতের নির্দেশে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং মূল আসামি হাসানের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।

  • কালীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, জরিমানা

    কালীগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি, জরিমানা

    কালীগঞ্জে মাংস বিক্রির দোকানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে বুধবার সকালে পৌরসভার হাটচাঁদনী ও খাদ্য অফিসের সামনে মাংসের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহিন আলম।

    এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরু ও ছাগলের মাংস বিক্রি করার অপরাধে ২ মাংস ব্যবসায়ীকে দেড় হাজার টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়াও নলডাঙ্গা রোডে পচা মাংস বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ীর মাংস মাটিতে পুতে ফেলা হয়।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম জানান, স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে মাংস বিক্রি করতে হবে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থায় জেল জরিমানা হতে পারে।

    অভিযানকালে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জিল্লু রাইন, পৌর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেনসহ কালিগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মানিকগঞ্জে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী নিহত

    মানিকগঞ্জে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী নিহত

    মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল এলাকায় ছুরিকাঘাতে রাব্বী (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এঘটনায় দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে এনেছে পুলিশ।

    গতকাল লক্ষ্মীপূজার মেলায় দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি জেরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাব্বী ওই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় কাফাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সনাতন ধর্মের লক্ষ্মীপূজার মেলায় আগত দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটির জেরে এক পক্ষ রাব্বিকে ছুরিকাঘাতে আঘাত করে। এতে রাব্বী গুরুতর আহত হলে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ।