দখল

  • দখল-চাঁদাবাজিতে ভীত মানুষ, উদ্বিগ্ন জামায়াত

    দখল-চাঁদাবাজিতে ভীত মানুষ, উদ্বিগ্ন জামায়াত

    রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি অভিযোগ করেছে, প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী হামলা, দখলবাজি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

    সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নজিরবিহীন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক কিছু সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে জামায়াত জানায়, মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকে হামলা চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া ও মালামাল লুটপাট করা হয়েছে। একইভাবে ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জমি দখলের মহড়া, রাজশাহীতে ব্যবসায়ীকে হত্যা, নয়াপল্টনের একটি হাসপাতালে মধ্যরাতে হামলা এবং কুষ্টিয়ায় ২১টি বাড়িতে ধারাবাহিক লুটপাটের মতো একের পর এক সহিংসতায় সারা দেশের মানুষ এখন গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।

    দলটির পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে হাটবাজার, চাঁদাবাজি, সারের ডিলারশিপ কিংবা বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটাচ্ছে। অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর ভূমিকা না রেখে অনেক ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের ব্যর্থতার সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামী অবিলম্বে সব ধরনের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সব হামলার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

  • ফুটপাতে ফের বসলে গ্রেপ্তার

    ফুটপাতে ফের বসলে গ্রেপ্তার

    ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাতে বসলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও করা হবে।

    মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বকশীবাজার থেকে চানখাঁরপুল এলাকায় সিটি করপোরেশনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রাজস্ব আদায় ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত অভিযানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম।

    ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আজ বেশির ভাগ লোককে আমরা ওয়ার্নিং দিয়ে যাব, তাদের সময় দিয়ে যাব। এই সময়ের মধ্যে যদি তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করে এবং আইন অনুযায়ী যেভাবে থাকা দরকার সেভাবে না থাকে, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।

    তিনি বলেন, বকশীবাজার থেকে চানখাঁরপুল পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হবে। যারা ফুটপাতে ব্যবসা করছেন, তাদের ফুটপাত থেকে সরে যেতে বলা হবে। পাশাপাশি যাদের ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাদের লাইসেন্স নেওয়া এবং যাদের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি, তাদের নবায়নের জন্য অনুরোধ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো অ্যাকশনে যেতে চাই না। আপনারা নিজে থেকে আইন মেনে সবকিছু করলে আমরা কোনো অ্যাকশনে যেতে চাই না। অভিযানে সিটি করপোরেশনের মশক নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা কাজ করবেন জানিয়ে তিনি এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।