তথ্যমন্ত্রী

  • আ.লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

    আ.লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, এটি গুজবের একটি অংশ।

    বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে আন্তর্জাতিক যুব দিবস অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান জটিলতা সমাধানযোগ্য। যে কোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করবে দুদেশের সরকার।

    প্রতিটি স্তরে যুব সমাজকে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজের উন্নতিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তরুণরাই একটি দেশ ও জাতির মূল শক্তি। তরুণরাই একটি দেশের জন্য আশীর্বাদ। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। পৃথিবী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করছে।

    তিনি বলেন, তরুণদের শক্তি একটি দেশের উন্নতিতে ইতিবাচক মাত্রা যোগ করে। বিশ্বব্যাপী যুব সমাজ সবচেয়ে বড় শক্তি।

    একই অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানায়, ঘরে বসে যেন যুব ও নারীরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

  • গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে আনা দরকার: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ (Control) নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর (Regulation) মধ্যে আনা দরকার, যাতে প্রত্যেক অংশীজনের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয়।

    তিনি বলেন, সুশাসন ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা না থাকলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে ব্যবসায়িক স্বার্থ বা দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তিনি এ প্রবণতাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেন।

    শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল (টিইসি) আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি মিডিয়া ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায়, যেখানে গণমাধ্যমের মালিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাদের ন্যায্য মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

    তিনি গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমকে একে অপরের পরিপূরক উল্লেখ করে বলেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম অপরিহার্য, তেমনি একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।

    মন্ত্রী গণমাধ্যমকে কেবল একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, গণমাধ্যম স্বীকার করছে তাদের ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাংবাদিক, মালিক ও সরকার পক্ষ যৌথভাবে কাজ করে চলেছে।

    মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা ও এই শিল্প অন্য যেকোনো ক্ষেত্রর চেয়ে ভিন্ন। এটি রাষ্ট্র ও সমাজের একটি অঘোষিত অথচ অনিবার্য চতুর্থ স্তম্ভ। ফলে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গণমাধ্যম শিল্পের অর্থনৈতিক ভিত্তিকেও শক্তিশালী হতে হবে।

    স্বপন বলেন, মালিকপক্ষ যদি ন্যায্য ব্যবসায়িক পরিবেশ ও যুক্তিসঙ্গত মুনাফা না পায়, তাহলে গণমাধ্যম শিল্প টেকসই হবে না। একই সঙ্গে শক্তিশালী বেসরকারি উৎপাদন অর্থনীতি ছাড়া পণ্য বিজ্ঞাপন বাজারও সম্প্রসারিত হবে না।

    তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রচলিত গণমাধ্যমের সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত হয়ে মিডিয়া ইকোসিস্টেমকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    তথ্যমন্ত্রী এই পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতমুখী নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    তথ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ও গত জাতীয় নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের যে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, গণমাধ্যম খাতেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

    সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল।

    টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহবায়ক ও বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী ও ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিইসির সদস্য সচিব ও সময় টেলিভিশনের সিইও জুবায়ের বাবু।

  • রাজনীতিকে সংসদের বাইরে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী

    রাজনীতিকে সংসদের বাইরে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী

    রাজিনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা, রাজনৈতিক বিতর্ককে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে মহিমান্বিত করাই হওয়া উচিত সবার প্রধান লক্ষ্য।

    আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৫ বছর পরও ভোটাধিকারের জন্য মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে, যা জাতির জন্য লজ্জা ও আত্মসমালোচনার বিষয়। তবে দীর্ঘ আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে এবং সেই ম্যান্ডেটের ভিত্তিতেই বর্তমান সংসদ পরিচালিত হচ্ছে।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, এত রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত জাতীয় সংসদ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো রাজনীতিকে রাজপথে বা সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাধারণ মূল্যবোধের বাইরে গিয়ে নানা অপপ্রচার, অশ্লীলতা ও চক্রান্তের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে, যা কোনো শুভ লক্ষণ নয়।

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষরের সঙ্গে শহীদদের রক্ত জড়িয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই জুলাই সনদের শতভাগ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সংসদকে আরও কার্যকর করা, বিচার বিভাগের মর্যাদা বৃদ্ধি, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে ক্ষমতার বাইরে থেকে যেভাবে বিএনপি সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছে, এখন ক্ষমতায় থেকেও সরকার একই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে। শহীদদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্যের মাধ্যমে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ধর্ম-বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী

    ধর্ম-বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম বিশ্বাস, ধর্ম চর্চাকে পূঁজি করে কোনো মহল কাউকে পকেটে নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ মানুষ তাদের চিহ্নিত করবে। বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।

    শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ, বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরণের সাম্প্রদায়িকতা ধর্মবিরোধী। যখনই ধর্ম বিশ্বাসকে, চর্চাকে কোনো মহল একটি সাম্প্রদায়িক পকেটে পরিণত করার চেষ্টা করবে, সঙ্গে সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মানুষ ওই ধর্ম ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করবেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষখ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দেসহ পূজা উদযাপন কমিটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মানিক লাল মুখার্জি।

  • ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

    ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

    মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টুসহ অন‍্যান‍্যরা।

  • সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার: তথ্যমন্ত্রী

    সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘সাংবাদিকতার মতো বিষয়কে কাঠামোগত করতে না পারার কারণে আগে শুধু একটা চ্যালেঞ্জ ছিল ফ্রিডম অব প্রেস (সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা)। এখন তার থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মিস ইনফরমেশন অ্যান্ড ডিস ইনফর্মেশন (ভুল তথ্য ও অপপ্রচার)।’

    আজ সোমবার বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে ও বরিশাল জেলা ইউনিয়নের সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের জীবন মানের কি কোনো পরিবর্তন ঘটেছে? পেশাগতভাবে নিরাপত্তার মাত্রাটা কি বেড়েছে? বেতনের নিশ্চয়তা বেড়েছে? পেশাগত পরিবেশ কি উন্নত হয়েছে? সাংবাদিকের সঙ্গে মালিকের যে সম্মানজনক সম্পর্ক থাকা দরকার তা কি হয়েছে? ওয়েজবোর্ড মানা না মানার বিষয় সরকারের যে ভূমিকা রাখা দরকার সরকার কি তা পেরেছে? তবে এখন কিন্তু পক্ষ এটা না যে রাষ্ট্র অথবা রাষ্ট্রের গোয়েন্দা বাহিনী বনাম একজন মুক্ত সাংবাদিকতার সাহসী ব্যক্তি। এটা কিন্তু এখন বিরোধ না। এখন বড় বিষয় হচ্ছে একজন পেশাদার মেধাবী যোগ্য সাংবাদিক এই পেশায় সম্মান এবং মর্যাদার সাথে টিকে থাকতে পারবেন কি পারবেন না!’

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কাওছার হোসেন খন্দকার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান সাজু, বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আযাদ আলাউদ্দিন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারী।

    সভায় বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টায় বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়ার স্বনির্ভর খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী। পরে বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্যের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী।

  • সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    কে সাংবাদিক, আর কে সাংবাদিক নয় তা নির্ধারণ করার জন্য একটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

    পাশাপাশি সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো যাতে সবার কাছে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে বিষয়টিও কমিটিকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

    মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

    গণমাধ্যমকে একটি বহুপাক্ষিক ক্ষেত্র উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই কোনো সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নয়; বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।

    কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা প্রকাশ পায়।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম কৌশলগত ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয় হিসেবে অভিহিত করে তিনি আরও বলেন, এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক চিন্তার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।

    প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নবগঠিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘ধর্মকে ভিত্তি করে বহুমাত্রিক রাষ্ট্রকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব নয়’

    ‘ধর্মকে ভিত্তি করে বহুমাত্রিক রাষ্ট্রকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব নয়’

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই বাংলাদেশের সব ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, নৃগোষ্ঠী ও জনগোষ্ঠীকে ধারণ করে গড়ে ওঠা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়। এ দর্শন বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিককে সমানভাবে জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

    বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, ভারত উপমহাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও, শুধুমাত্র ধর্মকে ভিত্তি করে একটি বহুমাত্রিক রাষ্ট্রকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব নয়। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ সেই ঐতিহাসিক বাস্তবতার ধারাবাহিক প্রকাশ।

    তথ্যমন্ত্রী এ সময় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অনবদ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাহসী সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে যুদ্ধকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

    জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তার নেতৃত্ব ইতিহাসের প্রমাণিত উপাদান বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পরও জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কেবল ভাষাভিত্তিক পরিচয়ও দেশের সব জনগোষ্ঠীর কাছে সমভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। এ বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নাগরিকভিত্তিক ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর দর্শন উপস্থাপন করেন, যা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদায় একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক- তিনি যে ভাষায় কথা বলুন, যে ধর্ম পালন করুন কিংবা যে নৃগোষ্ঠীরই হোন না কেন- বাংলাদেশি পরিচয়ের মধ্যেই তার মর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়। এ অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয়তাবাদ দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, জাতীয় সংহতি এবং বহুত্ববাদী সমাজব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে।

    তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে জাতীয়তাবাদ কেবল ভাষা, ধর্ম কিংবা বর্ণের ভিত্তিতে সংজ্ঞায়িত হয় না; বরং একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের অভিন্ন স্বার্থ, ভূখণ্ড, সাংবিধানিক অঙ্গীকার এবং যৌথ ভবিষ্যৎ নির্মাণের আকাঙ্ক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনও সেই আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তারই প্রতিফলন।

    কোনো একটি ভাষা বা সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অন্য ভাষা বা সংস্কৃতিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

    বাংলাদেশের সব ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৃগোষ্ঠীর পরিচয়কে সম্মান ও ধারণ করেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ বিকশিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দর্শনের মাধ্যমেই দেশের প্রতিটি নাগরিক নিজেকে সমানভাবে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে অনুভব করতে পারেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ভিত্তি হিসেবে আজও প্রাসঙ্গিক এবং ভবিষ্যতেও দেশের অগ্রযাত্রায় পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

    ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। প্রধান আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদদীন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউট্যাব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নাসির আহমাদ।