ট্যাগ ঢালিউড

  • সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমণি, সঙ্গী নিরব-বর্ষণ

    সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমণি, সঙ্গী নিরব-বর্ষণ

    নতুন ওয়েব ফিল্মে যুক্ত হয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় নির্মিতব্য এই ওয়েব ফিল্মের নাম ‘সেপারেশন’। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এর শুটিং।

    এতে পরীমণির বিপরীতে অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়ক নিরবকে।রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বর্তমানে ওয়েব ফিল্মটির শুটিং চলছে।

    রোববার নিজের ফেসবুক পেজে শুটিংয়ের একটি ছবি প্রকাশ করে নতুন কাজটির খবর জানান পরীমণি। ছবিতে ‘বিসমিল্লাহ’ লেখার পাশাপাশি ‘সেপারেশন’ ও পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নাম উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।

    গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় এর আগে ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন পরীমণি। এবার এই নির্মাতার সঙ্গে ওয়েব ফিল্মে কাজ করছেন তিনি।

    তবে ‘সেপারেশন’-এ পরীমণির চরিত্র কিংবা গল্পের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ইমতিয়াজ বর্ষণের চরিত্র নিয়েও মুখ খোলেননি নির্মাতা বা সংশ্লিষ্টরা।

    জানা গেছে, রাজধানীর ৩০০ ফিটসহ বিভিন্ন লোকেশনে পর্যায়ক্রমে ‘সেপারেশন’-এর শুটিং হবে। পরীমণি, ইমতিয়াজ বর্ষণ ও নিরবের পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করছেন শার্লিন ফারজানা।

    ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি পাবে আইস্ক্রিনে। তবে কবে নাগাদ ‘সেপারেশন’ দর্শকের সামনে আসবে, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

  • পপির পাশে দাঁড়ালেন ওমর সানী

    পপির পাশে দাঁড়ালেন ওমর সানী

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে অভিনয়জীবন নিয়ে তার একটি পুরনো মন্তব্য নতুন করে চর্চায় এসেছে। এই বিতর্কের মাঝে চলচ্চিত্রের সম্মান ও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে ফেসবুকে বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা ওমর সানী।

    ওমর সানী তার পোস্টে ধর্ম ও কর্মকে আলাদা বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘পপির কথাটা যেভাবে আসছে এভাবে ঠিক না যদি ও এভাবে বলে থাকে। আসলে ধর্ম কর্ম দুইটা আলাদা জিনিস কর্মটা হালাল ধর্ম তো কোন কথাই নেই।’

    ওমর সানী তার বক্তব্যে পপির বক্তব্য বা মনোভাবের সমালোচনা করলেও চলচ্চিত্রের সম্মান রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, চলচ্চিত্র মাধ্যমে কাজ করে সৎ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা কোনো অপরাধ বা অনৈতিক কিছু নয়। সমাজের অনেক অবৈধ ব্যবসায়ী বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চেয়ে বিনোদন জগতের মানুষের সততা ও হালাল পরিশ্রম অনেক বেশি সম্মানের।

    পপির ও তার নিজের মক্কা-মদিনা সফরের প্রসঙ্গও আসে ওমর সানীর বক্তব্যে। তিনি লেখেন, ‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মক্কা এবং মদিনাতে যেতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ আমাদের ডেকেছেন।বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা।’

    পপিকে উদ্দেশ করে পোস্টের শেষাংশে ওমর সানী আরও লেখেন, ‘ও এখনও আমার কাছে ছোট মানুষ, ভালো থাকিস পপি।’

    পূর্বে এক ভিডিও বার্তায় অভিনয়জগৎ থেকে দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অঝোর কান্নায় পপি বলেছিলেন, তিনি সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। জীবনের বাকি দিনগুলো শান্তিতে বাঁচতে চান, ভালো থাকতে চান এবং সৃষ্টিকর্তার নাম জপেই সময় কাটাতে চান।

    সম্প্রতি অভিনয়জীবন ও অতীত পথচলা নিয়ে পপির এই মন্তব্য নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে। আর সেই বক্তব্য ঘিরে নেটপাড়ায় শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

    ১৯৯৭ সালে পপির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘কুলি’-তেই তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছিলেন ওমর সানী। পরবর্তীতে তারা দুজনে মিলে ‘জগত সংসার’সহ একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

  • বিয়ের ৫ মাসের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা বাদশার

    বিয়ের ৫ মাসের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা বাদশার

    বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় র‍্যাপার বাদশা ও পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তারা। চলতি বছরের মার্চে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছিলেন বাদশা ও ইশা। এরপর কয়েক মাস একসঙ্গে থাকার পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া বিবৃতিতে বাদশা জানান, দুজনেই নিজেদের জীবনের পথ আলাদাভাবে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করার জন্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এই র‍্যাপার। একই সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে নতুন কোনো জল্পনা বা অনুমান না করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

    বাদশা আরও স্পষ্ট করে বলেন, এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে এটিই একমাত্র বক্তব্য। ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।

    বাদশা ও ইশার সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এমন আলোচনা অবশ্য নতুন নয়। জুলাই থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় ইশা রিখি বাদশার সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেন। পোস্টটির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই এক একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।’

    ক্যাপশনের সঙ্গে ভাঙা হৃদয় ও হাতজোড় করা ইমোজি থাকায় অনেকেই পোস্টটিকে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছিলেন। এরপর ইশার মা পুনম রিখির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পোস্টও আলোচনায় আসে। সেখানে তিনি ‘কর্মফল’ নিয়ে একাধিক পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। এসব পোস্টও বাদশা-ইশার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করে।

    বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের কয়েক মাস আগেই বাদশার সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছিলেন ইশা রিখি। জুনে ইনস্টাগ্রামে আয়োজিত ‘আস্ক মি অ্যানিথিং’ পর্বে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। এদিকে ইশার পেশাগত জীবন নিয়েও সম্প্রতি আলোচনা চলছিল। সালমান খানের পরিচালনায় আসন্ন ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগী হিসেবে তার নাম শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যেই সামনে এলো বাদশার সঙ্গে তার বিচ্ছেদের খবর।

    ইশা রিখির সঙ্গে বিয়ের আগে বাদশা জেসমিন মসিহের সঙ্গে সংসার করেছিলেন। ২০২০ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়। সাবেক এই দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে জন্ম নেয় তাদের মেয়ে।

  • সোহেল রানার ইচ্ছা মনে রেখে ৪০ বছর পর রুবেলের দামি উপহার

    সোহেল রানার ইচ্ছা মনে রেখে ৪০ বছর পর রুবেলের দামি উপহার

    চিত্রনায়ক সোহেল রানা ও চিত্রনায়ক রুবেল দুই ভাই। বড় ভাইয়ের প্রতি রুবেলের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা অনেকবারই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার প্রায় ৪০ বছর আগের একটি ইচ্ছের কথা মনে রেখে সোহেল রানাকে দামি একটি ঘড়ি উপহার দিয়েছেন রুবেল। সেই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে গেছেন সোহেল রানা।

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে প্রায় চার দশক আগের সেই ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন সোহেল রানা। তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য একসময় তাকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি, শহীদুল ইসলাম খোকন ও ছোট ভাই রুবেল।

    সোহেল রানা লেখেন, “প্রায় ৪০ বছর আগের কথা। চিকিৎসার জন্য আমাকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা করার পর চিকিৎসক বললেন, “তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ।” মনের আনন্দে হাসপাতাল ছেড়ে হোটেলে উঠলাম। বিকেলে বেরিয়ে গেলাম।”

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    অভিনেতা জানান, দামি ঘড়ি কেনার প্রতি তার বরাবরই আগ্রহ ছিল। তখন তার হাতে রাডোর একটি ঘড়ি ছিল। সেটি অত্যন্ত টেকসই হওয়া সত্ত্বেও নতুন একটি দামি ঘড়ি কেনার ইচ্ছা হয়েছিল তার।

    সোহেল রানা বলেন, ‘দামি ঘড়ি কেনার আমার একটা শখ ছিল। রাডো হাতে ছিল, যার ওপর দিয়ে ট্রাক গেলেও ঘড়ির কিছুই হতো না। তারপরও মনে হলো আরও একটা দামি ঘড়ি কিনব। দোকানে গেলাম। সঙ্গে রুবেল এবং খোকন।’

    দোকানের বিশাল শোরুমে সবচেয়ে দামি একটি ঘড়ি তার সামনে আনা হয়েছিল। কিন্তু দাম শুনে চমকে যান সোহেল রানা। তার কাছে তখন সেই ঘড়ি কেনার মতো অর্থ ছিল না। শেষ পর্যন্ত ঘড়িটি না কিনেই ফিরতে হয় তাঁকে। তবে ঘড়িটির প্রতি তাঁর মুগ্ধতা রুবেলের চোখ এড়ায়নি।

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    প্রায় ৪০ বছর পর সেই পুরোনো স্মৃতিই আবার ফিরিয়ে আনলেন রুবেল। সেই একই ঘড়ি না হলেও রুবেল যে ঘড়িটি উপহার দিয়েছেন, সেটিও অত্যন্ত দামি।

    সোহেল রানা লেখেছেন, “গতকাল আমার বাসায় এসে আমার হাতটা টেনে নিয়ে একটা ঘড়ি পরিয়ে দিল বলল, ‘যে ঘড়িটার দিকে তুমি তাকিয়েছিলে তার দাম এখন আমার নাগালের বাইরে এক কোটি থেকে দেড় কোটি। কিন্তু তারপরেও যে ঘড়িটা আমাকে দিল, দাম বলবো না।”

    তিনি লেখেন, ‘দাম দিয়ে সবকিছু কেনা যায় না, হৃদয় থাকতে হয়, ভালোবাসা থাকতে হয়। আমার সেই ইচ্ছেটা মনে রেখে চল্লিশ বছর পরে বড় ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক দামি একটা ঘড়ি নিয়ে এলো।’

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    রুবেল ঘড়িটি পরিয়ে দিয়ে তাকে সব সময় সেটি পরে থাকার কথাও বলেন। ছোট ভাইয়ের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত সোহেল রানা। তিনি লেখেন, ‘আমি শুধু তাকিয়ে রইলাম। মনে মনে ভাবলাম, কথাটা না বললেও চলত। আমৃত্যু এই ঘড়ি আমার হাতেই থাকবে।’

    প্রায় চার দশক আগের একটি ছোট্ট ইচ্ছেকে মনে রেখে ছোট ভাইয়ের এমন উপহার যে সোহেল রানার কাছে শুধু দামি ঘড়ি নয়, বরং ভালোবাসার স্মারক—তাঁর আবেগঘন লেখাতেই সেটি স্পষ্ট।

  • নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিংয়ের কাজে বেশ কিছু দিন ধরে নেপালে ছিলেন। কাজের ফাঁকে ঘুরেছেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থানেও। সেসব স্থানের তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিনেত্রী লাল রঙের একটি পোশাকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। সেখানে দেখা যায়, পাঁচটি ছবি প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস। রূপের পাশাপাশি তার পোশাকেও নান্দনিকতার ছাপ।

    এদিন নিজেকে ধরা দেন অভিনেত্রী। সেই রাতে হাস্যোজ্জ্বল ও ভিন্ন পোজে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যায় অপু বিশ্বাসকে। রাতের আবহের সেই ছবিগুলো পোস্টের পর ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস লিখেছেন— ‘শান্ত রাত, সুন্দর স্বপ্ন। শুভরাত্রি!’। অর্থাৎ তার এ নৈশবার্তায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নির্মল প্রশান্তি ও সুন্দর স্বপ্নের শুভকামনা জানান এই ঢালিউড কুইন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পোস্টটি শেয়ার করার পরপরই তা নেটিজেনসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের নজর কাড়ে। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যায় ভেসে যান অপু। তবে অপুর এ রহস্যময় পোস্টে মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের ভালোবাসা ও প্রশংসার পাশাপাশি দেখা যায় নানা রসাত্মক ও কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যও, যা অপ্রত্যাশিত বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।

  • নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী অভিনয়ের পাশাপাশি প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে নান্দনিক সাজে মেলে ধরেন। এবারও সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজেকে মেলে ধরেন অনন্য রূপে।

    সম্প্রতি ফেসবুক পেজে নান্দনিক সোনালি কাজের লাল একটি শাড়ি পরে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে পরনে লাল ব্লাউজ, হাতে লাল চুড়ি, গলায় অলংকার আর চুলে খোঁপা। লাল টকটকে শাড়িতে ঝলমলে হাসি আর কপালে লাল টিপ; একগুচ্ছ চেনা-অচেনা মিষ্টি ভঙ্গির ছবিতে সামাজিক মাধ্যমে ধরা দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন তটিনী।

    পোস্ট করা ছবিগুলো ইনডোর লোকেশনে তোলা। কখনো মৃদু হাসিতে, আবার কখনো চোখ নামিয়ে পোজ দিয়েছেন। আবার কানের কাছে হাত রেখে মিষ্টি ভঙ্গিতেও ক্যামেরা বন্দি হয়েছেন অভিনেত্রী। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে জুড়ে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের অমর সৃষ্টি ‘ভালোবেসে সখী’ গানটি। আর সেই গানেরই একটি কথা টেনে তটিনী লিখেছেন— ‘আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে।’

    নিজের সাবলীল অভিনয় ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি দিয়ে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে। সুন্দরী এ তারকার এমন মিষ্টি আকুতি আর চোখজুড়ানো রূপের ঝলক দেখে চোখ ফেরাতে পারছেন না ভক্ত-অনুরাগীরা।

    পোস্টটি করা মাত্রই লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ঝড় উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রীর রূপ ও ক্যাপশনের সঙ্গে মিলিয়ে অনুরাগীরা মন্তব্য বক্সে কাব্যিক সব অনুভূতির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অনেকেই রবীন্দ্রনাথের গানের কলি কমেন্ট বক্সে লিখেছেন— আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো।’

  • মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    ঢালিউডে প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ার চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার। নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে, ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ দিয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক। প্রথম সিনেমাতেই তিনি হাজির হন রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে; দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা।

    ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সিনেমাতেই পূর্ণিমাকে দেখা গেছে ‘মিষ্টি মেয়ে’র চরিত্রে। দর্শক এই চেনা রূপে তাঁকে লুফে নেওয়ায় নির্মাতারাও কখনো ভিন্নধর্মী কোনো চরিত্রে তাঁকে নিয়ে ভাবেননি। ক্যামেরার সামনে দীর্ঘ ২৮ বছর পার করার পর, এবার পর্দায় ‘ভিলেন’ বা খলনায়িকা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

    ১১ জুলাই ছিল পূর্ণিমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে একটি টিভি চ্যানেলের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি। অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানামাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করলেও কখনো খলচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। ভবিষ্যতে এমন একটি জাঁদরেল চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে এবং অভিনেত্রী হিসেবে তাঁকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার সুযোগ দেবে।

    নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে।’

    পূর্ণিমার ধারণা, তাঁর চেহারার কোমলতার কারণেই নির্মাতারা তাঁকে কখনো নেতিবাচক চরিত্রে ভাবেননি। অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, ‘এখন পর্যন্ত খলচরিত্রে অভিনয় করা হয়নি আমার। আমাকে নিয়ে হয়তো কেউ তেমনটা চিন্তাই করেননি। সবাই ভাবেন আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকেরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।’

    কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত পূর্ণিমা। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের পর্দায় সঞ্চালক কিংবা রিয়েলিটি শোর বিচারক হিসেবে পাওয়া গেলেও, অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনেকটাই আড়ালে। সবশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে ওটিটি মাধ্যমে নাম লেখালেও, এরপর আর ওটিটিতেও দেখা মেলেনি তাঁর।

  • নতুন লুকে জয়া আহসান, স্টাইলিশ ১০ ছবি

    নতুন লুকে জয়া আহসান, স্টাইলিশ ১০ ছবি

    বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দর্শকের কাছে জয়া আহসান শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন, বরং সময়ের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মুখ। বর্তমানে অভিনয় নিয়েই তার ব্যস্ততা। আমাগী ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। সিনেমার মুক্তির আগে নতুন রূপে হাজির হলেন এই অভিনেত্রী।

    মঙ্গলবার নতুন ফটোশুটের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন জয়া। ছবিটিতে জয়া আহসানকে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস লুকে দেখা যাচ্ছে। ছবি: ফেসবুক

    সাদা রঙের ডাবল-ব্রেস্টেড ব্লেজার ও গলায় একাধিক স্তরের সোনালি-সবুজ পাথর বসানো স্টেটমেন্ট নেকলেস। ডান হাতের অনামিকায় বড় সবুজ রত্নখচিত আংটি, যা নেকলেসের সঙ্গে মানানসই। গয়নাগুলো ছবির প্রধান আকর্ষণগুলোর একটি। ছবি: ফেসবুক

    ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন তার ভক্তরা। প্রতিক্রিয়া এসেছে এক হাজারের বেশি। ভক্তদের অনেকে জয়ার পোস্ট করা এসব স্থিরচিত্র নিজের ফেসবুক ওয়ালেও শেয়ার করেছেন।ছবি: ফেসবুক

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার প্রচারণার জন্য বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন জয়া। ছবি: ফেসবুক

    ক’দিন আগে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমা নিয়ে জয়া বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীর বাইরে আমি একজন দর্শকও। তাই আমিও অপেক্ষা করছি সিনেমাটি দেখার জন্য। এই সিনেমার প্রথম পর্বে যে সম্পর্কের সমীকরণ আমরা দেখেছিলাম, এবার সেটি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখবে দর্শক।’ ছবি: ফেসবুক

    ‘অর্ধাঙ্গিনী’র গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই এগোবে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। ফলে আগের ছবির দুই গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্রের সম্পর্ক এবার কোন নতুন দিকে মোড় নেয়, সেটিই সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ বলে মনে করছেন জয়া আহসান। ছবি: ফেসবুক

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় জয়া আহসান ছাড়াও অভিয়ন করেছেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, ইন্দ্রাশিস রায় ও অম্বরীশ ভট্টাচার্য প্রমুখ। ছবি: ফেসবুক

    জয়াকে সবশেষ পর্দায় দেখা গেছে পশ্চিমবঙ্গের ‘ওসিডি’ সিনেমায়। এটি পরিচালনা-রচনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। এই সিনেমাটি শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং মানসিক চাপ নিয়ে তৈরি। ছবি: ফেসবুক

    চলতি বছরের শুরুতে সুমন মুখার্জি পরিচালিত ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী (সমালোচক) বিভাগে ‘জি ২৪ ঘণ্টা’ আয়োজিত ‘বিনোদনের সেরা ২৪’ অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ছবি: ফেসবুক

  • ‘তখন সত্যিই আমার হার্টবিট বেড়ে যায়’

    ‘তখন সত্যিই আমার হার্টবিট বেড়ে যায়’

    হালের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণিও সবার মতো ফুটবল বিশ্বকাপের আনন্দে মেতে উঠেছেন। প্রিয় দলকে ঘিরে নায়িকার আনন্দ-উল্লাসের যেন কমতি নেই বিন্দুমাত্রও। ছোটবেলা থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক এবং দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসির একজন ‘ডাইহার্ড ফ্যান’।

    সম্প্রতি ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেন পরী। সেখানে দেখা যায়, তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষেরা সমস্বরে ‘আর্জেন্টিনা’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। সেই উচ্ছ্বসিত মুহূর্তে সেলফি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ভক্তদের উদ্দেশে ‘উড়ন্ত চুমু’ ছুড়ে দেন এই চিত্রনায়িকা। ভিডিওটি অল্প সময়েই নেটদুনিয়ায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

    অনেকেই মন্তব্যের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার প্রতি পরীর ভালোবাসার প্রশংসা করেছেন।

    নিজের সমর্থনের কথা জানিয়ে পরী বলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনা। আমি আজীবনের আর্জেন্টিনা। আই লাভ মেসি।’

    মেসির খেলা দেখার সময় নিজের আবেগও কখনো লুকাননি এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘মেসির পায়ে যখন বল থাকে, তখন সত্যিই আমার হার্টবিট বেড়ে যায়।’