ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • সমকামিতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ২ ছাত্র বহিষ্কার

    সমকামিতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ২ ছাত্র বহিষ্কার

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- আফিফ হাসান নীরব ও আরিফুল হক শুভ। আফিফ হাসান নীরব ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ। আরিফুল হক শুভ মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নেত্রকোনা।

    এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আহমেদ আল সাবাহ।

    তিনি জানান, শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২০২৫-২৬ সেশনের দুজন আবাসিক ছাত্রের বিরুদ্ধে গুরুতর সামাজিক শৃঙ্খলাভঙ্গের (সমকামিতা) প্রমাণিত অপরাধের ভিত্তিতে কঠোরতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাদের হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয় অভিভাবকের উপস্থিতিতে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়টিও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিতের প্রক্রিয়া চলমান।

    জানা গেছে, এ বিষয়ে প্রথম অভিযোগ এলে অভিযোগকারী ছাত্রের পক্ষে আদিষ্ট হয়ে প্রশাসন বরাবর শাস্তির আবেদন করেন হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ। পরে তদন্ত কমিটি গঠন হয় এবং ঘটনার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাওয়ার ফলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্য সেন হলে সমকামিতায় জড়ানোর অভিযোগে আটক হওয়া এক শিক্ষার্থীকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাকে তার বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টার জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

  • ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    ঢাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (আন্ডারগ্র্যাজুয়েট) প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন আগামী ১১ নভেম্বর শুরু হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পাঁচটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর, আর শেষ হবে ২৬ ডিসেম্বর।

    রোববার (২ আগস্ট) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

    সভায় জানানো হয়, এবারও ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’, ‘বিজ্ঞান’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা’, ‘চারুকলা’ ও ‘আইবিএ’-এই পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ভর্তি পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী, আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর, বিজ্ঞান ইউনিটের ১২ ডিসেম্বর, কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ২২ ডিসেম্বর এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

    আইবিএ ইউনিট ছাড়া সব ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে।

    চারুকলা ও আইবিএ ইউনিট ছাড়া অন্য তিনটি ইউনিটের পরীক্ষা ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের ক্লাস ২০২৭ সালের ২৮ মার্চ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সভায় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, হল প্রাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

    ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আওয়ামীপন্থী নীলদলের শিক্ষকদের বিচার চেয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কাছে এ স্মারকলিপি দেন তারা।

    এসময় তারা ২৩১ জন নীলদলের শিক্ষকদের তালিকা জমা দেন। তারা হলেন-

    ১. অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল — দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগ ২. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৩. অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার — ফার্মেসি ৪. অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৫. অধ্যাপক ড. জীনাত হুদা — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৬. অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৭. অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৮. অধ্যাপক ড. এম. ওয়াহিদুজ্জামান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৯. অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১০. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান — ফলিত রসায়ন বিভাগ ১২. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মহিত — ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ ১৩. অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাহবুব হাসান — বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ ১৪. অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ১৫. অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৬. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ আলী — ইতিহাস বিভাগ ১৭. অধ্যাপক আবু হোসাইন মুহাম্মদ আহসান — লোক প্রশাসন বিভাগ ১৮. অধ্যাপক ড. খালেদ মাহমুদ — আইবিএ ১৯. অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. গোলাম রব্বানী — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ২০. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ২১. অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল কবির — আইবিএ ২২. সহযোগী অধ্যাপক ড. নীলিমা আখতার — ইংরেজি বিভাগ ২৩. অধ্যাপক ড. আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া — টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ ২৪. অধ্যাপক ড. শবনম জাহান — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৫. অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৬. অধ্যাপক ড. এম. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২৭. অধ্যাপক ড. তাওহিদা রশিদ — আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগ ২৮. অধ্যাপক ড. আবু শারা শামসুর রউফ — ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগ ২৯. অধ্যাপক ড. এম. মাকসুদুর রহমান — ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ৩০. অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান — আইবিএ ৩১.

    অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ৩২. অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ — মার্কেটিং বিভাগ ৩৩. অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ৩৪. অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান — ফলিত রসায়ন বিভাগ ৩৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৩৬. অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৩৭. অধ্যাপক ড. সবিতা রেজওয়ানা রহমান — মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৩৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান — মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ৩৯. অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দিন — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ ৪০. অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ

    ৪১. অধ্যাপক ড. বিমান কুমার বড়ুয়া — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ৪২. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসিফ হোসেন খান — কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ৪৩. অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার — গণিত বিভাগ ৪৪. অধ্যাপক ড. অসীম সরকার — সংস্কৃত বিভাগ ৪৫. অধ্যাপক ড. সঞ্চিতা গুহ — সংস্কৃত বিভাগ ৪৬. অধ্যাপক ড. লিটন কুমার সাহা — ফলিত গণিত বিভাগ ৪৭. অধ্যাপক ড. আব্দুল বশির — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ৪৮. অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৪৯. সহযোগী অধ্যাপক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৫০. অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান — মার্কেটিং বিভাগ

    ৫১. সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সোহেল রানা — মনোবিজ্ঞান বিভাগ ৫২. অধ্যাপক ড. মো. আফতাব আলী শেখ — রসায়ন বিভাগ ৫৩. অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ৫৪. অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক শাহরিয়ার) — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ৫৫. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ — ফলিত গণিত বিভাগ ৫৬. অধ্যাপক ড. মো. জাভিদ ইকবাল বাঙালী — ফলিত গণিত বিভাগ ৫৭. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ — আরবি বিভাগ ৫৮. অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ৫৯. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ৬০. অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম — সিরামিক বিভাগ

    ৬১. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহ মিরান — রসায়ন বিভাগ ৬২. অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুজন — রসায়ন বিভাগ ৬৩. সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান — রসায়ন বিভাগ ৬৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইকা আহমেদ — রসায়ন বিভাগ ৬৫. অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রহমান — ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগ ৬৬. অধ্যাপক ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু — কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ৬৭. সহযোগী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন — ক্রাফট বিভাগ ৬৮. সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া ইকবাল — ক্রিমিনোলজি বিভাগ ৬৯. সহকারী অধ্যাপক সোনাম সাহা — ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ ৭০. অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান — দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগ

    ৭১. অধ্যাপক নিসার হোসেন — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭২. অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র গাইন — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭৩. ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুন নবী — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ৭৪. অধ্যাপক ড. জেড. এম. পারভেজ সাজ্জাদ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ৭৫. অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন — ফিন্যান্স বিভাগ ৭৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. সিমা ইসলাম — গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ ৭৭. ড. সিদ্ধার্থ দে — গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ ৭৮. অধ্যাপক ড. আকসাদুল আলম — ইতিহাস বিভাগ ৭৯. সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৮০. সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. কে. মামুন মোস্তফা — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ

    ৮১. সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. মনিরুজ্জামান খান — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ৮২. অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ৮৩. অধ্যাপক মো. ফজলুর রহমান — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৮৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. এম. নাসিফ শামস — জ্বালানি ইনস্টিটিউট ৮৫. সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ৮৬. সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল আজিম — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৭. সহকারী অধ্যাপক ফারিহা কাদির — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৮. সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইহসান-উল-কবির — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. শওল নাফি শিমুল — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৯০. প্রভাষক মো. আরাফাত হোসেন — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট

    ৯১. অধ্যাপক ড. সাঈদুর রহমান — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৯২. সহকারী অধ্যাপক ড. শাহজাদী ইমা — আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৯৩. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খান — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ৯৪. অধ্যাপক ড. সুবর্ণা বড়ুয়া — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ৯৫. অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ৯৬. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৭. সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম সানা — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৮. অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ৯৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. লোপা মুদ্রা মালেক — জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ১০০. অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ — আইন বিভাগ

    ১০১. অধ্যাপক ড. শিমা জামান — আইন বিভাগ ১০২. প্রভাষক মো. আজহার উদ্দিন ভূঁইয়া — আইন বিভাগ ১০৩. অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান — আইন বিভাগ ১০৪. অধ্যাপক ড. জামিলা এ. চৌধুরী — আইন বিভাগ ১০৫. অধ্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১০৬. অধ্যাপক ড. সুমন দাস — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১০৭. অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১০৮. অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১০৯. অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলী — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১১০. ইমেরিটাস অধ্যাপক

    মো. আবুল হাশেম — ওরিয়েন্টাল আর্ট বিভাগ

    ১১১. প্রভাষক মো. রাকিবুল হাসান — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ১১২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৩. অধ্যাপক ড. কে. এম. সাইফুল ইসলাম খান — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৪. ড. মো. মুমিত আল রশিদ — ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ ১১৫. অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী — জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১১৬. অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ — ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগ ১১৭. অধ্যাপক এমএসটি. রেবেকা সুলতানা — দর্শন বিভাগ ১১৮. অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন — মনোবিজ্ঞান বিভাগ ১১৯. অধ্যাপক ড. ইশতিয়াক এম. সৈয়দ — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ১২০. অধ্যাপক ড. রতন চন্দ্র ঘোষ — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

    ১২১. অধ্যাপক ড. নীলোফার পারভীন — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ১২২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন — পপুলেশন সায়েন্স বিভাগ ১২৩. সহযোগী অধ্যাপক মো. নাজির হোসেন খান — প্রিন্টমেকিং বিভাগ ১২৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. ক্লাইডাস ভক্ত — সংস্কৃত বিভাগ ১২৫. সহযোগী অধ্যাপক নাসিমুল খবির — ভাস্কর্য বিভাগ ১২৬. অধ্যাপক ড. খায়রুল চৌধুরী — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ১২৭. ড. দেবাশীষ কুমার কুণ্ডু — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ১২৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান — পরিসংখ্যান বিভাগ ১২৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমা দে — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ ১৩০. সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলাল হোসেন ঢালী — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ

    ১৩১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফিরোজ জামান — প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ ১৩২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৩. অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৪. অধ্যাপক ড. মো. মুশফিকুর রহমান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৫. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৬. অধ্যাপক ড. মো. জামিল শরীফ — অ্যাকাউন্টিং বিভাগ ১৩৭. অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল আলম — নৃবিজ্ঞান বিভাগ ১৩৮. অধ্যাপক ড. মো. রফিউল ইসলাম — নৃবিজ্ঞান বিভাগ ১৩৯. অধ্যাপক ড. মো. সৈয়দ শামসুদ্দিন — ফলিত রসায়ন বিভাগ ১৪০. অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল করিম — ফলিত রসায়ন বিভাগ

    ১৪১. অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম — ফলিত গণিত বিভাগ ১৪২. অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মারুফ — আরবি বিভাগ ১৪৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ বেলাল হোসেন — আরবি বিভাগ ১৪৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন — আরবি বিভাগ ১৪৫. অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর দে — বাংলা বিভাগ ১৪৬. অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী — বাংলা বিভাগ ১৪৭. সহকারী অধ্যাপক মো. খালেদ বিন আমির — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৪৮. অধ্যাপক ড. রাদ মুজিব লালন — ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ ১৪৯. অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ১৫০. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ

    ১৫১. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ১৫২. অধ্যাপক ড. জিএম গুলজার হোসেন — রসায়ন বিভাগ ১৫৩. অধ্যাপক ড. মো. মোমিনুল ইসলাম — রসায়ন বিভাগ ১৫৪. অধ্যাপক ড. ইকবাল রউফ মামুন — রসায়ন বিভাগ ১৫৫. এ. বি. এম. নজমুস সাকিব — ক্রিমিনোলজি বিভাগ ১৫৬. সহকারী অধ্যাপক মো. ইমরান হোসেন ভূঁইয়া — ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ ১৫৭. শিশির ভট্টাচার্য (খণ্ডকালীন শিক্ষক) — অঙ্কন ও চিত্রায়ন বিভাগ ১৫৮. অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী — অর্থনীতি বিভাগ ১৫৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. এল. পলাশ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ১৬০. অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ — তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ

    ১৬১. সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ তানজিলা দীপ্তী — ফিন্যান্স বিভাগ ১৬২. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান — মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ ১৬৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেন — ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ১৬৪. অধ্যাপক ড. শারমিন আখতার — ইতিহাস বিভাগ ১৬৫. অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী — তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৬৬. অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন — আইবিএ বিভাগ ১৬৭. অধ্যাপক ড. মেলিটা মেহজাবীন — আইবিএ বিভাগ ১৬৮. অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক — আইবিএ বিভাগ ১৬৯. অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭০. অধ্যাপক ড. তামান্না সুলতানা — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭১. ড. তপশ কুমার বিশ্বাস — শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৭২. অধ্যাপক ড. আবু তোরাব মো. আব্দুর রহিম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৩. অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলিম — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৪. সহযোগী অধ্যাপক ড. আলী আব্বাস এম. কুরশেদ — খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউট ১৭৫. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুজানা করিম — স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ১৭৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমন আহমেদ — তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ১৭৭. অধ্যাপক ড. সবুর আহমেদ — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৭৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৭৯. সহযোগী অধ্যাপক উত্তম কুমার রায় — লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ১৮০. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম — সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮১. অধ্যাপক ড. সুবোধ দেবনাথ — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ১৮২. সহকারী অধ্যাপক মৌরি মেহতাজ — আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ১৮৩. অধ্যাপক ড. লায়লুফার ইয়াসমিন — আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ১৮৪. সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান — ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ ১৮৫. সহকারী অধ্যাপক এম. ইমামুল হক সরকার (তিতু) — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৬. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৭. সহকারী অধ্যাপক ড. কোয়াজি ফারজানা আফরিন — ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ১৮৮. ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম — জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ১৮৯. অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম — আইন বিভাগ ১৯০. সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মাসুদ রেজা — আইন বিভাগ

    ১৯১. প্রভাষক শাহরিমা তানজিন আরনি — আইন বিভাগ ১৯২. অধ্যাপক ড. সিকদার মনোয়ারে মুর্শেদ — ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ ১৯৩. অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন — ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ১৯৪. অধ্যাপক মোহাম্মদ মোকবুল হোসেন ভূঁইয়া — ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ ১৯৫. অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান — মার্কেটিং বিভাগ ১৯৬. অধ্যাপক ড. মুবিনা খন্দকার — মার্কেটিং বিভাগ ১৯৭. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক খান — গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ১৯৮. সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন ইসলাম — আবহাওয়াবিজ্ঞান বিভাগ ১৯৯. অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২০০. সহযোগী অধ্যাপক ইঞ্জি. এম. মনজুর হোসেন খান — নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

    ২০১. অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল মঈন — অর্গানাইজেশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগ ২০২. সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান — অর্গানাইজেশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগ ২০৩. সহযোগী অধ্যাপক ড. নীরু বড়ুয়া — পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ ২০৪. অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ২০৫. সহযোগী অধ্যাপক মারিয়া হোসেন — শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ২০৬. সহযোগী অধ্যাপক মন্দিরা চৌধুরী — দর্শন বিভাগ ২০৭. অধ্যাপক ড. কাজী হানিয়াম মারিয়া — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২০৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. কায়সার আহমেদ রকি — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২০৯. সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ২১০.

    অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির — পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

    ২১১. সহযোগী অধ্যাপক এম. রাশেদ আলম ভূঁইয়া — রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২১২. অধ্যাপক ড. সাদিক হাসান — লোক প্রশাসন বিভাগ ২১৩. অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল — রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২১৪. অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ২১৫. অধ্যাপক ড. মাহমুদা খাতুন — সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ২১৬. অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ খান — মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ ২১৭. সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. জেড. এম. শফিউল্লাহ — পরিসংখ্যান বিভাগ ২১৮. সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তী — থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ২১৯. অধ্যাপক ড. আহমেদুল কবির — থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ২২০. সহযোগী অধ্যাপক ড. সৌদ আহমেদ — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

    ২২১. সহযোগী অধ্যাপক ড. সামশাদ নাওরীন — ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ২২২. অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল ইসলাম — উর্দু বিভাগ ২২৩. অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম — উর্দু বিভাগ ২২৪. সহকারী অধ্যাপক অমিও সৃজন সাম্য — উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ ২২৫. অধ্যাপক ড. ফাজরিন হুদা — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৬. প্রভাষক ইনজামাম মাহবুব মজুমদার — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৭. সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া আফরিন — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৮. প্রভাষক দেবাশীষ দাস — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২২৯. প্রভাষক নিলয় রায় —বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২৩০. প্রভাষক রহিমা আখতার — বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ ২৩১. অধ্যাপক ড. শারমিন মুসা — প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ

  • ঢাবিতে প্রচলিত সান্ধ্য আইন নিয়ে ছাত্রীদের ক্ষো/ভ

    ঢাবিতে প্রচলিত সান্ধ্য আইন নিয়ে ছাত্রীদের ক্ষো/ভ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী হলগুলোতে রাতের নির্ধারিত সময়সীমা, প্রবেশে কড়াকড়ি এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধকে কেন্দ্র করে প্রচলিত সান্ধ্য আইনের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। এসব নিয়মকে হয়রানিমূলক ও বৈষম্যমূলক দাবি করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। হলের ছাত্রীদের ন্যায্য প্রবেশাধিকার ও মৌলিক সুবিধাগুলো সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাত দিনের আলটিমেটাম দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কাছে তারা একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন।

    সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কার্যালয়ে ‘বৈষম্যহীন নারী হল চাই’ প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

    বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংসদের সংস্কৃতি সম্পাদক হুমায়রা উপন্যাস বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও অবস্থান ভিন্ন হলেও নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সবাই একমত হয়েছেন। এ লক্ষ্যেই গত রোববার রাতে ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ায় বিভিন্ন হলের নারী প্রতিনিধিদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    স্মারকলিপিতে তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রথমত, বৈধ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে আবাসিক ও অনাবাসিক সব ছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীহলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ছাত্রী হলের মূল ফটকের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে হবে এবং বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে যেকোনো সময় লেট গেট দিয়ে হলে প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে হল থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়াও হয়রানিমুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার শর্তে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মা ও বোনদের হলের অভ্যন্তরে, এমনকি রুম পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে।এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রচলিত সান্ধ্য আইন শিথিল, হলে প্রবেশের সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।

  • মা-বোনসহ ঢাবির ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত

    মা-বোনসহ ঢাবির ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত

    শিক্ষা ডেস্ক:

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা এবং দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গণপিটুনিতে গুরুতর আহত যুবক মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা ডাকাতিয়া নদীরপাড়ে একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ এবং একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

    এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হকার যুবককে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় তিনি মারা যান।

    হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন সদস্য হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরেক মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা কুমিল্লা জেলার হোমনা পৌরসভার লইট্রা গ্রামের মৃত হকার কামাল হোসেনের স্ত্রী ও মেয়ে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায় হলেও কয়েক বছর ধরে তারা লক্ষ্মীপুরে ভাড়া থাকেন।

    নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।

    সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল বলেন, গণপিটুনিতে আহত এক যুবকে হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানোর সময় মারা গেছেন।

    এর আগে সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) রাশেদুল জানিয়েছিলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। আহত একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হন।

  • ঢাবিতে রাজনৈতিক রদবদল; পদত্যাগের হিড়িক

    ঢাবিতে রাজনৈতিক রদবদল; পদত্যাগের হিড়িক

    নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক রদবদল। অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যাপক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের পদত্যাগ দিয়ে শুরু হয়ে তা বিস্তৃত হয়েছে উপউপাচার্য, প্রক্টর এবং সহকারী প্রক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তরে। ধারাবাহিক এই পরিবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে একধরনের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনের এই পুনর্বিন্যাস কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি নতুন ক্ষমতার কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়ার অংশ। আর এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে একচেটিয়া রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

    নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচদিনের মাথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগ করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

    তিনি জানান, দায়িত্বের একটি পর্যায় শেষ হয়েছে এবং নতুন নেতৃত্বের জন্য জায়গা করে দেওয়াই সমীচীন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২৭ আগস্ট উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। তার পদত্যাগের পর নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

    প্রশাসনিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

    ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর সায়মা হক বিদিশা এই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাকে সরিয়ে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

    তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পর বিশ্ববিদ্যালয় এখন তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং এই সময়ে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যৌক্তিক।

    তার পদত্যাগের পর চারুকলা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং (ইসরাফিল রতন)-কে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরপেক্ষভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    এদিকে প্রক্টরের পদত্যাগের পরদিনই সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন মোনামীও পদত্যাগ করেছেন। সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়ার আলোচনা চলছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

    শুধু শীর্ষ পর্যায়েই নয়, রেজিস্ট্রার ভবনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ইতোমধ্যে ব্যাপক রদবদল হয়েছে। একাধিক কর্মকর্তা বদলি, পদায়ন এবং নতুন নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

    একচেটিয়া রাজনৈতিক মেরূকরণে উদ্বেগ

    এদিকে প্রশাসনের এই ধারাবাহিক পরিবর্তনে একচেটিয়া রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একচেটিয়া স্থলাভিষিক্তের মাধ্যমে রাজনৈতিক মেরূকরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একটি অংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, যদি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার ব্যক্তিরা ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদগুলোতে আসীন হন, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এতে সিন্ডিকেটকেন্দ্রিক একটি একমুখী ক্ষমতা কাঠামো গড়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হবে।

    তাদের মতে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে বহুমাত্রিক মত, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব থাকা জরুরি। অন্যথায় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণা পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন নতুন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

    তিনি বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন তারা স্বেচ্ছায় করেছেন এবং কাউকে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে অভিজ্ঞতা, জ্যেষ্ঠতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক প্রশাসনেরই নিজস্ব কাজের ধরন থাকে। যাদের সঙ্গে কাজ করলে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব, তাদেরই বেছে নেওয়া হয়।’

  • ঢাবির সহকারী প্রক্ট র শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

    ঢাবির সহকারী প্রক্ট র শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়লেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

    সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লেখেন, ‘I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.’

    তিনি জানান, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা ভাবেননি কখনো।

    তবে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর দায়িত্বটি নিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বলে জানান তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!!

    তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার উপর আমার ডিপার্ট্মেন্টের বড় ভাই -স্যার, আমি মানা করবো!???

    সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, গত ২ টি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছি, কিভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কিভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।

    তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।

    নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া বলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করবো না। আমি জানিও না ট বি ট্রু।

    তিনি লেখেন, আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সাথে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।

    নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভকামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, It was an absolute honour to serve with my team and under the leadership of our Proctor Saifuddin Ahmed sir.

    এছাড়া তিনি আরও লেখেন, Congratulations to our new Proctor and his team. Wishing this team all the best in carrying out this significant responsibility

  • পদত্যাগ করেছেন ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ

    পদত্যাগ করেছেন ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ। আজ রোববার দুপুর ২টার দিকে উপাচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

    আজ বিকেল পৌনে ৪টার দিকে সমকালকে এ তথ্য জানান তিনি নিজেই। সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে কাজ করেছি। প্রশাসনে ঝুঁকি ছিল সেই ঝুঁকির সময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয় অনেকটাই শান্ত। এখন সবকিছু একটা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রক্টর হিসেবে অনেক দায়িত্ব; সেই দায়িত্ব থেকে আমি একটু মুক্ত থাকতে চাই। তাই, পদত্যাগ করেছি।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো চাপে নয়; ব্যক্তিগত কারণেই আমি পদত্যাগ করছি।

    এর আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।