ট্যাগ জামালপুর

  • চমক নিয়ে আসছে জামালপুরের ইত্যাদি

    চমক নিয়ে আসছে জামালপুরের ইত্যাদি

    ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে সীমান্তবর্তী জেলা নকশিকাঁথার জামালপুরে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়েছে বকশীগঞ্জ উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সবুজ বনানী ও লেক পরিবেষ্টিত লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রের উন্মুক্ত চত্বরে। ইত্যাদির ধারণকে ঘিরে পুরো জামালপুর জেলাতেই ছিল উৎসবের আবহ।

    এবারের পর্বে থাকছে দুটি ভিন্ন ধরনের গান। এর একটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রোতৃপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পান্থ কানাই ও তসিবা বেগম- টেলিভিশন পর্দায় যাদের প্রথম আবির্ভাব ঘটেছিল ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমেই। লিটন অধিকারী রিন্টুর কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সুমন কল্যাণ।

    বরাবরের মতো এবারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জেলা পরিচিতিমূলক নৃত্যগীত। দ্বৈত কণ্ঠে গেয়েছেন মিজান মাহমুদ রাজীব ও সিঁথি সাহা, যাদের বাড়িও এই জামালপুরে। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা।

    ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত আয়োজন দর্শক পর্বের প্রথা অনুযায়ী, ধারণস্থান জামালপুরকে কেন্দ্র করে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করা হয় চারজন দর্শককে। ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত পর্বগুলোর মতো এবারও থাকছে বেশ কিছু তথ্যবহুল প্রতিবেদন। জামালপুরের অর্থনীতি ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক ‘নকশিকাঁথা’ এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘মিল্লি’ বা ‘পিঠালি’র ওপর বিশেষ প্রতিবেদনের পাশাপাশি জামালপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদের ওপর একটি তথ্যভিত্তিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম জামালপুরের ‘তুলসীপুর ঘোড়ার হাট’-এর ওপর রয়েছে একটি ভিন্নধর্মী প্রতিবেদন। জামালপুরে নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত পরিবার, অভাবের তাড়নায় বাল্যবিবাহের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার- এসব নিয়ে রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন।

    এ ছাড়া জামালপুরে জন্ম নেওয়া চারজন কালজয়ী গুণী ব্যক্তিত্বের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। ‘ইত্যাদি’র এই পর্ব ২৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।

  • জামালপুর গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

    জামালপুর গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় রাতে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    আজ সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত।

    অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

    ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে আসামিরা বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়।

    মামলায় ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ ছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

    অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁকে খালাস দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।